রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে অভিযান চালিয়ে হেরোইন, গাঁজা ও টাকা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। ডিএনসি জানিয়েছে, রাকিব ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে রাকিব পালিয়ে গেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আল-আমিন ওরফে সাকিব (২৩) ও মো. মোজাম্মেল হক (৩২)।
ডিএনসি জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, বনানী থানার কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠ এলাকায় মো. কালু মিয়ার ভাড়াটে মো. রাকিব ইসলাম তাঁর সংঘবদ্ধ দল নিয়ে তিন কক্ষের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য বিক্রি করছেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৫ গ্রাম হেরোইন, ২ কেজি গাঁজা, মাদক কারবারের ১৭ হাজার টাকাসহ আল-আমিন ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক কারবারি রাকিব ইসলাম পালিয়ে যান।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁরা জানান, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের প্রকৃত মালিক রাকিব ইসলাম। তাঁরা রাকিব ইসলামের পক্ষে অবৈধ মাদকদ্রব্য কেনাবেচার কাজে সহযোগিতা করতেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত, ২০২৬) অনুযায়ী মামলার কার্যক্রম চলছে।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট কড়াইল বস্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি মমিনের বাসায় অভিযান চালানো হয়েছিল। ওই অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও মাদক ব্যবসার ৪৩ লাখ টাকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
কথায় আছে, ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে।’ তেমনি কার্লোস এস্পির মারও। তবে রাতের জায়গায় হবে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত আর মারের জায়গায় গোল, এতটুকুই যা পার্থক্য। রিয়াল মাদ্রিদও টের পাচ্ছে, এস্পিকে কিনতে তাদের আড়াই কোটি ইউরো তাহলে জলে যায়নি!গত জুলাইয়ে লেভান্তের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়ে রিয়ালে যোগ দেন এস্পি। তখন জানা গিয়েছিল, ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার ২১ বছর বয়সী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড আসলে রিয়াল কোচ জোসে মরিনিওর ‘প্ল্যান বি’। অর্থাৎ নিয়মিত খেলোয়াড়দের দিয়ে গোল আদায় করতে না পারলে তখন এস্পিকে ব্যবহার করবেন। আর এস্পিও যেন বাংলাদেশ পুলিশের বড় কর্মকর্তার সেই পদের মতো দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধী খোঁজার মতো ম্যাচের শেষ মুহূর্তে রিয়ালকে খুঁজে এনে দিচ্ছেন গোল!গতকাল রাতে এলচের মাঠে লা লিগায় রিয়ালের ম্যাচটাই সাম্প্রতিকতম উদাহরণ। কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং এলচের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ৩৩ মিনিটেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল রিয়াল। কিন্তু ৭১ ও ৮৩ মিনিটে ২টি গোল হজম করে পয়েন্ট ভাগের শঙ্কায় ছিল রিয়াল। বিপদ টের পেয়ে ৮৭ মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডকে তুলে এস্পিকে মাঠে নামান মরিনিও। ফল হাতেনাতে পেয়েছেন ঠিক চার মিনিট পরই। এমবাপ্পের পাস থেকে যোগ করা (৯০+১) সময়ে এস্পির গোলে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে জেতে রিয়াল।গোল করে এমবাপ্পের সঙ্গে উদ্যাপন এস্পিরব্যাপারটা এমন নয় যে বদলি নেমে শেষ মুহূর্তে করা গোলে এই প্রথম মাদ্রিদের ক্লাবটিকে জেতালেন এস্পি। রিয়ালে দ্বিতীয় মেয়াদে কোচ হয়ে ফেরার পর এসপানিওলের বিপক্ষে মরিনিওর প্রথম ম্যাচে জয় এনে দিয়েছিলেন এই এস্পিই। সেটাও ৯০ মিনিটে জয়সূচক গোল করে এবং রিয়ালের হয়ে সেটা ছিল তাঁর অভিষেক ম্যাচ।অপ্টা জানাচ্ছে, লা লিগায় এবারের মৌসুমে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৯০ মিনিট বা তার পর যোগ করা সময়ে দুটি জয়সূচক গোল করলেন এস্পি। তবে লিগ যেহেতু কেবল শুরু হলো, তাই আন্দাজ করে নেওয়াই যায়, চলতি মৌসুমে এস্পির শেষ মুহূর্তের ‘মার’ আরও দেখা যাবে। তবে লা লিগার গোটা ইতিহাস বিচারে এস্পি একটি জায়গায় দ্বিতীয়। ভিয়ারিয়ালের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আয়োজে পেরেজের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে লিগে দলের প্রথম ছয় ম্যাচে মধ্যে ৯০ মিনিট বা তার পরে ২টি জয়সূচক গোল করলেন এস্পি।মেসির জন্য বিদায়ী ম্যাচ আয়োজন করছে আর্জেন্টিনা, খেলবেন শেষবারের মতোলা লিগা পয়েন্ট তালিকায় এলচে তলানির দল। এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে চাননি মরিনিও। এ কারণে এমবাপ্পের পেছনে বদলি হিসেবে নামান এস্পিকে। দুজনকে একসঙ্গে খেলাতে কৌশল পাল্টানোর পাশাপাশি অন্য কিছু জায়গাও পরিবর্তন করার ঝুঁকিটা নেন মরিনিও। তাতে সফল হওয়ার পর রিয়াল কোচ বলেন, ‘(এস্পি) দারুণ উদ্দীপনা নিয়ে মাঠে নেমেছে, তবে তার সামনে এমন একজন খেলোয়াড় ছিল যে সাধারণ কেউ নয়। তাদের দুজনকে একসঙ্গে খেলানো সহজ নয়...ম্যাচে শেষ দিকে আমি যেসব পরিবর্তন এনেছি, তাতে সব রকম ঝুঁকিই নিয়েছি। কারণ, ড্র আমাদের জন্য যথেষ্ট ছিল না।’ CARLOS ESPI HAS WON IT IN THE 91ST MINUTE FOR REAL MADRID! Elche 2-3 Real Madrid.pic.twitter.com/OJmsPKFO1T— Tekkers Foot (@tekkersfoot) September 15, 2026 রিয়ালের প্রথম একাদশে এখনো সুযোগ পাননি এস্পি। মরিনিও তাঁকে নিশ্চয়ই আগামী দিনগুলোতে সেই সুযোগ দেবেন? রিয়াল কোচের ভাবনায় আপাতত এ বিষয়টা থাকার কথা নয়। দল ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর কীভাবে ২ গোল হজম করে, সেটা নিয়ে ভাবনায় পড়েছেন এই কোচ। শুনুন তাঁর মুখেই, ‘কিছু ম্যাচ দেখে মনে হয় যেন ফল ঠিক হয়ে গেছে...কিন্তু আমরা ম্যাচগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বড় ব্যবধান গড়তে পারছি না। নিজেদের কাজটা শেষ না করায় সহজ ম্যাচগুলোই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।’মরিনিও তাঁর কথায় এলচের বিপক্ষে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সকে বুঝিয়েছেন। তাতে অবশ্য লা লিগায় কম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাঁর অপরাজেয় যাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কোচ হিসেবে লা লিগায় অবনমনে থাকা কোনো দলের বিপক্ষে কখনোই হারেননি মরিনিও। আর গতকাল রাতে তো জয়ই তুলে নিলেন এস্পির কল্যাণে।লা লিগায় ৬ ম্যাচে পঞ্চম জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। ৫ ম্যাচের সব কটি জিতে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। রিয়ালের সঙ্গে গোল ব্যবধানে এগিয়ে হান্সি ফ্লিকের দল।
রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের নিয়মিত বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রেঞ্জের জেলা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ও মামলার আসামিদের গ্রেফতার করে। এ সময় মামলা করা হয়েছে ৫৯টি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী রেঞ্জ কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জ এলাকায় খুন, খুনসহ ডাকাতি, দস্যুতা, যৌতুকের জন্য হত্যা কিংবা সাইবার সুরক্ষা আইনে কোনো মামলা হয়নি। তবে চুরি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনসহ অন্যান্য অপরাধে মোট ৫৯টি মামলা রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে চুরির দুটি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত তিনটি মামলা রয়েছে। একই সময়ে অপমৃত্যুর তিনটি ঘটনাও রেকর্ড করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধীদের গ্রেফতারে পরিচালিত অভিযানে মোট ১৭৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত ৮৫ জন, সাজাপ্রাপ্ত ১২ জন, তদন্তাধীন মামলার ৭৬ জন এবং প্রতিরোধমূলক অন্যান্য মামলায় চারজন রয়েছেন। এদিকে মাদকবিরোধী অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬ জন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এ সময় একটি বর্মিজ চাকু, ৬২১ পিস ইয়াবা, ১ হাজার ২০৮ পিস ট্যাপেন্টাডল, ৩৪ কেজি ৪২০ গ্রাম গাঁজা, ১৫ লিটার চোলাই মদ এবং ৪৪৫ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ অভিযানে কোনো হেরোইন বা চোরাচালান পণ্য উদ্ধার হয়নি। পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ দমনে গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জজুড়ে মোট ১৪৫টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রমের আওতায় ১ হাজার ১৪৫ জন নাগরিক সেবা গ্রহণ করেছেন। চলতি মাসে এ পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৩৮৬ জন নাগরিক পুলিশি সেবা গ্রহণ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশ। মনির হোসেন মাহিন/কেজে/এএসএম
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমির নামজারি বা খতিয়ান খোলার সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তহশিলদারের বিরুদ্ধে।অভিযুক্ত মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত। সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পৃথক চারটি জমির দলিলের বিপরীতে নামজারি বা নতুন করে খতিয়ান খুলে দিতে এক সেবাগ্রহীতার কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করছেন মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান। এ সময় ওই সেবাগ্রহীতা আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘১ হাজার ১৫০ টাকার কাজে ৭০ হাজার টাকা লাগবে কেন? এত টাকা দিতে হলে তো জমি বিক্রি করতে হবে।’ জবাবে তহশিলদার সার্ভেয়ার-কানুনগোসহ মোট আটটি টেবিলের খরচের হিসাব তুলে ধরেন।পরে দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান খুলে দিতে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। এরপর ওই সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা নেন আবদুস সোবাহান। বাকি ১০ হাজার টাকা বিকাশে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলে তাতে আপত্তি জানিয়ে হাতে হাতে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তহশিলদার।দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান খুলে দিতে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। এরপর ওই সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা নেন আবদুস সোবাহান। বাকি ১০ হাজার টাকা বিকাশে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলে তাতে আপত্তি জানিয়ে হাতে হাতে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তহশিলদার।ওই সেবাগ্রহীতার নাম মহিউদ্দিন খন্দকার (৪২)। তিনি রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বাসিন্দা। মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, পৃথক চারটি দলিলের জমি একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করাতে তিনি চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার মোহাম্মদ আবদুস সোবাহানের কাছে যান। এ সময় তিনি সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ১৫০ টাকা ফির পরিবর্তে তাঁর কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন।মহিউদ্দিন বলেন, দর-কষাকষির এক পর্যায়ে সরকারি ফিসহ ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয় অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তার সঙ্গে। তাঁকে নগদ ১০ হাজার টাকা অগ্রিম এবং বাকি টাকা কাজের পর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর তাঁকে কয়েক মাস হয়রানি করে চারটি দলিলের মধ্যে দুটি বাদ দিয়ে বাকি দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া সরকারি রাজস্ব খাতের ফি বাবদ ১ হাজার ১৫০ টাকা তাঁকে পরিশোধ করতে চাপ দেওয়া হয়।মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান, অভিযুক্ত তহশিলদারঅভিযোগকারী মহিউদ্দিন খন্দকার তাঁর কাছে যাননি এবং জমি-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও তাঁর কাছে জমা দেওয়া হয়নি।জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা গেছে, জমির নামজারি হলো বৈধ উপায়ে জমির মালিকানা পরিবর্তনের পর সরকারি রেকর্ড বা খতিয়ানে আগের মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত বা হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। এটিকে মিউটেশনও বলা হয়। এ জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ১ হাজার ১৫০ টাকা।তবে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান। তিনি বলেন, অভিযোগকারী মহিউদ্দিন খন্দকার তাঁর কাছে যাননি এবং জমি-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও তাঁর কাছে জমা দেওয়া হয়নি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখে ওই তহশিলদারের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে জানান রাঙ্গাবালী উপজেলা ভূমি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান। তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগটির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।