মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও ই-পাসপোর্ট সেবাকেন্দ্রে অভিযান চালিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন অনুমোদিত পাসপোর্ট ও ই-পাসপোর্ট সেবা প্রদানকারী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান এক্সপ্যাট সার্ভিসেস কুয়ালালামপুর সেন্টারে এ অভিযান চালানো হয়।
এ সময় সেবা নিতে আসা কয়েকজন বাংলাদেশিকে সাময়িকভাবে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখানোর পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুরের জালান চানসাউলিংয়ে অবস্থিত অনুমোদিত সেবাকেন্দ্রের আশপাশে এ ঘটনা ঘটে। পাসপোর্ট ও অন্যান্য জরুরি কনস্যুলার সেবা নিতে আসা প্রবাসীদের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনায় মালয়েশিয়ায় থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বৈধ কাগজপত্র ঠিকঠাক করতে সেবাকেন্দ্রে আসা ব্যক্তিরাও ইমিগ্রেশন অভিযানের মুখে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে সংশ্লিষ্ট সেবাকেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেন্টারের ভেতরে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। সকাল থেকেই সেবা প্রত্যাশীরা নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে পাসপোর্ট ও ই-পাসপোর্টের সেবা নিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মালয়েশিয়া সরকারের দেশব্যাপী চলমান ইমিগ্রেশন অভিযানের অংশ হিসেবে কুয়ালালামপুরের ই-এসকেএল ভবনসংলগ্ন এলাকা ও ভবনের নিচতলায় আকস্মিক তল্লাশি চালান ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা।
এ সময় পাসপোর্ট নবায়ন, ই-পাসপোর্ট আবেদন, ট্রাভেল পাসসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা নিতে আসা কয়েকজন বাংলাদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজনের বৈধ ভিসা রয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে অভিযানে মোট কতজন বাংলাদেশিকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা সেবা প্রত্যাশীদের পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট-সংক্রান্ত অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ দেখতে চান। প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর বাংলাদেশ হাইকমিশন তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছে। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ান সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা বলছেন, নিয়োগকর্তার অবহেলা, প্রশাসনিক জটিলতা কিংবা অন্যান্য কারণে অনেক সময় পাসপোর্ট ও ভিসা সময়মতো নবায়ন করা সম্ভব হয় না। ফলে বৈধতা নিশ্চিত করতে প্রবাসীরা বাংলাদেশ হাইকমিশন অনুমোদিত সেবাকেন্দ্রে গিয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। কিন্তু এমন সেবাকেন্দ্রের আশপাশেও যদি ইমিগ্রেশন অভিযানের আশঙ্কা থাকে, তাহলে প্রবাসীরা নিরাপদে সরকারি সেবা নেবেন কোথায় এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রবাসীদের দাবি, অনুমোদিত সেবাকেন্দ্রে পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের জন্য নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়া সরকারের উচ্চপর্যায়ে কার্যকর আলোচনা করে সমাধান বের করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
হাইকমিশন প্রবাসীদের দাপ্তরিক কাজে চলাচলের সময় সবসময় প্রয়োজনীয় ও বৈধ নথিপত্র সঙ্গে রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
এমআরএম
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ১ হাজার ৩০০টি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট বিউটি ক্রিম’ নামের এসব ক্রিমের ওজন ৪০ কেজি। জব্দ করা ক্রিমের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা।
প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে বৈধ প্রবেশপাস হাতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছিলেন হাজারো ভক্ত। কিন্তু, অনুষ্ঠানস্থলের গেট পর্যন্ত গিয়েও তাদের অনেককে ফিরতে হয়েছে হতাশ হয়ে।
আজ দিনটাই যেন শুধুই তাওহিদ হৃদয়ময়। দলের একের পর এক ব্যাটসম্যান ফিরেছেন, কিন্তু এক প্রান্তে অটল ছিলেন তিনি। প্রথমে সেঞ্চুরি, তারপর ডাবল সেঞ্চুরি, এরপরও থামেননি।