মহাকাশে কি ফুল ফোটানো সম্ভব
মহাকাশে কি ফুল ফোটানো সম্ভব

<p>২০১৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে প্রথম ফুল ফোটানো সম্ভব হয়েছিল। মহাশূন্যে ফুল ফোটানো বেশ কঠিন ছিল। গাছের গোড়ায় কতটা পানি দিতে হবে, অন্য কী ধরনের যত্ন নিতে হবে, এসবের অনেক কিছুই প্রায় অজানা ছিল। তা ছাড়া মহাশূন্যে মাইক্রো গ্র্যাভিটিতে (সীমিত মহাকর্ষ বল) ফুল গাছ কীভাবে বেড়ে উঠবে, সেটাও এক সমস্যা। শেষ পর্যন্ত নভোচারী স্কট ক্যালি ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ টুইট করে জিনিয়া ফুল ফোটানোর সুসংবাদ দিয়েছিল। মহাশূন্যে এই প্রথম গাছে ফুল ফোটানো সম্ভব হলো। মহাশূন্যে জিনিয়ার বেড়ে ওঠার সময় একটু বেশি, ৬০ থেকে ৮০ দিন। নাসা একে উদ্ভিদের মহাকাশ জয় বলে বর্ণনা করেছে। অনেক দিন ধরেই নভোচারীরা চেষ্টা করছিলেন। </p><p>নাসা জানিয়েছে, ওরা ২০১৪ সালের মে মাসে মহাশূন্যে কক্ষপথে পরিক্রমণরত স্পেস ল্যাবে সবজি চাষের উপযুক্ত ব্যবস্থা স্থাপন করে। প্রথম সবজি ছিল লাল লেটুস। প্রথম দুটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এর পরের বার সফল হয়। সবজির পর এল ফুলের সাফল্য। মহাশূন্যে ফুল ফোটানো সম্ভব হওয়ার পর এখন আশা করা যায় ভবিষ্যতে অন্যান্য শাকসবজি, ফলমূলও ফলানো যাবে। এভাবে মহাশূন্যে চাষাবাদের এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। মহাশূন্যে মহাকাশচারীদের খেয়ে-পরে দিন কাটানো সহজ হবে। এ জন্যই এ ঘটনাটি বিশ্ববাসীর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/m35j15l2tb">মহাকাশে লাখ লাখ স্যাটেলাইট পাঠালে কী হবে</a></aside>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বাগ্‌দান ভাঙার গুঞ্জন, জিয়া শঙ্কর লিখলেন, ‘আমরা একে অপরকে ভালোবাসি’
বাগ্‌দান ভাঙার গুঞ্জন, জিয়া শঙ্কর লিখলেন, ‘আমরা একে অপরকে ভালোবাসি’

<p>ভারতীয় অভিনেত্রী জিয়া শঙ্করের বাগ্‌দান ভেঙে গেছে—সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী কারান ধানাককে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করেছিলেন জিয়া। এরপর তাঁর একটি রহস্যময় স্টোরি সেই গুঞ্জন আরও উসকে দেয়।</p><p> তবে এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। জানিয়েছেন, তাঁদের সম্পর্ক এখনো অটুট। মতপার্থক্য থাকলেও একে অপরের পাশে আছেন তাঁরা।</p><p>সমুদ্রসৈকতে তোলা কয়েকটি ছবি গতকাল ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন জিয়া। ছবির সঙ্গে দেওয়া দীর্ঘ বার্তায় তিনি লেখেন, একসঙ্গে জীবন কাটানোর পথ সব সময় সহজ হয় না। তাঁদের জীবনও কোনো বলিউড সিনেমার মতো নয়। অন্য অনেক যুগলের মতো তাঁদের মধ্যেও ভালোবাসা যেমন আছে, তেমনি আছে ঝগড়া ও মতপার্থক্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/eyirb3l9/jiyaashankarofficial17731464973849749850396742329446731754.jpg"><figcaption>জিয়া শঙ্কর</figcaption></figure><p>জিয়া লেখেন, ‘আমরা একে অপরকে অনেক ভালোবাসি, আবার কখনো অনেক ঝগড়াও করি। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। তবে আমরা একে অপরের জন্য আরও ভালো হয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। আমরা নিখুঁত নই। আমরা দুজন সাধারণ মানুষ, যারা প্রেমে পড়েছি এবং একে অপরকে বেছে নিয়েছি। আমরা একে অপরের ভালো বন্ধু। আশা করি, সবকিছু বুঝে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারব।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/zm5xwk53/jiyaashankarofficial17936496074021744797112200615446731754.jpg"><figcaption>জিয়া শঙ্কর ও কারান ধানাক</figcaption></figure><p>বাগ্‌দত্তা ও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে ছড়ানো গুঞ্জনেও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন জিয়া। এ ধরনের অনুমাননির্ভর আলোচনা না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী প্রকাশ করছেন, সে বিষয়ে এখন থেকে আরও সতর্ক থাকবেন। কারান কিংবা তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে ছড়ানো কথার কোনো সত্যতা নেই।<br>এর আগে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে জিয়া লিখেছিলেন, ‘দুটি বিষয় আমি নিশ্চিতভাবে জানি—প্রার্থনায় কাজ হয়, আর সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতিরও পরিবর্তন আসে।’</p><p>পাশাপাশি হৃদয়ভাঙা, বিশ্বাসভঙ্গ ও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ নিয়ে কয়েকটি আবেগঘন ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। এরপরই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।<br>পরে অবশ্য ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অনুমান বা গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ জানান অভিনেত্রী। এমনকি হ্যালোইন উপলক্ষে কারানের সঙ্গে ‘গেম অব থ্রোনস’-এর আদলে সাজানো পোশাকে ছবিও প্রকাশ করেন তিনি। বর্তমানে বাগ্‌দত্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন জিয়া।</p><p><sup>ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে</sup></p>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল,  উত্তীর্ণ ২০০০
এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল, উত্তীর্ণ ২০০০

ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ-২০২৬ পরীক্ষায় ২০০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে হবে।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
২৮ বছরে প্রথম আলো: প্রতিকূলতার মধ্যে সাংবাদিকতা
২৮ বছরে প্রথম আলো: প্রতিকূলতার মধ্যে সাংবাদিকতা

<p><strong>আলোচক:</strong></p><p>সাজ্জাদ শরিফ</p><p>নির্বাহী সম্পাদক, প্রথম আলো</p><p><strong>সঞ্চালক: </strong></p><p>শওকত হোসেন</p><figure></figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের দুই কক্ষে জিতলে কতটা বিপদ হতে পারে ট্রাম্পের
ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের দুই কক্ষে জিতলে কতটা বিপদ হতে পারে ট্রাম্পের

<p>যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে বর্তমানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা এই দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্পের মেয়াদের শেষের দুই বছর অনেকটাই ভিন্ন হতে পারে।</p><p> মধ্যবর্তী নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পান, তাহলে রিপাবলিকানরা তাঁদের সমর্থন ছাড়া ওই কক্ষে কোনো আইন পাস করতে পারবেন না। ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে দুঃসংবাদ হবে, ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধি পরিষদ তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে পারবে।</p><p> প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে আরও কিছু বিপদের মুখে পড়তে পারে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। তদন্তের পাশাপাশি তখন বিভিন্ন নথিপত্র ও সাক্ষীদের তলব করতে পারবেন ডোমোক্রাটরা। এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তৃতীয়বারের মতো অভিশংসনের উদ্যোগও নিতে পারেন তাঁরা।</p><p>আসা যাক সিনেটের হিসাবে। মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাষ্ট্রদূত ও কেন্দ্রীয় বিচারপতিদের নিয়োগের বিষয়টি অনুমোদন করে সিনেট। ডেমোক্র্যাটরা সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ট্রাম্পের অনেক নিয়োগ আটকে দিতে পারবেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন আইন প্রণয়নে হোয়াইট হাউসকে সমঝোতায় আসতে বাধ্য করতে পারবেন।</p><p>রিপাবলিকানরা যদি কংগ্রেসের একটি বা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেন, এরপরও সংখ্যাগরিষ্ঠতা কমে যাওয়ায় সরকার পরিচালনা করা তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে কোনো আইন পাসের জন্য নিজ দলের প্রায় সব সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।</p><p><strong>ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হলে কোন বিষয় তদন্ত করবে</strong></p><p>রাজনৈতিক প্রতিবেদক জোসেফ গিডিয়নের মতে, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলে ডেমোক্র্যাটরা কয়েকটি বিষয়ে তদন্ত শুরু করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে—</p><p>দুর্নীতির অভিযোগ: প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটিতে থাকা শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য রবার্ট গার্সিয়া ট্রাম্প পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগকে তাঁর অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। এ ছাড়া প্রতিনিধি জেমি রাসকিন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য চেয়েছেন।</p><p>এপস্টিন ও ই-মেইল বিতর্ক: প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য রো খান্না ও টমাস ম্যাসির যৌথ উদ্যোগের কারণে গত বছর যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিন-সংশ্লিষ্ট লাখ লাখ নথি প্রকাশ করতে বাধ্য হয় বিচার বিভাগ। তবে শুরুতেই আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নথিগুলো প্রকাশ করতে বিচার বিভাগ ব্যর্থ হয়েছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/jxqpaaty/trump1.jpg"><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>পরে ৬০ লাখ পৃষ্ঠার মধ্যে প্রায় ৩৫ লাখ পৃষ্ঠা প্রকাশ করা হয়। বাকি নথিগুলোকে একই ধরনের হওয়ায় প্রকাশ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছিল। প্রকাশিত কিছু নথিতে অতিরিক্ত তথ্য গোপন করা এবং কিছু নথিতে ভুলবশত ভুক্তভোগীদের নাম প্রকাশে দুই দলের আইনপ্রণেতারাই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এসব বিষয়ে মামলার মুখেও পড়েছে বিচার বিভাগ।</p><p>এমনকি ওভারসাইট কমিটির রিপাবলিকান চেয়ারম্যান জেমস কোমারের নেতৃত্বে এপস্টিন ইস্যুতে দুই দলের সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা দেখা গেছে। এ–সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ সহযোগিতা না করলে তাঁর বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অবমাননার অভিযোগ আনার ক্ষেত্রেও উভয় দলের সদস্যরা প্রায়ই একসঙ্গে কাজ করেছেন। নতুন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা নিয়ন্ত্রণ পেলেও এ তৎপরতা অব্যাহত থাকতে পারে।</p><p>পেন্টাগন ও যুদ্ধসংক্রান্ত ব্যয়: কলোরাডোর কংগ্রেস সদস্য জেসন ক্রো সশস্ত্র বাহিনী ও গোয়েন্দাবিষয়ক কমিটির সদস্য। তিনি হাউসের দুর্নীতিবিরোধী ককাসেরও সহসভাপতি।</p><p>জেসন জানিয়েছেন, তদন্তের শুরুতেই পেন্টাগনের দিকে নজর দেবেন। তাঁর অভিযোগ, প্রতিরক্ষা খাতের অর্থ ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে।</p><p>অভিশংসন: প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যালঘু নেতা হাকিম জেফরিস বলেছেন, এবারও ট্রাম্পের অভিশংসনের বিষয়টি তাঁরা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না। অন্যদিকে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের নেতা স্টিভ স্ক্যালিস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে ডেমোক্র্যাটরা প্রথম দিন থেকেই অভিশংসনের উদ্যোগ নেবেন।</p>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
‘রকস্টার’-এর সমালোচনা নিয়ে যা বললেন রুশো
‘রকস্টার’-এর সমালোচনা নিয়ে যা বললেন রুশো

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/rkstar-er-smalocna-niye-za-bllen-ruso</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
জাতীয় চার নেতাকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত
জাতীয় চার নেতাকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত

<p>মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের স্বাধীনতা সংগ্রামের জাতীয় চার নেতার স্মরণে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী স্থগিত করা হয়েছে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বলছে, অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি থাকলেও পুলিশ এখানে আক্রমন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করায় নিরাপত্তার স্বার্থে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p><p>আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ৬ নম্বর গ্যালারিতে এই প্রদর্শনীর শুরু হওয়ার কথা ছিল।</p><p>জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানের স্মরণে আগারগাঁও এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর তাদের ষষ্ঠ তলার ৬ নম্বর গ্যালারিতে ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতীয় চার নেতা’ শীর্ষক প্রদর্শনীর আয়োজন করে। </p><p>আজ বিকেল চারটায় ছিল ১৫ দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এতে মূল বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল মুক্তযুদ্ধকালীন সরকারের কর্মকর্তা ও সাবেক সচিব ওয়ালিউল ইসলামের। প্রদর্শনীটি আগামী ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলার কথা ছিল। </p><p>মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অন্যতম ট্রাস্টি প্রাবন্ধিক মফিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, অনুষ্ঠান ঘিরে তাদের সব ধরনের প্রস্তুতি ছিল। অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে পুলিশ এসে তাদের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলেন। তারা আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান। যেহেতু এটি একটি জাদুঘর, অনেক মূল্যবান নিদর্শন রয়েছে, তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁরা অনুষ্ঠান স্থগিত রেখেছেন। প্রদর্শনীটি করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।  </p><p>শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সেখানে নিরাপত্তা জনিত ঘাটতি ছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল ফ্যাসিস্টের দোসরেরা অনুষ্ঠানে আক্রমণ করতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তারা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে গিয়ে জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে তাদের অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। এরপর জাদুঘর কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। </p>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বিয়ের পাত্র খুঁজছেন বাঁধন?
বিয়ের পাত্র খুঁজছেন বাঁধন?

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/biyer-patr-khunnjchen-banndhn</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
যেভাবে ডেনমার্কে পাড়ি জমিয়েছিল জামালের পরিবার
যেভাবে ডেনমার্কে পাড়ি জমিয়েছিল জামালের পরিবার

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/zevabe-denmarke-pari-jmiyechil-jamaler-pribar</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বিজ্ঞাপন থেকে সরাসরি সিনেমা
বিজ্ঞাপন থেকে সরাসরি সিনেমা

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/bijngapn-theke-srasri-sinema</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ডেনমার্কের ফুটবল উন্মাদনার গল্প
ডেনমার্কের ফুটবল উন্মাদনার গল্প

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/denmarker-futbl-unmadnar-glp</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
পর্দার বাইরের শাকিব খান কেমন?
পর্দার বাইরের শাকিব খান কেমন?

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/prdar-bairer-sakib-khan-kemn</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের ৫ ম্যাচ, যেগুলো নিয়ে বিতর্ক আজও থামেনি
বিশ্বকাপ ফুটবলের ৫ ম্যাচ, যেগুলো নিয়ে বিতর্ক আজও থামেনি

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/biswkap-futbler-5-mzac-zegulo-niye-bitrk-ajoo-thameni</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
পাঁচ অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল
পাঁচ অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল

আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ–১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
শ্রমিক আন্দোলনে যদি ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশ ঘটে, এর দায়ভার সরকারের: নাহিদ ইসলাম
শ্রমিক আন্দোলনে যদি ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশ ঘটে, এর দায়ভার সরকারের: নাহিদ ইসলাম

পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনকে যৌক্তিক উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সঠিক সময়ে সঠিক পরিকল্পনা নিতে না পারায় শ্রমিক আন্দোলন বড় আকার ধারণ করেছে।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

Top week

CLUB GRADUATE'S CHAMPION TROPHY
খেলাধুলা

জমকালো ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর চ্যাম্পিয়ন দল পাবে প্রাইজ মানি ৫০,০০০/- টাকা

D HASAN অক্টোবর ২৯, ২০২৬ 0