জাতীয়

স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল কুকুর, যেভাবে উদ্ধার হলো

D HASAN সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল কুকুর, যেভাবে উদ্ধার হলো
স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল কুকুর, যেভাবে উদ্ধার হলো
সাগরে ভেসে যাওয়া কুকুরটি উদ্ধার করেন যাত্রীবাহী নৌযানের যাত্রীরা

কুতুবদিয়া চ্যানেলের মাঝখানের সাগরের স্রোতে ভেসে যাচ্ছিল কিছু একটা। দেখে মনে হচ্ছিল, মানুষের মাথা। দূর থেকে সেটি দেখতে পেয়েছিলেন একটি যাত্রীবাহী নৌকার যাত্রীরা। ইঞ্জিনচালিত ওই নৌকা কাছাকাছি হতেই যাত্রীরা দেখতে পেলেন, কোনো মানুষ নয়, স্রোতের টানে ভেসে যেতে যেতে বাঁচার চেষ্টা করছে একটি কুকুর। প্রাণীটি কোনো রকমে পানির ওপর মাথা তুলে রেখেছে। নৌকার যাত্রীদের অনুরোধে সাগরে ভেসে যাওয়া কুকুরটিকে উদ্ধারের জন্য মাঝি নৌকা থামান। উদ্ধার করা হয় কুকুরটি।

গতকাল বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। যাত্রীরা জানান, কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুন ঘাট থেকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ছনুয়াঘাট যাচ্ছিল নৌকাটি। বেলা আড়াইটার দিকে মিজবাউল আলম নামের এক যাত্রী প্রথম কুকুরটিকে দেখতে পান। তিনি বিষয়টি অন্য যাত্রীদের জানান। এরপর নৌকা থামিয়ে কুকুরটিকে তুলে নিতে চালককে বাধ্য করেন যাত্রীরা।

মামুনুল ইসলাম কুতুবী নামের এক যাত্রী বলেন, যাত্রীদের দাবির মুখে মাঝি নৌকা থামালে পানিতে রশি ফেলা হয়। দুই যাত্রী দুই দিক থেকে রশি ধরে কুকুরটির কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তখন অনেক স্রোত ছিল। কয়েকবার এদিক-ওদিক ভেসে যাওয়ার পর অবশেষে রশির নাগালে আসে কুকুরটি। এরপর দুই যাত্রী মিলে শক্ত করে ধরে টেনে তোলেন কুকুরটিকে। মুহূর্তেই পানির বুক থেকে নৌকার ওপর উঠে এল কুকুরটি। দীর্ঘ সময় পানিতে ভাসলেও তার মাথাটি ছিল শুকনা। মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথমে আমরা মানুষের মাথা মনে করেছিলাম। কাছে গিয়ে বুঝলাম, কুকুর। আমরা মূলত একটা প্রাণ বাঁচিয়েছি।’

উদ্ধারের পর কুকুরটিকে নৌকাতেই রাখা হয়। পরে বাঁশখালীর ছনুয়াঘাটে পৌঁছে সেটিকে নামিয়ে দেওয়া হয়। নৌকার চালক জহির উদ্দিন বলেন, ‘ওটা যদি মানুষ হতো, তখন তো সবাই দৌড়াতাম। চিন্তা করলাম, কুকুরও তো একটা প্রাণী। তাই সেটিকে উদ্ধার করেছি আমরা।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
হাম উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪১৭
হাম উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪১৭

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে এক হাজার ১৪৯ শিশু। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরো ১০৫ শিশু।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, অধিকাংশ কারখানা ছুটি

আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, অধিকাংশ কারখানা ছুটি

আইপিডিসি ফাইন্যান্স ৪০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে

আইপিডিসি ফাইন্যান্স ৪০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে

মাদক ও মোবাইলে আসক্তি কমাতে চায়ের দোকানে ব্যতিক্রমী পাঠাগার

মাদক ও মোবাইলে আসক্তি কমাতে চায়ের দোকানে ব্যতিক্রমী পাঠাগার

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ-মালিক-শ্রমিক ঐক্য জরুরি: শিমুল বিশ্বাস
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ-মালিক-শ্রমিক ঐক্য জরুরি: শিমুল বিশ্বাস

রাজধানী ঢাকার অসহনীয় যানজট, সড়কে বিশৃঙ্খলা এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে পুলিশ, পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও সাংবাদিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ও পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
শ্রমিক আন্দোলনকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-জামায়াত-এনসিপি উসকে দিচ্ছে, অভিযোগ রাশেদের

শ্রমিক আন্দোলনকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-জামায়াত-এনসিপি উসকে দিচ্ছে, অভিযোগ রাশেদের

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: স্পিকার

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: স্পিকার

বগুড়ার আল্লামের তাকিয়া কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও পাস করেননি

বগুড়ার আল্লামের তাকিয়া কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও পাস করেননি

ইরানে হামলার ব্যাপারে আমার তাড়াহুড়ো নেই: ট্রাম্প
ইরানে হামলার ব্যাপারে আমার তাড়াহুড়ো নেই: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের ওপর নতুন করে আক্রমণ শুরু করার ব্যাপারে তার কোনো তাড়াহুড়ো নেই। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ইরানের সামরিক শক্তি ও পারমাণবিক কর্মসূচিকে প্রায় ধ্বংস করে ফেলেছে। শনিবার রাতে ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেছেন।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
গবেষণা মাঠ রক্ষায় শেকৃবি শিক্ষার্থীদের টানা চতুর্থ দিনের বিক্ষোভ

গবেষণা মাঠ রক্ষায় শেকৃবি শিক্ষার্থীদের টানা চতুর্থ দিনের বিক্ষোভ

সেই সঙ্গী কিন্তু বাঙ্গি বেঁচে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী, গান নিয়ে কী বললেন আমজনতার তারেক?

সেই সঙ্গী কিন্তু বাঙ্গি বেঁচে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী, গান নিয়ে কী বললেন আমজনতার তারেক?

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

0 Comments