২০২৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি গ্রাহককে সেবা দিয়েছে বাংলাবিন। ব্যবহার শেষ মানেই ফেলনা নয়—এই স্লোগান সামনে রেখে ঢাকার বাসাবাড়ি, অফিস কিংবা ফ্যাক্টরি থেকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে বর্জ্য সংগ্রহ করছে এই প্রতিষ্ঠান।

পুরোনো বই-খাতা, প্লাস্টিকের বোতল, অচল মোবাইল বা অকেজো ইলেকট্রনিক পণ্য–ঘরের কোণে জমে থাকা অব্যবহৃত ফেলনা জিনিসপত্র থেকেও আয়ের পথ খুলে দিয়েছে ‘বাংলাবিন’।
নগরবাসীর কাছ থেকে এ ধরনের পণ্য কিনে রিসাইকেল (পুনর্ব্যবহার) করে বাংলাবিন নিজেরাই কিছু পণ্য উৎপাদন করে। আর বড় অংশটি কাঁচামাল হিসেবে পৌঁছে দেয় আকিজ গ্রুপ ও আরএফএলের মতো শিল্পপ্রতিষ্ঠানে।

বাংলাবিনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আশরাফুল মুনতাসির তখন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। সোশ্যাল এনভায়রনমেন্টের একটি কোর্সে থিসিসের কাজে গিয়েছিলেন কড়াইল বস্তিতে। সেখানেই চোখে পড়ে প্লাস্টিক দূষণের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা।
আশরাফুল মুনতাসির বলছিলেন, ওরা ওখানেই থাকছে আবার ওদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক ওখানেই ফেলছে। ফলে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বারোটা বেজে যাচ্ছে। কিন্তু এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? স্রেফ সচেতন করলেই তো আর সমাধান হবে না। তার চেয়ে বরং রিওয়ার্ড দিলে কেমন হয়? যারাই এই প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে দেবে, টাকা পাবে-এই একটি সূত্র মেনেই শুরু হয় বাংলাবিনের যাত্রা। প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে শুরু হলেও এখন ঘরের অপ্রয়োজনীয় সব পণ্যই কেনে বাংলাবিন।
বাংলাবিনের ওয়েবসাইটে ‘বুক আ পিকআপ’ অপশনে ক্লিক করে বিনা মূল্যে ‘পিকআপ রিকোয়েস্ট’ করা যায়। গ্রাহকের নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে ‘ইকো টাইগার’ নামের বাংলাবিনের প্রতিনিধিরা সরাসরি হাজির হয়ে যান অনুরোধকারীর দোরগোড়ায়। ডিজিটাল স্কেলের মাধ্যমে গ্রাহকের সামনেই পণ্য মেপে নির্ধারিত দামে তাৎক্ষণিক নগদ টাকা বা ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা হয়। বাংলাবিনের ফেসবুক পেজ ( https://www.facebook.com/banglabin?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v) ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরেও (০১৫১৮৭০০৭৯৩) যোগাযোগ করা যাবে।
কাগজপত্র: পুরোনো খবরের কাগজ, বই, খাতা, কার্টন ও ব্যবহৃত পেপার বোর্ড।
প্লাস্টিক ও ধাতু: প্লাস্টিক বোতল, কনটেইনার, পুরোনো লোহা, তামার তার ও অ্যালুমিনিয়ামের জিনিসপত্র।
ই-বর্জ্য: নষ্ট বা অব্যবহৃত মুঠোফোন, ল্যাপটপ, চার্জার ও অন্যান্য সার্কিটযুক্ত জিনিস।
অন্যান্য: বাতিল কাপড়, কাচের বোতল।

বাংলাবিনের ওয়েবসাইটে নির্ধারিত বাজারদর অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রকার ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে তামা—প্রতি কেজি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। পিতল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, অ্যালুমিনিয়াম ২১০ থেকে ২৫০ টাকা, লোহা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং প্লাস্টিক ও টিন ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি।
কাগজপত্র ও বইয়ের ক্ষেত্রে খবরের কাগজ প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, অফসেট কাগজ ২০ থেকে ২২ টাকা, খাতা ১৬ থেকে ১৮ টাকা, পুরোনো বই ১৪ থেকে ১৬ টাকা এবং কার্ডবোর্ড ৮ থেকে ১২ টাকা।
ই-বর্জ্য ও গৃহস্থালি সামগ্রীর ক্ষেত্রে সাধারণ ই-বর্জ্য প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আর পিস হিসেবে প্রতিটি সচল ল্যাপটপ ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা, নষ্ট ল্যাপটপ ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা, ডেস্কটপ পিসি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, মনিটর ১০০ থেকে ১৫০ টাকা এবং ছোট মুঠোফোন ৩০ থেকে ১০০ টাকা পিস। আইপিএস ব্যাটারি ও প্রিন্টার ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
ভারী গৃহস্থালি যন্ত্রপাতির মধ্যে ব্যবহারের উপযোগিতার ওপর নির্ভর করে পুরোনো ২ টন এসি ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা, দেড় টন এসি ৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, ১ টন এসি ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা। দুই দরজার ফ্রিজ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা, এক দরজার ফ্রিজ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, ওভেন ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা, সিলিং ফ্যান ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ওয়াশিং মেশিন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, এলইডি টেলিভিশন ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং টিভি বক্স ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা।
জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করে প্রতিটি পিকআপ পার্টনার নিয়োগ করে বাংলাবিন। পাশাপাশি রয়েছে রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং সুবিধা, যার মাধ্যমে গ্রাহক শুরু থেকেই তাঁর পিকআপ পার্টনারের অবস্থান এবং পৌঁছানোর সময় সরাসরি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে ট্র্যাক করে নিশ্চিত হতে পারেন।
বাংলাবিনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আশরাফুল মুনতাসির জানান, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ফেলে দেওয়া জিনিসেরও নতুন করে মূল্যায়ন করার সুযোগ আছে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহার এবং সচেতনতার মধ্য দিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এই উদ্যোক্তা।’
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে কলার আড়ত থেকে খয়েরি রঙের একটি ফণিমনসা সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শ্রীমঙ্গলের একটি কলার আড়তে কলার ছড়ির ভেতর থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কলার ছড়ির ভেতরে হঠাৎ একটি সাপ দেখতে পান স্থানীয়রা। এসময় আড়তে থাকা লোকজনের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি শনাক্ত করেন। পরে তারা জানান, এটি ফণিমনসা সাপ। আরও পড়ুন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর পরে সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার শেষে সাপটিকে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল ইসলাম বলেন, সাপটি বনে অবমুক্ত করা হবে। মাহিদুল ইসলাম/এসআর
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল জীবনের সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়। পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না করলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। চেষ্টা, কর্মদক্ষতা, নৈতিকতা ও নিজেকে গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই জীবনে সফল হওয়া সম্ভব। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আতাতুর্ক সরকারি মডেল হাইস্কুল মিজান মিলনায়তনের এ অনুষ্ঠানে ফেনী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ফলাফলের দিকে তাকালে হবে না। তাদের সমাজের সঙ্গে কীভাবে চলতে হয়, মানুষের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় এবং ভবিষ্যৎ জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয় এসব শিক্ষাও প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সন্তানের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অভিভাবকদের। পাশাপাশি শিক্ষকদেরও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের উপযোগী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নিজের শিক্ষাজীবনের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধান অতিথি বলেন, তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বিভাগে পাস করেছেন। এমনকি পরবর্তী শিক্ষাজীবনেও তার ফলাফল সবসময় ভালো ছিল না। কিন্তু কখনো হাল ছাড়েননি। পরে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি ভালো ফল অর্জন করেছেন। তাই যারা ভালো ফল করতে পারেনি, তাদের হতাশ না হয়ে নতুন করে চেষ্টা করার আহ্বান জানান তিনি। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরে মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে। নতুন প্রযুক্তি সমাজ, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষাক্রম, শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ করতে হবে এবং ক্ষতিকর দিক থেকে নিজেদের দূরে রাখতে হবে। সমাজ ও প্রযুক্তি যতই পরিবর্তিত হোক, সন্তানকে নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলিতে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মা-বাবার দায়িত্ব কখনো শেষ হবে না। প্রধান অতিথি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী আশানুরূপ ফল করতে পারেনি, তাদের প্রতিও সম্মান জানিয়ে বলেন, একটি পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায় না। আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও কর্মদক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীই ভবিষ্যতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফী উল্লাহ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীদুল ইসলাম। সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিদুল আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬০ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। আবদুল্লাহ আল-মামুন/কেজে/এএসএম
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অডিট (নিরীক্ষা) আপত্তির সংখ্যা শূন্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ। এ লক্ষ্যে অডিট আপত্তি ধীরে ধীরে নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি নতুন করে যাতে কোনো আপত্তি না আসে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার ইউজিসি মিলনায়তনে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই অডিট আপত্তির সংখ্যা প্রতিবছর বাড়ছে। এ বছর বৃদ্ধির হার গত বছরের চেয়ে বেশি। বিষয়গুলো প্রকাশ্যে এলে মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি হয় যে সরকারি অর্থ ঠিকভাবে ব্যয় করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের এ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আমরা শূন্য অডিট আপত্তিতে পৌঁছাতে চাই।’পুরোনো অডিট আপত্তি এক দিনে সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে অধ্যাপক মামুন বলেন, পুরোনো আপত্তিগুলো ধীরে ধীরে কমাতে হবে এবং নতুন কোনো আপত্তি যাতে না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অডিট আপত্তির বড় একটি কারণ সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত (পিপিআর) ও আর্থিক বিধিমালাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ না করা। ক্রয়কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিপিআর সম্পর্কে সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে ইউজিসি সহযোগিতা করবে। আর্থিক ব্যবস্থাপনার নিয়মও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেছে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী, আসন প্রায় ২৫ লাখইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় সংজ্ঞাগতভাবেই একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। তার প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক স্বাধীনতা থাকা উচিত। তবে বাস্তবতার কারণে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত একাডেমিক স্বাধীনতা ভোগ করে; প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা পুরোপুরি ভোগ করতে পারে না।ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো. আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, ইউজিসির সচিব মো. ফখরুল ইসলাম, ইউজিসির অর্থ, হিসাব ও বাজেট বিভাগের উপপরিচালক মো. এমদাদুল হক প্রমুখ।কর্মশালায় ৩০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। এসএসসির খাতা ঠিকমতো না দেখা পরীক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী