জাতীয়

মালদ্বীপে প্রবাসীদের ব্যাংক হিসাব নিয়ে নতুন নির্দেশনা

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
মালদ্বীপে প্রবাসীদের ব্যাংক হিসাব নিয়ে নতুন নির্দেশনা
মালদ্বীপে প্রবাসীদের ব্যাংক হিসাব নিয়ে নতুন নির্দেশনা

মালদ্বীপে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকদের নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যবস্থা করতে নিয়োগকর্তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে অভিবাসী কর্মীদের বেতন তাদের নিজ নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালদ্বীপের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, অভিবাসী কর্মীদের বেতন পরিশোধের ক্ষেত্রে মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটি (এমএমএ) কর্তৃক নিবন্ধিত বা অনুমোদিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ, তুমি ভালো হয়ে যাও

হাইকমিশন জানিয়েছে, এ ব্যবস্থার ফলে প্রবাসী কর্মীদের বেতন পরিশোধে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং তারা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আসবেন। পাশাপাশি শ্রম-সংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে বেতন পরিশোধের প্রমাণ সংরক্ষণেও এটি সহায়ক হবে।

মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ নামে বৈধ ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং বেতন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

এমআরএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
জামিন না পেয়ে এজলাসে গালিগালাজ, পুলিশের ওপর হামলা
জামিন না পেয়ে এজলাসে গালিগালাজ, পুলিশের ওপর হামলা

বরগুনায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় অশ্লীল ভাষায় মন্তব্য এবং দায়িত্বরত পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি বশিরকে তাৎক্ষণিকভাবে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামানের এজলাস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত বশির বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের ছোট গৌরীচন্না এলাকার বাসিন্দা। অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আদালত সূত্র জানায়, আদালতে একটি সিআর মামলার অস্থায়ী জামিন শুনানি শুরু হয়। ওই মামলায় অস্থায়ী জামিনে থাকা আসামি বশিরের জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক। এতে এজলাসের মধ্যেই ওই আসামি উত্তেজিত হয়ে জামিন কেন বাতিল হয়েছে জানতে চেয়ে একের পর এক প্রশ্ন করতে শুরু করেন। এছাড়া গালাগালি এবং উচ্চবাচ্য করতে থাকেন তিনি। এসময় এজলাসে উপস্থিত আইনজীবীরা বশিরকে থামতে বললেও তিনি থামেননি। আরও পড়ুন ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজি মামলায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা গ্রেফতার একপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা বশিরকে হাতকড়া পরাতে গেলে তাদের মারধর করেন। তাৎক্ষণিকভাবে আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান একটি সিআর মামলা আমলে নিয়ে উপস্থিত সাক্ষীদের সাক্ষের ভিত্তিতে বশিরকে এক বছর কারাদণ্ড দেন। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য মো. সিদ্দিক, মো. শাহজাহান ও হনুফা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নুরুল আহাদ অনিক/এসআর/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
চামড়া খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে বৈঠক, ইতালি সফরের প্রস্তাব রাষ্ট্রদূতের

চামড়া খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে বৈঠক, ইতালি সফরের প্রস্তাব রাষ্ট্রদূতের

আগামী বছর ঢাকা–নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য

আগামী বছর ঢাকা–নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য

শাপলা চত্বরের মামলায় হাসিনা, আজিজসহ পলাতক ৩০ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ

শাপলা চত্বরের মামলায় হাসিনা, আজিজসহ পলাতক ৩০ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ

নাইকির স্নিকার্সের ট্রেন্ডি লুকে পোপ লিও এলেন ভ্যানিটি ফেয়ারের ‘বেস্ট ড্রেসড’-এর তালিকায়
নাইকির স্নিকার্সের ট্রেন্ডি লুকে পোপ লিও এলেন ভ্যানিটি ফেয়ারের ‘বেস্ট ড্রেসড’-এর তালিকায়

পোপের পোশাক বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সাদা পোশাক, লাল জুতা আর শত বছরের ধর্মীয় ঐতিহ্য।কিন্তু পোপ লিও চতুর্দশ সেই চেনা ছবিতে যোগ করেছেন নিজের স্বতন্ত্র স্টাইলের ছোঁয়া।সাদা ক্যাসকের সঙ্গে নাইকির স্নিকার্স, হাতে পুরোনো ব্রিফকেস, কবজিতে সাদামাটা ঘড়ি আর কখনো পোপের টুপির ওপর শিকাগো হোয়াইট সক্সের বেসবল ক্যাপ। এমন অপ্রত্যাশিত স্টাইলেই ফ্যাশন দুনিয়ার নজর কেড়েছেন তিনি।প্রায় এক দশক পর সেরা পোশাকের তালিকা প্রকাশ করেছে ভ্যানিটি ফেয়ার। সেখানে হলিউড তারকা ও আন্তর্জাতিক সংগীতশিল্পীদের পাশাপাশি পোপ লিওর নাম থাকাটা নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ। ৭০ বছর বয়সী এই পোপকে ম্যাগাজিনটি এমন একজন হিসেবে দেখেছে, যিনি পাপাল স্টাইলকে নিয়ে গেছেন ‘স্বর্গীয় উচ্চতায়’।লিওর ফ্যাশন মুহূর্তটি অবশ্য তৈরি হয়েছিল তারও আগে। ২০২৫ সালের মে মাসে ভ্যাটিকানের তৈরি ''লিওন আ রোমা'' প্রামাণ্যচিত্রের একটি স্থিরচিত্রে দেখা যায়, সাদা ক্যাসকের সঙ্গে নাইকির জুতা পরে আছেন তিনি। ছবি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল আলোচনা। অনেকেই ভেবেছিলেন, ছবিটি হয়তো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি। পরে জানা যায়, তাঁর পায়ের জুতাটি সত্তরের দশকে বাজারে আসা নাইকির একটি পুরোনো টেনিস-ধাঁচের মডেল—এখন যা আর তৈরি হয় না। ব্যস, পোপের এই ‘রেট্রো স্নিকার’ মুহূর্তই হয়ে ওঠে ফ্যাশন দুনিয়ার আলোচনার বিষয়। কেউ কেউ মজা করে তাঁর স্টাইলের নামও দেন ‘হলি ড্রিপ’।তবে লিওর স্টাইলের আকর্ষণ শুধু স্নিকার্সে নয়। ঐতিহ্যবাহী লাল পাপাল জুতার বদলে তিনি সাধারণ কালো অক্সফোর্ড জুতা পরতেই স্বচ্ছন্দ। কবজিতে থাকে বন্ধ হয়ে যাওয়া সুইস ব্র্যান্ডের একটি কোয়ার্টজ ঘড়ি। সঙ্গে থাকে নিজের ব্যবহার করা পুরোনো ব্রিফকেস। ২০২৫ সালের জুনে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে সাধারণ দর্শনের সময় পোপের টুপির ওপর শিকাগো হোয়াইট সক্সের বেসবল ক্যাপ পরার দৃশ্যটিও তাই হয়ে উঠেছিল তাঁর ব্যক্তিগত স্টাইলের আরেকটি আলোচিত মুহূর্ত।আনুষ্ঠানিক আয়োজনে অবশ্য লিও ফিরে যান পাপাল পোশাকের ঐতিহ্যে। সেসব বিশেষ মুহূর্তে তাঁর জন্য কাজ করেন ইতালীয় নকশাকার ফিলিপ্পো সরচিনেল্লি। বেনেডিক্ট ষোড়শ ও ফ্রান্সিসের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিক পোশাকও তৈরি করেছেন তিনি।ভ্যানিটি ফেয়ারের স্টাইল করেসপনডেন্ট হোসে ক্রিয়ালেস-উনসুয়েতার চোখে, পোপ লিওর পোশাকের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো তাঁর স্টাইলে থাকা মার্কিন জীবনের সহজ-স্বাভাবিক ছাপ। শিকাগোতে জন্ম ও বেড়ে ওঠার সূত্রে তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দে যেমন রয়েছে সাদামাটা অক্সফোর্ড জুতা, পুরোনো ঘড়ি ও ব্রিফকেস, তেমনি আছে স্পোর্টস সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ। আনুষ্ঠানিক পাপাল পোশাকের বাইরে এই ব্যক্তিগত স্টাইলই লিওকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।ভ্যানিটি ফেয়ারের তালিকায় তাঁকে রাখা হয়েছে ‘অরিজিনালস’ বিভাগে—যেখানে নিজস্ব ও স্বতন্ত্র পোশাকবোধের জন্য পরিচিত ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। একই তালিকায় আছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা স্পাইক লি এবং সংগীতশিল্পী বিয়র্ক ও রোসালিয়াও।

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক ফার্স্ট লেডিকে তলব

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক ফার্স্ট লেডিকে তলব

মোবাইলের চ্যাট-হিসাবে মিললো সাড়ে ৭২ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য

মোবাইলের চ্যাট-হিসাবে মিললো সাড়ে ৭২ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য

সরকারি ল্যাট্রিন দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

সরকারি ল্যাট্রিন দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

এআই কি আগামী এক দশকেই সব মানুষকে মেরে  ফেলবে
এআই কি আগামী এক দশকেই সব মানুষকে মেরে ফেলবে

গত কয়েক দিনে বিশ্বজুড়ে কিছু সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, কৃত্রিম সুপার ইন্টেলিজেন্স বা এএসআই এখন পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও বড় হুমকি। এর কারণে চেরনোবিলের মতো ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারে। এমনকি আগামী এক দশকের মধ্যে এআইয়ের কারণে সব মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কাও নাকি ১০ শতাংশের বেশি।যে প্রযুক্তিকে এখনো বেশির ভাগ মানুষ একটু বেশি কথা বলতে পারে, এমন একটি সার্চ ইঞ্জিন হিসেবেই মনে করে, তার সম্ভাব্য প্রভাব হিসেবে এসব সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে।মানুষের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমন এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে যুক্তরাজ্যে সংসদ সদস্য ও আইনপ্রণেতারাও আলোচনা শুরু করেছেন। পারমাণবিক অস্ত্রের সঙ্গে তুলনা করে সতর্ক করেছেন দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেস ব্রাউন এবং বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান কম্পিউটারবিজ্ঞানী স্টুয়ার্ট রাসেল।২০১৭ সালে পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপের দাবিতে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার উইপনসের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। তিনি সংসদ সদস্যদের বলেন, ‘এমন কিছু সক্ষমতার মুখোমুখি আমরা এই প্রথম হচ্ছি না, যেগুলো শেষ পর্যন্ত আমাদের সবাইকে মেরে ফেলতে পারে।’আবার ফিরছে সিডি ও ক্যাসেট, কারণ কীএই আলোচনা আয়োজন করেছে কন্ট্রোলএআই নামের একটি সংগঠন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ আরোপের পক্ষে কাজ করে সংগঠনটি। এ সপ্তাহে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে লেবার পার্টির এমপি অ্যালেক্স সোবার একটি বিল উত্থাপন করেছেন। কৃত্রিম সুপার ইন্টেলিজেন্স তৈরি নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যেই বিলটি করা হয়েছে।গত মঙ্গলবার রাতে অ্যানথ্রোপিকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মী বলেন, আগামী এক দশকের মধ্যে এআই ‘সব মানুষকে মেরে ফেলতে পারে’, এমন আশঙ্কা তিনি ১০ শতাংশের বেশি মনে করেন। তিনি আরও সতর্ক করেন, এএসআই তৈরি হলে সেটি মানুষের ক্ষতি করবে না, এমন নিশ্চয়তা দেওয়ার মতো কোনো পরিকল্পনা অ্যানথ্রোপিকের নেই। কবে এএসআই তৈরি হতে পারে, তা নিয়ে অবশ্য মতভেদ আছে। কেউ মনে করেন কয়েক বছরের মধ্যেই তা সম্ভব, আবার কেউ মনে করেন এক দশকের বেশি সময় লাগতে পারে।অ্যানথ্রোপিকের এআই নিরাপত্তা গবেষণা দলের প্রধান ইভান হুবিঙ্গারের মতও একই। এর আগে অ্যানথ্রোপিকে কাজ করা ২৮ বছর বয়সী গবেষক জ্যাকব কক্সন পদত্যাগ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআই, কোনো প্রতিষ্ঠানই দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে না। তাঁর ভাষায়, প্রতিষ্ঠানগুলো ‘আমাদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে’।কক্সনের দাবি, অ্যানথ্রোপিকে এআইয়ের ঝুঁকিগুলো ভালোভাবেই জানা আছে। কিন্তু কে আগে এ প্রযুক্তি তৈরি করতে পারবে, সেই প্রতিযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি আটকে গেছে। তবে তিনি কিছুটা আশাবাদীও। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এআই গবেষণাগারগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে এই প্রতিযোগিতার গতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। কক্সনের মতামত গুরুত্ব দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো প্রচার করেছে। সামাজিক মাধ্যমে এই বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে।বিশ্বজুড়ে ২০২৬, কিন্তু ইথিওপিয়ায় কেন ২০১৯ সালের নববর্ষ উদ্‌যাপন করা হচ্ছেযুক্তরাষ্ট্রে এআই নিরাপত্তা নিয়ে নিজের প্রচারণা আরও জোরদার করেছেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। এআই প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের জন্য তিনি আবারও কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের পক্ষে একটি জনমত জরিপের ফলও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, ৮১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, এআই নিয়ে রাজনীতিবিদদের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।মানুষ একসময় পারমাণবিক যুদ্ধকেই মানবজাতির জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য বড় হুমকি মনে করত। এখন অনেকেরই মনে হচ্ছে, সুপার ইন্টেলিজেন্ট এআই একই মাত্রার, এমনকি সম্ভবত আরও বড় হুমকি তৈরি করতে পারে।এআই–চালিত হিউম্যানয়েড রোবট ‘অ্যাজিবট এ৩’ সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্নের উত্তরও দেয়তবে সবাই এটা নিয়ে এতটা আতঙ্কিত নয়। সারি ইনস্টিটিউট ফর পিপল-সেন্টারড এআইয়ের ড. অ্যান্ড্রু রোগয়স্কি বলেছেন, বাস্তবে বর্তমান এআই ব্যবস্থা মানুষের মতো বহুমুখী সক্ষমতার ধারেকাছেও নেই। এমনকি একসঙ্গে কাজ করা একদল মানুষের সক্ষমতার সঙ্গেও তাদের তুলনা চলে না। তাঁর ধারণা, ‘আমরা হয়তো এমন একটি সময়ের দিকে এগোচ্ছি, যাকে তিনি “দ্য গ্রেট ডিজঅ্যাপয়েন্টমেন্ট” বা “বড় হতাশা” বলতে চান। অর্থাৎ উন্নত এআই শেষ পর্যন্ত এত ব্যয়বহুল ও কম উপকারী হয়ে উঠতে পারে যে বর্তমান গতিতে এর উন্নয়ন চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনই থাকবে না।’অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, এডিনবরো ও ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকদের নিয়ে গঠিত রাষ্ট্রীয় সহায়তাপ্রাপ্ত এআই গবেষণাগার সোফেয়ারের পরিচালক ডেভিড বারবারও অতিরিক্ত আতঙ্ক ছড়ানোর ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, ‘এআই চলে যাবে না। এটি অত্যন্ত উপকারী প্রযুক্তি। তবে ইন্টারনেট ও বিভিন্ন কম্পিউটার ব্যবস্থায় কোনো নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই এআইকে প্রবেশাধিকার দেওয়া সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই এসব ব্যবস্থাকে আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করার উপায় আমাদের শিখতে হবে।’অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সান্দ্রা ওয়াখটার অবশ্য ‘টার্মিনেটর’-এর মতো কল্পিত পরিস্থিতিতে বিশ্বাস করেন না। তবে তাঁর মতে, এআইয়ের কারণে বাস্তব কিছু হুমকি তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবেশের ওপর প্রভাব, ভুল তথ্যের বিস্তার এবং মানুষের কাজের জায়গা এআইয়ের দখলে চলে যাওয়া। তাঁর মতে, ‘টার্মিনেটর’ ধরনের কল্পিত ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা বরং বাস্তব সমস্যাগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়।সূত্র: দ্য গার্ডিয়ানবিশ্বের প্রথম রোবট আন্দোলন হয়ে গেল পোল্যান্ডে, দাবি কী

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে শিশুসহ নিহত ১৪, ধ্বংসস্তূপে চাপা ৫০ শিশুসহ প্রায় ১০০

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে শিশুসহ নিহত ১৪, ধ্বংসস্তূপে চাপা ৫০ শিশুসহ প্রায় ১০০

গাছ বনসাই করা কি পরিবেশবান্ধব না ক্ষতিকর?

গাছ বনসাই করা কি পরিবেশবান্ধব না ক্ষতিকর?

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ আমলে নিচ্ছি না: চিফ প্রসিকিউটর

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ আমলে নিচ্ছি না: চিফ প্রসিকিউটর

0 Comments