জাতীয়

আশুগঞ্জে রুমিন ফারহানার দুই সমর্থকের ওপর হামলা, অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
আশুগঞ্জে রুমিন ফারহানার দুই সমর্থকের ওপর হামলা, অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে
আশুগঞ্জে রুমিন ফারহানার দুই সমর্থকের ওপর হামলা, অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে উপজেলা বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার দুই সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত ওই দুজন আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক আতাউর রহমান ও সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বিপ্লব। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচন করায় তাঁদের দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী শুক্রবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার আয়োজন করেছে আবদুল কাদির শাহ পাঠাগার। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রধান হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদে যান আবদুল কাদির শাহ পাঠাগারের সভাপতি ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক আতাউর রহমান এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বিপ্লব। তাঁরা ইউএনওর কক্ষের দিকে যান। সেখানে ইউএনওর সঙ্গে কথা বলছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন। তখন আতাউর রহমান ও রাসেল বিপ্লব ভেতরে ঢোকেননি। তাঁরা নিচে নেমে উপজেলা পরিষদের বিপরীত দিকে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। দুপুরে ওই দুজনের ওপর হামলা করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদে থাকা গ্রামপুলিশের সদস্যরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

পরে হামলায় আহত আতাউর রহমান ও রাসেল বিপ্লব আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। রাসেল বিপ্লব প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজ দুপুরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান তাঁর লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিজয়ী হওয়ার পর থেকে বিএনপির নেতা–কর্মীরা আমাদের প্রতিপক্ষ হয়ে আছেন। তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবেই হামলা চালিয়েছেন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মাদকের বিষয় নিয়ে আমাদের ছেলেপেলের সঙ্গে তাঁদের কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে এগিয়ে গিয়ে আমি তাঁদের ফিরিয়ে দিই।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এখন উপজেলায় কিছু হলেই আমাদের নাম ওঠে। কী করার আছে?’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলা পরিষদের পেছনের মাঠে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। তিনি (রুমিন ফারহানা) মাননীয় সংসদ সদস্য। তিনি চাইলে অবশ্যই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হবে। প্রশাসনের দায়িত্ব তাঁকে সার্বিক সহযোগিতা করা এবং নিরাপত্তা প্রদান করা। সরকারি দায়িত্ব পালন করা হবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
চকচকে চালের কাছে হেরে যাচ্ছে লালচে চাল, বন্ধ হচ্ছে হাসকিং মিল
চকচকে চালের কাছে হেরে যাচ্ছে লালচে চাল, বন্ধ হচ্ছে হাসকিং মিল

শ্রমিকসংকট, পুঁজির অভাব, বাজারে চকচকে চালের চাহিদা, করপোরেট প্রতিযোগিতা ও সরকারি নীতিমালার কারণে দিনাজপুরের হাসকিং মিলগুলো টিকতে পারছে না। বিস্তারিত ভিডিওতে...

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলা বলে প্রচারিত ভিডিওটি ২০২৫ সালের মদিনার

মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলা বলে প্রচারিত ভিডিওটি ২০২৫ সালের মদিনার

দাবানল থামাতে ছাগল যেভাবে কাজ করে

দাবানল থামাতে ছাগল যেভাবে কাজ করে

হাওরের মাছেই ভরসা

হাওরের মাছেই ভরসা

আপনি কত পার্সেন্ট বাঙালি
আপনি কত পার্সেন্ট বাঙালি

আসলেই আমরা জাতি হিসেবে নাম্বার ওয়ান। এমন সব মাথা–নষ্ট কাজ করি আমরা, যেগুলা শুধু আমাদের দিয়েই সম্ভব। আপনি কি বাঙালি হিসেবে নাম্বার ওয়ান? পরীক্ষা করে জেনে নিন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
তালের পায়েসের রেসিপি

তালের পায়েসের রেসিপি

অবশেষে বিয়ে করছেন 'দুষ্টু কোকিল', প্রি-ওয়েডিং ফ্ল্যাশব্যাকে দেখুন তাঁর ১৩টি বোল্ড লুক

অবশেষে বিয়ে করছেন 'দুষ্টু কোকিল', প্রি-ওয়েডিং ফ্ল্যাশব্যাকে দেখুন তাঁর ১৩টি বোল্ড লুক

২ হাজার ই–মেইল থেকে চুলের রহস্য, জোড়া খুনের রহস্য সমাধানে দম্পতির অবিশ্বাস্য যাত্রা

২ হাজার ই–মেইল থেকে চুলের রহস্য, জোড়া খুনের রহস্য সমাধানে দম্পতির অবিশ্বাস্য যাত্রা

নীতির পরিবর্তনে ঘুরছে পরিবেশবান্ধব গাড়ির চাকা
নীতির পরিবর্তনে ঘুরছে পরিবেশবান্ধব গাড়ির চাকা

দেশে যানবাহনের বাজারে বইছে সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনের হাওয়া। জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান মূল্য, পরিবেশ সচেতনতা এবং দীর্ঘ মেয়াদে পরিচালন ব্যয় কমানোর তাগিদে দেশের ক্রেতারা এখন প্রথাগত পেট্রল বা ডিজেলচালিত গাড়ির বদলে পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড ও ইলেকট্রিক যানবাহনের (ইভি) দিকে দ্রুত ঝুঁকছেন। অটোমোবাইল খাতের এই ইতিবাচক রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করছে সরকারের নীতিমালা এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সহজ ও পরিবেশবান্ধব গাড়ির ঋণ।বর্তমানে দেশের বাজারে ঐতিহ্যবাহী জাপানি পুনর্ব্যবহৃত বা রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম ১৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার মধ্যে ওঠানামা করলেও পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড গাড়ির দাম ৩৫ থেকে ৭০ লাখ টাকা এবং নতুন ইলেকট্রিক গাড়ির দাম ৪৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বিলাসবহুল গাড়ির দাম কয়েক কোটি টাকা রয়েছে। দামের কিছুটা তারতম্য থাকলেও জ্বালানি সাশ্রয়, কম রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং ব্যাংকের আকর্ষণীয় অর্থায়ন সুবিধার কারণে মধ্যবিত্ত ও করপোরেট পেশাজীবীদের এখন বেশ পছন্দ হাইব্রিড ও ইভি।কেন ইলেকট্রিক ও হাইব্রিডে ঋণের প্রাধান্যপ্রথাগত জ্বালানিচালিত গাড়ির তুলনায় পরিবেশবান্ধব গাড়িতে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক বেশি ঋণসুবিধা দিচ্ছে। এর পেছনে মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মে মাসে জারি করা নতুন অটো লোন গাইডলাইন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও গ্রিন মোবিলিটি উৎসাহিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রচলিত তেলের গাড়ির ক্ষেত্রে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ৬০ লাখ টাকা এবং ঋণ-ইকুইটি অনুপাত ৬০: ৪০–এ অপরিবর্তিত রেখেছে। কিন্তু ইলেকট্রিক, হাইব্রিড এবং দেশে উৎপাদিত বা সংযোজিত গাড়ির ক্ষেত্রে এই ঋণসীমা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা এবং ঋণ-ইকুইটি অনুপাত ৮০:২০ নির্ধারণ করেছে।এর বাস্তব প্রয়োগ হলো—একজন গ্রাহক প্রথাগত গাড়ি কিনলে ৪০ শতাংশ টাকা নিজের পকেট থেকে দিতে হবে। তবে একই দামের একটি হাইব্রিড বা ইভি গাড়ি কিনলে গ্রাহক মাত্র ২০ শতাংশ টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়েই ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ঋণসুবিধা পাচ্ছেন। উচ্চ প্রাথমিক মূলধনের বাধা দূর করতেই নীতিমালায় এই বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা গ্রাহকের তাৎক্ষণিক আয়ের ওপর চাপ অনেক কমায়।সরকারের নীতি ও রাজস্ব প্রণোদনাপরিবেশবান্ধব যাতায়াতব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার ‘ইলেকট্রিক ভেহিকেল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড অপারেশন গাইডলাইন’ বাস্তবায়নের পাশাপাশি বাজেটে বিশেষ নীতিগত সহায়তা দিয়েছে। প্রথাগত জ্বালানিচালিত গাড়িতে যেখানে মোট শুল্ক ও করের হার ৮৯ থেকে ১২৭ শতাংশ পর্যন্ত ওঠে, সেখানে দেশে সংযোজিত ও পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ক্ষেত্রে তা কমিয়ে প্রায় ৩৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এ ছাড়া ইভি ব্যাটারি এবং স্থানীয় কারখানাগুলোতে উৎপাদনের ওপর ভ্যাট ছাড় সুবিধা আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত বহাল রাখা হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন সাশ্রয়ী সুদের হার ও নমনীয় শর্তে কার লোন বিতরণে প্রতিযোগিতা করছে।ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. এহতেশামুল হক খান বলেন, ‘আমাদের অটো লোনে দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি সুবিধা ও জিরো হিডেন চার্জ নীতি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের ক্যাশ ফ্লো অক্ষুণ্ণ রেখে গাড়ি কেনার সুযোগ দিচ্ছে। আমাদের ২৪৩টি শাখা, ৩৫০টি উপশাখা এবং ৫ হাজার ৬২০টি এজেন্ট আউটলেটের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঢাকার বাইরেও কার লোন সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহসান জামান চৌধুরী বলেন, ‘গ্রিন ব্যাংকিংয়ের আওতায় আমরা প্রথাগত গাড়ির চেয়ে ইভি ও হাইব্রিড গাড়িতে ১ শতাংশ কম সুদের হার দিচ্ছি। নতুন গাড়িতে ৬ বছর ও রিকন্ডিশন্ড গাড়িতে ৫ বছরের মেয়াদ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য শুধু ঋণ দেওয়া নয়, বরং একটি সমন্বিত গ্রিন মোবিলিটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।’প্রাইম ব্যাংকের সিইও ফয়সাল রহমান জানান, ‘আমাদের বিশেষায়িত “নীরা” উইমেন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারী গ্রাহকদের ইভি ও টু-হুইলার অর্থায়নে সাশ্রয়ী ফি দেওয়া হচ্ছে। নিজস্ব পে-রোল গ্রাহকদের জন্য প্রসেসিং ফি সম্পূর্ণ মওকুফসহ দ্রুততম সময়ে লোন ছাড় করা হচ্ছে, যা সবুজ অর্থায়নে ব্যাংকের অঙ্গীকারের প্রমাণ।’ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, ‘এখন ৮০:২০ ডেট-ইকুইটি রেশিওর কারণে মাত্র ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টেই লোন মিলছে। ১২ থেকে ৭২ মাসের ইএমআই সুবিধা এবং “আস্থা” অ্যাপের মাধ্যমে ডোরস্টেপ ব্যাংকিং গ্রাহকদের পরিবেশবান্ধব গাড়ি গ্রহণে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করছে।’সিটি ব্যাংকের হেড অব প্রোডাক্টস সুবীর কুমার কুণ্ডু বলেন, ‘আমাদের ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার অটো লোন পোর্টফোলিওতে বিগত দেড় বছরে দেওয়া ঋণের ৭০ শতাংশই গেছে সাড়ে তিন হাজার ইভি ও হাইব্রিড গাড়ির পেছনে। নয় শতাধিক ডিলার পার্টনারশিপ ও দ্রুততম লোন প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অর্থায়নে কাজ করছে আমাদের ব্যাংক।’ভবিষ্যতের টেকসই পথরেখাব্যাংক কর্তাদের মতামত ও নীতিগত বাজার বিশ্লেষণ স্পষ্ট করে যে আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ, সরকারের শুল্কসুবিধা এবং ব্যাংকগুলোর সহজ অর্থায়ন–কাঠামোর যৌথ প্রভাবে বাংলাদেশে হাইব্রিড ও ইলেকট্রিক গাড়ির বাজার আরও বেগবান হবে। এ সমন্বিত উদ্যোগ কেবল ব্যক্তিগত যাতায়াত সহজ করছে না, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য এক পরিচ্ছন্ন, স্মার্ট ও সবুজ বাংলাদেশ নির্মাণের পথ সুগম করছে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টাকা নেওয়ার ঘটনায় এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টাকা নেওয়ার ঘটনায় এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি

পরিবেশবান্ধব গাড়িতে অর্থায়নে অগ্রাধিকার

পরিবেশবান্ধব গাড়িতে অর্থায়নে অগ্রাধিকার

যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সমন্বিত আইন প্রয়োজন

যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সমন্বিত আইন প্রয়োজন

0 Comments