প্যারিসে ‘ডিওর ফল ২০২৬’ শোতে দেখা গেল মডেলদের চোখের ওপরে গাঢ় রেখা টেনে সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে চোখের সাজে কাজলের নিখুঁত রেখার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে এ রকম ইচ্ছাকৃত অসম্পূর্ণতা ও ভাঙাগড়ার খেলা। বাঙালি সাজেও কাজল এখন আর শুধু চোখের নিচে বা পাপড়ির গোড়ায় টানা একটি কালো রেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সময়ের সঙ্গে বদলেছে এর ব্যবহার, রং ও গড়ন। কাজলের পাঁচ রকম কায়দায় দেখা যাক সেই বদলের গল্প।
কাজলের নিখুঁত সরলরেখার চেয়ে এখানে গুরুত্ব পায় নরম, খানিকটা এলোমেলো আবহ। চোখের ওপর ও নিচে কাজল টেনে সেটি হালকা করে ছড়িয়ে দিলে রেখার টান টান ধারটা আর থাকে না; বরং চোখের চারপাশে তৈরি হয় ধোঁয়াটে এক আবহ।
খুব পরিপাটি করে আঁকা রেখার বদলে চোখে কাজল দীর্ঘক্ষণ থাকার পর স্বাভাবিকভাবে যে খানিকটা ছড়িয়ে পড়া ভাব তৈরি হয়, এই সাজে সেটিই হয়ে ওঠে স্টাইল। বিশেষ করে চোখের বাইরের কোণে কাজল একটু বেশি ঘষে দিলে চোখের গভীরতা আরও স্পষ্ট হয়। কাজলের এই ছড়িয়ে থাকা সামান্য এলোমেলো ভাবটাই সাজকে সম্পূর্ণ করে তোলে।
কাজলের কালো রেখার পাশে যখন ছোট ছোট পাথর বা রাইনস্টোন বসে, তখন চোখের সাজ হয়ে ওঠে একধরনের অলংকার। চোখের পাতার ওপর কাজলের রেখার পাশে কয়েকটি বসানো পাথর কিংবা শুধু বাইরের কোণে দু-একটি রাইনস্টোন দিলেই চোখের সাজে আসে ভিন্নতা।

এ ধরনের সাজে পাথরের আকার ও সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ। বেশি পাথর দিলে চোখের স্বাভাবিক রেখা আড়াল হয়ে যেতে পারে। তাই কাজলের রেখাকে দৃশ্যমান রেখে ছোট ছোট ঝিলিমিলি পাথর যোগ করলে সাজটি পরিশীলিত দেখাবে।
চোখের নিচের অংশে টানা কাজলটি চোখের বাইরের কোণ পর্যন্ত এনে তার ওপর টানা হয় আরেকটি রেখা। দুটি রেখা পাশাপাশি এগিয়ে গিয়ে বাইরের দিকে আলাদা হয়ে তৈরি করে ডাবল-উইং। এই জোড়া ডানার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর জ্যামিতিক সৌন্দর্য।
দুটি রেখার মাঝখানের ফাঁকা জায়গাটিও এখানে সাজের অংশ। ফলে চোখ শুধু গাঢ় দেখায় না, এই নকশায় চোখের আকৃতিও হয়ে ওঠে আরও স্পষ্ট। সরু ও পরিপাটি রেখা রাখলে সাজে আসে তীক্ষ্ণতা। আবার রেখা খানিকটা মোটা করলে চোখের অভিব্যক্তি হয়ে ওঠে আরও দৃঢ়। পোশাক ও সাজের ধরন অনুযায়ী এই দুই রেখার দূরত্ব আর টানেও আনা যায় ভিন্নতা।
রঙিন কাজল বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। নীল, সবুজ, বেগুনি কিংবা অন্য কোনো গাঢ় রঙের রেখা চোখের পরিচিত সাজকে মুহূর্তেই বদলে দেয়। পুরো চোখ ঘিরে রঙিন কাজল টানার বদলে শুধু ওপরের পাপড়ির গোড়ায় বা বাইরের কোণে ব্যবহার করলেও সেটা যথেষ্ট নজরকাড়া হয়।
রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পোশাকের সঙ্গে মিল রাখতেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। বরং পোশাকের বিপরীত রঙের কাজল চোখের সাজকে করে তুলতে পারে আরও উজ্জ্বল। কালো চোখে নীলের মতো রং, আবার বাদামি চোখে লাগাতে পারেন বেগুনি বা সবুজ।
কাজলের পরিচিত কালো রেখার সঙ্গে একটু গ্লিটার যোগ করলেই বদলে যায় চোখের সাজ। এখানে চোখজুড়ে না দিয়ে কাজলরেখার ওপর, চোখের পাতার মাঝখানে কিংবা বাইরের কোণে ব্যবহার করা হয় গ্লিটার। দিনের সাজে অল্প গ্লিটার চোখকে উজ্জ্বল করে আর সন্ধ্যার সাজে একটু বেশি গ্লিটার হয়ে উঠতে পারে পুরো সাজের কেন্দ্রবিন্দু।
কালো কাজলের সঙ্গে রুপালি বা সোনালি গ্লিটার সহজে মানিয়ে যায়। আবার নীল, সবুজ কিংবা অন্য কোনো রঙের গ্লিটার ব্যবহার করলে সাজটি হয়ে উঠতে পারে আরও পরিপূর্ণ। কাজল আর গ্লিটারের এই বৈপরীত্যেই তৈরি হয় চোখের সাজের মূল আকর্ষণ।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
আজ দিনটাই যেন শুধুই তাওহিদ হৃদয়ময়। দলের একের পর এক ব্যাটসম্যান ফিরেছেন, কিন্তু এক প্রান্তে অটল ছিলেন তিনি। প্রথমে সেঞ্চুরি, তারপর ডাবল সেঞ্চুরি, এরপরও থামেননি।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার তেহরানকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যাতে তারা জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র পরিদর্শকদের ইরানের বোমা হামলার শিকার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেয়। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।
রাঙামাটির লংগদুতে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে খেলতে গিয়ে ঘরের দরজার পর্দায় গলায় ফাঁস লেগে অর্জিত চাকমা (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পশ্চিম বাইট্টাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।