জাতীয়

বিসিএস উন্মাদনা বনাম বেসরকারি ক্যারিয়ার: বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম কেন ঝুঁকেছে সরকারি চাকরিতে

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
বিসিএস উন্মাদনা বনাম বেসরকারি ক্যারিয়ার: বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম কেন ঝুঁকেছে সরকারি চাকরিতে
বিসিএস উন্মাদনা বনাম বেসরকারি ক্যারিয়ার: বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম কেন ঝুঁকেছে সরকারি চাকরিতে

১৮ কোটি মানুষ, ১৯ লাখ সরকারি পদ, তবু কেন ছুটছি আমরা? বাংলাদেশের বর্তমান পটভূমিতে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনা শুরু হলেই একটি দৃশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে—বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগারে বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) প্রস্তুতি বইয়ের স্তূপ, কোচিং সেন্টারের দীর্ঘ সারি, আর তরুণদের চোখেমুখে একটিই স্বপ্ন—‘যেকোনো একটি ক্যাডার পেতেই হবে।’

দেশের শ্রমবাজার–সংক্রান্ত সাম্প্রতিক ও যাচাইকৃত পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে এই আকাঙ্ক্ষার পেছনের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সংখ্যায় বাংলাদেশের চাকরির বাজার

প্রতিবছর দেশের পাবলিক, প্রাইভেট ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলো থেকে চার–পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করেন। (শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের হালনাগাদ তথ্যভিত্তিক প্রাক্কলন)

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে মোট বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ২৪ হাজার, যার মধ্যে স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকারের সংখ্যা ৮ লাখ ৮৫ হাজার। ২০১৭ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায় চার লাখ, অর্থাৎ আট বছরে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। (সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪, চূড়ান্ত প্রতিবেদন)

প্রতিবছর সরকারি চাকরি পান কতজন

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিলিয়ে প্রতিবছর গড়ে ২০ থেকে ৪০ হাজার জন সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পান। (বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিভিত্তিক প্রাক্কলন)

বিসিএস পরীক্ষায় প্রতিবার গড়ে ৩ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। বিপরীতে ক্যাডার পদ থাকে গড়ে মাত্র তিন থেকে পাঁচ হাজার। অর্থাৎ চূড়ান্তভাবে ক্যাডার পদে টেকার সাফল্যের হার প্রায় ১ শতাংশ বা তারও কম। (সূত্র: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) বিভিন্ন বিসিএস বিজ্ঞপ্তি ও ফলাফলভিত্তিক তথ্য)

বাংলাদেশে মোট সরকারি চাকরির পদ

জাতীয় সংসদে (জুলাই ২০২৬) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল পর্যন্ত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেশের সরকারি অফিসগুলোয় মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২।

একই তথ্যসূত্র অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে মোট ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ কর্মকর্তা–কর্মচারী কর্মরত।

বিপরীতে শূন্য পদের সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২। শূন্য পদ পূরণে সরকার ছয় মাস, এক বছর ও পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। সূত্র: জাতীয় সংসদ অধিবেশন, জুলাই ২০২৬; জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর বক্তব্য (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, জাগো নিউজ২৪, যুগান্তর)

উল্লেখ্য, শূন্য পদের সংখ্যা সময়–সময়ে পরিবর্তিত হয়। এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্যে এই সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ ও সংসদীয় তথ্য একত্রে যে চিত্র তুলে ধরে, তা স্পষ্ট—একদিকে লাখ লাখ উচ্চশিক্ষিত তরুণ কর্মসংস্থানের অপেক্ষায়, অন্যদিকে বিসিএসের মাত্র কয়েক হাজার পদের জন্য প্রতিবছর লাখো পরীক্ষার্থীর তীব্র প্রতিযোগিতা।

দেশের উদীয়মান বেসরকারি খাত দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। তৈরি পোশাকশিল্প, বহুমুখী করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, তথ্যপ্রযুক্তি খাত, বহুজাতিক কোম্পানি ও স্টার্টআপ—এসব খাতে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের কাজের সুযোগ, তুলনামূলক উচ্চ বেতন ও দ্রুত পদোন্নতির সম্ভাবনা। তবু কেন দেশের সিংহভাগ মেধাবী তরুণ–তরুণী ও তাঁদের পরিবার বিশাল ঝুঁকি নিয়ে বেসরকারি খাতকে পাশ কাটিয়ে বিসিএস পরীক্ষাকে জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে উঠে আসে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও কাঠামোগত কারণ।

১. সরকারি চাকরির প্রতি প্রবল আকর্ষণের মূল ভিত

১.১ চাকরির স্থায়িত্ব ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা

সরকারি বা বিসিএস চাকরির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো চাকরির নিরাপত্তা। অর্থনৈতিক সংকট, মন্দা কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের সময়েও সরকারি চাকরি হারানোর ঝুঁকি প্রায় থাকে না, যেখানে বেসরকারি খাতে যেকোনো সময় ছাঁটাই বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই যায়।

এর পাশাপাশি পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের মতো অবসরকালীন–সুবিধা পরিবারকে দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দেয়। অবসরের পরও নিয়মিত আয় ও চিকিৎসার সুযোগ–সুবিধা থাকায় তরুণেরা সরকারি খাতকে জীবন গঠনের নিরাপদ আশ্রয় মনে করেন।

১.২ সামাজিক মর্যাদা ও প্রশাসনিক প্রভাব

বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। বিসিএস ক্যাডার হওয়া মানে সমাজে দ্রুত বিশেষ পরিচিতি, প্রভাব ও মর্যাদা অর্জন করা। সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের যে সুযোগ সরকারি চাকরিতে মেলে, তা অন্য খাতে তুলনামূলক কম। পারিবারিক ও বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সরকারি চাকরিজীবী পাত্র–পাত্রীর সামাজিক গুরুত্ব এখনো তুলনামূলক বেশি বলে বিবেচিত হয়।

১.৩ কাজের চাপ ও ওয়ার্ক–লাইফ ব্যালান্স

বিসিএসের কিছু ক্যাডারে (যেমন: প্রশাসন বা পুলিশ) কাজের চাপ যথেষ্ট বেশি হলেও সার্বিকভাবে সরকারি খাতে কাজের সময়সীমা, ছুটির নিয়মাবলি এবং উৎসব ভাতার সুনির্দিষ্টতা থাকে, যা অনেকের কাছে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ করে তোলে।

১.৪ সাংস্কৃতিক মনস্তত্ত্ব ও পারিবারিক প্রত্যাশা

বাংলাদেশে বহু প্রজন্ম ধরে একটি ধারণা গভীরভাবে প্রোথিত, ‘সরকারি চাকরি মানেই জীবনের পরম সাফল্য।’ বিশ্ববিদ্যালয়–জীবনের শুরু থেকেই অনেক পরিবার সন্তানকে বিসিএস প্রস্তুতির দিকে ঠেলে দেয়। বেসরকারি চাকরিতে বেতন বেশি হলেও সরকারি চাকরির সামাজিক ভিত্তি অনেক পরিবারের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, যা তরুণদের মনে শুরু থেকেই বিসিএস–কেন্দ্রিক লক্ষ্য তৈরি করে দেয়।

২. বেসরকারি চাকরির প্রতি অনাগ্রহের কারণ

২.১ চাকরির অনিশ্চয়তা ও সীমিত সুবিধা

বেসরকারি খাতের বড় দুর্বলতা হলো আপেক্ষিক অনিশ্চয়তা। ব্যবসায়িক মন্দা, প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠন বা অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা বেসরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গী হয়ে থাকে। দেশের অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য পেনশনের সুবিধা না থাকায় অবসর–পরবর্তী জীবন নিয়ে দুশ্চিন্তা তরুণদের এই খাত থেকে দূরে রাখে।

২.২ উচ্চ মানসিক চাপ ও পারফরম্যান্স–নির্ভরতা

বেসরকারি চাকরিতে প্রতিনিয়ত পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে টিকে থাকতে হয়। নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, বাড়তি সময় কাজ করা এবং ক্রমাগত মানসিক চাপ সামলানো অনেকের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে। অনেক প্রতিষ্ঠানে বাড়তি কাজের যথাযথ স্বীকৃতি না মেলায় কর্মীরা পেশাগত ক্লান্তির (বার্নআউট) মুখোমুখি হন।

২.৩ সামাজিক স্বীকৃতিতে ব্যবধান

তুলনামূলক উচ্চ বেতন ও আধুনিক কর্মপরিবেশ থাকা সত্ত্বেও সমাজের একটি বড় অংশ এখনো বেসরকারি চাকরিকে পূর্ণ স্থিতিশীল পেশা হিসেবে দেখতে দ্বিধাবোধ করে। এই সামাজিক ব্যবধান অনেক তরুণের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলে।

৩. একনজরে: বিসিএস/সরকারি বনাম বেসরকারি চাকরি (কার্ড যাবে)

নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই–মেইল: ns@prothomalo.com

৪. শ্রমবাজারের ওপর এই প্রবণতার প্রভাব

মেধার অপচয় ও দীর্ঘ বেকারত্ব: বহু উচ্চশিক্ষিত তরুণ জীবনের কয়েক বছর বিসিএস প্রস্তুতির পেছনে ব্যয় করেন। একাধিকবার চেষ্টার পর বয়সসীমা পেরিয়ে গেলে বেসরকারি খাতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়ে।

দক্ষতার ঘাটতি (স্কিলস মিসম্যাচ): করপোরেট খাতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা অর্জনের বদলে সাধারণ জ্ঞানকেন্দ্রিক প্রস্তুতিতে সময় ব্যয় হওয়ায় বেসরকারি খাত উপযুক্ত দক্ষ জনবলের ঘাটতিতে ভোগে।

উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা মানসিকতার সংকোচন: তরুণদের প্রধান লক্ষ্য যখন চাকরির নিরাপত্তা অর্জন হয়ে ওঠে, তখন নতুন কিছু সৃষ্টি বা ঝুঁকি নিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ তুলনামূলক কমে যায়।

৫. উত্তরণের উপায় ও করণীয়

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে এবং তরুণদের মেধার সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে ভারসাম্য আনা জরুরি।

বেসরকারি খাতে সুরক্ষা আইন প্রণয়ন: চাকরিজীবীদের জন্য আইনি সুরক্ষা, সুনির্দিষ্ট বেতনকাঠামো, ছাঁটাই নীতিমালা ও ন্যূনতম অবসরকালীন সুবিধা (যেমন: বাধ্যতামূলক কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি) নিশ্চিত করা।

সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: সরকারি চাকরিই সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড নয়—এই বোধ তৈরিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি।

শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন: তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিল্প খাতের চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহারিক দক্ষতা ও উদ্যোক্তা মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া।

বেসরকারি খাতে সুস্থ কর্মপরিবেশ: অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা কমানো, ন্যায্য মূল্যায়ন ও কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে অধিকতর আকর্ষণীয় করে তোলা।

শেষ কথা

বাংলাদেশে বিসিএস চাকরির প্রতি তরুণদের প্রবল আকর্ষণের পেছনে মূলত কাজ করে সামাজিক স্থিতিশীলতা, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও মর্যাদার আকাঙ্ক্ষা। অর্থনৈতিক ঝুঁকি ও সামাজিক স্বীকৃতির ঘাটতির কারণেই বেসরকারি খাতে নানা সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তরুণদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠতে পারছে না।

দেশকে এগিয়ে নিতে যেমন একটি দক্ষ ও মেধাভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, উদ্ভাবনী ও সমৃদ্ধ বেসরকারি খাত। বেসরকারি খাত যদি চাকরির স্থিতিশীলতা, অবসরকালীন নিরাপত্তা ও উপযুক্ত সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে পারে, তবেই দেশের মেধা একটিমাত্র প্রতিযোগিতার পেছনে না ছুটে বহুমুখী খাতে বিস্তৃত হতে পারবে।

তথ্যসূত্র

১. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪, চূড়ান্ত প্রতিবেদন।

২. জাতীয় সংসদ অধিবেশন, জুলাই ২০২৬; জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর বক্তব্য (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলা, জাগো নিউজ২৪, যুগান্তর)।

৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, এপ্রিল–জুন ২০২৬ হালনাগাদ শূন্য পদ–সংক্রান্ত তথ্য (প্রথম আলো, সময় নিউজ, সময়ের আলো)।

৪. বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), বিভিন্ন বিসিএস বিজ্ঞপ্তি ও ফলাফল–সংক্রান্ত তথ্য।

৫. ‘শুধু ২০২৩ সালে নতুন বেকার ১ লাখ স্নাতক’, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
রেস্তোরাঁয় পিঁপড়া দিয়ে সাজানো হয়েছে খাবার
রেস্তোরাঁয় পিঁপড়া দিয়ে সাজানো হয়েছে খাবার

হোটেল বা রেস্তোরাঁর খাবারে পিঁপড়া কিংবা অন্য কোনো পোকা পাওয়া গেলে তুলকালাম কাণ্ড বেধে যাওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের একটি নামকরা ও বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় একধরনের মিষ্টান্ন পরিবেশনের জন্য জ্যান্ত পিঁপড়া দিয়ে সাজানো হতো। বিষয়টি ধরা পড়ার পর বিপুল অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়েছে রেস্তোরাঁটি।সিউলের বিখ্যাত রেস্তোরাঁ ‘ইভেট’-এর মালিককে খাদ্য পরিচ্ছন্নতা আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৫ মিলিয়ন ওন (প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা) জরিমানা করেছেন স্থানীয় এক আদালত। পাশাপাশি রেস্তোরাঁ পরিচালনাকারী সংস্থাকেও ১০ মিলিয়ন ওন জরিমানা করা হয়েছে।দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী, মানুষের খাওয়ার উপযোগী হিসেবে অনুমোদিত ১০টি পোকামাকড়ের তালিকায় পিঁপড়া নেই। সেখানে ঘাসফড়িং, পঙ্গপাল ও নির্দিষ্ট কিছু রেশম পোকা রয়েছে।রেস্তোরাঁটিতে আসা ভোজনরসিকদের অনলাইন রিভিউ এবং সেখানে পোস্ট করা ছবি দেখে প্রথম এ বিচিত্র কাণ্ড নজরে আসে খাদ্য ও ওষুধ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের। তদন্তে জানা যায়, একধরনের মিষ্টান্নের ১৫ পদ সাজাতে প্রায় চার বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও থাইল্যান্ড থেকে বিপুল পিঁপড়া আমদানি করছিলেন রেস্তোরাঁটির মালিক। খাবারের টক স্বাদ বাড়াতে ও নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলতে এই দীর্ঘ সময়ে নির্দিষ্ট কিছু মিষ্টান্নে হাজার হাজার পিঁপড়া ব্যবহার করা হয়েছে।রায়ে বিচারক বলেন, এ ঘটনা শুধু খাদ্যনীতিমালাই লঙ্ঘন করেনি, বরং গবেষণাগারে পরীক্ষার সময় পিঁপড়াগুলোর শরীরে ক্ষতিকারক ভারী ধাতুর মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। তাই এ অপরাধকে কোনোভাবেই হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।অভিযুক্ত রেস্তোরাঁমালিক অবশ্য আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই পিঁপড়া খাওয়ার প্রচলন থাকায় দক্ষিণ কোরিয়ায় যে এটি নিষিদ্ধ, তা তাঁর জানা ছিলনা। তা ছাড়া তাঁদের বিশেষ ১৫ পদের খাবারের মেনুর খুব ছোট একটি অংশে এ পিঁপড়া ব্যবহার করা হতো।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
‘এখন জীবনই নাই, চলার কী আছে’

‘এখন জীবনই নাই, চলার কী আছে’

নেতাজি সুভাষ আইসিএআর ইন্টারন্যাশনাল ফেলোশিপ, আবেদনে যে যে যোগ্যতা

নেতাজি সুভাষ আইসিএআর ইন্টারন্যাশনাল ফেলোশিপ, আবেদনে যে যে যোগ্যতা

আটা-ময়দার দাম বেড়েছে, মুরগি–ডিমের দাম কমেনি

আটা-ময়দার দাম বেড়েছে, মুরগি–ডিমের দাম কমেনি

প্রাইম ব্যাংকে চাকরি, বেতন মাসে ১ লাখ ১০ হাজার
প্রাইম ব্যাংকে চাকরি, বেতন মাসে ১ লাখ ১০ হাজার

বেসরকারি ব্যাংক প্রাইম ব্যাংকে সিনিয়র ম্যানেজার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ পদে আবেদনে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬। চাকরির বিবরণ— পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার (কার্ডস, কনজ্যুমার ও এসএমই ব্যাংকিং) পদসংখ্যা: ১ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা— ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক (বিবিএ)। কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ব্যাংকিং খাতে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।সিভিতে যেসব দক্ষতা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়বয়সসীমাকমপক্ষে ৩২ বছর।কর্মস্থলবাংলাদেশের যেকোনো স্থানেবেতনমাসিক ১,১০,০০০ টাকা।আবেদনের নিয়ম ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।আবেদনের শেষ তারিখ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬*বিস্তারিত দেখুন ওয়েবসাইটে।সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেঅস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
হল্টারনেক লুকে সাফার ভ্যাকেশন গ্ল্যাম

হল্টারনেক লুকে সাফার ভ্যাকেশন গ্ল্যাম

ব্যারিস্টার রাজ্জাকের স্মৃতিকথা: ’৭১ ইস্যুতে ক্ষমা চাওয়া প্রশ্নে জামায়াতের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব

ব্যারিস্টার রাজ্জাকের স্মৃতিকথা: ’৭১ ইস্যুতে ক্ষমা চাওয়া প্রশ্নে জামায়াতের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব

কেন ইউনাইটেড ছাড়তে চান ‘খুদে মেসি’

কেন ইউনাইটেড ছাড়তে চান ‘খুদে মেসি’

ঘুরে আসুন ঢাকার নতুন বিনোদনকেন্দ্র অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কে, যেখানে আছে মাছ, পাখি ও জলপ্রপাত
ঘুরে আসুন ঢাকার নতুন বিনোদনকেন্দ্র অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কে, যেখানে আছে মাছ, পাখি ও জলপ্রপাত

মাছের রঙিন দুনিয়া, ৪০ ফুট উঁচু কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনা, ম্যাকাউ পাখির সঙ্গে ছবি তোলাসহ আরও অনেক আয়োজন নিয়ে গত ২৮ আগস্ট উদ্বোধন হয়েছে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক।মাছের রঙিন দুনিয়াঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী জাদুঘরে যাঁরা গেছেন, তাঁরা আবারও নতুন করে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। কারণ, সম্প্রতি এখানে চালু হয়েছে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক। ঘুরে ঘুরে কাচের দেয়ালের ওপাশে থাকা মাছের রঙিন দুনিয়া দেখা, মাছ ধরা, মাছকে খাওয়ানো—সবকিছুই মুগ্ধ করবে। ৪০ ফুট উঁচু কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনা, ম্যাকাউসহ ভিনদেশি সব পাখির সঙ্গে ছবি তোলাসহ আরও অনেক আয়োজন নিয়ে গত ২৮ আগস্ট উদ্বোধন হয়েছে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক। সেটাই আমাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালেন অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কের পরিচালক তাহসিন রহমান ও এস এম এহসানুল হক।যে কাজটি করে মাত্র ১৪ দিনেই আরও আশাবাদী হয়ে উঠতে পারেন, বলছেন মনোবিজ্ঞানীবিস্ময়কর মাছের জগৎসম্প্রতি বিমানবাহিনী জাদুঘরে উদ্বোধন হয়েছে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কের পার্কে আছে ৩৫টি অ্যাকুয়ারিয়াম ট্যাংক। প্রতিটি ট্যাংকের ওপরে প্ল্যাকার্ডে মাছের নাম, আবাস, পরিচিতি লেখা আছে। এখানে রয়েছে ঝুঁটিওয়ালা ফ্লাওয়ার হর্ন, চিংড়ির মতো দেখতে ক্রেফিশ, কুমিরের মতো মুখ অ্যালিগেটর গার, ভয়ংকর অ্যালবিনো শার্ক, রেইনবো শার্ক, পেরুন শার্ক, পাঙাশ মাছের মতো দেখতে পাঙ্গাসিয়াস শার্কসহ আরও অনেক মাছ। মনে হচ্ছিল, টিভি পর্দায় বা মুঠোফোন স্ক্রিনে দেখা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মাছের দুনিয়া যেন বাস্তবে চোখের সামনে এসে হাজির হয়েছে। শামুক খেয়ে বড় হওয়া ৪ বছর বয়সী ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প, ৮ কেজি ওজনের গ্রাস কার্প, আড়াই কেজি ওজনের তেলাপিয়া—কোনটা রেখে কোনটার কথা বলব! আছে শোল, খলশেসহ দেশি মাছের সংগ্রহ।কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনাধারা৪০ ফুট উঁচু কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনামাছের জগৎ থেকে বেরিয়ে এক পাশে পদ্মফুলের বাগান রেখে সামনে এগোলেই একটা টানেল। কৃত্রিম ধোঁয়া সময়ে সময়ে রং পাল্টাচ্ছে। এরপরই সামনে ঝমঝমিয়ে পড়া কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনাধারার পানি। সেই পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে রঙিন সব কই, কার্প মাছ। মাছকে নিজ হাতে খাবার খাওয়ানোর সুযোগ মিলবে।‘মুসাফির ক্যাফে’র অন্দরটা দেখুন, চাইলে আপনিও থাকতে পারবেন এখানেআছে পাখির রাজ্যম্যাকাউ পাখি হাতে নিয়ে ছবি তোলার ব্যবস্থা থাকছে এখানেকৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনাধারার পর লোহার শিকলের পর্দা সরিয়ে পা ফেলি পাখির রাজ্যে। এখানে রয়েছে গ্রিন-উইংড ম্যাকাউ, ব্লু অ্যান্ড গোল্ড ম্যাকাউ, লাভবার্ডসহ বিচিত্র সব পাখি। পার্কের পাখিশালায় বিভিন্ন রঙের পাখিকে কাছ থেকে দেখার সঙ্গে রয়েছে ছবি তোলার সুযোগও।শুধু ঘুরে দেখাই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য আছে দারুণ কিছু সক্রিয় আয়োজনশিশুদের মাছ ধরাশিশুদের জন্য আছে মাছ ধরার সুযোগ ১২ ও এর কম বয়সী শিশুরা ১০০ টাকার বিনিময়ে ছোট নেট দিয়ে মাছ ধরার সুযোগ পাবে। অ্যাকুয়ারিয়াম চাষের উপযোগী সেই ছোট ছোট মাছ যে কয়টা ধরতে পারবে, তা সে সঙ্গে করে নিয়েও যেতে পারবে। চাইলে এখান থেকে অ্যাকুয়ারিয়ামের জারও কিনে নিতে পারবে।মাছকে খাবার খাওয়ানোনিজ হাতে মাছকে খাবার দিতে পারবেন৫০ টাকার টিকিটে যে কেউ নির্দিষ্ট দুটি জায়গায়—লিচুতলার বড় পানির ট্যাংক আর ৪০ ফুট উঁচু থেকে পড়া পাহাড়ি ঝরনার তলা—নিজ হাতে মাছকে খাবার দিতে পারবেন। ছোট্ট কৌটায় শর্ষের দানার মতো খাবার হাতে নিয়ে পানিতে ফেলবেন, অমনি ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা মাছগুলো সব দল বেঁধে ছুটে আসবে আপনার কাছে।পাখির সঙ্গে ছবি তোলাদর্শনার্থীদের জন্য আছে নানা আয়োজন২৫০ টাকার টিকিট কেটে পাখিশালায় ম্যাকাউ পাখি হাতে নিয়ে ছবি তোলার ব্যবস্থাও আছে। চাইলে ৩০০ টাকার বিনিময়ে ম্যাকাউ কাঁধে নিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি ফটো বুথেও ছবি ওঠাতে পারেন। পুরো পার্ক ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হলে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক ক্যাফেতে আছে খাবারদাবারের ব্যবস্থা।আরও যা যুক্ত হবেঅ্যাকুয়ারিয়াম পার্কটি রোববার বন্ধ থাকবেঅ্যাকুয়ারিয়াম পার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ সিদ্দিকী জানান, শিগগিরই পার্কে যোগ হচ্ছে লোনাপানির বিচিত্র সব মাছ। মাছের গ্যালারি শেষে ঝরনার আগে যে টানেল পড়ে, সেখানে কাচের জারে প্রদর্শিত হবে বিশেষ উপায়ে সংরক্ষিত বিলুপ্তপ্রায় সব মাছ। এসব মাছকে জীবন্ত অবস্থায় প্রদর্শন করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই এ ব্যবস্থা। মাছের পাশাপাশি যোগ হবে বার্ড ফিডিং জোন, যেখানে দর্শনার্থীদের হাত থেকেই পাখিরা উড়ে উড়ে এসে খাবার খেয়ে যাবে। এ ছাড়া স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে বিশেষ কুইজ, ওয়ার্কশপ ও লার্নিং সেশন জোন।ঢাকার কাছেই সবুজে ঘেরা এক আধুনিক গ্রাম, পরিবার নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন আপনিওটিকিট খরচপার্কের পাখিশালাবাংলাদেশ বিমানবাহিনী জাদুঘরের ভেতরেই পার্কটির অবস্থান। তাই শুরুতে দুই বছরের বেশি বয়সী দর্শনার্থীদের জাদুঘরের ৫০ টাকা দামের টিকিট কাটতে হবে। জাদুঘরে ঢুকে হাতের ডানে হেঁটে গেলেই অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক। সেখানেও দুই বছরের বেশি বয়সীদের ১৫০ টাকায় টিকিট কেটে পার্কে প্রবেশ করতে হবে। ২৭ সেপ্টেম্বরের পর টিকিটের মূল্য হবে ২০০ টাকা। দলগতভাবে ভ্রমণে আসা স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য টিকিটের মূল্যে মিলবে ৫০ শতাংশ ছাড়।কখন ও কীভাবে যাবেনমাছের রাজ্যেআগারগাঁও মেট্রোস্টেশনের একেবারে লাগোয়া জাদুঘরটির অবস্থান। তাই আগারগাঁও আসতে হবে। সোম থেকে বৃহস্পতি বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আর শুক্র, শনি ও সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। রোববার সাপ্তাহিক ছুটি।ছুটির দিনে ঘুরে আসুন পুরান ঢাকার এই ১০ ঐতিহাসিক স্থান থেকে

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
জুতা পালিশের ফাঁকে ২৩ বছর ধরে পত্রিকা পড়েন অনন্ত

জুতা পালিশের ফাঁকে ২৩ বছর ধরে পত্রিকা পড়েন অনন্ত

ব্রিটেন কেন ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে

ব্রিটেন কেন ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে

ছোট্ট পাত্রে প্রকৃতির বিশাল গল্প

ছোট্ট পাত্রে প্রকৃতির বিশাল গল্প

0 Comments