জাতীয়

নির্বাচিত ৯ লাখ ৮০ হাজারের বেশি, ৪১৬টি কলেজ শিক্ষার্থী পায়নি

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
নির্বাচিত ৯ লাখ ৮০ হাজারের বেশি, ৪১৬টি কলেজ শিক্ষার্থী পায়নি
নির্বাচিত ৯ লাখ ৮০ হাজারের বেশি, ৪১৬টি কলেজ শিক্ষার্থী পায়নি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন। আবেদন করেও আসন পায়নি ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেও নির্বাচিত হয়নি।

আজ বুধবার রাতে প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাবে। এবার সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ১১টি কলেজে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থী আবেদনই করেনি। আর ৪১৬টি কলেজে আবেদন করা হলেও কোনো আসন বরাদ্দ করা হয়নি। এবার ভর্তিযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৮ হাজার ১৮০টি।

একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে ২ সেপ্টেম্বর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল, গত রোববার তা শেষ হয়। সব কার্যক্রম শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।

ভর্তির জন্য এবার মোট আবেদন করেছিল ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ জন শিক্ষার্থী।

এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কয়েক বছর ধরেই এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভর্তি হয় পৃথক প্রক্রিয়ায়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি। তাদের মধ্যে পৌনে দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদনই করেনি।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
যুক্তরাজ্য–ইসরায়েল মুখোমুখি, পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা—আন্তর্জাতিক চাপে কি নেতানিয়াহু
যুক্তরাজ্য–ইসরায়েল মুখোমুখি, পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা—আন্তর্জাতিক চাপে কি নেতানিয়াহু

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি ও বাণিজ্যের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল। পূর্ব জেরুজালেমে যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা। ইসরায়েলের এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াই বলে দিচ্ছে, এই মুহূর্তে পাল্টাপাল্টি এ ঘটনা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাজ্যসহ মোট ১২টি দেশ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিয়েছে; যদিও ইসরায়েলের ক্ষোভের সবচেয়ে বড় ধাক্কা যুক্তরাজ্যকেই সামলাতে হচ্ছে। লন্ডনের কর্মকর্তারা সব সময়ই জানতেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে নিজেদের নীতির এমন নাটকীয় পরিবর্তনের জেরে ইসরায়েলের কাছ থেকে বৈরী প্রতিক্রিয়া আসবে। কিন্তু ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া যে এত দ্রুত ও তীব্র হবে, তা হয়তো ভাবতে পারেননি।ইসরায়েল গত সপ্তাহে পূর্ব জেরুজালেমে যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকেও ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের সরিয়ে দিয়েছে, যা খুবই বৈরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট থেকে পশ্চিম তীরে অভিবাসনসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো এবং রামাল্লায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা হতো।লন্ডনের কর্মকর্তারা সব সময়ই জানতেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে নিজেদের নীতির এমন নাটকীয় পরিবর্তনের জেরে ইসরায়েলের কাছ থেকে বৈরী প্রতিক্রিয়া আসবে। কিন্তু ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া যে এত দ্রুত ও তীব্র হবে, তা হয়তো ভাবতে পারেননি।আর গত বছর প্রতিষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টারটির কাজ ছিল, গাজা উপত্যকায় স্থিতিশীলতা ফেরানো ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করা।এ থেকে বোঝা যায়, যুক্তরাজ্য ও আরও ১১টি দেশের নেওয়া পদক্ষেপে ইসরায়েল কতটা গভীর উদ্বিগ্ন। যদিও পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিগুলোয় উৎপাদিত পণ্য ইসরায়েলের মোট রপ্তানির খুব বড় অংশ নয়। কিন্তু এসব পণ্যকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার রাজনৈতিক তাৎপর্য অনেক।পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশগুলোর মধ্যে স্পেন, ফ্রান্স ও কানাডাও রয়েছে।ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লার কাছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বাড়ি। ১৪ আগস্ট, ২০২৬ বহু বছর ধরেই যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশের সরকার অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ বলে মনে করে আসছে, তবে এত দিন তারা এসব বসতিতে উৎপাদিত বা চাষ করা পণ্য নিষিদ্ধ করার পথে যায়নি।২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এক রায়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতিসহ পুরো দখলদারত্ব বেআইনি বলে ঘোষণা করেন। যুক্তরাজ্য ওই রায়ের সঙ্গে একমত ঘোষণা করেছে। —এড মিলিব্যান্ড, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পশ্চিম তীরের কিছু এলাকায় ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নির্মূলের জন্য এরাই দায়ী। আর ইসরায়েল সরকার এ বিষয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে, এটা সত্যিই বিস্ময়কর।এখন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলছেন, সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও এটির (পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারত্ব বেআইনি মনে করা) প্রতিফলন থাকা উচিত।তবে শুধু পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং বসতিগুলোয় নির্মাণকাজ, অবকাঠামো উন্নয়ন বা অর্থায়নে সহায়তা করে—এমন কোম্পানিগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলে এমন অস্ত্র বিক্রির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যেগুলো দখলদারত্বকে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে।এসব পদক্ষেপ অনেকের কাছে ধারণার চেয়েও অনেক বেশি কঠোর মনে হয়েছে।এড মিলিব্যান্ড নিজে একজন গর্বিত ব্রিটিশ ইহুদি। তিনি সব সময় ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি নিজের অবিচল সমর্থন প্রকাশ করেছেন। এরপরও তিনি তাঁর পূর্বসূরিদের প্রায় সবার চেয়ে খোলাখুলি ও স্পষ্ট ভাষায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সমালোচনা করেছেন।মিলিব্যান্ড বলেছেন, ‘ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পশ্চিম তীরের কিছু এলাকায় ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নির্মূলের জন্য এরাই দায়ী। আর ইসরায়েল সরকার এ বিষয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে, এটা সত্যিই বিস্ময়কর।’২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এক রায়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতিসহ পুরো দখলদারত্ব বেআইনি বলে ঘোষণা করেন। যুক্তরাজ্য ওই রায়ের সঙ্গে একমত ঘোষণা করেছে।পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির ওপর যুক্তরাজ্যের এ নিষেধাজ্ঞাকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতিতে এক ‘নতুন শুরুর’ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছেন মিলিব্যান্ড।যদিও ইসরায়েল–যুক্তরাজ্যের গত সপ্তাহের ঘোষণাগুলো শুনে অনেকের কাছে মনে হয়েছে, এটি যেন তাদের নীতিতে একেবারে আমূল পরিবর্তন। এর ফলে দুই দেশের সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে। —হুসাম জোমলট, লন্ডনে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতব্রিটেনের সাহসী পদক্ষেপগুলো ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী, পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পথ সুগম করতে সহায়তা করবে।অনেক ইসরায়েলিও মনে করেন, বসতি স্থাপনকারীদের কারও কারও সহিংস ও উগ্র মতাদর্শ ভীষণ উদ্বেগজনক। কেউ কেউ তাঁদের দেশের জন্য লজ্জার কারণ বলেও মনে করেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে তাঁরা ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধে দখল করা ভূখণ্ডে গড়ে তোলা ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ মনে করেন।পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডাঅধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরনে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সাপ্তাহিক পরিদর্শনের সময় পাহারা দিচ্ছেন ইসরায়েলি সেনারা। ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্ট গত বছর তাঁর উত্তরসূরি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে ‘আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে রাষ্ট্রে’ পরিণত করার অভিযোগ তুলেছিলেন। অধিকাংশ ইসরায়েলিই যে তাঁর এ বক্তব্যের সঙ্গে তীব্রভাবে দ্বিমত পোষণ করবেন, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।তবে আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র নিন্দার চাপ যে ক্রমেই নেতানিয়াহুকে ঘিরে ফেলছে, সেটি ইসরায়েলিরা অনুভব করতে পারেন। ইউরোভিশন কিংবা বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ থেকে শুরু করে তাঁদের নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং এখন বসতিগুলোয় উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে এ পরিস্থিতি ইসরায়েলিদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে এবং তাঁরা আত্মরক্ষামূলক মনোভাবের দিকে ঝুঁকছেন।আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র নিন্দার চাপ যে ক্রমেই নেতানিয়াহুকে ঘিরে ফেলছে, সেটি তাঁরা অনুভব করতে পারেন। ইউরোভিশন কিংবা বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ থেকে শুরু করে তাঁদের নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং এখন বসতিগুলোয় উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে এ পরিস্থিতি ইসরায়েলিদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে এবং তাঁরা আত্মরক্ষামূলক মনোভাবের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন।অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের জন্য এটি লক্ষ্যপূরণের পথে দারুণ অগ্রগতি মনে হতে পারে।ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশগুলোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত এবং ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন কার্যক্রম বন্ধে জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।লন্ডনে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলট ব্রিটিশ সরকারের ওই সিদ্ধান্তকে ‘যুক্তরাজ্য ও ফিলিস্তিনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য কেন কঠোর পদক্ষেপ নিলরাষ্ট্রদূত জোমলট বলেন, ‘ব্রিটেনের সাহসী পদক্ষেপগুলো ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী, পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পথ সুগম করতে সহায়তা করবে।’কিন্তু জোমলট জানেন, বাস্তবতা ভিন্ন। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের ৫৯ বছরের দখলদারত্ব শেষ হওয়ার কোনো বাস্তব সম্ভাবনা নেই। এমনকি এতে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনও আসেনি।একটি কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা এখনো অত্যন্ত ক্ষীণ। আর আপাতদৃষ্টিতে ইসরায়েলের পশ্চিম তীর দখল করে নেওয়ার যে অনিবার্য প্রক্রিয়া চলছে, ১২টি দেশের সম্মিলিত পদক্ষেপে তা থামবে—এমন লক্ষণও এ পর্যন্ত খুব কম। এমন প্রভাব খাটানোর ক্ষমতা একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের আছে।১৯৯১ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস বেকার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক শামিরের সরকারের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণের নিশ্চয়তা আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। কারণ, কট্টরপন্থী অবস্থানের জন্য পরিচিত শামির যুক্তরাষ্ট্রকে এ প্রতিশ্রুতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন যে তাঁর সরকার এ অর্থ দখলীকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের কাজে ব্যবহার করবে না।বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত নেতানিয়াহুর বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা ঠেকানোর বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিতে আগ্রহ দেখাননি।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
চকচকে চালের কাছে হেরে যাচ্ছে লালচে চাল, বন্ধ হচ্ছে হাসকিং মিল

চকচকে চালের কাছে হেরে যাচ্ছে লালচে চাল, বন্ধ হচ্ছে হাসকিং মিল

গাড়িঋণে সুদহার কমে ১০ শতাংশের নিচে

গাড়িঋণে সুদহার কমে ১০ শতাংশের নিচে

মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলা বলে প্রচারিত ভিডিওটি ২০২৫ সালের মদিনার

মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলা বলে প্রচারিত ভিডিওটি ২০২৫ সালের মদিনার

দাবানল থামাতে ছাগল যেভাবে কাজ করে
দাবানল থামাতে ছাগল যেভাবে কাজ করে

চলতি বছর গ্রীষ্মে ইউরোপীয় ইউনিয়নে এক হাজার ৭৫০টিরও বেশি দাবানল লেগেছে। আর প্রতি গ্রীষ্মেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া প্রস্তুত হয় দাবানলের মৌসুমের জন্য। তবে আজকাল সেখানে দাবানল ঠেকাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ছাগল। কিন্তু ছাগল কি সত্যিই দাবানল প্রতিরোধে সাহায্য করে?আসলে আমরা যেভাবে ভাবছি, ছাগল সেভাবে সরাসরি আগুন নেভাতে কোনো সাহায্য করে না। তবে সঠিকভাবে ছাগলের পাল ব্যবহার করলে দাবানলের তীব্রতা ও ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। বিভিন্ন গবেষণা ও অগ্নিনির্বাপণ সংস্থাগুলো আসলে কী বলছে এই বিষয়ে?ফ্রান্স ও স্পেনের বিশাল দাবানল নেভাতে অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা বিমান খুঁজে পাচ্ছেন না। এমন সময় জলবায়ুর এই সংকট মোকাবিলায় অভিনব এক সমাধান হয়ে দাঁড়িয়েছে ছাগল ও ভেড়ার দল। শুনতে অবাক লাগলেও ভবিষ্যতে দাবানল ঠেকানোর কাজটা কিন্তু নির্ভর করছে পর্যাপ্ত ছাগল পাওয়ার ওপর।বিশ্বজুড়ে ২০২৬, কিন্তু ইথিওপিয়ায় কেন ২০১৯ সালের নববর্ষ উদ্‌যাপন করা হচ্ছেবনে বা ঝোপঝাড়ের শুকনা পাতা ও গাছপালা খেয়ে অগ্নিনিরোধক পথ বা ‘ফায়ারব্রেক’ তৈরি করতে তৃণভোজী প্রাণীদের এই ব্যবহার এখন ইউরোপজুড়ে বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশন ও কৃষকদের বড় বড় সংগঠনগুলোও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধারণাকে মেনে নিয়েছে। স্পেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ছাগল ও ভেড়ারা বনের ছোট ছোট ঝোপঝাড় খেয়ে ফেলায় সেখানে আগুন বেশি দূর ছড়াতে পারেনি।অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের মতো মেষপালকদের কাজের গুরুত্বও আমাদের সমানভাবে বোঝা দরকারউপায়টি খুব জটিল প্রযুক্তিনির্ভর না হলেও এতে কিছুটা খরচ আছে। মেষপালকদের এই কাজে টিকিয়ে রাখতে সরকারি সাহায্যের দরকার পড়ে। তবে অগ্নিনির্বাপণ বিশেষজ্ঞদের মতে বড় সমস্যা অন্য জায়গায়। নেতারা আগুন লাগার পর তা নেভাতে যত টাকা ঢালেন, আগুন যাতে না লাগে সেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় ততটা বরাদ্দ দেন না।স্পেনের দাবানল গবেষণাকারী সংস্থা ‘পাউ কোস্টা ফাউন্ডেশন’-এর প্রধান জর্দি ভেন্ড্রেল। তিনি জানান, অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের মতো মেষপালকদের কাজের গুরুত্বও আমাদের সমানভাবে বোঝা দরকার।এদিকে ফ্রান্সে দাবানল বাড়ায় কৃষকেরা নিজেদের পানির ট্যাংক নিয়ে অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে নেমে পড়েছেন। তবে গ্রামে কৃষকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাওয়াও এক বড় সংকট।ইনানী জাতীয় উদ্যানে যেভাবে মেঘলা চিতার দেখা মিললবিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে জ্বলছে দাবানল। ধোঁয়ায় ঢেকেছে আকাশ। সড়ক দিয়ে এগিয়ে চলেছে একটি গাড়ি। গতকাল স্পেনের আলমেরিয়া অঞ্চলেমানুষ যখন চাষাবাদ ছেড়ে দেয়, তখন সেই পরিত্যক্ত জমিতে ঘাস ও ঝোপঝাড় জমে শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার কৃত্রিম উপগ্রহ ‘কোপার্নিকাস’ দেখিয়েছে, বর্তমানে ইউরোপের যেসব জায়গায় বড় দাবানল ছড়াচ্ছে, সেগুলো মূলত এই ধরনের ঝোপঝাড় আর পরিত্যক্ত বনভূমির অংশ।বনে ছাগল বা গবাদিপশু চরানোর জন্য পর্যাপ্ত চারণভূমি থাকলেও রাখালদের জন্য অর্থনৈতিক লাভ খুব একটা নেই। লাভজনক না হলে তরুণেরা ছাগল পালনে উৎসাহ পাবে না। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পেশাকে টিকিয়ে রাখতে এবং দাবানলপ্রবণ এলাকা সুরক্ষায় রাখালদের বিশেষ সরকারি তহবিল বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া জরুরি।বনে বা ঝোপঝাড়ের শুকনা পাতা ও গাছপালা খেয়ে অগ্নিনিরোধক পথ বা ‘ফায়ারব্রেক’ তৈরি করতে তৃণভোজী প্রাণীদের এই ব্যবহার এখন ইউরোপজুড়ে বেশ জনপ্রিয় হচ্ছেকাতালুনিয়ার ‘ফায়ার ফ্লকস’ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি সহায়তায় ছাগল ও ভেড়ার পালকে বনের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই পশুগুলো বনের ছোট ছোট ঝোপঝাড় খেয়ে আগুন ছড়ানোর সুযোগ কমিয়ে দেয়। আবার এসব পশুর দুধ দিয়ে তৈরি পনির ও দই বাজারে বিশেষ লেবেল লাগিয়ে বিক্রি করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষও এই উদ্যোগে উৎসাহিত হন। স্পেনের ‘কুসো’ এলাকায় এই কাজের জন্য ব্যবহৃত গরুর মাংসের চাহিদাও এখন সবচেয়ে বেশি।একসময় বনের আশপাশের জমি অর্থনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এখন তা কমে যাওয়ায় বনের যত্ন নেওয়ার মানুষ নেই। অথচ গবাদিপশু চরানোর মাধ্যমে পরিবেশদূষণ না করেই দাবানল প্রতিরোধ করা সম্ভব।স্পেনের মাদ্রিদে সম্প্রতি ২৭ হাজার হেক্টর বন পুড়ে যাওয়ার পর সরকার মাত্র ৩ হাজার ৭০০ হেক্টর বনে ছাগল চরানোর পরিকল্পনা নিয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। গবেষকেরা মনে করেন, শুধু ছাগল চরানোই একমাত্র সমাধান নয়। তবে একে বাদ দিয়েও উপায় নেই। কারণ, চারণকারী প্রাণী না থাকলে বনের ঝোপঝাড় বারবার গজিয়ে উঠতেই থাকবে। নেতাদের উচিত কেবল আগুন লাগলে নেভানোর কথা না ভেবে, আগে থেকেই পুরো বনাঞ্চলকে সঠিকভাবে চারণভূমির মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখা।সূত্র: ইউরো পলিটিকো, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকআবার ফিরছে সিডি ও ক্যাসেট, কারণ কী

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
হাওরের মাছেই ভরসা

হাওরের মাছেই ভরসা

আপনি কত পার্সেন্ট বাঙালি

আপনি কত পার্সেন্ট বাঙালি

তালের পায়েসের রেসিপি

তালের পায়েসের রেসিপি

অবশেষে বিয়ে করছেন 'দুষ্টু কোকিল', প্রি-ওয়েডিং ফ্ল্যাশব্যাকে দেখুন তাঁর ১৩টি বোল্ড লুক
অবশেষে বিয়ে করছেন 'দুষ্টু কোকিল', প্রি-ওয়েডিং ফ্ল্যাশব্যাকে দেখুন তাঁর ১৩টি বোল্ড লুক

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও ফ্যাশন নিয়েও অনুরাগীদের আগ্রহের কমতি নেই। বারবার বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও তা নাকচ করে আসছেন এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরে পর্দায় নিজের অভিনয়দক্ষতা দিয়ে দর্শকের মন জয় করা মিমিকে নানা সময় দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন স্টাইলের পোশাকে। কখনো গ্ল্যামারাস, কখনো এলিগ্যান্ট, আবার কখনো একেবারে ছিমছাম সাজে—প্রতিটি লুকেই নিজের মতো করে নজর কেড়েছেন মিমি। এবার তাঁর জীবনে আসতে চলেছে নতুন অধ্যায়। শোনা যাচ্ছে দীর্ঘদিনের প্রেমিক, পেশায় নৌবাহিনীতে কর্মরত এক ব্যক্তির সঙ্গে নভেম্বর মাসে আইনি বিয়ে করতে চলেছেন তিনি। ডিসেম্বর মাসে কালিম্পংয়ে পাহাড়ে হবে বিয়ের আয়োজন। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাই নতুন করে আলোচনায় দুষ্টু কোকিল গান দিয়ে দুই বাংলা জয় করে নেওয়া মিমি। চলুন, তাঁর প্রি-ওয়েডিং ফ্ল্যাশব্যাকে ফিরে দেখা যাক, নানা সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করে নেওয়া কিছু বোল্ড লুক।গোলাপি ওয়ান-শোল্ডার ক্রপ টপের সঙ্গে জুটি হয়েছে ফুল-পাতার প্রিন্টের হাই-ওয়েস্ট স্কার্ট। পুরো সাজে ফুটে উঠেছে একেবারে নিখুঁত সামার ভাইব। সোনালি ও মেটালিক পুঁতির ভারী এমব্রয়ডারি করা কালো শর্ট ড্রেসে দারুণ গ্ল্যামারাস মিমি। পান্না সবুজ ও কালো রঙের ড্রেসে ধরা দিয়েছেন মিমি। ডিপ ভি-নেকের এই ড্রেসে রয়েছে থ্রি-ডি ফ্লোরাল সিকুইন মোটিফ, নিচের অংশে কালো ফ্রিঞ্জ ডিটেইলিং। সঙ্গে পায়ে পরেছেন গ্লিটারি হাই হিল। গলায় পান্না বসানো ডায়মন্ড নেকলেস ও কানে প্রজাপতি আকৃতির ইয়ার কাফ। চুলে রেখেছেন চমৎকার বাবল পনিটেল। শিয়ার সাদা শাড়ির সঙ্গে নজর কাড়ছে মেটালিক গোল্ডেন ব্লাউজ। জমকালো এই লুককে আরও আকর্ষণীয় করতে খোঁপা করেছেন সুন্দরী আর গলায় পরেছেন ডায়মন্ড চোকারআকর্ষণীয় ব্যাকলেস ব্লাউজের সঙ্গে শাড়ির লুকে মিমি চক্রবর্তী। হলুদ রঙে যেন উষ্ণ আলো ছড়াচ্ছেন তিনি। ড্রামাটিক ও বোল্ড এই লুকে মিমি পরেছেন সাদা ব্র্যালেট টপের ওপর কালো ফ্যাব্রিক জড়ানো ক্রপ টপ। বটমে আছে জমকালো এমব্রয়ডারি করা বেল্টের সাদা-কালো স্কার্ট। সঙ্গে কানে পরেছেন সিলভার মেটালিক ইয়াররিংস। হাতে মেটালিক চেইনের স্টেটমেন্ট কাফ। সাদা ও কালো জ্যামিতিক প্রিন্টের স্ট্র্যাপলেস জাম্পসুটে দেখা দিয়েছেন মিমি। এর সঙ্গে গলায় পরেছেন মেটালিক গোল্ডেন চোকার নেকলেস। কানে শোভা পাচ্ছে মানানসই গোল্ডেন ইয়ার কাফঅল ব্ল্যাক এই লুকে মিমি চোখ ধাঁধাচ্ছেন একেবারে। পরেছেন কালো ব্রালেট ও লো রাইজ স্কার্টের সঙ্গে উইংড কেপ বাদামি শর্ট-স্লিভ ক্রু-নেক টপের সঙ্গে চেক প্রিন্টের স্টাইলিশ মিনি স্কার্ট জুটি হয়েছে এই লুকে । স্মার্ট ক্যাজুয়াল এই আউটফিটের সঙ্গে পায়ে পরেছেন ন্যুড রঙের হাই হিল পাম্পস। চোখে কালো শেডস আর কানে গোল্ডেন হুপস  লুকটি সম্পূর্ণ করেছে।রেড লুকে ল্যাটেক্স ওয়ান-শোল্ডার মিনি ড্রেস আর মায়চিং হিলে দেখা দিয়েছেন নায়িকা। সঙ্গে চোখে পরেছেন মানানসই শেডস ডিপনেক, ফুলস্লিভ রয়েল ব্লু ব্লাউজের সঙ্গে ম্যাচিং ফিউশন শাড়ির লুকে মিমি বডি হাগিং কালো গাউন তাঁর পরনে। যেখানে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে এক্সট্রিম কাট-আউট ডিজাইন। অফ-হোয়াইট স্লিভলেস ড্রেসে রয়েছে সাইড হাই-স্লিট ডিটেইলিং।  কানে পরেছেন মেটালিক ফ্লোরাল ডিজাইনের বড় ইয়াররিংস। চুল পেছনে টেনে রেখেছেন স্লিক স্টাইলে। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
২ হাজার ই–মেইল থেকে চুলের রহস্য, জোড়া খুনের রহস্য সমাধানে দম্পতির অবিশ্বাস্য যাত্রা

২ হাজার ই–মেইল থেকে চুলের রহস্য, জোড়া খুনের রহস্য সমাধানে দম্পতির অবিশ্বাস্য যাত্রা

নীতির পরিবর্তনে ঘুরছে পরিবেশবান্ধব গাড়ির চাকা

নীতির পরিবর্তনে ঘুরছে পরিবেশবান্ধব গাড়ির চাকা

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টাকা নেওয়ার ঘটনায় এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টাকা নেওয়ার ঘটনায় এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি

0 Comments