অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে আটক কিশোরের বাসা থেকে সেই আইফোন উদ্ধার
অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে আটক কিশোরের বাসা থেকে সেই আইফোন উদ্ধার

<p>কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার পর তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত আটটার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন সালমানপুর এলাকায় এক কিশোরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ফোনটি উদ্ধার করে জেলা পুলিশের একটি দল। ওই কিশোরকে অপ্রতিমের নিখোঁজ হওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে আটক করা হয়েছিল।</p><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে। পুরো ঘটনার বিস্তারিত জানাতে রোববার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e5a8iiueq9">‘এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি—আমরা দিতাম’</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/1viq5ptyrk">‘কাকা, একটা বাচ্চা পড়ে আছে’—যেভাবে জঙ্গলে পাওয়া গেল অপ্রতিমের লাশ</a></aside><p>জেলা পুলিশের বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কুমিল্লায় কর্মরত এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেও আইফোন উদ্ধারের বিষয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে দেখা যাওয়া কিশোরের বাড়ি থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা আইফোনটি উদ্ধার করেছেন। অপ্রতিম তার মায়ের এই আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়।</p><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য ও আলামতে অপ্রতিমকে ওই আইফোনের জন্যই হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে—এমন বিষয় অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে।</p><p>তবে হত্যার উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।</p><p>জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান শনিবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা পুরো ঘটনার বিস্তারিত রোববার দুপুর ১২টার সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরব। সেই পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/6ev0pzlibn">কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের লাশ জঙ্গল থেকে উদ্ধার</a></aside><p>জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছিল। একটি ফুটেজে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে অপ্রতিমের সঙ্গে এক কিশোরকে দেখা যায়। ওই কিশোরের বয়স অপ্রতিমের চেয়ে বেশি ছিল এবং তার মাথায় ক্যাপ ছিল। ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে তার গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজেও অপ্রতিমকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে ওই কিশোরকে।</p><p>পরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ওই কিশোরের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা ওই কিশোরের বাড়িতেও যায় লাশ উদ্ধারের আগে। এরপর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হলে শনিবার দুপুরে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর কোটবাড়ি এলাকা থেকে ওই কিশোরকে আটক করে ডিবি পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাত আটটার দিকে সালমানপুর এলাকায় তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের মায়ের আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5g4d5w8jov">অপ্রতিমের জানাজা–দাফন রোববার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শোক ঘোষণা</a></aside>

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে নেপালের তদন্ত শুরু
বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে নেপালের তদন্ত শুরু

পানি ও শক্তি কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব টিশারাম বারাল বলেন, ‘বিশ্বমানের মানদণ্ডেও এটি একটি বিরল ঘটনা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
বিশ্বে ১০ জনে একজন রোগী ক্ষতির শিকার
বিশ্বে ১০ জনে একজন রোগী ক্ষতির শিকার

বিবিএসের এক জরিপে বলা হয়েছে, দেশে ৩৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসা নিতে গিয়ে অযত্ন বা অবহেলার শিকার হয়।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
মানবমস্তিষ্ক দুটি অঙ্গের সমষ্টি
মানবমস্তিষ্ক দুটি অঙ্গের সমষ্টি

এই আবিষ্কার গবেষকদের প্রথমবারের মতো গবেষণাগারে এক বিশেষ ধরনের মস্তিষ্ক কোষ তৈরি করতে সাহায্য করেছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
আনোয়ারায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, ফেসবুকে ভিডিও
আনোয়ারায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, ফেসবুকে ভিডিও

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে ৪০ থেকে ৫০ জনকে মিছিল করতে দেখা যায়। তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
ধাতুবিদ্যার ইতিহাসেই খুঁজতে হবে সাংস্কৃতিক শিকড়
ধাতুবিদ্যার ইতিহাসেই খুঁজতে হবে সাংস্কৃতিক শিকড়

<p>বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনুসন্ধান করতে হলে ধাতুবিদ্যগত ঐতিহ্যের অনুসন্ধান অত্যন্ত জরুরি। মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় ধাতু ব্যবহারের সঙ্গে অর্থনীতি, যাপিত জীবনের বহুবিধ প্রয়োজন পূরণ, জীবনমানের উন্নয়ন, শিল্পচর্চা থেকে যুদ্ধ পর্যন্ত বহুবিধ বিষয় নিবিড়ভাবে জড়িত। এ কারণে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রামাণিক গবেষণার জন্য ধাতুবিদ্যা নিয়ে ব্যাপক পরিসরে কাজ করতে হবে। আমাদের দেশে এ বিষয়টি নিয়ে এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হয়নি।</p><p>গতকাল শনিবার বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাংলার ধাতুবিদ্যাগত ঐতিহ্য: প্রযুক্তি,কারুশিল্প ও প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা এই মত দিয়েছেন। ইতিহাস ও ঐতিহ্য–বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘হেরিটেজ ফাউন্ডেশন’ এই সেমিনার আয়োজন করে।</p><p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাবেকুন নাহার। প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মাসুদ ইমরান। স্বাগত বক্তব্য দেন হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন।</p><p>প্রধান অতিথি বলেন, নৃতত্ত্বগত দিক থেকে কোনো জাতি সম্পর্কে জানতে হলে তাদের ধাতুবিদ্যাগত সম্পদ সম্পর্কে জানাতে হয়। ইতিহাসে তাম্রযুগ, ব্রোঞ্জযুগ ও লৌহযুগের মতো যুগ বিভাগ করা হয়েছে ধাতুর ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে। আমাদের ধাতুবিদ্যাগত প্রাচীন ঐতিহ্য আছে; কিন্তু তা নিয়ে গভীর কোনো গবেষণা হয়নি। শিল্পকলা একাডেমিও এ বিষয়ে গবেষণা, সংগ্রহ ও সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী বলে তিনি জানান।</p><p>মূল প্রবন্ধে সাবেকুন নাহার মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশে ধাতুর ব্যবহারের বহুমুখিতা, এর প্রভাবের বিস্তৃতি, বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতের পাশাপাশি প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় প্রাচীনকালে ধাতুর ব্যবহার, বিভিন্ন ধাতুর প্রাপ্তির উৎস, কারিগরি দক্ষতা, সাংস্কৃতিক ভূমিকা—এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ধাতু ব্যবহারের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে বর্তমান বেলুচিস্তানের মেহেরগড় এলাকায়। এটি খ্রিষ্টপূর্ব ৬ হাজার বছর আগের। প্রাচীন বাংলার ধাতব নিদর্শন পাওয়া গেছে বিহারের সেনওয়ার এলাকায়। এটি খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ অব্দের। আমাদের দেশে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে মহাস্থান ও উয়ারী–বটেশ্বরে, খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকের শেষ ভাগ থেকে তৃতীয় শতাব্দী কালের।</p><p>সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মাসুদ ইমরান বলেন, বাংলাদেশে প্রত্ন ধাতুবিদ্যা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা আগে হয়নি। এখন পর্যন্ত সাবেকুন নাহারই দেশে এ বিষয়ের একমাত্র বিশেষজ্ঞ–গবেষক। এ বিষয়ে গবেষণার অনেক অন্তরায় রয়েছে। জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সংরক্ষিত নিদর্শন গবেষকদের দিতে বিশেষ আগ্রহী নয়। অথচ আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রামাণিক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য প্রত্নধাতুবিদ্যাগত বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।</p><p>সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় জাদুঘরের কিপার আকসারুজ্জামান নুরী, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতাউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আদনান আরিফ সালিম। আলোচনা পর্বের পরে ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। সেমিনারটি সঞ্চালনা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের পরিচালক সাবেক অতিরিক্ত সচিব আলম আরা বেগম। লেখক, গবেষক, শিল্পী, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অনুরাগী ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব ও ইতিহাস বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী সেমিনারে অংশ নেন।</p>

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কুমিল্লায় অপ্রতীমের হত্যায় কিছু ক্লু পাওয়ার তথ্য পুলিশের, সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
কুমিল্লায় অপ্রতীমের হত্যায় কিছু ক্লু পাওয়ার তথ্য পুলিশের, সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে

কুমিল্লায় ১৩ বছরের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পাশেই জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনজনকে হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে সবশেষ যেসব তথ্য জানা যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
দ্বিতীয় লংমার্চ থেকে যেসব দাবিদাওয়া জানাল জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট
দ্বিতীয় লংমার্চ থেকে যেসব দাবিদাওয়া জানাল জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনের দিন একই সাথে যে গণভোট হয়েছে তার রায় বাস্তবায়নের জন্য জামায়াত ও সমমনা দলগুলো শুরু থেকেই দাবি জানিয়ে আসছে। গত ৬ই অগাস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের এক অবস্থান কর্মসূচি ঢাকাসহ চারটি বিভাগীয় শহরে 'লং মার্চ' ও মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন জোটের নেতা শফিকুর রহমান।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকে বাড়তি বেতন
নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকে বাড়তি বেতন

বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। এই বছরের জুলাই থেকেই বর্ধিত বেতন-ভাতা কার্যকর হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০০ শতাংশ থেকে শুরু সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়িয়ে দুই অর্থবছরে তিন ধাপে এই পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
'একই কায়দায়' ফেলে রাখা ৯ নারীর মরদেহ উদ্ধার দক্ষিণ আফ্রিকায়
'একই কায়দায়' ফেলে রাখা ৯ নারীর মরদেহ উদ্ধার দক্ষিণ আফ্রিকায়

জুলাই মাস থেকে এ অঞ্চলে একই ধরনের পরিস্থিতিতে নয়জন নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে। এসব ভয়াবহ উদ্ধারকাণ্ড আবারও দেশজুড়ে নারী-নির্যাতনের ব্যাপকতা নিয়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
সিএনএন-সহ তিনটি সংবাদ মাধ্যমকে হোয়াইট হাউজে নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প
সিএনএন-সহ তিনটি সংবাদ মাধ্যমকে হোয়াইট হাউজে নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প

রাজনৈতিক ক্যারিয়ার জুড়েই যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ এবং জ্বালাময়ী সম্পর্ক রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
ট্রাম্পের হুমকির পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছালো যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক
ট্রাম্পের হুমকির পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছালো যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক

গ্রিনল্যান্ডকে দখল বা অধিগ্রহণ করার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কয়েক মাসের হুমকির পর এই চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হলো। তিনি জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, প্রতিরক্ষার দিক থেকে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান এবং এর খনিজ সম্পদের কারণে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

Top week

দুই বছর পর তিতাসে ফিরল নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জাতীয়

দুই বছর পর তিতাসে ফিরল নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল ব্রাহ্মণবাড়িয়া

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0