জাতীয়

অফিসে আপনার ডেস্ক, আপনার রুচির পরিচয়

D HASAN সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
অফিসে আপনার ডেস্ক, আপনার রুচির পরিচয়
অফিসে আপনার ডেস্ক, আপনার রুচির পরিচয়

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

অফিসের ডেস্ক। প্রতিদিন যেখানে বসে কম করে হলেও আট ঘণ্টা কাজ করি। দিনের একটা বড় সময় কেটে যায় এই ছোট্ট জায়গাটিতে। কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় ডেস্কটি কেমন আছে, গোছানো নাকি অগোছালো সেদিকে আলাদা করে নজর দেওয়ার সুযোগ হয় না। অথচ একটু সচেতন হলেই এই ডেস্কটিই হয়ে উঠতে পারে সুন্দর, পরিপাটি ও স্বস্তিদায়ক।

একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্ক শুধু দেখতে ভালো লাগে না, কাজের পরিবেশকেও আনন্দদায়ক করে তোলে। নিজের কাজের জায়গাটিকে একটু সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলে সেখানে বসে কাজ করতেও ভালো লাগে। একই সঙ্গে সহকর্মী কিংবা অফিসে আসা অতিথির কাছেও আপনার রুচি ও ব্যক্তিত্বের একটি ধারণা তৈরি হয়।

তাই খুব বেশি খরচ না করেও কীভাবে অফিসের ডেস্কটিকে সুন্দর ও গোছানো রাখা যায়, সেটি নিয়ে ভাবা যেতে পারে।

আরও পড়ুন

ফুটপাতে হলুদ টাইলস বসানোর রহস্য জানেন?

১. ডেস্ককে যতটা সম্ভব পেপারলেস রাখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজন ছাড়া ডেস্কে কাগজের স্তূপ জমিয়ে রাখার কোনো অর্থ নেই। বিশেষ করে যেসব কাজ অনলাইনে করা সম্ভব, সেগুলো ই-অ্যাপ্রুভালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যেতে পারে। আমাদের অফিসে এ ধরনের ব্যবস্থা আরও সহজ করতে ক্লডের সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে। তাকে বললে প্রয়োজন অনুযায়ী একটি পোর্টাল তৈরি করে দেওয়া সম্ভব। এতে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি ডেস্কটিও থাকবে পরিচ্ছন্ন।

২. পানির জন্য একটি কাচের বোতল রাখতে পারেন। প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে সুন্দর একটি কাচের বোতল ডেস্কের সৌন্দর্যও বাড়ায়। একই সঙ্গে কফি বা চায়ের মগটিও হতে পারে একটু ফ্যাশনেবল। খুব দামি কিছু হওয়ার প্রয়োজন নেই; নিজের পছন্দের একটি সুন্দর মগই যথেষ্ট।

পানির জন্য একটি কাচের বোতল রাখতে পারেন। প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে সুন্দর একটি কাচের বোতল ডেস্কের সৌন্দর্যও বাড়ায়৩. ডেস্কে একটি ছোট গাছ রাখতে পারেন। যেমন মানিপ্ল্যান্ট। ছোট একটি টবে রাখা এই গাছ ডেস্কের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে। এর জন্য বড় জায়গারও প্রয়োজন নেই। এমন গাছ বেছে নেওয়া ভালো, যার যত্ন নেওয়া সহজ এবং অফিসের পরিবেশে টিকে থাকতে পারে।

৪. ডেস্কের দেয়ালকে অপ্রয়োজনীয় স্টিকি নোটে ভরিয়ে না ফেলাই ভালো। অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য মনে রাখার জন্য স্টিকি নোটের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু একান্ত প্রয়োজন না হলে দেয়ালে একের পর এক নোট ঝুলিয়ে রাখলে পুরো জায়গাটিই অগোছালো দেখায়। প্রয়োজনীয় নোটগুলো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার অভ্যাস করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন

সমকামিতা সম্পর্কে দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা কী বলছে, এর শাস্তি কী?

৫. কলম রাখার জন্য একটি সুন্দর কলমদানি ব্যবহার করুন। যাদের প্রতিদিন অনেক সই-স্বাক্ষর করতে হয়, তাদের ডেস্কে কয়েকটি কলম থাকা স্বাভাবিক। বিভিন্ন রঙের কলমও রাখা যেতে পারে। তবে আমার মতো যারা কাজের তালিকা, ছোটখাটো হিসাব কিংবা টুকিটাকি বিষয় কাগজে লিখে রাখেন, তাদের ডেস্কে কলম ও কাগজের ব্যবহার একটু বেশি হওয়াই স্বাভাবিক!

তবে সেখানেও একটি নিয়ম মানা যায় কাজ শেষ হয়ে গেলে অপ্রয়োজনীয় কাগজগুলো সরিয়ে ফেলুন। ডেস্কে পুরোনো নোট, ব্যবহৃত কাগজ কিংবা প্রয়োজন শেষ হয়ে যাওয়া ফাইল জমিয়ে রাখার কোনো দরকার নেই।

৬. একটি সুন্দর ডেস্ক ম্যাট বা ডেস্ক প্যাড রাখতে পারেন। বিশেষ করে সেটি যদি একটু রঙিন ও রুচিশীল হয়, তাহলে পুরো ডেস্কের চেহারাই বদলে যেতে পারে। ডেস্ক ম্যাট কাজের জায়গাকে যেমন গোছানো রাখে, তেমনি ডেস্কের সৌন্দর্যও বাড়ায়।
তবে ডেস্ক সাজানোর সময় একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি সুন্দর মানেই অনেক কিছু দিয়ে ডেস্ক ভরে ফেলা নয়। বরং কম জিনিস, কিন্তু প্রয়োজনীয় ও রুচিশীল জিনিস এই নীতিটিই হতে পারে ভালো ডেস্ক সাজানোর মূলমন্ত্র।

একটি ডেস্কে অনেক ধরনের জিনিস থাকতে পারে। ল্যাপটপ বা কম্পিউটার, কিবোর্ড, মাউস, নোটবুক, কলম, পানির বোতল, মগ কিংবা ছোট একটি গাছ। কিন্তু প্রতিটি জিনিসের জন্য যদি নির্দিষ্ট জায়গা থাকে, তাহলে ছোট ডেস্কও অনেক বেশি সুন্দর ও পরিপাটি দেখায়।

আরেকটি বিষয় হলো, দিনের শেষে ডেস্কটি একবার গুছিয়ে নেওয়া। এতে পরদিন সকালে কাজে বসার সময় অগোছালো পরিবেশ দেখতে হয় না। মাত্র কয়েক মিনিট সময় নিয়ে কাগজপত্র সরিয়ে রাখা, কলম নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো গুছিয়ে রাখলেই পরদিনের কাজের শুরুটা হতে পারে অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক।

মনে রাখবেন, আপনার ডেস্ক আপনার ব্যক্তিত্বেরও একটি ছোট্ট প্রতিচ্ছবি। আপনার ডেস্ক দেখেই আপনার সম্পর্কে সবকিছু জানা সম্ভব নয়, কিন্তু আপনার রুচি, পরিচ্ছন্নতা ও গোছানো স্বভাব সম্পর্কে একটি ধারণা পেতে পারেন অনেকে।

আরও পড়ুন

পত্রিকায় ফিচার কনটেন্ট লেখার কৌশল জানুন

সুন্দর ও পরিপাটি ডেস্ক শুধু অন্যের কাছে আপনার সুরুচির পরিচয় দেয় না, নিজের কাছেও নিজের কাজের জায়গাটিকে আরও আপন করে তোলে। দিনের বড় একটি সময় যে জায়গায় কাটছে, সেই জায়গাটিকে একটু সুন্দর রাখার দায়িত্ব তাই আমাদের নিজেদেরই।

খুব বেশি অর্থ খরচ করারও প্রয়োজন নেই। একটু পরিচ্ছন্নতা, কিছুটা পরিকল্পনা এবং নিজের রুচির সামান্য ছোঁয়াই যথেষ্ট। আপনার ডেস্ক সুন্দর হোক, গোছানো হোক। আপনার কর্মদিবসও হোক আরও আনন্দময়।

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর, ফল ৩১ ডিসেম্বর
এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর, ফল ৩১ ডিসেম্বর

এইচএসসি পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। এ পরীক্ষার ফল ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
ধানমন্ডিতে ছুরিকাঘাতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী নিহত, গ্রেফতার ছেলে

ধানমন্ডিতে ছুরিকাঘাতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী নিহত, গ্রেফতার ছেলে

রাজধানীর পল্টনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় রিকশাচালক আহত

রাজধানীর পল্টনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় রিকশাচালক আহত

সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি

সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি

প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব
প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব

সারা দেশের মতো ময়মনসিংহেও নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল। তবে, ফল প্রকাশের দিনেও নগরীর কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে দেখা যায়নি চিরচেনা উৎসব। শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস, বন্ধুদের সঙ্গে ফল জানার অপেক্ষা কিংবা আনন্দ-হতাশা ভাগাভাগির সেই দৃশ্য যেন হারিয়ে যাচ্ছে সময়ের ব্যবধানে। প্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই ফল জানার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বদলে গেছে ফল প্রকাশের দিনের চেনা চিত্র।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিলেট টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন, বাদ পড়লেন কে?

সিলেট টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন, বাদ পড়লেন কে?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেওয়ার হার বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেওয়ার হার বেড়েছে

গাজীপুরে ৬ ঘণ্টার অবরোধ-সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক
গাজীপুরে ৬ ঘণ্টার অবরোধ-সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা বিষয়ে পাকিস্তান ‘সতর্ক আশাবাদী’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা বিষয়ে পাকিস্তান ‘সতর্ক আশাবাদী’

অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত 

অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত 

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী

0 Comments