জাতীয়

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ পিএসসির

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ পিএসসির
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ পিএসসির

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (৬ষ্ঠ গ্রেড) পদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে। এই মৌখিক পরীক্ষা মোট ১৭টি পদের জন্য অনুষ্ঠিত হবে। পদগুলোর মধ্যে রয়েছে জুনিয়র কনসালটেন্ট (নেফ্রোলজি ও ডায়ালাইসিস)-২টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু)-২টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (ইউরোলজি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (এন্ড্রোক্রাইনোলজি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (নিউরোলজি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (নিওনাটোলজি অ্যান্ড এনআইসিইউ)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (রেসপিরেটরি মেডিসিন)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু সার্জারি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (ক্যাজুয়ালটি ইমার্জেন্সি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (হেপাটোলজি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (অনকোলজি)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং)-১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (প্যালিয়েটিভ কেয়ার)-১টি ও জুনিয়র কনসালটেন্ট (পেডিয়াট্রিকস নিউরোলজি অ্যান্ড অটিজম)-১টি।

মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান—

তারিখ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বুধবার)

সময়: সকাল ১০টা

স্থান: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের প্রধান কার্যালয়, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

মৌখিক পরীক্ষার জন্য পৃথক কোনো সাক্ষাৎকারপত্র পাঠানো হবে না। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনকালে ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোডকৃত প্রবেশপত্রই মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রযোজ্য হবে। যদি কোনো প্রার্থীর প্রবেশপত্র হারিয়ে যায় বা নষ্ট হয়, তবে পিএসসির ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) অথবা Teletalk ওয়েবসাইট (http://bpsc.teletalk.com.bd) থেকে ডাউনলোড করে সংগ্রহ করা যাবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

মৌখিক পরীক্ষার দিন প্রার্থীদের যা যা মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে জমা দিতে হবে—

*বিপিএসসি ফরম–ফাইভ এ (BPSC Form-5A (Applicants Copy)

*প্রবেশপত্র

*সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ

*বয়স প্রমাণের জন্য এসএসসি/সমমানের মূল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি

*বিদেশ থেকে অর্জিত ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে ইকুইভ্যালেন্স সনদের সত্যায়িত ফটোকপি

*স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর/পৌরসভার মেয়র কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

*অভিজ্ঞতা সনদ

*হালনাগাদ বিএমডিসি (BMDC) সনদ/রেজিস্ট্রেশন

*জাতীয় পরিচয়পত্র

*পাসপোর্ট সাইজের ০৩ (তিন) কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি

*নাগরিকত্ব সনদ

*সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/আধাস্বায়ত্তশাসিত/সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে চাকরিরতদের জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সিলসহ স্বাক্ষরিত ছাড়পত্র

*কোটার সপক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদের সত্যায়িত কপি (মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটা ইত্যাদি)

কমিশন কর্তৃক কিছু প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, যারা BPSC Form-5A (Applicants Copy) জমা দেননি অথবা হালনাগাদ BMDC সনদ জমা দেননি। মৌখিক পরীক্ষার দিন মোবাইল ফোন বা কোনো প্রকার যোগাযোগ যন্ত্রসহ প্রবেশ ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্ধারিত সময়ের ন্যূনতম আধা ঘণ্টা (৩০ মিনিট) পূর্বে মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে হবে। নির্ধারিত তারিখে মৌখিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত প্রার্থীর পরবর্তী সময়ে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে না।

বিস্তারিত দেখুন এখানে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন তিনজন
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন তিনজন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে তিনজন ফরম সংগ্রহ করেছেন।   মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।   মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীদের একজন জেলা বিএনপির নেতা ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। ফরম সংগ্রহের পর তিনি বলেন, ৪৩ বছর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছি। ১৯৮৯ সালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের জিএস এবং ১৯৯০ সালে ভিপি ছিলাম। বিগত ১৭ বছর অনেক হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। দল ও প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি মনে করি, দলকে এই আসন উপহার দিতে পারবো। আরও পড়ুন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র নিলেন মির্জা ফয়সাল আমিন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিনের পক্ষেও মঙ্গলবার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। তার পক্ষে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী নয়াপল্টন থেকে ফরম নেন। এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা অন্যজন হলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সুলতানুল ফেরদৌস নম্র চৌধুরী। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। পূরণ করা ফরম আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে জমা দিতে হবে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।  আরও পড়ুন গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ: রাষ্ট্রপতি গত ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই তার সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়। পরে সংসদ সচিবালয় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।  মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হওয়ার পর সেখানে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই, ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ হবে। ভোটগ্রহণ হবে ২৯ অক্টোবর।  কেএইচ/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সাবেক এমপি আজিজুল হক কারাগারে

সাবেক এমপি আজিজুল হক কারাগারে

পদদলিত করতে ডাকসুর মেঝেতে জিন্নাহ-গোলাম আযমের ছবি

পদদলিত করতে ডাকসুর মেঝেতে জিন্নাহ-গোলাম আযমের ছবি

চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৬

চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৬

অর্থপাচার ঠেকাতে পুঁজিবাজারে কড়াকড়ি, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি
অর্থপাচার ঠেকাতে পুঁজিবাজারে কড়াকড়ি, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি

ব্রোকারেজ হাউজ-মার্চেন্ট ব্যাংকে মানিলন্ডারিং ইউনিট গঠনের নির্দেশ পুঁজিবাজারে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন ঠেকাতে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এখন থেকে ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পৃথক মানিলন্ডারিং পরিপালন ইউনিট গঠন করতে হবে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বিএফআইইউ। এতে পুঁজিবাজারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে চিফ অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারের (ক্যামলকো) নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট (সিসিইউ) গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের শাখাগুলোতে শাখা অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার (বিএএমএলকো) নিয়োগ দিতে হবে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন এবং তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকের তথ্য যাচাইয়ে গুরুত্ব নতুন নির্দেশনায় গ্রাহকের হিসাব খোলার সময় নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন সনদসহ প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করতে হবে। চাইলে ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি (ই-কেওয়াইসি) পদ্ধতিও ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলুশন এবং বাংলাদেশ সরকারের তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সত্তার সঙ্গে কোনো গ্রাহকের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে। সন্দেহজনক লেনদেন হলেই রিপোর্ট গ্রাহকদের লেনদেন নিয়মিত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে বিএফআইইউ। কোনো লেনদেন জটিল, অস্বাভাবিক, অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা সন্দেহজনক মনে হলে তা লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট শাখার বিএএমএলকোকে জানাতে হবে। পরে কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট বিষয়টি যাচাই করবে। যাচাই শেষে প্রয়োজন হলে গো-এএমএল ওয়েবের মাধ্যমে দ্রুত বিএফআইইউতে রিপোর্ট করতে হবে। এ ধরনের রিপোর্ট করার সময় সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তা কঠোরভাবে রক্ষা করতে হবে। ছয় মাস পরপর স্ব-মূল্যায়ন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতে নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী প্রতি ছয় মাসে একবার স্ব-মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে এসব কার্যক্রম যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধসংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মিত পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। হিসাব বন্ধের পরও তথ্য রাখতে হবে গ্রাহকের হিসাব বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট গ্রাহক ও লেনদেনের তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যবসায়িক সম্পর্ক সমাপ্ত হওয়ার তারিখ থেকে অন্তত পাঁচ বছর পর্যন্ত এসব তথ্য ও প্রয়োজনীয় দলিল সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে বিএফআইইউ। বিএফআইইউর নতুন এ নির্দেশনার ফলে পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহক যাচাই, লেনদেন পর্যবেক্ষণ এবং সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত ও রিপোর্টিং ব্যবস্থায় আরও কঠোরতা আসবে। ইএআর/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান

নারায়ণগঞ্জ–ঢাকা–জয়দেবপুর পথে রেল চলবে বিদ্যুতে, ৩৮২২ কোটি টাকার প্রকল্প  উঠছে একনেকে

নারায়ণগঞ্জ–ঢাকা–জয়দেবপুর পথে রেল চলবে বিদ্যুতে, ৩৮২২ কোটি টাকার প্রকল্প উঠছে একনেকে

এই সুযোগ যেন আমরা অবহেলায় না হারাই: রাষ্ট্রপতি

এই সুযোগ যেন আমরা অবহেলায় না হারাই: রাষ্ট্রপতি

কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি সৌদি জোটের
কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি সৌদি জোটের

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব ‘দৃঢ়ভাবে’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট। সাম্প্রতিক এসব হামলায় সৌদি আরবের তিনটি শহরে ১৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে হুথিদের হামলায় ১৩ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর না হলেও এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জোটের যৌথ বাহিনী এসব হামলার জবাব দায়িত্বশীল ও কঠোরভাবে দেবে। ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুতি বাড়ছে এদিকে ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের কারণে মানবিক পরিস্থিতিও আরও খারাপ হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকে ইয়েমেনে সংঘাতের কারণে অন্তত ১৮ হাজার পরিবার বা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, সংঘাতের কারণে মানুষ বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং আগে থেকেই চাপের মধ্যে থাকা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ওপর আরও চাপ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, সোমবার রাতে হুথিরা দাবি করেছে গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের লাহিজ, তাইজ, আল-জাওফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশে সৌদি আরব ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। হুথিদের দাবি, তাইজ প্রদেশের খাদির জেলার সরকারি কমপ্লেক্সেও সৌদি বিমান হামলা হয়েছে এবং এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সৌদি ঘাঁটি থেকে পরিচালিত এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান এসব হামলায় অংশ নেয়। এর জবাবে প্রতিশোধ নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে গোষ্ঠীটি। সূত্র: আল-জাজিরা এমএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সচিব সভায় সরকারের কাজে গতি, শূন্য পদ পূরণ ও সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ

সচিব সভায় সরকারের কাজে গতি, শূন্য পদ পূরণ ও সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর

স্ত্রীর মৃত্যুর শোক না কাটতেই পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ছেলের

স্ত্রীর মৃত্যুর শোক না কাটতেই পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ছেলের

0 Comments