জাতীয়

এক সংস্থার পর আরেক সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
এক সংস্থার পর আরেক সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা
এক সংস্থার পর আরেক সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় উন্নয়নকাজে সমন্বয় বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সড়কে এক সংস্থা কাজ শেষ করার পর আরেক সংস্থা যেন নতুন করে খোঁড়াখুঁড়ি না করে- সে বিষয়ে সমন্বিত কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতি ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঢাকা সিটি ও আশপাশের এলাকার সব উন্নয়নকাজ যেন সমন্বিতভাবে হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডার, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠক হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নগরবাসীর ভোগান্তি কমানো এবং উন্নয়নকাজ দ্রুত ও সমন্বিতভাবে শেষ করা।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলমান উন্নয়নকাজগুলো সমন্বয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে পরামর্শ ও প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের পর্যায়ে সমন্বয়ের জন্য ফোকাল পয়েন্টও নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক সংস্থা কাজ করলে আবার আরেক সংস্থা একই জায়গায় আবার কাজ করতে যেন খোঁড়াখুঁড়ি না করে, অন্যান্য জটিলতা যেন সৃষ্টি না হয়। উদ্দেশ্য একটাই, নগরবাসীকে, জনগণকে স্বস্তি দেওয়া, ভোগান্তি কমানো এবং সমন্বিতভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো শেষ করা।

তিনি জানান, প্রতি ১৫ দিন পরপর এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি কর্মকর্তা পর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় সভা করা হবে।

রাজধানীতে চলমান বিভিন্ন বড় প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এমআরটি, সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক বিভাগ, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, ডেসকোসহ বিভিন্ন সংস্থার উন্নয়নকাজ চলছে। এসব কাজ যেন পরস্পরের সঙ্গে সমন্বয় করে করা হয়, সে জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নেতৃত্বে এ সমন্বয় সভা হচ্ছে।

jagonews24.com

একই সড়কে একাধিক সংস্থার আলাদা সময়ে কাজ করার উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কোনো একটি সংস্থা রাস্তা খুঁড়ে কাজ শেষ করে তা মেরামত করার পর অন্য কোনো সংস্থা এসে একই জায়গা আবার খুঁড়লে জনদুর্ভোগ বাড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে একই সময়ে প্রয়োজনীয় কাজগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ইলেকট্রিসিটি ডিপার্টমেন্ট একটা রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করলো, তারা আবার সেটা রিপেয়ার করে চলে গেল, এরপরে দেখা গেল গ্যাস ডিপার্টমেন্ট আসলো। এসব কাজ যেন না হয়, একই সঙ্গে যেন করতে পারে ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কটা।

এমআরটি নির্মাণের ক্ষেত্রে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে করা হচ্ছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি উন্নয়নকাজের কারণে যেন যানজট বা ট্রাফিক ঝুঁকি তৈরি না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। এতে যান চলাচলে শৃঙ্খলা আসছে এবং নগরবাসী স্বস্তি পাচ্ছে। উন্নয়নকাজও এমনভাবে করার চেষ্টা চলছে, যেন ট্রাফিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের সমস্যা তৈরি না হয়।

আরও পড়ুন

মানবতাবিরোধী অপরাধ / আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ তিন সংগঠনেরই সভাপতি-সেক্রেটারির ফাঁসির আদেশ

বারবার সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্মার্ট ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে এ ধরনের সমন্বিত ব্যবস্থার দিকে সরকার এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, ওভারনাইট তো আমরা এর মধ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারবো না। আমরা শুরু করেছি। আশা করি একদিন আমরা এই সিস্টেমে যেতে পারবো।

উন্নয়নকাজের আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে ছোট ছোট সাব-কমিটির মতো কাঠামো করা হয়েছে। এসব কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে সমন্বয় করবে। সরকারি ব্যয় ও সময় কমানোর পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।  

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টিটি/কেএসআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
চট্টগ্রামের আবাসিক এলাকার সড়ক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ
চট্টগ্রামের আবাসিক এলাকার সড়ক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ

চট্টগ্রাম নগরের প্রধান সড়কের পাশাপাশি আবাসিক এলাকার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোও পর্যায়ক্রমে নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা পরিদর্শন শেষে চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এদিন মেয়র চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন সড়ক ও নির্মাণযোগ্য সড়ক সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়র বলেন, নগরের প্রধান সড়কগুলোর উন্নয়নে এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকায় ফুটওভারব্রিজ নির্মাণসহ নানা পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। তবে একটি নগরের যোগাযোগ ব্যবস্থা শুধু প্রধান সড়কের ওপর নির্ভর করে না। আবাসিক ও পাড়া-মহল্লার অভ্যন্তরীণ সড়কও নাগরিকদের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত, বৃষ্টির পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলের অনুপযোগী এবং নতুন করে নির্মাণ প্রয়োজন এমন সড়কগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হবে। পর্যায়ক্রমে এসব সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শাহাদাত বলেন, শুধু রাস্তা নির্মাণ করলেই হবে না। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ড্রেনেজ, ফুটপাত ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের বিষয়ও সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। সড়ক সংস্কারে বিভিন্ন সেবা সংস্থার সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সংস্থা রাস্তা খনন করে কাজ করে। তাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে চসিকের পক্ষে স্থায়ীভাবে সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হয় না। ওয়াসার কাজ শেষ হওয়ার পর সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মেয়র আরও বলেন, সড়ক সংস্কারের নামে যেন একই জায়গায় বারবার কাজ করতে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। সড়কের বর্তমান অবস্থা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পরিকল্পনা করতে প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেওয়া হবে। এতে নাগরিক দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি সরকারি অর্থেরও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, পরিদর্শনে কোথাও বৃষ্টির পানিতে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি দেখা গেছে, আবার কোথাও নতুন সড়ক নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। এসব বিষয় চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ এলাকার বিভিন্ন সড়ক সংস্কার, নতুন সড়ক নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নসহ নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। মেয়র তাদের সমস্যাগুলো শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এসময় চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির নেতা ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এমআরএএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
লঞ্চের আগেই ফাঁস নাথিংয়ের নতুন হেডফোন, ব্যাটারি চলবে ৬০ ঘণ্টা

লঞ্চের আগেই ফাঁস নাথিংয়ের নতুন হেডফোন, ব্যাটারি চলবে ৬০ ঘণ্টা

চিরিরবন্দরে বজ্রপাতে কৃষক নিহত

চিরিরবন্দরে বজ্রপাতে কৃষক নিহত

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে নিয়োগ, ৫৫ বছরেও আবেদন

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে নিয়োগ, ৫৫ বছরেও আবেদন

ঢাকায় শুরু হচ্ছে নির্মাণ-কাঠশিল্প ও সোলার পণ্যের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
ঢাকায় শুরু হচ্ছে নির্মাণ-কাঠশিল্প ও সোলার পণ্যের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে নির্মাণ অবকাঠামো, কাঠশিল্প, ইন্টেরিয়র ও সোলার পণ্য বিষয়ক চারটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বসুন্ধরা আইসিসিবির এক্সপো ভিলেজে অনুষ্ঠিত হবে। ‘১০ম বাংলাদেশ বিল্ডকন’, ‘১০ম বাংলাদেশ উড এক্সপো’, ‘ইন্টেরিয়র এক্সপো’ ও ‘সোলার বাংলা এক্সপো’ নামের এই প্রদর্শনী যৌথভাবে আয়োজন করছে এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস ও ফিউচারেক্স। আর এর নলেজ পার্টনার হিসেবে থাকছে ‘ইন্টেরিয়র ডিজাইন বাংলাদেশ’ (আইডিবি)। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকরা এ তথ্য জানায়। হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর) ড. প্রকৌশলী গিয়াসউদ্দিন হায়দার প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করবেন। ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রদর্শনীর পর্দা উঠবে। এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান ভূঁইয়া বলেন, ‘নির্মাণ খাত, কাঠশিল্প, ইন্টেরিয়র ও সোলার পণ্যের ব্যবহারকারীদের জন্য এটি নতুন প্রযুক্তি, নেটওয়ার্কিং ও ব্যবসার একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম। দর্শনার্থীরা একই ছাদের নিচে আধুনিক নির্মাণসামগ্রী, গৃহসজ্জা, সোলার প্রোডাক্ট ও কাঠ প্রক্রিয়াজাতকরণের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সন্ধান পাবেন।’ নির্মাণ কার্যক্রম একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হওয়ায় খাতসংশ্লিষ্ট সবাই সবসময় সাশ্রয়ী, দক্ষ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির খোঁজে থাকেন। ‘বাংলাদেশ বিল্ডকন’ প্রদর্শনীতে নির্মাণ খাতের প্রধান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান তুলে ধরা হবে। আবার দেশের আসবাবপত্র খাতের মান ও উৎপাদন বাড়াতে আধুনিকায়ন প্রয়োজন। ‘বেস্ট সিএনসি রাউটার প্রেজেন্টস ১০ম বাংলাদেশ উড এক্সপো ২০২৬’ এই খাতের একমাত্র ও প্রধান প্রদর্শনী, যা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি দেশীয় ব্যবহারকারীদের কাছে নিয়ে আসছে। একই সঙ্গে সময়ের প্রয়োজনে ‘সোলার বাংলা’ ও ‘ইন্টেরিয়র এক্সপো’ যুক্ত করা হয়েছে। স্থপতি ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং তরুণদের শেখার সুযোগ দিতে নলেজ পার্টনার ইন্টেরিয়র ডিজাইন বাংলাদেশ (আইডিবি) ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ‘আর্ক ইন্টেরিয়র ব্রিজ-২০২৬’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করেছে। সেমিনারে স্থাপত্যশিল্পের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন স্থপতি এন আর খান এবং স্থপতি তানিয়া করিম। দর্শনার্থীরা এক ছাদের নিচে অ্যাডহেসিভ, সিএনসি বয়লার, ফাইবার ও সিও২ লেজার, উড প্রিন্টিং, কনক্রিট ব্লক মেশিন, হার্ডওয়্যার, পার্টিকেল বোর্ড, পাওয়ার টুলস, কনস্ট্রাকশন ইকুইপমেন্ট, পাইপ, ক্যাবলস, সিলেন্ট, কনস্ট্রাকশনকেমিক্যালস, সিরামিক, ইলেকট্রিক্যাল সুইচেস, ওয়াটার পাম্প, সোলার ইকুইপমেন্ট, কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস, হোম অটোমেশন ও অ্যালুমিনিয়াম প্যানেলসহ নানা ধরনের পণ্য দেখতে পাবেন। প্রদর্শনীটি প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য খোলা থাকবে। ইএইচটি/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ফাটল ধরা বাঁধের পাহারায় গ্রামবাসী, ৩ দিনেও দেখা নেই প্রশাসনের

ফাটল ধরা বাঁধের পাহারায় গ্রামবাসী, ৩ দিনেও দেখা নেই প্রশাসনের

শীতের সকালে বোলিং, পেসার হান্ট থেকে উঠে আসার স্মৃতিচারণ এবাদতের

শীতের সকালে বোলিং, পেসার হান্ট থেকে উঠে আসার স্মৃতিচারণ এবাদতের

নবজাতকের জুতার ছবি পোস্ট করে কেন আলোচনায় নাদিয়া?

নবজাতকের জুতার ছবি পোস্ট করে কেন আলোচনায় নাদিয়া?

বৈদ্যুতিক ট্রেন ও গাবতলী-দাশেরকান্দি মেট্রোসহ একনেকে উঠছে ১৬ প্রকল্প
বৈদ্যুতিক ট্রেন ও গাবতলী-দাশেরকান্দি মেট্রোসহ একনেকে উঠছে ১৬ প্রকল্প

দেশে প্রথমবারের মতো বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু এবং এমআরটি লাইন-৫ এর দক্ষিণ রুট বাস্তবায়নসহ মোট ১৬টি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে একনেক সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ১৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫ হাজার ৫১৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ২৫ হাজার ২৭৮ কোটি ১২ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৪০ হাজার ১৬৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এসব প্রকল্পের মধ্যে নতুন ১২টি এবং সংশোধিত চারটি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইমপ্লিমেন্টেশন অব ইলেকট্রিক ট্রাকশন অ্যালং নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর প্রকল্পের আওতায় ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু করা হবে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত মোট ব্যয় ৩ হাজার ৮২৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৯৪২ কোটি টাকা। বাকি অর্থ উন্নয়ন সহায়তা হিসেবে দেবে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এদিকে, একনেক সভায় এমআরটি লাইন-৫ (দক্ষিণ রুট) প্রকল্পও উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির আওতায় রাজধানীর গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে হাতিরঝিল অংশে মেট্রোরেল চলবে টানেলের মধ্যদিয়ে। আফতাবনগর থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত অংশ হবে উড়ালপথে। এমআরটি লাইন-৫ (দক্ষিণ রুট) প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা যৌথভাবে দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (ইডিসিএফ)। এমআরটি লাইন-৫ (দক্ষিণ রুট) প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে। গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার ও হাতিরঝিল হয়ে তেজগাঁও-আফতাবনগর পর্যন্ত মেট্রোরেলের এ অংশ মাটির নিচ দিয়ে যাবে। টানেলগুলো মাটির উপরিভাগ থেকে ১৬ থেকে ৩৮ মিটার গভীরতায় নির্মাণ করা হবে। গাবতলী থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে পাতাল মেট্রোরেল। আফতাবনগর থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত বাকি ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে উড়ালপথে। পুরো রুটে মোট ১৫টি স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি পাতাল এবং চারটি উড়াল স্টেশন। শহরের পশ্চিম থেকে পূর্ব প্রান্তকে মেট্রোরেলের মাধ্যমে যুক্ত করতে এ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এ ছাড়া একনেক সভায় ‘রাজশাহী সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’, ‘চট্টগ্রাম সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (তৃতীয় পর্যায়)’, ‘বরিশাল সেনানিবাস স্থাপন- দ্বিতীয় পর্যায়’ এবং ‘খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌ সদস্যদের আবাসন সুবিধাসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে। সভায় ‘বগুড়া হতে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ (প্রথম সংশোধন)’, ‘দ্য ইমপ্রুভড ওয়ার্কিং কন্ডিশন অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন ফর ওয়ার্কার্স ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড লেদার সেক্টর’ এবং ‘মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আপগ্রেডেশন ও সম্প্রসারণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পও উপস্থাপন করা হবে। একনেক সভায় ‘ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট (এফএসএসপি)’, ‘মুসাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনি নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (অংশ-১)’ এবং ‘মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলাধীন শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকা রক্ষা’ প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে। এ ছাড়া ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপের মাধ্যমে তিনটি সিটি করপোরেশন, একটি পৌরসভা এবং দুটি গ্রামীণ উপজেলায় ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি স্থাপন প্রকল্প (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ একনেক সভায় উপস্থাপনের জন্য রাখা হয়েছে। এমওএস/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
মাথার চুল ফেলে দিয়েছেন সামিয়া, জানালেন জীবনের কঠিন সময়ের কথা

মাথার চুল ফেলে দিয়েছেন সামিয়া, জানালেন জীবনের কঠিন সময়ের কথা

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ পিএসসির

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ পিএসসির

টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ

টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ

0 Comments