তিব্বত সীমান্তে হিমবাহধসে আকস্মিক প্রলয়ংকরী বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালের বিস্তীর্ণ জনপদ।
বুধবারের ভয়াবহ দুর্যোগের পর চারদিক থেকে সহায়তার প্রস্তাব পায় নেপাল। দেশটির সরকার জানায়, তাদের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে অন্য কোনো দেশের সহায়তার প্রয়োজন নেই।
মুসফিকুরের বাবা আবদুল কাদের বলেন, ‘আমি নিজে লেখাপড়া জানি না। ছেলে কলেজে ভর্তি হতে চায়। কিন্তু আমার কোনো সামর্থ্য নেই।’
<p>নেপালের ভয়াবহ বন্যায় গাছে উঠে প্রাণ বাঁচানো ৮ বছরের জোয়ালকে হাসপাতালে খুঁজে পান মা। পুনর্মিলনের স্বস্তির মধ্যেই নতুন বন্যার শঙ্কায় আতঙ্কে দুর্গতরা। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure></figure>
<p>রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত জাহাজে চেপে উত্তর মেরু ঘুরে এসেছে রাজশাহীর দশম শ্রেণির ছাত্র <strong>মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়</strong>। তার অভিজ্ঞতা শুনেছেন <strong>সজীব মিয়া</strong></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-27/vc7vr8ph/WhatsApp-Image-2026-08-25-at-6.25.47-PM.jpeg"><figcaption>উত্তর মেরুর পথে পারমাণবিক শক্তিচালিত জাহাজে মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়</figcaption></figure><p>ঘড়িতে গভীর রাত, অথচ চারদিকে দিনের আলো। মুরমানস্কে পা রেখেই এটাই ছিল আমার প্রথম বিস্ময়। রাশিয়ার উত্তরের এই অঞ্চলে এখন পোলার ডে—সূর্য অস্ত যায় না, ২৪ ঘণ্টাই চারপাশ জেগে থাকে দিনের আলোয়। </p><p>ঢাকা থেকে মস্কোয় পৌঁছাই ১ আগস্ট দুপুরে। পরদিন বিকেলে প্রায় আড়াই ঘণ্টার ফ্লাইটে আসি এই বন্দরনগরীতে। এখানকার আইসব্রেকারে (বরফে ঢাকা পানিপথে চলার জন্য বিশেষ ধরনের জাহাজ) বন্দর থেকেই আমাদের উত্তর মেরু যাত্রা শুরু হবে। তার আগে ৩ আগস্ট সারা দিন আমাদের মুরমানস্ক ঘুরিয়ে দেখানো হলো। </p><p>রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের আইসব্রেকারে করে উত্তর মেরু ভ্রমণের সুযোগ করে দেয়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এবার বাংলাদেশ থেকে আমি এই সুযোগ পেয়েছি।</p><p>আমি রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। আমার মতো আরও ২১ জন এসেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। মস্কোতেই তাদের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। প্রত্যেকের সঙ্গেই একজন করে অভিভাবক আছেন—কেউ বাবা, কেউ মা, কেউ ভাই বা বোন। আমার সঙ্গে আছেন বাবা। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-27/a2yi2o33/DBV18986A.jpg"><figcaption>বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে</figcaption></figure><p>৪ আগস্ট সকালে আমাদের বন্দরে নিয়ে যাওয়া হলো। আইসব্রেকারের পাশাপাশি কয়েকটি যুদ্ধজাহাজও দেখলাম। জায়গাটি সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকা। রাশিয়ার নৌবাহিনী সেখানকার নিরাপত্তা ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলল চার-পাঁচ ঘণ্টা। রাশিয়ার একটি ব্যান্ড গান শোনাল। অনুষ্ঠান শেষে একে একে আমাদের জাহাজে নেওয়া হলো। আর অভিভাবকেরা ফিরে গেলেন হোটেলে। </p><p>জাহাজে ওঠার পর প্রথম ঘণ্টাখানেক বেশ ভালোই কাটল। পুরো জাহাজ ঘুরিয়ে দেখানো হলো—কোথায় কী আছে, কী করা যাবে, কী করা যাবে না সবকিছু বুঝিয়ে দেওয়া হলো। এরপর নোঙর তুলে জাহাজ চলতে শুরু করল।</p><p>জাহাজ চলতে শুরু করার কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হলো প্রচণ্ড দুলুনি। ঝড় উঠল, উত্তাল হলো সমুদ্র। উঁচু উঁচু ঢেউয়ে জাহাজ এমনভাবে দুলছিল যে মনে হচ্ছিল, এই বুঝি জাহাজ ডুবে যাবে, আমি বুঝি মারা যাব। সি-সিকনেস দেখা দিল। আমিসহ অনেকের প্রচণ্ড বমি হলো। এরপর খাবারও খেতে পারছিলাম না। প্রথম দুই দিন মোশন সিকনেসের মধ্যেই কেটে গেল। </p><h3>প্রথম বরফ, ঘুম এবং পোলার বিয়ার</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-27/g3gsghna/DJI_20260806135613_0372_D_DMTRDBV.jpg"><figcaption>রাশিয়ার এই পারমাণবিক শক্তিচালিত জাহাজে চেপেই উত্তর মেরু ঘুরে এসেছে প্রত্যয়ের মতো স্কুলপড়ুয়ারা</figcaption></figure><p>ধীরে ধীরে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিলাম।</p><p>জাহাজের দিনগুলো ছকে বাঁধা। সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীরচর্চা। নাশতা সেরে যেতে হয় কনফারেন্স রুমে। সেখানে নানা বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সেশন চলে। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। কেউ মেরিন বায়োলজি নিয়ে আলোচনা করেন, কোনো নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানী তাঁর অভিজ্ঞতা বলেন, আবার নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন শোনান তাঁর কাজের গল্প। একদিন হলো এআই নিয়ে সেশন। রাশিয়ার ক্রীড়া ও অলিম্পিকের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও নিজেদের অভিজ্ঞতা শোনালেন। </p><p>সূর্য না ডোবার কারণে সময়ের হিসাবও একটু অদ্ভুত লাগে। আমরা স্বাভাবিক সময়সূচি মেনে চলি। স্থানীয় সময়ের চেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা এগিয়ে একটি সময়সূচি অনুসরণ করি। রাত ১০টার দিকে ঘুমাতে যাই। গভীর রাতে ঘুম ভেঙে বাইরে তাকালে দেখি, দিনের মতো আলো। প্রথম দিকে বিষয়টি বেশ ভয়ংকরই লাগত। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-27/j7wy657g/DBV12228.jpg"><figcaption>জাহাজে নানা বিষয়ে ছিল সেশন</figcaption></figure><p>জাহাজে ওঠার প্রায় তিন-চার দিন পর প্রথম বরফ দেখতে পেলাম। সেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনি, পোলার বিয়ারও দেখা গেছে। কিন্তু তখন আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। পরে ছবি আর ভিডিও দেখলাম। দুটো পোলার বিয়ার জাহাজের আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে। এমন একটা বিরল মুহূর্তে ঘুমিয়ে থাকা কাউকে আলাদা করে ডাকেনি। যে দেখতে পেরেছে, সে নিজের মতো করে বাইরে গিয়ে দেখেছে। আমি ও আমার রুমমেট তখন বেশ ক্লান্তও ছিলাম। তবে নিজের চোখে দেখতে না পেরে একটু আফসোসই হলো। </p><p>জাহাজের ভেতরে সবকিছুই গরম ও স্বাভাবিক। তবে বাইরে তাপমাত্রা মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রুম থেকে বাইরে বের হলেই ঠান্ডায় জড়োসড়ো হয়ে যাই। হিম হয়ে আসা পরিবেশেই জাহাজের ওপরের অংশে, হেলিপ্যাডের মতো একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা সময় কাটাতাম এবং ছবি তুলতাম। </p><p>দিনে দিনে অন্যদের সঙ্গে বন্ধুত্বও। আমার রুমমেট ছিল ইন্দোনেশিয়ার। স্বাভাবিকভাবেই তার সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব হলো। এশিয়ার দেশগুলোর অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভারত ও মিয়ানমারের অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়েছে বেশি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-27/v1jergo1/WhatsApp_Image_2026_08_25_at_6_26_57_PM.jpeg"><figcaption>বাংলাদেশের পতাকা হাতে প্রত্যয়</figcaption></figure><h3>উত্তর মেরুতে লাল-সবুজ হাতে</h3><p>৭ আগস্ট সকালে আমরা নর্থ পোলের কাছাকাছি পৌঁছাই। বরফের স্তর তখন বেশ পাতলা ছিল। কোথায় নামা সম্ভব হবে, সেটি খুঁজে দেখছিলেন আয়োজকেরা। সকালে একটি ছোটখাটো আয়োজন হলেও তখনই আমাদের নামানো হয়নি। পরে বিকেলের দিকে বরফের এমন একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে বরফ বেশ পুরু। সেখানে আমাদের নামানো হলো।</p><p>আমি বরফের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পতাকা হাতে নিলাম। মনে হচ্ছিল, আমি একা নই—আমার দেশও আমার সঙ্গে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। </p><p>নর্থ পোল থেকে ফেরার যাত্রা শুরু হয় ৮ আগস্ট। জাহাজ কিছু সময় সেখানে অবস্থান করার পর আবার চলতে শুরু করে। জাহাজে জীবন চলছিল একই ছকে—সকালে ওঠা, সেমিনার, খাওয়াদাওয়া আর নিয়ম করে ঘুম। বাইরে পানি আর বরফের দুনিয়া। </p> <h3>বাংলাদেশের টি-শার্ট পরা সেই মানুষটি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-28/rwp65r1s/WhatsApp_Image_2026_08_28_at_8_27_16_PM.jpeg"><figcaption>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া রুশ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে</figcaption></figure><p> ১২ আগস্ট ঘটল এক আশ্চর্য ঘটনা। একজনকে দেখি বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত টি-শার্ট পরা। এর আগে এই কয়েক দিনে তাঁকে বেশ কয়েকবার দেখেছি। আইসব্রেকারে এই রুশ একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ছিলেন। ছুটে গেলাম তাঁর কাছে। </p><p>কথা বলে জানতে পারি, তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রায় এক বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশে তাঁর অনেক বন্ধু হয়েছে। এমনকি একটি গ্রামের বিয়েতে যাওয়ার অভিজ্ঞতাও তাঁর আছে। নিজের মুঠোফোনে সেই বিয়ের ছবি দেখালেন। বাংলাদেশের মানুষের আতিথেয়তা এবং মানুষের সঙ্গে তাঁর মিশে যাওয়ার গল্প শুনে বেশ ভালো লাগল। আমরা দুজন ছবি তুললাম।</p><p>পৃথিবীর এত দূরে একজন বিদেশি বিশেষজ্ঞকে বাংলাদেশের জার্সি পরে থাকতে দেখে গর্বই হচ্ছিল।</p><p>ফেরার পথে যাত্রা শুরুর মতো তেমন মোশন সিকনেস হলো না। ১৩ আগস্ট আবার পা রাখলাম মুরমানস্ক বন্দরে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/voke3exyio">বড়শিতে উঠল ৭৬ কেজি ওজনের মাছ</a></aside>
ম্যানিলার বিকেল ধীরে ধীরে নেমে আসে। সমুদ্রের নীল জলরেখায় তখন শেষ আলো, গাছের পাতায় মৃদু বাতাস, আর রিজাল উদ্যানের পথে মানুষের অবিরাম চলাচল। এই শান্ত সৌন্দর্যের মাঝেই হঠাৎ মনে হয়, এই মাটিই একদিন দেখেছিল এক তরুণ কবির শেষ পদচিহ্ন।
সম্প্রচারস্বত্ব পেতে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনার দুই ফুটবল নির্বাহী।
বিয়ের দাবিতে গতকাল শুক্রবার প্রবাসী যুবকের বাড়িতে গিয়ে বসতঘরের সামনে অবস্থান নেন ওই নারী।
তালাতকে আমরা মোটরসাইকেল কিনতে বারণ করেছিলাম। তাই আমাদের না জানিয়েই সে তার বন্ধু ওমরকে নিয়ে মোটরসাইকেল কিনতে গিয়েছিল। নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে ফেরার পথেই দুর্ঘটনাটি ঘটল।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় বাক্প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে (২০) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তাঁর খালাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বৃহত্তর ময়মনসিংহের অনেক মানুষ ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।
দাম কমার পর আজ থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা।
শুরুতে অনেক প্রথমসারির তারকা কেউ কেউ কোনো অর্থই পাননি। আবার কেউ পেয়েছেন। সেই পারিশ্রমিক ছিল খুবই সামান্য।
<p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৬ সালের ২০ মে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৭৮তম অনলাইন পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা.মোহিত কামাল। এইবারের বিষয়টি ছিল — ‘ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কার্যকর বা নিরাপদ বিকল্প নয়।' উক্ত অনুষ্ঠানের আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p>সন্তানরা কেন এই মরণফাঁদে পা দিচ্ছে বলে আপনার মনে হয়? এই প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক ডা.মোহিত কামাল বলেন, ' মূল কারণ হলো অজ্ঞতা এবং বন্ধুদের আড্ডা। তরুণরা বা কিশোররা মনে করে এটি জাস্ট একটা ডিভাইস, এতে কোনো ক্ষতি নেই, এটি কেবল আনন্দের বা মজার জন্য নেওয়া। তারা যখন গোল হয়ে আড্ডা দেয়, একজন অন্যজনকে অফার করে । এমনকি ইদানীং শোনা যাচ্ছে কিছু অসাধু চক্র এই ভ্যাপিং ডিভাইসের লিকুইডের সাথে ইয়াবা বা উদ্দীপক ড্রাগ মিশিয়ে দিচ্ছে । ফলে সন্তানরা অজান্তেই এক ভয়ানক অন্ধকার জগতে তলিয়ে যাচ্ছে ।</p>
এর ইতিহাসটাও বেশ পুরোনো। চীনে কয়েক শতাব্দী ধরে মানুষ এই পদ্ধতিতে ডিম সংরক্ষণ করে আসছে। বিশেষ করে মিং রাজবংশের আমলে প্রচলিত কাহিনিতে এর উল্লেখ পাওয়া যায়। মাটি ও কাঠের ছাই ব্যবহার করার পরে কালো রঙে পরিণত হওয়া ডিমকেই বলা হয় শতবর্ষী ডিম। মূলত এটি মধ্য চীনের হুনান প্রদেশে মিং রাজবংশের শাসন আমলে প্রায় ৬০০ বছর আগে এই পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছিল।
নতুন করে গড়ে উঠছে অন্তত ১২টি রিসোর্ট-কটেজ। কড়াকড়ি থাকলেও নানা কায়দায় পৌঁছে যাচ্ছে ইট, বালু, রড ও সিমেন্ট।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহধসের পর ভোটেকোশি নদীর প্রলয়ংকরী বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ ২ হাজার ৪৭৮ জনের মধ্যে বিদেশি ৭৭৭ জন।
বিআরটিসির অধীনে পিংক বাসে নারী চালক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বাংলাদেশির খামারে ফলছে লাউ, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-23/34i1qmct/Untitled-1-15.jpg"></figure>
এই নিয়মে যেসব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এআই সিস্টেম, এআই আধেয় সরবরাহ বা পরিচালনা করে, তাদের জন্য নতুন বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা হয়েছে।
গতকাল রাতে আল তাওউনের বিপক্ষে আল নাসরের ২-১ গোলে জয়ের ম্যাচে জয়সূচক গোলটি রোনালদোর।
কম বয়সে প্রথম যৌনসম্পর্কের অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরবর্তী জীবনের শারীরিক অবস্থার থাকতে পারে গভীর সম্পর্ক। চাঞ্চল্যকর এই নতুন গবেষণা বলছে, এই বিষয়ে সচেতনতার বিকল্প নেই।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, এ চুক্তির ফলে ভেনেজুয়েলায় প্রায় ১০ হাজার কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ আসবে। এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু তিনি জানাননি।
পরমুহূর্তে ব্যথার চেয়ে যে ভয়টা আমার সারা শরীরকে হিমশীতল করে দিল তা হলো, আম্মা তো আজ আমাকে খুব কঠিন শাস্তি দেবেন।
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকদের পদোন্নতি অদৃশ্য কারণে দীর্ঘদিন আটকে
মন্ত্রিসভায় কে থাকবেন বা থাকবেন না, অথবা কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন, তা প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ ইন অ্যাগ্রিবিজনেস কোর্স। দুই বছরের কোর্সে ৬৪ ক্রেডিট সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন ফি ৫০০ টাকা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্লিং হলান্ড ও রায়ান শেরকির দারুণ পারফরম্যান্সে জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। বুন্দেসলিগায় খুব ভালো শুরু পেয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত বেঙ্গল লজ্জাবতী বানর নিয়ে করা নতুন এক গবেষণায় এমন উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে
কোনো চরিত্রের প্রয়োজনে নয়, এই ছয় মাস মস্তিষ্কে টিউমারের সঙ্গে লড়াই করেছেন ফিলিপস।
টালিউড সুন্দরীদের মধ্যে ঋতাভরী চক্রবর্তীর আলাদা নামডাক আছে। জিরো ফিগারকে বুড়ো আঙুল দেখানো ঋতাভরী মানেই একরাশ আবেদনময়তা। সম্প্রতি এক ফটোশুটে অন্য রকম লুকে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। রইল বিস্তারিত...
ভাদ্র মাসের বিকেল। সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সোনাই নদ। ঢোলের তালে আর সার বেঁধে বসা মাঝিদের বইঠার ছন্দে এগিয়ে চলেছে তিনটি নৌকা। নদের পাড়ে হাজার হাজার উৎসুক মানুষ।
জন্মভূমি আরাকানে ফিরে যাওয়ার আকুতি নিয়ে লেখা ‘ও আরাকান’ গানটি এখন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে মুখে মুখে
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন