জাতীয়

ছোটবেলার শাবনাজ-মৌসুমী কি সত্যিই মারা গেছেন?

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ছোটবেলার শাবনাজ-মৌসুমী কি সত্যিই মারা গেছেন?
ছোটবেলার শাবনাজ-মৌসুমী কি সত্যিই মারা গেছেন?

নব্বই দশকের চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পীদের জন্য আলাদা জায়গা ছিল। গল্পের গুরুত্বপূর্ণ বাঁক কিংবা নায়ক-নায়িকার শৈশবের অংশকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে শিশুশিল্পীদের অভিনয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হতো।

বাংলা চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন সীমা। দর্শকের কাছে ‘বেবি সীমা’ নামেই বেশি পরিচিত।

এই অভিনেত্রী একসময় ঢাকাই সিনেমার নিয়মিত মুখ ছিলেন। বিশেষ করে জনপ্রিয় নায়িকাদের ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন বেবি সীমা। পরে চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে গিয়ে সংসার জীবনেই মনোযোগী হন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরে তাকে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা না গেলেও পুরোনো সিনেমার দর্শকদের কাছে এখনো বেবি সীমা পরিচিত একটি নাম।

তবে সম্প্রতি তার মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সব গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সনি রহমান।

তিনি জানিয়েছেন, বেবি সীমা বর্তমানে ভালো আছেন এবং স্বামী-সংসার নিয়ে পুরান ঢাকায় বসবাস করছেন। তার শারীরিক অবস্থাও ভালো। ফলে তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা ভিত্তিহীন কোনো তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সনি রহমান বলেন, ‘বর্তমানে সীমা ম্যাডাম স্বামী-সংসার নিয়ে পুরান ঢাকায় বসবাস করছেন। আলহামদুলিল্লাহ, তিনি সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।’

একই সঙ্গে বেবি সীমাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা তথ্যের বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়াবেন না প্লিজ।’

শাবনাজ, মৌসুমীসহ সেই সময়ের জনপ্রিয় নায়িকাদের ছোটবেলার চরিত্রে নিয়মিত অভিনয় করেছেন সীমা। ফলে নায়িকাদের শৈশবের দৃশ্য এলেই অনেক সিনেমায় তার উপস্থিতি দেখা যেত। অল্প বয়সেই অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি।

তার অভিনীত সিনেমার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘প্রেমগীত’, ‘প্রেমের সমাধি’ ও ‘রূপের রাণী গানের রাজা’। ‘প্রেমগীত’ সিনেমায় লিমার ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ‘প্রেমের সমাধি’তে শাবনাজের ছোটবেলার চরিত্রেও দেখা গেছে তাকে।

শুধু নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রে সীমাবদ্ধ ছিলেন না সীমা। ধনী পরিবারের শিশু থেকে শুরু করে দরিদ্র পরিবারের চরিত্র বিভিন্ন ধরনের গল্পে সাবলীলভাবে অভিনয় করেন তিনি। পাশাপাশি ফোক-ফ্যান্টাসি ঘরানার সিনেমায়ও তার অভিনয় ছিল চোখে পড়ার মতো।

 

এমআই/এলআইএ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো.আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কতিপয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ আছে। কতিপয় সাংবাদিক তৎকালীন সরকারের সময় বিভিন্ন অপকর্মকে সহায়তা করেছে।’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আজ বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে হত্যার ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ মেজর (অব.) মো.সাব্বির রহমান ওসমানী ১৩তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে সাব্বির রহমান কী বলেছেন, তা গণমাধ্যমকে জানাতে চিফ প্রসিকিউটর এই ব্রিফিংয়ে আসেন।জবানবন্দিতে সাংবাদিকদের প্রসঙ্গ টেনেছেন মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানী। এ প্রসঙ্গে ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমাদের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একটা ইনভেস্টিগেশন (তদন্ত) চলছে এবং পরবর্তীকালে আজকের এই সাক্ষীর সাক্ষ্য হয়তো সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে।’জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিক গ্রেপ্তার আছেন। তাঁরা হলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত; একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ও উপস্থাপক ফারজানা রুপা।এ মামলার বিষয়ে গত ১৭ আগস্ট প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে কয়েকজন সাংবাদিক প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। যে বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’, ‘রাজাকারের বাচ্চা’, ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলেছিলেন।এ ছাড়া রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে আসামি করা হয়েছে।‘ট্রাইব্যুনালে কিছু বিতর্কিত সাংবাদিকের বিচার হওয়া উচিত’গুম–খুনের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষী মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানী আজ জবানবন্দিতে বলেছেন, ২০১২ সালের মার্চ মাসে জিয়াউল আহসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সুন্দরবনের ভোলা নদী–সংলগ্ন মরা ভোলা এলাকায় একটি ত্রিমাত্রিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। সেই অভিযান পরিচালনার আগের রাতে র‍্যাব গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের একটি দল আগেই মরা ভোলার উদ্দেশে রওনা দেয়। অভিযানস্থল চিহ্নিত করে এলাকা ঘিরে ফেলার সময় বনের ভেতর থেকে ২ থেকে ৩টি গুলির শব্দ শোনা যায়। এই শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে জিয়াউল আহসানের নির্দেশে মূল আভিযানিক দল বন লক্ষ্য করে গুলি শুরু করে। প্রায় ৩০ মিনিট পর গুলি থামে। স্থানীয় থানা–পুলিশের মাধ্যমে বন তল্লাশি করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র, গোলাবারুদ ও পাঁচটি মৃতদেহ উদ্ধার দেখানো হয়।সাক্ষী মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানী জবানবন্দিতে আরও বলেন, এই অভিযানে র‍্যাব সদর দপ্তরের তৎকালীন এডিজি (অপস) কর্নেল মুজিব, আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মোহাম্মদ সোহায়েল এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরা সোহায়েলের আমন্ত্রণে বরিশালে র‍্যাব-৮–এ এসে উপস্থিত হতেন।সাংবাদিকদের বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে পৃথক ট্রলারে করে মূল আভিযানিক দলের একদম শেষের দিকে রাখা হতো উল্লেখ করে সাব্বির রহমান ওসমানী বলেন, ফায়ারিং শেষে তল্লাশি অভিযান পরিচালনার সময় জিয়াউল ও সোহায়েল সাংবাদিকদের নিয়ে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখতেন।জিয়াউলের তিনটি ‘এনকাউন্টার’ বা বন্দুকযুদ্ধ অভিযান দেখে সাব্বির রহমান ওসমানীর মনে হয়েছে সব সাজানো ছিল। তিনি এ বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, কারণ প্রতিটি অভিযান পরিচালনার আগেই র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার একটি দল অভিযানস্থলে চলে যেত। বনের ভেতর থেকে বনদস্যুদের গুলি এলে সেটি আসার কথা একনলা বা দোনলা বন্দুক থেকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অটোমেটিক (স্বয়ংক্রিয়) অস্ত্র দিয়ে গুলির শব্দ পেয়েছেন তিনি। এ ধরনের অস্ত্র কোনো অবস্থাতেই দস্যু বাহিনীর কাছে ছিল না। ঘটনার সময় ধারণকৃত বিভিন্ন সাংবাদিকের আলোকচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ (নিশানখালী, কটকা ও মরা ভোলা) দেখার পর তাঁর মনে হয়েছে, মূল আভিযানিক দল যখন অভিযানস্থলে গোলাগুলিতে ব্যস্ত তখন র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে আসা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাঁদের সঙ্গের সদস্যরা কোনো ধরনের অস্ত্র, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট, বুলেট প্রুফ হেলমেট ছাড়াই চলাফেরা করতেন; যা ‘স্টেইজড অপারেশন’ (সাজানো অভিযান)। কোনোভাবেই নিরাপত্তার ঝুঁকিকে ছাড় দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব নয়।এই সাক্ষীর জবানবন্দির পরই চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিং করেন। সাক্ষী মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানীর জবানবন্দির এই অংশকে ইঙ্গিত করে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, এখানে সাংবাদিকদেরও একধরনের ভূমিকার কথা সাক্ষী বলেছেন। সাংবাদিকদের নিয়ে যাওয়া হতো। পরে সোহায়েল তাদের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই ঘটনাগুলো দেখাতেন। সাংবাদিকেরা কি প্রত্যক্ষভাবে এ ধরনের কাজগুলোর বয়ান তৈরিতে সহায়তা করেছে?এর জবাবে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান ছিলেন সোহায়েল। তিনি পছন্দের কিছু সাংবাদিককে বা সংবাদমাধ্যমকে আমন্ত্রণ করতেন। তাঁদের নিয়ে অভিযানস্থল পর্যন্ত যেতেন। সাংবাদিকদের লাইফ জ্যাকেট দিতেন। সাংবাদিকদের যেভাবে ব্রিফ করা হতো, সেভাবে তাঁরা বা সেই গণমাধ্যমগুলো প্রচার করতেন। এই কর্মকাণ্ডের পেছনে তৎকালীন সময়ের কিছু বিতর্কিত গণমাধ্যম অথবা কিছু বিতর্কিত সাংবাদিক; যাঁরা এই কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন, অ্যাবেটমেন্ট (সহায়তা) করেছেন, তাঁরাও কিন্তু সমভাবে অপরাধী। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁদেরও বিচার হওয়া উচিত। এটাও মানবতাবিরোধী অপরাধ।আরেক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই সাক্ষী কোনো গণমাধ্যমের নাম উল্লেখ করেননি। কোনো সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করেননি। তবে তৎকালীন সময়ে যেসব সাংবাদিক অথবা যাঁরা অভিযানস্থল পর্যন্ত গিয়েছেন, তাঁদের ফুটেজ সাংবাদিকদের কাছে আছে। সাংবাদিকদের কাছ থেকেই এই ফুটেজ সংগ্রহ করে পরবর্তী তদন্তে সহায়তা পাওয়া যাবে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
গাড়ির ধাক্কা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন চালক

গাড়ির ধাক্কা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন চালক

১৩ টাকা সিক্কায় ছয় বছরের মেয়েকে বিক্রি করেছিলেন বাবা

১৩ টাকা সিক্কায় ছয় বছরের মেয়েকে বিক্রি করেছিলেন বাবা

তালের চাটনির রেসিপি

তালের চাটনির রেসিপি

সেই টি–শার্ট না পরার ব্যাখ্যা দিলেন এমবাপ্পে
সেই টি–শার্ট না পরার ব্যাখ্যা দিলেন এমবাপ্পে

দলের সবাই পরেছিলেন টি–শার্টটা, বাদ ছিলেন শুধু তাঁরা তিনজন—কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ইব্রাহিমা কোনাতে। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তিন ফুটবলার ও তাঁদের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদকে। এবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন রিয়ালের ফরাসি ফরোয়ার্ড।মঙ্গলবার লা লিগায় এলচের মুখোমুখি হওয়ার আগে রিয়াল মাদ্রিদ ‘আমরা সবাই সেউতার বাসিন্দা’ লেখা টি-শার্ট পরতে সম্মত হয়েছিল। গত জুলাইয়ে মরক্কো থেকে ব্যাপক অভিবাসী ঢলের পর স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন এই ছিটমহলের মানবিক পরিস্থিতি তুলে ধরতে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এই উদ্যোগ নেয়।যৌথ সমঝোতা থাকা সত্ত্বেও এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস ও কোনাতেরা জার্সিটি গায়ে পরেননি। ম্যাচ শুরুর আগে এই তিনজন পোশাকটি গুটিয়ে বুকের কাছে তুলে ধরেন, তাতে ‘আমরা সবাই সেউতার বাসিন্দা’ লেখাটি ঢেকে যায়।এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়া এমবাপ্পে এএসকে জানান, কেন তাঁরা দলের বাকিদের মতো সেউতার টি–শার্ট পরেননি, ‘টি–শার্ট পরার সিদ্ধান্ত ক্লাবের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল। খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের তা পরতে হতো। প্রথমত আমি বলতে চাই, আমি সেউতা এবং এর সব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছি। কারণ, একজন ফুটবলার হওয়ার আগে আমি একজন মানুষ।’এমবাপ্পের বাবা-মা আলজেরিয়া ও ক্যামেরুন থেকে ফ্রান্সে অভিবাসী হিসেবে এসেছিলেন। এমবাপ্পের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ফ্রান্সে। একটি অভিবাসী পরিবারের সদস্য হিসেবে এ ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর যন্ত্রণা ভালোভাবেই বোঝেন এমবাপ্পে। সেউতার জনগণের দুর্ভোগের বিপরীতে মরক্কো থেকে ছুটে আসা অভিবাসীদের কষ্টের বিষয়ও যে আছে, সেটি ভুলে যাননি রিয়ালে খেলা এই ফরোয়ার্ড, ‘যেসব অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছেন এবং যাঁরা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন, আমি তাঁদের সমর্থনেও দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। এটা খুব কঠিন এক অবস্থান ছিল। কারণ, মানুষ হয়তো ভেবে বসতে পারে যে আমি সেউতার মানুষের বিপক্ষে। কিন্তু না, একদমই তা নয়। তাঁদের বিরুদ্ধে আমার কিছুই বলার নেই এবং মনেপ্রাণে আমি তাঁদের সমর্থন করি। তবে কষ্ট ও দুর্ভোগের মুখোমুখি হওয়া প্রত্যেক মানুষের পাশেও আমি দাঁড়াতে চেয়েছিলাম।’ম্যাচের আগে বিশেষ জার্সি পরেছিলেন এলচে ও রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়েরা।সেউতা মরক্কো সীমান্তে অবস্থিত স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত শহর। সাম্প্রতিক সময়ে মরক্কো সীমান্ত দিয়ে প্রায় ৭২ হাজার অভিবাসী ও শরণার্থী স্পেনের ভূখণ্ডে ঢোকার উদ্দেশ্যে সেউতায় চলে আসেন, যা ৮৫ হাজার জনগোষ্ঠীর ছোট্ট শহরটির জন্য পরিণত হয় বড় ধরনের সংকটে। আকস্মিক ও বিপুল এই মানুষের ঢলে স্বাস্থ্যসেবা, বাসস্থান আর স্থানীয় প্রশাসনের ওপর তীব্র চাপ পড়ে। দুই পক্ষের জন্যই সহমর্মিতার কথা জানিয়েছেন এমবাপ্পে।ফরাসি তারকা বলেন, ‘আমি একজন মানুষ এবং আমি একজনের কষ্টকে অন্যজনের চেয়ে ছোট বা বড় করে দেখতে চাই না। মানুষ কষ্টে আছে এবং পৃথিবীতে এমনটা দেখতে আমার খুব কষ্ট হয়। আমি এমন একজন যে পুরো বিশ্বের কল্যাণ চাই। আমি ইতিবাচকতা ও শান্তির বার্তা পৌঁছাতে চাই এবং আশা করি, এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।’এমবাপ্পে–ভিনিদের বিশেষ জার্সি না পরা নিয়ে সমালোচনার মুখে রিয়াল

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
বিশ্ব কি আরেকটি বড় আর্থিক সংকটের দিকে যাচ্ছে

বিশ্ব কি আরেকটি বড় আর্থিক সংকটের দিকে যাচ্ছে

এল ম্যাগাজিনের কভার গার্ল থেকে গ্ল্যামার নিয়ে নতুন বিতর্কে দিশা পাটানি

এল ম্যাগাজিনের কভার গার্ল থেকে গ্ল্যামার নিয়ে নতুন বিতর্কে দিশা পাটানি

সুপারশপ ব্যবসা চ্যানেলে রিমার্কের পণ্য বাড়ছে

সুপারশপ ব্যবসা চ্যানেলে রিমার্কের পণ্য বাড়ছে

‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ দুর্বল’: ওসি প্রত্যাহার
‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ দুর্বল’: ওসি প্রত্যাহার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, প্রশাসন ও পুলিশ নিয়ে সমালোচনামূলক একটি অডিও ভাইরাল হওয়ার পর ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মো. রাকিবুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ডিএমপি সূত্রে অডিওর কণ্ঠটি রাকিবুলের বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত হয়েছে। ওই অডিওতে "শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে আসতেছে, এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না" মন্তব্যসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও ওসি পদায়নে কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ করা হয়। তাকে ডিএমপির সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
আদালতের হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় পালালেন আসামি, দুই ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার

আদালতের হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় পালালেন আসামি, দুই ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার

স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল কুকুর, যেভাবে উদ্ধার হলো

স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল কুকুর, যেভাবে উদ্ধার হলো

হুতিদের চাপে সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির সমীকরণ কোন পথে?

হুতিদের চাপে সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির সমীকরণ কোন পথে?

0 Comments