জাতীয়

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে নিয়োগ, ৫৫ বছরেও আবেদন

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে নিয়োগ, ৫৫ বছরেও আবেদন
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে নিয়োগ, ৫৫ বছরেও আবেদন

রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আবেদনপত্র সরাসরি অথবা ডাকযোগের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। চাকরি প্রার্থীদের অবশ্যই স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। আবেদন ফি ছাড়াই চাকরির সুযোগ পাবেন।

এক নজরে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
পদের বিবরণ

আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • আবেদন শুরু: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ
  • আবেদন পদ্ধতি: অফলাইনে
  • চাকরির ধরন: অস্থায়ী
  • প্রার্থীর ধরন: নারী - পুরুষ
  • কর্মস্থল: ঢাকা
  • বয়স: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সর্বনিম্ন ৩২ এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদনের ঠিকানা: ম্যানেজার অ্যান্ড ইনচার্জ, অ্যাডমিন অ্যান্ড এইচআরএম, এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড, ৩৯৫-৩৯৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

এমআইএইচ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
কাঞ্চীপুরম থেকে কাশু মালা, টরন্টোতে নিজের শিকড়কেই ফ্যাশনের ভাষায় তুলে ধরলেন এই দক্ষিণি অভিনেত্রী
কাঞ্চীপুরম থেকে কাশু মালা, টরন্টোতে নিজের শিকড়কেই ফ্যাশনের ভাষায় তুলে ধরলেন এই দক্ষিণি অভিনেত্রী

টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের রেড কার্পেটে কীর্তি সুরেশের সাজে মিলেছে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার অনন্য মেলবন্ধন। কাঞ্চীপুরমের আবহ, কাশু মালার ছোঁয়া, বারগান্ডি-গোল্ড লুক আর পরিশীলিত মেকআপে দক্ষিণী শিকড়কে আন্তর্জাতিক ফ্যাশনের মঞ্চে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।ঐতিহ্যের সঙ্গে হাই ফ্যাশনের মেলবন্ধনদক্ষিণ ভারতীয় শিকড়কে আধুনিক সিলুয়েটের সঙ্গে মিলিয়ে কীর্তির পোশাকে উঠে এসেছে সংস্কৃতি ও সমকালীন ফ্যাশনের সুন্দর সমন্বয়কাঞ্চীপুরম অনুপ্রেরণায় বারগান্ডি লুকরেড কার্পেটের জন্য কীর্তি বেছে নেন কারান তোরানির ডিজাইন। বারগান্ডি ও অ্যান্টিক গোল্ডের সমন্বয়ে তৈরি এই পোশাকে ছিল ঐতিহ্যবাহী কাঞ্চীপুরমের নতুন ব্যাখ্যাশাড়ির অনুপ্রেরণা, আধুনিক সিলুয়েট গোল্ড-ব্রাউন স্ট্রাকচার্ড টপের সঙ্গে ডিপ মেরুন স্কার্ট। স্কার্টের নকশায় ছিল কাঞ্চীপুরম শাড়ির ছোঁয়া, আর কাঁধে ব্রোকেড দোপাট্টা পুরো লুকটিকে দিয়েছে পরিপূর্ণতাগয়নায় কেরালার ঐতিহ্য লুক সম্পূর্ণ করতে কীর্তি পরেছিলেন ঐতিহ্যবাহী কেরালা জুয়েলারি। স্তরে স্তরে সাজানো গোল্ড নেকলেসের সঙ্গে ছিল মানানসই গোল্ড ড্রপ ইয়াররিংসচোখের সাজে স্মোকি আবেদন মেকআপে ছিল আর্থ-টোনড সৌন্দর্য। নরমভাবে ব্লেন্ড করা ব্রাউন স্মোকি আই, ডার্ক লাইনার ও ফ্লাটারি ল্যাশেস চোখের মেকআপে এনেছে বাড়তি নাটকীয়তামেকআপে সফট গ্ল্যাম ভেলভেটি ম্যাট বেস, সুন্দরভাবে শেপ করা চিকবোন ও উষ্ণ ব্লাশে তৈরি হয়েছে পরিমিত উজ্জ্বলতা। সঙ্গে ছিল মিউটেড ডাস্টি-রোজ লিপ, সফট অথচ পরিশীলিতস্লিক হাই বান চুল ছিল টেনে আঁচড়ানো স্লিক হাই বানে। সাদামাটা এই হেয়ারস্টাইলেই লুকে যোগ হয়েছে রাজকীয় ও পরিশীলিত আবহপোশাকেই নিজের শিকড়ের গল্প কীর্তি নিজেই তাঁর লুককে বর্ণনা করেছেন কাঞ্চীপুরম সিল্ক ও কাশু মালার সংমিশ্রণ হিসেবে। টরন্টোর মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের তামিল ও কেরালা শিকড়কে তুলে ধরাই ছিল এই লুকের সবচেয়ে বিশেষ দিক

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
গুলশানে মিছিলে অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগের ৭ নেতাকর্মী কারাগারে

গুলশানে মিছিলে অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগের ৭ নেতাকর্মী কারাগারে

কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু

কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু

কারাগারেই জন্ম-বেড়ে ওঠা, ৭ বছর পর মুক্ত বাতাসে শিশু মোবাশ্বেরা

কারাগারেই জন্ম-বেড়ে ওঠা, ৭ বছর পর মুক্ত বাতাসে শিশু মোবাশ্বেরা

সেলুনে আতঙ্ক ছড়িয়ে কুপিয়ে হত্যা
সেলুনে আতঙ্ক ছড়িয়ে কুপিয়ে হত্যা

ঢাকার কেরানীগঞ্জে সেলুনে চুল কাটাচ্ছিলেন ফরহাদ হোসেন (৩০)। হঠাৎ সেখানে ঢুকে কয়েকজন তাঁকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে আতঙ্ক ছড়ায়। এরপর চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ফরহাদকে গুরুতর আহত করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ফরহাদের স্বজনদের দাবি, মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং সদস্য আরমান, সোহেলসহ ৭-৮ জন চাঁদা দাবি করায় এই হত্যাকাণ্ড।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
জবিতে বুধবার নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করবে ছাত্রদল

জবিতে বুধবার নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করবে ছাত্রদল

কুড়িলে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির

কুড়িলে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির

রংপুর রেঞ্জে গঠন হচ্ছে পুলিশের ‌‘কুইক রেসপন্স টিম’

রংপুর রেঞ্জে গঠন হচ্ছে পুলিশের ‌‘কুইক রেসপন্স টিম’

উৎপাদন আংশিক বন্ধ ৭৮ শতাংশ কারখানায়, ক্রয়াদেশ কমেছে ৫৫ শতাংশের
উৎপাদন আংশিক বন্ধ ৭৮ শতাংশ কারখানায়, ক্রয়াদেশ কমেছে ৫৫ শতাংশের

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের নিটওয়্যার পোশাক খাতের ৭৮ শতাংশ কারখানায় উৎপাদন আংশিক বন্ধ রয়েছে। নিটিং, ডায়িং ও গার্মেন্টস সেলাইয়ের উৎপাদন কমেছে ৩৭ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত। একই সময়ে রপ্তানি আদেশ বাতিল বা কমেছে ৫৫ শতাংশ কারখানার। দেশের নিটওয়্যার পোশাক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) এক জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে। তবে পোশাক মালিকদের আরেক সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) বলছে, জ্বালানি সংকটের কারণে রপ্তানি আদেশ বাতিল হয়েছে- এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের কাছে নেই। সংগঠনটি জানিয়েছে, জ্বালানি সংকটে উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে। এতে কর্মঘণ্টা বাড়ছে, অর্ডার লেট শিপমেন্ট হচ্ছে ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাড়তি খরচে আকাশপথে পণ্য পাঠাতে হচ্ছে। আরও পড়ুন গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে ৫ এলএনজি টার্মিনাল, ৩০০ কূপ খননের পরিকল্পনা বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা পুরো স্ট্যান্ডার্ড মেনে ওই জরিপ করেছি। বিকেএমইএর সক্রিয় সদস্য কারখানার প্রায় ২০ শতাংশের তথ্যের ভিত্তিতে জরিপটি করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, নিটওয়্যার পোশাক উৎপাদন আংশিক বন্ধ থেকেছে প্রায় ৭৮ শতাংশ কারখানায়। আর রপ্তানি আদেশ বাতিল বা কমেছে প্রায় ৫৫ শতাংশ কারখানার।’ উৎপাদন কমেছে ৩৭ থেকে ৫১ শতাংশ বিকেএমইএর জরিপ অনুযায়ী, গ্যাসের চাপের তথ্য দেওয়া কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহে গড়ে প্রায় ৭৮ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। আর লোডশেডিংয়ের তথ্য দেওয়া কারখানাগুলোতে আগের তুলনায় দৈনিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় গড়ে প্রায় ২০০ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় প্রায় তিনগুণ হয়েছে। জরিপে দেখা যায়, নিটিং উৎপাদন গড়ে ৩৭ থেকে ৩৮ শতাংশ কমেছে। ডায়িং উৎপাদন কমেছে গড়ে ৫১ শতাংশ ও গার্মেন্টস সেলাইয়ের উৎপাদন কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে প্রায় ৯২ শতাংশ কারখানাকে বিকল্প জ্বালানির অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়েছে। একই হারে কারখানায় শ্রমঘণ্টা বা কর্মঘণ্টার অপচয় হয়েছে। প্রায় ৮৯ শতাংশ কারখানা ক্রেতার আস্থা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে ও শিপমেন্টে বিলম্ব হয়েছে ৮৭ শতাংশের। এ ছাড়া প্রায় ৬০ শতাংশ কারখানাকে ক্রেতাকে মূল্যছাড় দিতে হয়েছে। ব্যাংক ঋণ খেলাপি হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে প্রায় ৫৯ শতাংশ। উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় ৭ শতাংশ কারখানায়। আরও পড়ুন রাত ১২টা বাজার অপেক্ষায় থাকেন গৃহিণীরা বিকেএমইএর জরিপের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, প্রায় সব উত্তরদাতাই বিদ্যুৎ ও গ্যাস- দুই সংকটের মুখে পড়েছেন। উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশ থেকে প্রায় অর্ধেক পর্যন্ত কমেছে। এতে শিপমেন্টে বিলম্ব, ক্রেতার আস্থা হারানোর ঝুঁকি ও অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ বেড়েছে। ‘অর্ডার বাতিলের সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই’ এ বিষয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘জ্বালানির কারণে অর্ডার বাতিল হয়েছে- এ ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছি। এতে আমাদের কর্মঘণ্টা বাড়াতে হচ্ছে। আমাদের সদস্যদের অর্ডার লেট শিফট হচ্ছে, কারও কারও এয়ার ফ্রেইট করতে হচ্ছে। তবে অর্ডার বাতিল হয়েছে- এমন কোনো তথ্য আমরা এখনো পাইনি। বিষয়টি আমরা জরিপ করে দেখছি।’ গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আজ গ্যাসের পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। চট্টগ্রামে আজ কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তবে ঢাকায় গ্যাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও তিন দিন সময় লাগতে পারে। কারণ আপস্ট্রিম থেকে গ্যাস ছাড়ার পর পুরো ঢাকায় পৌঁছাতে তিন থেকে চারদিন সময় লাগে।-বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান  তিনি বলেন, ‘গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আজ গ্যাসের পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। চট্টগ্রামে আজ কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তবে ঢাকায় গ্যাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও তিন দিন সময় লাগতে পারে। কারণ আপস্ট্রিম থেকে গ্যাস ছাড়ার পর পুরো ঢাকায় পৌঁছাতে তিন থেকে চারদিন সময় লাগে।’ আরও পড়ুন বাড়তি আমদানিতেও সিলিন্ডার গ্যাসে সংকট বিকেএমইএর এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, জরিপটি কিছুদিন আগে করা হলেও এতে উঠে আসা চিত্র গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের প্রকৃত পরিস্থিতিই তুলে ধরেছে। তবে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠকে সংকট উত্তরণের আশ্বাস পাওয়ার পর তারা এখন পরিস্থিতির উন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন। ‘অপেক্ষা করছি, কবে বাস্তব সমাধান হবে’ পোশাক রপ্তানিকারক স্প্যারো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শোভন ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের এখনো তেমন কোনো উন্নতি আমরা দেখতে পাচ্ছি না। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের দেখা হয়েছে। সেখানে আমাদের ডেকে নিয়ে সংকট সমাধানে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাস্তবে তেমন কোনো উন্নতি আমরা দেখতে পাচ্ছি না।’ আমি এখন স্প্যারোতে আমার কারখানায় আছি। আজও তিনবার বিদ্যুৎ চলে গেছে। দুই ঘণ্টা, এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। কিছুটা উন্নতি হয়তো আছে, কিন্তু সেটা খুব বেশি নয়।-স্প্যারো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি শোভন ইসলাম তিনি বলেন, ‘আমি এখন স্প্যারোতে আমার কারখানায় আছি। আজও তিনবার বিদ্যুৎ চলে গেছে। দুই ঘণ্টা, এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। কিছুটা উন্নতি হয়তো আছে, কিন্তু সেটা খুব বেশি নয়।’ শোভন ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন আশ্বাস দিয়েছেন, আমরা আশা করছি পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এখন আমরা অপেক্ষা করছি, সময় গুনছি- কবে এই সংকটের বাস্তব সমাধান হবে।’ ‘পোশাক খাত বড় চ্যালেঞ্জে’ বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘সব মিলিয়ে পোশাক খাত এখন একটি বিরাট চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। বিশেষ করে কম্পোজিট ইউনিটগুলো গ্যাসের ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায় তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। আর শুধু গার্মেন্টস কারখানাগুলোর ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা বেশি। সেখানে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করেও উৎপাদন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।’ আরও পড়ুন গ্যাস সংকটে শিল্প-কারখানায় উৎপাদনে ধস উৎপাদন কমার পেছনে শুধু জ্বালানি সংকটই নয়, অর্ডার কমে আসার বিষয়টিও রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আবার জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান সেই বাড়তি ব্যয়ও সামাল দিতে পারছে না। সব মিলিয়ে পোশাক খাত বর্তমানে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে।’ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে আমরা চরম সমস্যার মধ্যে আছি। এখনো অনেক ফ্যাক্টরিতে গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্য। কোনোভাবেই জেনারেটর বা বার্নার চালাতে পারছি না। বাধ্য হয়ে ডিজেল কিনে উৎপাদন চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে।-বিএফপিআইএ সভাপতি সাফিউস সামি আলমগীর বাংলাদেশ ফ্লেক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফপিআইএ) সভাপতি ও টাম্পাকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিউস সামি আলমগীর বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে আমরা চরম সমস্যার মধ্যে আছি। এখনো অনেক ফ্যাক্টরিতে গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্য। কোনোভাবেই জেনারেটর বা বার্নার চালাতে পারছি না। বাধ্য হয়ে ডিজেল কিনে উৎপাদন চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে।’ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ অর্থাৎ জ্বালানি হচ্ছে যে কোনো উৎপাদন প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি। বর্তমানে জ্বালানির সংকট চরম। যদিও গত দুই-এক দিনে জানতে পারছি, সরকার গ্যাসের সংকট দূর করতে ব্যবস্থা নিচ্ছে। এলএনজি স্থানান্তরের কারিগরি ত্রুটিগুলো ঠিক করা হচ্ছে, ফলে সংকট কমতে পারে।’ এটা শুধু নিটওয়্যার বা বিকেএমইএর বিষয় নয়। দেশের ছোট, বড় ও মাঝারি শিল্প থেকে শুরু করে গৃহস্থালির প্রয়োজন- সবকিছুই জ্বালানি সরবরাহের ব্যাঘাতে প্রভাবিত হয়েছে। যেহেতু জ্বালানি যে কোনো কলকারখানার প্রাণশক্তি, তাই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের সচেতন থাকা উচিত।-সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ তিনি বলেন, ‘এটা শুধু নিটওয়্যার বা বিকেএমইএর বিষয় নয়। দেশের ছোট, বড় ও মাঝারি শিল্প থেকে শুরু করে গৃহস্থালির প্রয়োজন- সবকিছুই জ্বালানি সরবরাহের ব্যাঘাতে প্রভাবিত হয়েছে। যেহেতু জ্বালানি যে কোনো কলকারখানার প্রাণশক্তি, তাই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের সচেতন থাকা উচিত।’ আরও পড়ুন বাব আল-মান্দেবও অনিরাপদ, জ্বালানি-বাণিজ্যে বাড়ছে ঝুঁকি নাজনীন আহমেদ বলেন, ‘স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থার পাশাপাশি আমাদের সক্ষমতার বিষয়টিও দেখতে হবে। অনেক জায়গায় অবকাঠামো তৈরি হয়েছে, কিন্তু সরবরাহের ব্যবস্থা সব জায়গায় ঠিক নেই। গ্যাস ও বিদ্যুৎ- দুই ক্ষেত্রেই বিষয়টি দেখতে হবে। গ্যাস সীমিত সম্পদ হওয়ায় নিজেদের সম্পদের পাশাপাশি আমদানির ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার।’ শিল্প-কারখানার প্রবৃদ্ধি অনুযায়ী নিয়মিত জ্বালানির চাহিদা মূল্যায়ন করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেই অনুযায়ী স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ পরিকল্পনা থাকতে হবে। শুধু সাম্প্রতিক সরবরাহের ব্যাঘাত নয়, দীর্ঘদিন ধরেই চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ঘাটতি রয়েছে। তাই ছোট, মাঝারি ও বড়- সব শিল্পের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত।’ ইএইচটি/এএসএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
দেবদাসের রক্তাক্ত পুনর্জন্ম, প্রেমের বদলে প্রতিশোধ

দেবদাসের রক্তাক্ত পুনর্জন্ম, প্রেমের বদলে প্রতিশোধ

জিন্নাহকে নিয়ে কেন এই প্রতিবাদ

জিন্নাহকে নিয়ে কেন এই প্রতিবাদ

শারদীয় আমেজে জয়ার ল্যাভেন্ডার 'ব্লিস'

শারদীয় আমেজে জয়ার ল্যাভেন্ডার 'ব্লিস'

0 Comments