জাতীয়

হাওরের মাছেই ভরসা

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0

হাওর, খাল-বিলের পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। বর্ষার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে ব্যস্ততা বাড়ছে মাছ ধরারও। ভোর হলেই নৌকা নিয়ে হাওরে বেরিয়ে পড়ছেন কেউ, আবার কেউ বিলে পেতে দিচ্ছেন বেল জাল। পানির পরিমাণ কমে আসায় এখন জালে ধরা পড়ছে ছোট-বড় নানা ধরনের মাছ। হাওরপারের মানুষের জীবনে মাছ ধরা শুধু শখ নয়, অনেক পরিবারের আয়েরও একটি বড় ভরসা। পানি, নৌকা, জাল আর মাছ ঘিরে হাওরপারের মানুষের জীবন-জীবিকার গল্প এগিয়ে চলে। সিলেট সদরের পিঠাকরা, সরিষাকান্দি ও উফতার হাওর এলাকার মাছ নিয়ে ছবির গল্প

বেল জালে আটকা পড়েছে নানা ধরনের মাছ
বেল জাল টানছেন জেলে
জাল থেকে মাছ তুলে রাখছেন
শাকিলের জালে আটকা পড়েছে ছোট মাছ
ধরা মাছগুলো টুকরিতে রাখা হচ্ছে
বড়শিতে মাছ আটকার অপেক্ষায় শিশুরা
বিক্রির আগপর্যন্ত টাটকা রাখতে পানিতে জিইয়ে রাখা হয়েছে মাছগুলো
টুকরিতে দেশি মাছ
রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে কিছু মাছ, তৈরি হবে শুঁটকি
মাছ ধরা শেষ, জাল শুকাতে দেওয়া হয়েছে
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
খবর সংগ্রহের সময় লস অ্যাঞ্জেলেসে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩
খবর সংগ্রহের সময় লস অ্যাঞ্জেলেসে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

লস অ্যাঞ্জেলেসে খবর সংগ্রহের সময় একটি নিউজ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন একজন অ্যারিয়াল সাংবাদিক ও পাইলট। আহত দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প, হুতিদের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠকে কী আলোচনা হলো

উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প, হুতিদের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠকে কী আলোচনা হলো

নাটোরে সার নিয়ে যাওয়ার ভিডিও করে পাচারের অভিযোগ, ডিলারের অস্বীকার

নাটোরে সার নিয়ে যাওয়ার ভিডিও করে পাচারের অভিযোগ, ডিলারের অস্বীকার

এত ব্যয়ের মেট্রোরেলে ভাড়া কত দাঁড়াবে

এত ব্যয়ের মেট্রোরেলে ভাড়া কত দাঁড়াবে

আরাকুলের মঠে পাখিদের ঘরদোর
আরাকুলের মঠে পাখিদের ঘরদোর

পুরোনো জরাজীর্ণ মঠ। দেয়ালের ছোট ছোট গর্ত আর কুলুঙ্গিতে পাখিদের নীড়। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠে এভাবেই টিকে আছে শালিক, টিয়াসহ নানা পাখির সংসার। কয়েক বছর আগেও যেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়া দেখা যেত, এখন সেখানে তাদের দেখা মেলা কঠিন। আশপাশের জলাশয় ভরাট, নগরায়ণ ও পরিবেশের পরিবর্তনে সংকুচিত হচ্ছে পাখিদের আবাস। তবু পুরোনো মঠের ইটের গায়ে আজও আছে পাখিদের ঘরদোর। তবে সেই আশ্রয়ও কত দিন টিকবে, তা অনিশ্চিত।দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠের পুরোনো ইটের স্থাপত্যে এখনো টিকে আছে অতীতের ছাপ। দেয়ালের কুলুঙ্গি ও গর্তে গড়ে উঠেছে পাখিদের নীড় আরাকুল মঠের পুরোনো ইটের দেয়ালে বসে আছে কয়েকটি টিয়া। দেয়ালের গর্ত ও ফাঁকই তাদের নিরাপদ আশ্রয় পুরোনো দেয়ালে নতুন জীবনের স্পন্দন। মঠের একটি গর্তে আশ্রয় নিয়েছে জোড়া শালিকএ যেন টিয়া পাখির পাড়া। কেউ নীড় থেকে বের হচ্ছে, কেউ বসে আছে পুরোনো ইটের গায়ে মঠের চূড়ার পাশ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে একটি ঘুঘু পুরোনো স্থাপনাটির আশপাশে এখনো দেখা মেলে নানা প্রজাতির পাখির মঠের পাশের জলাশয়ে খাবারের সন্ধানে বিচরণ করছে একটি সাদা কানিবকজরাজীর্ণ মঠের গায়ে সারি সারি ছোট গর্ত। বছরের পর বছর ধরে এসব গর্তে বাসা বাঁধছে টিয়াসহ নানা পাখি আরাকুল মঠের আশপাশে দেখা মেলে কয়েকটি চিলেরও। চিলের উপস্থিতি টের পেলে অন্য পাখিরা আশ্রয় নেয় দেয়ালের গর্তেকয়েক বছর আগেও আরাকুল মঠে ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়া দেখা যেত। এখন একসঙ্গে কয়েকটি টিয়া দেখাও যেন বিরল দৃশ্য কৃষিজমিতে কীটনাশকের ব্যবহার, জলাশয় ভরাট, গাছপালা কমে যাওয়া এবং নগরায়ণে সংকুচিত হচ্ছে পাখিদের আবাসস্থল। মঠের দেয়ালে পাখিদের নীড় এখনো টিকে আছে। তবে আশপাশের মাটি ভরাট ও নগরায়ণ অব্যাহত থাকলে এই পুরোনো আশ্রয়ও হারিয়ে যেতে পারে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
রেকর্ড বই ওলট–পালট করে বার্সার ৭ গোলের উৎসবে হ্যাটট্রিক রাফিনিয়ার

রেকর্ড বই ওলট–পালট করে বার্সার ৭ গোলের উৎসবে হ্যাটট্রিক রাফিনিয়ার

তিন বছরের বেশি সময় পর সুদ বাড়াল ফেড, আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত

তিন বছরের বেশি সময় পর সুদ বাড়াল ফেড, আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত

চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাড়ছে কোমল পানীয়র বাজার

চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাড়ছে কোমল পানীয়র বাজার

সিলেট বিএনপির নীরব ‘দ্বন্দ্ব’ এখন প্রকাশ্যে 
সিলেট বিএনপির নীরব ‘দ্বন্দ্ব’ এখন প্রকাশ্যে 

সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনা  কার্যত ‘বর্জন’ করে মহানগর বিএনপি। সিলেট নগরকেন্দ্রিক বিএনপির রাজনীতিতে দ্বন্দ্ব-বিভেদ আগেও ছিল। তবে এখন তা অনেকটাই প্রকাশ্য হয়ে পড়েছে। এক পক্ষ অন্য পক্ষকে এড়িয়ে চলা, অন্য পক্ষের অনুষ্ঠানে না যাওয়ার মতো ঘটনা বেড়েছে। এতে কর্মী-সমর্থকেরাও দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে বিভেদের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সিটি প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ‘স্বেচ্ছাচারিতার’ অভিযোগ এনে মহানগর বিএনপি ওই অনুষ্ঠান কার্যত ‘বর্জন’ করেছে। মহানগর বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পেতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অন্তত আটজন নেতা তৎপর আছেন। সাম্প্রতিক দ্বন্দ্ব-বিভেদের মূলে সিটি নির্বাচনের বিষয়টি কাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরেই সিলেটের রাজনীতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর অনুসারীরা বেশ সক্রিয়। সাম্প্রতিক সময়ে আরেকটি পক্ষ সক্রিয় হয়েছে, তারা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীরের অনুসারী।রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কয়েকজন নেতার যোগ না দেওয়ার বিষয়ে সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগামী সিটি নির্বাচনের জন্য দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে এমনটা ঘটেছে বলে মনে কি না। সম্ভবত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনে সম্পৃক্ত করা না–করা নিয়ে এটা হয়েছে। তবে বিষয়টি শুধু শুনেছি, বিস্তারিত জানি না।’ বেশি সক্রিয় তিনটি পক্ষদীর্ঘদিন ধরেই সিলেটের রাজনীতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর অনুসারীরা বেশ সক্রিয়। মহানগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ছয়জন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে আরেকটি পক্ষ সক্রিয় হয়েছে, তারা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীরের অনুসারী। সিটি নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে রেষারেষি আরও বেড়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন ওই নেতারা। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় আছে। এর মধ্যে রয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী; মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী; বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী; সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাছিম হোসেইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী; জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ সিদ্দিকী; মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান। এর আগে ২০২৫ সালের ২০ মে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পাল্টাপাল্টি তর্কে জড়ানোর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। নাম না প্রকাশ করার শর্তে মহানগর বিএনপির দুজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা প্রথম আলোকে বলেন, কাইয়ুম চৌধুরী, কয়েস লোদী, নাছিম হোসেইন, ইমদাদ হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন বাণিজ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর কাছের মানুষ হিসেবে ইশতিয়াক আহমেদ সিদ্দিকী পরিচিত। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর সুসম্পর্কের বিষয়টি আলোচনায় আছে। যদিও একটা সময়ে তিনি প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন।সিলেট মহানগর বিএনপিতে বিভিন্ন পক্ষ তৈরি হওয়ার বিষয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ের চারজন নেতার সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁরা বলেন, সিটি নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্দ্বন্দ্ব বেড়েছে। ১ সেপ্টেম্বর মহানগর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন হয়। সেই অনুষ্ঠানে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও ইশতিয়াক আহমেদ সিদ্দিকীকে মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এর পেছনে সিটি নির্বাচনে প্রার্থিতার বিষয়টি কাজ করেছে।এর আগে ২০২৫ সালের ২০ মে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পাল্টাপাল্টি তর্কে জড়ানোর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। এ নিয়ে তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরাও পক্ষে-বিপক্ষে ফেসবুকে সরব ছিলেন। এ ছাড়া গত বছরের ১ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসনের সুস্থতা কামনায় নাছিম হোসেইনের উদ্যোগে এতিম শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে ঝামেলা হয়েছিল। সেদিন রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর অনুসারীরা নাছিম হোসেইনকে হেনস্তা করেছিলেন।দ্বন্দ্ব–বিভেদের নেপথ্যেত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি মনোনয়ন পাননি। পরে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাঁকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক করা হয়। এর পর থেকেই মেয়র পদে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসে।মহানগর বিএনপির তিনজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলের সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীকে সিটি প্রশাসক করা হবে—এমনটা ভাবেননি মহানগরের রাজনীতি করা বেশির ভাগ নেতা। যে কারণে আগে মহানগরের যেসব নেতা কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখতেন, তাঁদের অনেকেই এখন তাঁর সঙ্গে দূরত্ব রেখে চলছেন। সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জনের ঘটনাটিও সেটির ধারাবাহিকতা। গত মঙ্গলবার সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাছিম হোসেইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছেন, আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরভবনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেননি মহানগরের অনেক নেতা। তবে রাষ্ট্রপতিকে বিমানবন্দরে বরণসহ অন্যান্য আয়োজনে তাঁরা ছিলেন। রেজাউল হাসান কয়েস লোদীও নাগরিক সংবর্ধনায় অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামে যাঁরা নির্যাতিত হয়েছেন, তাঁদের বড় একটি অংশ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি। সে কারণেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিবেক আমাকে বাধা দিয়েছে।’ নাগরিক সংবর্ধনা দলীয় কোনো বিষয় নয়, এটা সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয়োজন হিসেবে উল্লেখ করেছেন সিলেট সিটির প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির মন্ত্রী, সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে নানা পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে এসেছেন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে দুই তৃণমূলের শুনানি আজ, সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে দুই তৃণমূলের শুনানি আজ, সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

চকচকে চালের কাছে হেরে যাচ্ছে লালচে চাল, বন্ধ হচ্ছে হাসকিং মিল

চকচকে চালের কাছে হেরে যাচ্ছে লালচে চাল, বন্ধ হচ্ছে হাসকিং মিল

মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলা বলে প্রচারিত ভিডিওটি ২০২৫ সালের মদিনার

মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলা বলে প্রচারিত ভিডিওটি ২০২৫ সালের মদিনার

0 Comments