বিনোদন

কনসার্ট নিয়ে নতুন চমক দিলেন দিলজিৎ
কনসার্ট নিয়ে নতুন চমক দিলেন দিলজিৎ

ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়ার পর এবার কনসার্ট নিয়ে নতুন চমক দিলেন পাঞ্জাবি সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ‘অরা ওয়ার্ল্ড ট্যুর’র অনুষ্ঠান চলাকালীনই নিজের পরবর্তী স্টেডিয়াম শোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। আগামী ২১ নভেম্বর ২০২৬ ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে কনসার্ট করবেন দিলজিৎ। শনিবার ওয়েম্বলির মঞ্চে প্রায় ৯০ হাজার দর্শকের সামনে পারফর্ম করার পরই ভারতীয় অনুরাগীদের উদ্দেশে এই ঘোষণা দেন তিনি। ১২ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে পারফর্ম করেন দিলজিৎ। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রথম পাঞ্জাবি সংগীতশিল্পী হিসেবে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে হেডলাইন শো করার নজির গড়েছেন তিনি। পাঞ্জাবি গান, র‍্যাপ ও হিপ-হপের মিশেলে তার পরিবেশনা মুগ্ধ করে দর্শকদের। আরও পড়ুন জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের ওয়েম্বলির মঞ্চ থেকেই ভারতের পরবর্তী কনসার্টের ঘোষণা দিয়ে দিলজিৎ জানান, এবার তিনি হাজির হবেন আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। ভারতের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত এই ভেন্যুতে তার কনসার্ট ঘিরে এরই মধ্যে অনুরাগীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেই ২০২৫ সালে ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লের আলোচিত কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে দিলজিৎ বলেন, ‘ভারতের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে কোল্ডপ্লে এরই মধ্যে নিজেদের অনুষ্ঠান সফল করেছে। এবার সেখানে আমার মতো পাঞ্জাবি শিল্পীরও অনুষ্ঠান হোক।’ ওয়েম্বলিতে বিপুল দর্শকের সামনে পারফর্ম করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন দিলজিৎ। এবার দেশের মাটিতে আরও বড় পরিসরে দর্শকদের সামনে গান পরিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ। পাঞ্জাবি সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়মিত পারফর্ম করে এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে বড় একটি শ্রোতাগোষ্ঠী তৈরি করেছেন তিনি। আরও পড়ুন রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’ ওয়েম্বলির পর আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে কনসার্টের ঘোষণা দিলজিতের ক্যারিয়ারে আরও একটি বড় সংযোজন হতে যাচ্ছে। এখন এই আয়োজনের জন্য অপেক্ষায় তার ভারতীয় অনুরাগীরা। এমএমএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
শুধু প্রেমভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ–সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে এবার রিট
শুধু প্রেমভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ–সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে এবার রিট

শুধু প্রেমভিত্তিক চলচ্চিত্র–নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে এবার রিট করা হয়েছে। জনসাধারণের নৈতিকতা, যুবসমাজের সৃজনশীল মেধা বিকাশ, জাতীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক শৃঙ্খলা সুরক্ষার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরক্ষাভিত্তিক বিষয়বস্তুর প্রচার–সম্প্রচার বাধ্যতামূলক ও অগ্রাধিকার দিতে বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারির আরজি রয়েছে রিটে। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী আবেদনকারী হয়ে আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। গত ২৭ আগস্ট যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধ, সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও সৃজনশীল মেধা বিকাশের লক্ষ্যে শুধু প্রেমভিত্তিক চলচ্চিত্র–নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপে অবিলম্বে কার্যকর ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। সরকারের তিন সচিব ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর ওই নোটিশ পাঠান তিনি।নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে নোটিশদাতাকে অবহিত করতে অনুরোধ জানানো হয়। নোটিশের জবাব না পেয়ে আজ রিটটি করেন বলে জানান আইনজীবী মাহমুদুল হাসান।যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা রোধ এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শুধু প্রেম ও রোমান্সনির্ভর সিনেমা এবং নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে বলে লিখিত এক বার্তায় জানিয়েছেন রিট আবেদনকারী আইনজীবী মাহমুদুল হাসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, অবকাশে (আগামী সপ্তাহে) কিংবা অবকাশ শেষে (২৫ অক্টোবরের পর) রিটের ওপর শুনানি হতে পারে।রিট আবেদনকারী অভিযোগ করেছেন, দেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটকে শুধু প্রেম এবং মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টের অবাধ সম্প্রচার সমাজে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মূলধারার এসব গণমাধ্যমে পরকীয়া, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যভিচার এবং ধর্ষণের মতো বিষয়গুলো অত্যন্ত স্বাভাবিক ও মহিমান্বিত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে। ফলে যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার থেকে মারাত্মকভাবে বিচ্যুত হচ্ছে এবং সমাজের ঐতিহ্যবাহী নৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে চরম সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হচ্ছে।রিট আবেদনকারীর ভাষ্য, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন, ২০২৩’-এর ৫(২) এবং ৮(১) ধারা অনুযায়ী, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা করা এবং এর পরিপন্থী কনটেন্টের অনুমোদন বাতিল করা কর্তৃপক্ষের বিধিবদ্ধ দায়িত্ব। ‘কেব্‌ল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬’-এর ১৯ ও ২০ ধারা অনুযায়ী, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতি করে—এমন যেকোনো সম্প্রচার নিষিদ্ধ করার স্পষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে বিবাদীরা এই আইনি ও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ক্রমাগত ও ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, যা প্রশাসনিক অবহেলার শামিল।রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচারসচিব, সংস্কৃতিবিষয়ক সচিব ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
নতুন পরিচয়ে আসছেন সামিনা চৌধুরী
নতুন পরিচয়ে আসছেন সামিনা চৌধুরী

দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী। মঞ্চ, টেলিভিশন কিংবা চলচ্চিত্র-বিভিন্ন মাধ্যমে গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন তিনি। এবার গানের পাশাপাশি নতুন এক পরিচয়ে আসছেন এই গুণী শিল্পী। নতুন প্রজন্মকে গান শেখাতে গড়ে তুলছেন নিজের সংগীত একাডেমি। সামিনা চৌধুরীর এই উদ্যোগের নাম ‘সামিনাস একাডেমি অব মিউজিক (এসএএম)’। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরই আনুষ্ঠানিকভাবে একাডেমিটির কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে সামিনা চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অনেকেই তাকে গান শেখানোর অনুরোধ করে আসছেন। তার স্বামী ও অনুষ্ঠান প্রযোজক ইজাজ খান স্বপনও নিয়মিত তাকে একটি সংগীত একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই এবার নিজের একাডেমি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা রয়েছে সামিনা চৌধুরীর। সেখানে প্রায় দুই মাস অবস্থান করবেন তিনি। দেশে ফিরে একাডেমির আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেবেন। আরও পড়ুন জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের একাডেমির কার্যক্রমের বড় অংশই অনলাইনে পরিচালিত হবে। ফলে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আগ্রহীরা এখানে গান শেখার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি শেখার ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে অনলাইনে গান শেখার অসংখ্য ভিডিও ও টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। তবে শুধু ভিডিও দেখে ভালোভাবে গান শেখা সম্ভব নয় বলে মনে করেন সামিনা। তার মতে, একজন অভিজ্ঞ শিল্পীর নিয়মিত দিকনির্দেশনা, ভুল শুধরে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীর কণ্ঠ অনুযায়ী অনুশীলনের সুযোগ থাকা জরুরি। শুরুতে একাডেমিতে গানের মৌলিক বিষয়গুলো শেখানো হবে। এর মধ্যে থাকবে কণ্ঠের সঠিক ব্যবহার, সুর-তাল, উচ্চারণ, গানের আবেগ ও পরিবেশনার বিভিন্ন দিক। ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। গানের পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন সামিনা চৌধুরী। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাহমুদুন্নবীর মেয়ে হিসেবে ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছ থেকে সংগীতের প্রথম পাঠ নিয়েছেন তিনি। পরবর্তী সময়ে নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠ ও গায়কির মাধ্যমে তৈরি করেছেন আলাদা পরিচয়। আরও পড়ুন রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’ এর আগে বাবার স্মৃতি ধরে একটি সংগীত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন সামিনা। এবার সেই ভাবনাই নতুন আকারে বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছেন তিনি। তবে একাডেমিটি শুধু নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান নয়, নিয়মিত সংগীত শেখা ও চর্চার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চান এই শিল্পী। অন্যদিকে নিজের সংগীতচর্চাও চালিয়ে যাচ্ছেন সামিনা চৌধুরী। নিয়মিত নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি সম্প্রতি আরও একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ফারুক আনোয়ারের কথায় গানটির সুর করেছেন সম্রাট আহমেদ। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং শেষ হয়েছে। নতুন গানটি প্রসঙ্গে সামিনা বলেন, ‘যারা যেতে চায়, তাদের চলে যেতে দাও, তারা তোমার না’—এই কথাগুলো তার ভালো লেগেছে। গানের সুরও পছন্দ হয়েছে তার। শ্রোতাদের কাছেও গানটি ভালো লাগবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এবার সংগীতশিল্পী হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান সামিনা চৌধুরী। সেই লক্ষ্যেই নিজের একাডেমির মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে তার নতুন পথচলা। এমএমএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
হেমা মালিনীর আগে যে পাকিস্তানি মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র
হেমা মালিনীর আগে যে পাকিস্তানি মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র

বলিউডের কিংবদন্তিতুল্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর ব্যক্তিজীবনও তার দীর্ঘ অভিনয়জীবনের মতোই আলোচিত। বিশেষ করে হেমা মালিনীর সঙ্গে তার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। তবে হেমা মালিনীর আগে ধর্মেন্দ্রর জীবনে এসেছিল আরেকটি ভালো লাগার গল্প। স্কুলজীবনের সেই প্রেম ছিল এক পাকিস্তানি মেয়েকে ঘিরে, যা শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায়নি। ধর্মেন্দ্র দুইবার বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী। তবে হেমার সঙ্গে সম্পর্কের আগে বলিউডের এই অভিনেতার জীবনে ছিল আরও একটি সরল ও আবেগঘন অধ্যায়। সেটি কোনও পরিচিত অভিনেত্রীকে ঘিরে নয়, বরং তার স্কুলজীবনের স্মৃতি। একবার সালমান খানের উপস্থাপনায় ‘দশ কা দম’ অনুষ্ঠানে নিজের ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওলকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। সেখানেই নিজের স্কুলজীবনের প্রেমের কথা বলেছিলেন তিনি। অভিনেতা জানান, সেই মেয়েটির নাম ছিল হামিদা। তিনি ছিলেন ধর্মেন্দ্রর স্কুলশিক্ষকের মেয়ে। ধর্মেন্দ্রর সেই স্মৃতি দেশভাগের আগের পাঞ্জাবের। তখন ভারত-পাকিস্তান আলাদা রাষ্ট্র হয়নি। পাঞ্জাবের একটি গ্রামেই জীবনের বড় একটা সময় কাটিয়েছেন তিনি। সেখানেই স্কুলে পড়ার সময় হামিদার প্রতি তার ভালো লাগা তৈরি হয়। অভিনেতার ভাষ্য অনুযায়ী, তখন তিনি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। বয়স ছিল অল্প। ফলে সেই অনুভূতি ছিল কৈশোরের সরল ও অবুঝ ভালো লাগা। কিন্তু সেই সম্পর্ক কখনো পরিণতি পায়নি। আরও পড়ুন জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের তবে সময়ের সঙ্গে সেই স্মৃতি হারিয়ে যায়নি। বহু বছর পরও স্কুলজীবনের সেই মেয়েটির কথা মনে রেখেছেন ধর্মেন্দ্র। এমনকি সেই অনুভূতিকে একসময় কবিতার আকারও দিয়েছিলেন বলে অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ধর্মেন্দ্রর জীবনে আসে প্রকাশ কৌর। তাকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন এই অভিনেতা। পরে হেমা মালিনীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তিনি। তাদের সম্পর্কও বলিউডে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কিন্তু এসবের বহু আগে, অল্প বয়সেই যে একটি প্রেম তার মনে জায়গা করে নিয়েছিল, সেই গল্প অনেকেরই অজানা। আরও পড়ুন রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’ হামিদার সঙ্গে ধর্মেন্দ্রর সেই সম্পর্ক পূর্ণতা না পেলেও স্মৃতিতে তা রয়ে গেছে। জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সেই কৈশোরের ভালো লাগার কথা নিজেই প্রকাশ্যে বলেছিলেন বলিউডের ‘হিম্যান’ ধর্মেন্দ্র। এমএমএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
লাল শাড়িতে তিশার লাজুক হাসি, দিলেন রহস্যময় বার্তা
লাল শাড়িতে তিশার লাজুক হাসি, দিলেন রহস্যময় বার্তা

প্রায় দুই দশক ধরে অভিনয় দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী ও মডেল নুসরাত ইমরোজ তিশা। সাবলীল অভিনয়ের পাশাপাশি তার সৌন্দর্য ও নিজস্ব ফ্যাশন স্টাইলও বরাবরই প্রশংসিত হয়েছে। এবার শাড়িতে তিশার মিষ্টি ও লাজুক হাসির ছবি নজর কেড়েছে ভক্তদের। মডেলিংয়ের চেয়ে অভিনয়কেই বরাবর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিশা। ফ্যাশন স্টেটমেন্টেও তিনি প্রশংসিত হলেও সাধারণ ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই অভিনেত্রী। বিশেষ করে শাড়িতে তার উপস্থিতি বরাবরই আলাদা নজর কাড়ে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন তিশা। ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে লাল শাড়িতে। সঙ্গে ছিল কাচের চুড়ি ও মানানসই অলংকার। কখনো ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি, আবার কখনো মুখ আড়াল করে লাজুক ভঙ্গিতে পোজ দিয়েছেন অভিনেত্রী। তিশার এমন মায়াবী লুক ও লাজুক হাসি যে ভক্তদের নজর কেড়েছে, তা তাদের মন্তব্য দেখলেই বোঝা যায়। ছবি প্রকাশের পরপরই তার অনুসারীরা নানা প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছেন। তবে শুধু ছবিই নয়, পোস্টের ক্যাপশনেও ছিল রহস্যের আভাস। ছবিগুলোর সঙ্গে তিশা লিখেছেন ‘কোয়ায়েটলি বিকামিং!’ অর্থাৎ নীরবে নিজেকে বদলে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয়ে তার উপস্থিতি কিছুটা কমলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কাজ, পরিবার ও জীবনের নানা বিশেষ মুহূর্ত নিয়মিতই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী।   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
যে কারণে ‘ট্রাইব্যুনাল’ থেকে বেরিয়ে গেলেন নুসরাত ফারিয়া
যে কারণে ‘ট্রাইব্যুনাল’ থেকে বেরিয়ে গেলেন নুসরাত ফারিয়া

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। উপস্থাপিকা হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। এরপর আসেন সিনেমায়। দুই বাংলার সিনেমাতেই তাকে দেখা গেছে। উপহার দিয়েছেন হিট ও ব্যবসা সফল সিনেমা। কাজ করেছেন দুই বাংলার সুপারস্টার নায়কদের বিপরীতে। সম্প্রতি তিনি যুক্ত হয়েছিলেন সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘ট্রাইব্যুনাল’-এ। তবে শুটিং শুরুর আগেই সিনেমাটি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে নুসরাত ফারিয়া জানিয়েছেন, সিনেমাটির অভ্যন্তরীণ কিছু জটিলতার কারণে তার পক্ষে আর কাজটি করা সম্ভব হচ্ছে না। রায়হান খান পরিচালিত সিনেমাটিতে গত বছর যুক্ত হয়েছিলেন ফারিয়া। সিনেমা ছাড়ার প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, রায়হান খান তার কাছের মানুষ। তার সঙ্গে সিনেমাটি নিয়ে কথাও হয়েছিল। তবে পরবর্তীসময়ে সিনেমাটির অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যার কথা জানতে পারেন তিনি। ফারিয়ার ভাষায়, ‘এখানে আইনজীবী চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল। কিন্তু এই সিনেমাটি আমি করছি না। শুনেছি, এই সিনেমার অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যা হয়েছে। এ কারণে সিনেমাটির সঙ্গে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।’ জানা গেছে, সিনেমায় ফারিয়ার অংশের শুটিং এখনো শুরু হয়নি। ‘ট্রাইব্যুনাল’-এর বেশিরভাগ অংশের শুটিং এরই মধ্যে হয়েছে। তবে ফারিয়ার চরিত্রের দৃশ্যগুলো মূলত আদালতকেন্দ্রিক হওয়ায় সেগুলোর শুটিং এখনো বাকি ছিল। এ প্রসঙ্গে ফারিয়া বলেন, ‘আমার পার্টগুলো কোর্টরুম বেজ, তাই শুটিং করিনি। এখন আর সিনেমাটির সঙ্গে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’ ২০১১ সালে চট্টগ্রামে এক নারীকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। সেই ঘটনার অনুপ্রেরণায় নির্মিত হচ্ছে ‘ট্রাইব্যুনাল’। সিনেমাটিতে ন্যায়বিচার, নৈতিকতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের জটিল টানাপোড়েন তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গেছে। নুসরাত ফারিয়ার পাশাপাশি সিনেমাটিতে অভিনয় করার কথা তারিক আনাম খান, সাবেরী আলম, মৌসুমী হামিদ, তানিয়া বৃষ্টি, সায়রা আক্তার জাহান, আদর আজাদ, শাহেদ আলী, মিলন ভট্টাচার্য, অশোক ব্যাপারী, রাকিব হোসেন ইভন ও উপমাসহ অনেকের। নুসরাত ফারিয়া সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তার পরিবর্তে কে ব্যারিস্টারের চরিত্রে অভিনয় করবেন, তা এখনো জানা যায়নি।   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
স্ট্যান্ডবাই মোডেও কি আপনার কথা শুনছে এলজির স্মার্ট টিভি?
স্ট্যান্ডবাই মোডেও কি আপনার কথা শুনছে এলজির স্মার্ট টিভি?

স্মার্ট টিভিতে অনুষ্ঠান দেখা, গান শোনা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর নানা তথ্যও সংগ্রহ করা হয়। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান এলজির স্মার্ট টিভি নিয়ে সাম্প্রতিক এক তদন্তে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, এলজির কিছু স্মার্ট টিভি ঘরের কথাবার্তা রেকর্ড করতে পারে এবং পরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এসব তথ্য প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে পাঠাতে পারে। টিভি ‘স্ট্যান্ডবাই মোডে’ থাকা অবস্থাতেও এমনটি ঘটতে পারে বলে দাবি তাঁদের।ইউটিউব চ্যানেল গেমার্স নেক্সাস ও লেভেল ১ টেকস দুই নিরাপত্তা বিশ্লেষকের সহায়তায় এই তদন্ত চালিয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, এলজির স্মার্ট টিভি ব্যবহারকারীর দেখা কনটেন্টের তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি একই নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য যন্ত্র, আশপাশের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক এবং টিভির মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ধারণ করা অডিও সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এসব তথ্য লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখানোর কাজে ব্যবহার করা হয় বলেও তাঁদের দাবি। গেমার্স নেক্সাসের প্রধান স্টিভ বার্ক সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসকে বলেন, একটি টেলিভিশনকে এ ধরনের তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই। তাঁর মতে, এভাবে তথ্য সংগ্রহ করা ব্যবহারকারীর গোপনীয়তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।তদন্তকারীদের মতে, এলজি টিভির তথ্য সংগ্রহের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি হলো অটোমেটিক কনটেন্ট রিকগনিশন বা এসিআর। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে টিভি অডিও ও ভিডিওর ছোট অংশ সংগ্রহ করে সেগুলো বিভিন্ন কনটেন্টের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারে। এর মাধ্যমে টিভির পর্দায় কী দেখা হচ্ছে কিংবা স্পিকারে কী শোনা হচ্ছে, তা শনাক্ত করা সম্ভব। এসিআর প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যবহারকারীর টেলিভিশন দেখার ও অডিও শোনার অভ্যাস সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা যায়। পরে এসব তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহারকারীর আগ্রহ ও আচরণের ভিত্তিতে প্রোফাইল তৈরি করা হতে পারে বলে তদন্তে দাবি করা হয়েছে।স্মার্ট টিভিতে এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার অবশ্য এলজির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন নির্মাতার স্মার্ট টিভিতে এসিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে দর্শকের দেখার অভ্যাস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে এলজি টিভির ভয়েস রিকগনিশন ব্যবস্থা নিয়ে গেমার্স নেক্সাসের তদন্তে আলাদা কিছু অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, টিভি কোনো ভয়েস কমান্ড শনাক্ত করার পরও আরও ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড পর্যন্ত ‘ট্রিগার উইন্ডো’ সক্রিয় থাকে। এই সময় ঘরে বলা কথাবার্তা টিভি রেকর্ড করতে পারে। পরে রেকর্ড করা কথাগুলো লিখিত রূপে রূপান্তর করে টিভির মেমোরিতে সংরক্ষণ করা হতে পারে বলেও দাবি তাঁদের। তাঁদের আরও দাবি, টিভি ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলেও অডিও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এ সময় সংগৃহীত তথ্য টিভিতে সংরক্ষিত থাকার পর আবার ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হলে সার্ভারে পাঠানো হতে পারে।তদন্তকারীদের দাবি, এলজি টিভির তথ্য সংগ্রহ শুধু টেলিভিশনে দেখা কনটেন্ট বা ঘরের কথাবার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য যন্ত্র সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে টিভি। তদন্তে বলা হয়েছে, টিভি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক স্ক্যান করে স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচসহ বিভিন্ন যন্ত্র শনাক্ত করতে পারে। এভাবে একটি পরিবারের কোন কোন যন্ত্র রয়েছে, সেগুলো কীভাবে নেটওয়ার্কে যুক্ত আছে এবং পরিবারের প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব।এলজির তথ্য অনুযায়ী, শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই প্রতিষ্ঠানটি ৩৮ কোটি ৬০ লাখ তথাকথিত ‘সেকেন্ডারি ডিভাইস’ শনাক্ত করে। বিশ্বজুড়ে বিক্রি হওয়া স্মার্ট টিভির সংখ্যা ২১ কোটি ৬০ লাখের তুলনায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গেমার্স নেক্সাস এলজির কর্মকর্তাদের বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে এসব সক্ষমতা তুলে ধরার কয়েকটি ভিডিও ক্লিপও প্রকাশ করেছে। এলজি অ্যাড সলিউশন্সের ডেটা সলিউশন্স বিভাগের প্রধান জুলিয়ান জিলবারব্র্যান্ড একটি বিপণন প্ল্যাটফর্মকে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, একটি পরিবারের সদস্য কারা, সেখানে কোন কোন যন্ত্র রয়েছে এবং টেলিভিশনে ব্যবহারকারীরা কী দেখছেন—এসব তথ্য এলজির জানা থাকে। টেলিভিশনে দেখানো বিজ্ঞাপনের প্রভাব একই পরিবারের মোবাইল ডিভাইসেও ছড়িয়ে দিতে এসব তথ্য কাজে লাগানো যায় বলে তিনি জানান।এলজি অ্যাড সলিউশন্সের প্রেসিডেন্ট সার্জ মাত্তা এক ভিডিওতে বলেন, টেলিভিশনের পর্দা যেহেতু এলজির নিয়ন্ত্রণে, তাই টিভির ওপরও তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগের প্রধান জাস্টিন ফ্রমও এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এলজির নিজস্ব এসিআর তথ্যের মাধ্যমে টেলিভিশনের পর্দায় কী দেখানো হচ্ছে, তা তারা জানতে পারে।স্মার্ট যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা অধিকারবিষয়ক প্রতিষ্ঠান উইচ এক তদন্তে জানিয়েছিল, স্মার্ট টিভি, স্মার্ট স্পিকার এমনকি এয়ার ফ্রায়ারেও ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন ট্র্যাকার রয়েছে।এলজি বলছে, তাদের টিভিতে তথ্য সংগ্রহের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহারকারীর সম্মতির ভিত্তিতে চালু করা হয়। তবে গেমার্স নেক্সাসের তদন্তকারীদের অভিযোগ, এসব সুবিধার শর্তাবলি এত দীর্ঘ ও জটিল যে সাধারণ ব্যবহারকারীর পক্ষে সেগুলো পুরোপুরি বুঝে সম্মতি দেওয়া কঠিন। তদন্তে বলা হয়েছে, এলজি টিভির এসিআর ট্র্যাকিং ব্যবস্থায় সম্মতি দেওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে প্রায় ৫০ হাজার শব্দের শর্তাবলি মেনে নিতে হয়। একজন সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কের পুরো নথিটি পড়তে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।এ ছাড়া টিভিতে কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার সময় ব্যবহারকারীর সামনে ছয়টি আলাদা চুক্তি বা সম্মতির বিষয় আসে। তদন্তকারীদের দাবি, এসব ক্ষেত্রে ‘সিলেক্ট অল’ অপশনটি আগে থেকেই নির্বাচন করা থাকে। ফলে ব্যবহারকারী সব শর্তে সম্মতি দিলে এসিআর ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের অনুমতিও দিয়ে ফেলতে পারেন।তদন্তকারীরা এলজির স্মার্ট পণ্য ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন। যাঁদের ইতিমধ্যে এলজি স্মার্ট টিভি রয়েছে, তাঁদের টিভিকে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। স্টিভ বার্ক বলেন, এলজির তথ্য সংগ্রহের পরিমাণ অত্যন্ত অনুপ্রবেশমূলক। তাঁর মতে, বিশেষ করে হাজার হাজার ডলার খরচ করে কোনো পণ্য কেনার পর সেটির ওপর ব্যবহারকারীর মালিকানা থাকা উচিত।তবে তদন্তকারীদের এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে এলজি। ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেন, সম্প্রতি প্রকাশিত ভিডিওতে এলজি টিভি সম্পর্কে যেসব দাবি করা হয়েছে, সেগুলো সত্য নয়। এলজির মতে, ব্যবহারকারী রিমোট কন্ট্রোলের ভয়েস বোতাম চেপে ধরে রাখলে অথবা আগে থেকে ফার-ফিল্ড ভয়েস রিকগনিশন সুবিধা চালু করার পর ‘হাই এলজি’–এর মতো ওয়েক ওয়ার্ড শনাক্ত হলেই কেবল টিভি ভয়েস ডেটা প্রক্রিয়া করে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এসব পরিস্থিতি ছাড়া টিভি ঘরের স্বাভাবিক কথাবার্তা সংগ্রহ বা রেকর্ড করে না। ওয়েক ওয়ার্ড শনাক্ত না হলে কোনো ভয়েস ডেটা সার্ভারে পাঠানো হয় না। ওয়েক ওয়ার্ড শনাক্ত করার কাজটি টিভির ভেতরেই সম্পন্ন হয় এবং এরপর সেই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে মুছে ফেলা হয়।একই নেটওয়ার্কে থাকা কাছাকাছি ডিভাইস শনাক্ত করার বিষয়েও এলজি বলেছে, স্মার্ট টিভির বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্মার্ট টিভি ও অন্যান্য স্মার্ট হোম ডিভাইসে এই সুবিধা সাধারণভাবেই ব্যবহৃত হয়। এলজির দাবি, এসিআর সুবিধা ব্যবহারকারীর সম্মতির ভিত্তিতে চালু করা হয়। ব্যক্তিগতকৃত কনটেন্টের সুপারিশ, বিভিন্ন সেবা ও বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য এই তথ্য ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারকারী সংশ্লিষ্ট ঐচ্ছিক চুক্তিতে সম্মতি না দিলে বিজ্ঞাপনের কাজে এসিআর তথ্য ব্যবহার করা হয় না।সূত্র: ডেইলি মেইল

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
৪১ বছরে মা হচ্ছেন শাহরুখের পাকিস্তানি নায়িকা
৪১ বছরে মা হচ্ছেন শাহরুখের পাকিস্তানি নায়িকা

ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের। তবে দুই দেশের তারকাদের জনপ্রিয়তায় এর প্রভাব সবসময় পড়েনি। পাকিস্তানি অভিনেত্রীদের মধ্যে ভারতীয় দর্শকের কাছে অন্যতম পরিচিত মুখ মাহিরা খান। বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘রইস’ সিনেমায় জুটি বেঁধে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। এবার ভক্তদের নতুন সুখবর দিলেন এই অভিনেত্রী। ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন মাহিরা। সম্প্রতি টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়েছেন মাহিরা খান। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যস্ততার মধ্যেই জীবনের নতুন অধ্যায়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ করে দ্বিতীয়বার মা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন অভিনেত্রী। ছবিতে সাদা রঙের ফুলহাতা ঢিলেঢালা গাউনে দেখা গেছে মাহিরাকে। প্রায় মেকআপহীন সাদামাটা সাজে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। ছবির সঙ্গে হবু মা মাহিরা লিখেছেন, ‘প্রথমে আমরা পরিকল্পনা করি, তারপর আল্লাহর পরিকল্পনা।’ আরও পড়ুন জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের মাহিরার এই সুখবর প্রকাশ্যে আসতেই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন তিনি। ভক্ত-অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। ২০২৩ সালে ব্যবসায়ী সেলিম করিমকে বিয়ে করেন মাহিরা খান। এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম স্বামীর সঙ্গে তার ১৭ বছর বয়সী ছেলে আজলান রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের পর এবারই প্রথম মা হতে চলেছেন এই অভিনেত্রী। মাহিরার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে ছেলে আজলানকে সবসময় পাশে দেখা গেছে। মায়ের দ্বিতীয় বিয়েতেও তার উপস্থিতি ছিল। বিয়ের মঞ্চ পর্যন্ত মাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন আজলান। পাকিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান। ‘হামসফর’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের ঘরে ঘরে পরিচিতি পান। এরপর চলচ্চিত্রেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। ২০১৭ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘রইস’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তার। ‘রইস’ সিনেমায় শাহরুখ-মাহিরার জুটি দর্শকের ব্যাপক প্রশংসা পায়। এর মাধ্যমে ভারতীয় দর্শকের কাছেও মাহিরার জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। শোনা যায়, এরপর ভারতীয় বেশ কয়েকটি সিনেমায় কাজের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। তবে ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের অবনতির প্রভাব পড়ে দুই দেশের বিনোদন অঙ্গনেও। ফলে ভারতীয় সিনেমায় মাহিরার কাজের সম্ভাবনা থেমে যায়। এরপর আর কোনো ভারতীয় সিনেমায় দেখা যায়নি তাকে। সাম্প্রতিক পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়েছে। ফলে বলিউডে মাহিরার ফেরার সম্ভাবনাও আপাতত অনিশ্চিত। তবে পাকিস্তানি চলচ্চিত্র ও নাটকে নিয়মিতই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। আরও পড়ুন রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’ অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনেও নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন মাহিরা। ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সুখবর দিয়ে আপাতত সেই আনন্দই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন শাহরুখের এই পাকিস্তানি নায়িকা। এমএমএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমনি
গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমনি

নতুন ওয়েব ফিকশনের শুটিং শুরু করলেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি। ‘সেপারেশন’ নামের এই ওয়েব ফিকশনটি পরিচালনা করছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। এতে পরীমনির বিপরীতে অভিনয় করছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রনায়ক নিরবকে। রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বর্তমানে চলছে ‘সেপারেশন’র শুটিং। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শুটিংয়ের একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করে নতুন কাজটির খবর জানান পরীমনি। ছবিতে ‘বিসমিল্লাহ’ লিখে ফিকশনটির নাম ও পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নাম উল্লেখ করেন তিনি। গিয়াস উদ্দিন সেলিমের সঙ্গে পরীমনির এটি দ্বিতীয় কাজ। এর আগে এই নির্মাতার ‘গুণিন’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পরীমনি। এবার ওয়েব ফিকশনে নতুন চরিত্রে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। আরও পড়ুন জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের ‘সেপারেশন’সিনেমায় পরীমনি ও ইমতিয়াজ বর্ষণের জুটি নিয়েও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। তবে ফিকশনটির গল্প বা তাদের চরিত্র সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। বিশেষ চরিত্রে নিরবের উপস্থিতিও নতুন এই কাজকে ঘিরে কৌতূহল বাড়িয়েছে। আইসক্রিন প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে ‘সেপারেশন’। তবে মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। রাজধানীর ৩০০ ফিটসহ বিভিন্ন লোকেশনে পর্যায়ক্রমে চলছে ওয়েব ফিকশনটির শুটিং। আরও পড়ুন রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’ নতুন এই কাজ নিয়ে পরীমনির ভক্তদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ‘সেপারেশন’-এ পরীমনিকে কেমন চরিত্রে দেখা যায় এবং ইমতিয়াজ বর্ষণের সঙ্গে তার নতুন জুটি দর্শকদের কতটা টানে। এমআই/এমএমএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
চরিত্র পাওয়ার বিনিময়ে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়া হতো
চরিত্র পাওয়ার বিনিময়ে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়া হতো

হলিউডে স্যান্ড্রা বুলকের পরিচিতি তৈরি হয়েছিল মূলত রোমান্টিক কমেডি ও হালকা মেজাজের ছবির অভিনেত্রী হিসেবে। ‘হোয়াইল ইউ ওয়ার স্লিপিং’, ‘টু উইকস নোটিশ’, ‘হোপ ফ্লোটস’ বা ‘মিস কনজেনিয়ালিটি’—একসময় তাঁর নাম মানেই ছিল হাসি, রোমান্স আর বিনোদনের নিশ্চয়তা। কিন্তু ক্যারিয়ারের একটা পর্যায়ে এসে নিজেই সেই পরিচিত গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কারণ, রোমান্টিক কমেডিতে অভিনয় করতে করতে সমালোচনার মুখে পড়ছিলেন, আর অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে অন্যভাবে প্রমাণ করতে চাইছিলেন। সম্প্রতি বন্ধু ও সহ-অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের তিক্ত অভিজ্ঞতাও সামনে এনেছেন স্যান্ড্রা। জানিয়েছেন, অভিনয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে অডিশন দিতে গিয়ে তাঁকে এমন অনেক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা আজও মনে আছে তাঁর।নিউইয়র্কে তখন তিনি ওয়েট্রেসের কাজ করতেন। পাশাপাশি অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতেন। স্যান্ড্রার ভাষায়, সে সময় এমন অনেক পুরুষের সামনে অডিশন দিতে হয়েছে, যাঁরা তাঁকে চরিত্র পাওয়ার বিনিময়ে আপত্তিকর প্রস্তাব দিতেন। এমনকি কেউ কেউ তাঁকে সরাসরি ‘প্যান্ট খুলতে’ বলতেন।সেসব প্রস্তাবের জবাবও নাকি স্পষ্ট ছিল তাঁর—‘না, এই চরিত্র আমার জন্য নয়।’ তবে কঠিন সেই সময়টাতেও হাল ছাড়েননি স্যান্ড্রা। তাঁর উপলব্ধি ছিল, একজন সংগ্রামী অভিনেতার সবচেয়ে বড় ভয়—আজকের পর হয়তো আর কোনো কাজ পাওয়া যাবে না। তাই যা পাওয়া যায়, সেটাই গ্রহণ করে নিজের মতো করে এগিয়ে যেতে হয়।অ্যানিস্টনের সঙ্গে কথোপকথনে স্যান্ড্রা বলেন, অভিনয়জীবনের শুরুতে একজন কর্মরত অভিনেতার মনে সব সময়ই ভয় থাকে, ‘হয়তো আর কখনো কাজ পাব না।’ তাই সুযোগ যত ছোটই হোক, সেটাকে কাজে লাগাতে হয়।ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর অবশ্য স্যান্ড্রা বুঝতে পারেন, শুধু পরিচিত ধারায় আটকে থাকলে চলবে না। বিশেষ করে রোমান্টিক কমেডির সাফল্যই একসময় তাঁর জন্য একধরনের ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।স্যান্ড্রা বুলক। রয়টার্স১৯৯৫ সালের ‘হোয়াইল ইউ ওয়ার স্লিপিং’ দিয়ে রোমান্টিক কমেডিতে স্যান্ড্রার জনপ্রিয়তা বাড়ে। এরপর ‘টু ইফ বাই সি’, ‘ফোর্সেস অব নেচার’ আর ‘টু উইকস নোটিশ’ ছবিতে তাঁকে দেখা যায়। ১৯৯৮ সালের ‘হোপ ফ্লটস’ ও ২০০০ সালের ‘মিস কনজেনিয়ালিটি’ও তাঁর তারকাখ্যাতি আরও বাড়িয়ে দেয়।বিশেষ করে হিউ গ্র্যান্টের সঙ্গে ‘টু উইকস নোটিশ’ বক্স অফিসে সাফল্য পাওয়ার পর তাঁর সামনে রোমান্টিক কমেডির আরও অনেক সুযোগ আসতে পারত। কিন্তু তখনই স্যান্ড্রা উল্টো পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি উপলব্ধি করেন, দর্শক ও চলচ্চিত্রশিল্পের একটি বড় অংশ তাঁকে নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রের অভিনেত্রী হিসেবে দেখতে শুরু করেছে।তাই মধ্য ২০০০-এর দশকে রোমান্টিক কমেডি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।স্যান্ড্রা বুলক। আইএমডিবি অ্যানিস্টনকে স্যান্ড্রা বলেন, ক্যারিয়ারে খুব সচেতনভাবে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর একটি ছিল—‘আমাকে এখন রোমান্টিক কমেডি থেকে বিরতি নিতে হবে।’ কারণ, ওই ছবিগুলোর জন্য তখন তিনি অনেক সমালোচনা শুনছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, অভিনয়ের অন্য দিকগুলোও দেখাতে।সেই সিদ্ধান্তের পর আসে ‘ক্রাশ’। ২০০৪ সালের এই ছবিতে আগের পরিচিত স্যান্ড্রা বুলককে পাওয়া যায়নি। এটি ছিল অনেক বেশি নাটকীয় কাজ। ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দেন, শুধু রোমান্টিক কমেডির নায়িকা নন, গুরুতর চরিত্রেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষমতা তাঁর আছে।ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ে এখন থাকেন ‘বিশেষ’ একজন, কী তাঁর কাজস্যান্ড্রার এ সিদ্ধান্ত যে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, সেটিও তিনি জানতেন। অ্যানিস্টন তাঁকে বলেন, নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা কমেডি ছেড়ে নাটকের জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে চলচ্চিত্রশিল্পে কমেডিকে অনেক সময় নাটকের তুলনায় কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। অথচ ভালো কমেডি করা মোটেও সহজ নয়।স্যান্ড্রার জবাব ছিল আরও চমকপ্রদ। তিনি জানান, এখন বরং তাঁর কমেডিই বেশি করতে ইচ্ছে করে। অর্থাৎ যে ঘরানা থেকে একসময় নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলেন, সময়ের সঙ্গে সেটিই আবার তাঁর কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।‘ক্রাশ’ অবশ্য তাঁর সেই ঝুঁকির যথার্থ মূল্য দিয়েছিল। ছবিটি সেরা ছবির অস্কার জেতে এবং স্যান্ড্রা পান স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ডে সেরা সম্মিলিত অভিনয়ের পুরস্কার। তবে সেখানেই তাঁর নাটকীয় অভিনয়ের যাত্রা থেমে থাকেনি।২০০৯ সালে আবার রোমান্টিক কমেডিতে ফিরে আসেন স্যান্ড্রা। হিউ গ্র্যান্টের বদলে এবার তাঁর সঙ্গী ছিলেন রায়ান রেনল্ডস—ছবির নাম ‘দ্য প্রোপোজাল’। ছবিটি বড় বাণিজ্যিক সাফল্য পায়। একই বছর মুক্তি পাওয়া ‘অল অ্যাবাউট স্টিভ’ অবশ্য সেভাবে সফল হয়নি। বরং ওই ছবির জন্য স্যান্ড্রা পেয়েছিলেন গোল্ডেন রেজি অ্যাওয়ার্ডে বাজে অভিনেত্রীর পুরস্কার।কিন্তু একই বছরে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ব্লাইন্ড সাইড’ তাঁর ক্যারিয়ারে আরও বড় মাইলফলক হয়ে দাঁড়ায়। ছবিটির জন্য স্যান্ড্রা বুলক সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জেতেন। তবে এত সাফল্যের পরও রোমান্টিক কমেডির দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেননি তিনি। ২০২২ সালে চ্যানিং ট্যাটামের সঙ্গে ‘দ্য লস্ট সিটি’ ছবিতে অভিনয় করেন স্যান্ড্রা। মহামারির পর এটি বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায় এবং বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৯২ মিলিয়ন ডলার আয় করে।ভ্যারাইটি অবলম্বনে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

Top week

লোহিত সাগরে হুথির আধিপত্যে ইরানের লাভ কোথায়?
জাতীয়

লোহিত সাগরে হুথির আধিপত্যে ইরানের লাভ কোথায়?

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0