জাতীয়

ঢাবি এলাকায় মেট্রোরেলের তারে কাপড়, ৪০ মিনিট বন্ধ ছিল চলাচল

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ঢাবি এলাকায় মেট্রোরেলের তারে কাপড়, ৪০ মিনিট বন্ধ ছিল চলাচল
ঢাবি এলাকায় মেট্রোরেলের তারে কাপড়, ৪০ মিনিট বন্ধ ছিল চলাচল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় মেট্রোরেলের লাইনের তারে কাপড় পড়ায় প্রায় ৪০ মিনিট মতিঝিল থেকে উত্তরা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটের দিকে এ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়। তবে এ সময় উত্তরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

আরও পড়ুন

গাবতলী থেকে হাতিরঝিলের নিচ দিয়ে দাশেরকান্দি যাবে মেট্রোরেল

মেট্রো চলাচলকারী প্রতিষ্ঠান ডিএমটিসিএল সূত্র এসব তথ্য জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি জানায়, কাপড়টি লাইন থেকে সরানোর পর লাইনের মেকানিক্যাল বিষয়গুলো চেক করা হয়। পরে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে উভয় রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। কিন্তু মেট্রোরেলের তারের ওপর পড়া ওই কাপড় কীভাবে কোথা থেকে আসলো তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

এমএমএ/এমএমকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
এনআইডি না থাকা ক্রীড়াবিদদের হাতে চেক তুলে দিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী
এনআইডি না থাকা ক্রীড়াবিদদের হাতে চেক তুলে দিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী

ক্রীড়াবিদদের অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল এবং আরও ক্রীড়ামুখী করতে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে ক্রীড়া কার্ড ও মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করেছে। সেই গত ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে ১২৯ ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড প্রদান করেছেন। পাশাপাশি ৭৪ জন নারী ও ৫৫ জন পুরুষ ক্রীড়াবিদকে ১ লাখ টাকা মাসিক ভাতা প্রদান করেন। এরপর গত ১৯ এপ্রিল দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৭১ জন ক্রীড়াবিদের মাঝেও ক্রীড়া কার্ড ও সেই ১ লাখ টাকা ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হয়েছে। যার ১০৫ জন পুরুষ আর ৬৬ জন নারী। কিন্তু এর মধ্যে ৩২ জন ক্রীড়াবিদ তাদের মাসিক ভাতা সংগ্রহ করতে পারেননি। এমন নয়, তাদের ভাতা দেয়া হয়নি। আর সবার মত তাদের জন্যও মাসে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু একটি বিশেষ কারণে ওই ৩২ ক্রীড়াবিদ তাদের ভাতা তুলতে পারেননি। আজকাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কিংবা বিকাশ বা নগদে অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলেই জাতীয় পরিচয়পত্র লাগে। কিন্তু যাদের বয়স ১৮-এর নিচে, তাদের তো আর ন্যাশনাল আইডি নেই। তাই তারা ব্যাংকের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলে কিংবা বিকাশ বা নগদ বা অন্য কোনোভাবেও অর্থ সংগ্রহ করতে পারছেন না। যেহেতু জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ব্যাংক বা অন্য বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব না, তাই ১৮ বছর বয়সের নিচে থাকা ৩২ ক্রীড়াবিদ নিজেদের ভাতা সংগ্রহ করতে পারেননি। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর সেই ৩২ জনের ২১ জনের হাতে চেক প্রদান করা হলো। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নিজ হাতে ক্রীড়াবিদদের হাতে এ অর্থ তুলে দেন। মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ-এর পঞ্চম তলায় এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ক্রীড়াবিদদের হাতে অর্থ তুলে দিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও খেলাধুলায় বিশেষ আগ্রহী। তিনিও চান দেশের খেলাধুলার সত্যিকার উন্নয়ন। তাই তিনি ক্রীড়াবিদদের অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা প্রদান।’ ক্রীড়ামন্ত্রী আরও জানান, আসলে ১৮ বছরের নিচে কিশোর-কিশোরীদের তো আর ন্যাশনাল আইডি নেই। তাই তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও নেই। তারা তাদের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকা ভাতা নিয়মিত ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে পারছে না। ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ‘১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স, সেই ক্রীড়াবিদরা যাতে ক্রীড়া ভাতা ব্যাংক থেকে নিতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমি অর্থ মন্ত্রণালয়ে কথা বলবো। দেখি বিকল্প কিছু করা যায় কিনা। আশা করি তাতে করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব।’ এদিকে ক্রীড়া কার্ড পাওয়া ক্রীড়াবিদদের বীমা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়টিও নতুন করে উল্লেখ করেছেন ক্রীড়া মন্ত্রী। তার কথা, ‘যে সব ক্রীড়াবিদ ক্রীড়া কার্ড পাবেন, সেই কার্ডে পাওয়া সুযোগ-সুবিধার মধ্যে ইন্স্যুরেন্স আর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে।’ ক্রীড়ামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা চাই দেশের ক্রীড়া উন্নয়ন। ক্রীড়াবিদদের প্রতিভার যথার্থ পরিচর্যা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা আগামীতে ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন, আগামীতে শুধু অংশগ্রহণের জন্য অংশ নেয়া না।আমরা এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস ও অলিম্পিক গেমসে পদক জয়ের জন্য লড়বো।’ সে লক্ষ্যে সম্ভাব্য করণীয় কী? তাও বাতলে দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তার কথা, ‘আমরা এবার জাপানের মাটিতে হওয়া এশিয়ান গেমসের পর পরই ১৩/১৪টি ইভেন্ট ও ডিসিপ্লিনকে বেছে নিব। আমরা খুঁটিয়ে দেখবো কোন কোন খেলায় আমাদের মহাদেশীয় পর্যায়ে পদক জেতার সম্ভাবনা আছে। ঠিক সেই খেলাগুলোয় আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। এবং এশিয়ান গেমসের পর বাছাই করা ১৩ থেকে ১৪টি স্পোর্টস ইভেন্ট ও ডিসিপ্লিনে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো। সেটা কোন গেমস বা ক্রীড়া আসর সামনে রেখে নয়। সারা বছর ধরে চলবে। এবং ৫ বছর মেয়াদে প্রশিক্ষণ শেষে আমরা এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস ও অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়বো।’ আমিনুল হক বলেন, ‘আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ক্রীড়াবিদদের হাতে অর্থ তুলে দেয়ার দিনে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। এর পাশাপাশি সারা দেশে ৪৫৯৯ ইউনিয়নে আমরা একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। এরই মধ্যে সব জেলা, উপজেলা পর্যায়ে এ সরকারি নির্দেশ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ১৩টি সিটি কর্পোরেশনেও একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ, সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার সাথে কথাও হয়েছে।’ এআরবি/এমএমআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন

মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন

ইয়ামাল ছুঁলেন মেসিকে, এমবাপের ৬- ইউরোপে সপ্তাহান্তের যত চমক

ইয়ামাল ছুঁলেন মেসিকে, এমবাপের ৬- ইউরোপে সপ্তাহান্তের যত চমক

আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভার পর স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে

আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভার পর স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে

গণিতের সমস্যা সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাফল্যকে কীভাবে দেখছেন গণিতবিদেরা
গণিতের সমস্যা সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাফল্যকে কীভাবে দেখছেন গণিতবিদেরা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কম সময়ে গণিতের জটিল সমস্যার সমাধান করতে পারায় সংখ্যার জটিল মারপ্যাঁচ সমাধানে মানবমস্তিষ্কের শ্রেষ্ঠত্ব আজ বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে এআই মডেলগুলো গণিতশাস্ত্রে একের পর এক নতুন আবিষ্কার করলেও সেগুলোর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নতুন ফলাফলের পেছনের তত্ত্ব উন্মোচন করছে না বলে জানিয়েছেন গণিতবিদেরা। এ ঘটনা বৈশ্বিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।নতুন ফলাফলের পেছনের তত্ত্ব উন্মোচন না করা বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন গণিতে নোবেলখ্যাত ফিল্ডস পদক বিজয়ী বিখ্যাত গণিতবিদ টেরেন্সটা। তাঁর মতে, এই প্রবণতা গণিতচর্চার দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর এই আচরণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা গণিতের ক্ষতি করছে। এটি গণিতকে এগিয়ে নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি নয়। মেশিনের তৈরি জটিল প্রমাণের পেছনের অন্তর্নিহিত অর্থ না বুঝলে মানবজ্ঞানের প্রসার বাধাগ্রস্ত হয়।বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে এআইয়ের এই যান্ত্রিক অগ্রগতি নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। গবেষকেরা মনে করেন, মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সাধনা ও সৃজনশীলতা বজায় রাখা জরুরি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেবল দ্রুত সমাধান দিতে পারে কিন্তু তার পেছনের গভীর সৌন্দর্য বুঝতে মানুষের মেধা লাগে। আর তাই ভবিষ্যতে গণিতের এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা করা হচ্ছে।সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্রায় ১০ হাজার এজেন্ট ব্যবহার করে নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের দাবি করেছে ওপেনএআই। গণিতের ইতিহাসে এটি অন্যতম কঠিন ও দীর্ঘস্থায়ী ধাঁধা হিসেবে পরিচিত ছিল। সমস্যাটি ‘মিলেনিয়াম প্রাইজ প্রবলেম’ হওয়ায় পুরস্কার পেতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।সূত্র: নিউ সায়েন্টিস্ট

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সকাল ৯টা ২ মিনিটে ফটক বন্ধ করলেন প্রশাসক, দেখলেন অনুপস্থিত ২৫ শতাংশ

সকাল ৯টা ২ মিনিটে ফটক বন্ধ করলেন প্রশাসক, দেখলেন অনুপস্থিত ২৫ শতাংশ

নবীন বন্ধুদের সঙ্গে এক বিকেল

নবীন বন্ধুদের সঙ্গে এক বিকেল

ঢাবিতে চীনের অর্থায়নে হচ্ছে মৈত্রী হল, আবাসন পাবেন ১৫০০ ছাত্রী

ঢাবিতে চীনের অর্থায়নে হচ্ছে মৈত্রী হল, আবাসন পাবেন ১৫০০ ছাত্রী

চট্টগ্রামের আবাসিক এলাকার সড়ক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ
চট্টগ্রামের আবাসিক এলাকার সড়ক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ

চট্টগ্রাম নগরের প্রধান সড়কের পাশাপাশি আবাসিক এলাকার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোও পর্যায়ক্রমে নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা পরিদর্শন শেষে চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এদিন মেয়র চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন সড়ক ও নির্মাণযোগ্য সড়ক সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়র বলেন, নগরের প্রধান সড়কগুলোর উন্নয়নে এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকায় ফুটওভারব্রিজ নির্মাণসহ নানা পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। তবে একটি নগরের যোগাযোগ ব্যবস্থা শুধু প্রধান সড়কের ওপর নির্ভর করে না। আবাসিক ও পাড়া-মহল্লার অভ্যন্তরীণ সড়কও নাগরিকদের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত, বৃষ্টির পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলের অনুপযোগী এবং নতুন করে নির্মাণ প্রয়োজন এমন সড়কগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হবে। পর্যায়ক্রমে এসব সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শাহাদাত বলেন, শুধু রাস্তা নির্মাণ করলেই হবে না। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ড্রেনেজ, ফুটপাত ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের বিষয়ও সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। সড়ক সংস্কারে বিভিন্ন সেবা সংস্থার সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সংস্থা রাস্তা খনন করে কাজ করে। তাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে চসিকের পক্ষে স্থায়ীভাবে সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হয় না। ওয়াসার কাজ শেষ হওয়ার পর সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মেয়র আরও বলেন, সড়ক সংস্কারের নামে যেন একই জায়গায় বারবার কাজ করতে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। সড়কের বর্তমান অবস্থা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পরিকল্পনা করতে প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেওয়া হবে। এতে নাগরিক দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি সরকারি অর্থেরও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, পরিদর্শনে কোথাও বৃষ্টির পানিতে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি দেখা গেছে, আবার কোথাও নতুন সড়ক নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। এসব বিষয় চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ এলাকার বিভিন্ন সড়ক সংস্কার, নতুন সড়ক নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নসহ নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। মেয়র তাদের সমস্যাগুলো শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এসময় চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির নেতা ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এমআরএএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
লঞ্চের আগেই ফাঁস নাথিংয়ের নতুন হেডফোন, ব্যাটারি চলবে ৬০ ঘণ্টা

লঞ্চের আগেই ফাঁস নাথিংয়ের নতুন হেডফোন, ব্যাটারি চলবে ৬০ ঘণ্টা

চিরিরবন্দরে বজ্রপাতে কৃষক নিহত

চিরিরবন্দরে বজ্রপাতে কৃষক নিহত

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে নিয়োগ, ৫৫ বছরেও আবেদন

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে নিয়োগ, ৫৫ বছরেও আবেদন

0 Comments