জাতীয়

বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে: এটিএম আজহারুল

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে: এটিএম আজহারুল
বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে: এটিএম আজহারুল

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল এলাকার ন্যাশনাল ফুড ভিলেজে ১১ দলীয় ঐক্যের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে আজহারুল ইসলাম বলেন, ‌‘আমরা বিএনপিকে বারবার জনগণের রায় বাস্তবায়নের কথা বলেছি। কিন্তু তারা তারা গণভোটের শপথ না নিয়ে জনগণের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এখন তারা নানা অজুহাতে সেটা বাস্তবায়ন করছে না। এ দাবি আদায়ে আমরা সংসদ থেকে বারবার ওয়াকআউটও করেছি। কিন্তু তাতেও তারা কর্ণপাত করছে না। এ কারণেই আমরা রাস্তায় নেমেছি।’

আরও পড়ুন

রাশেদ খাঁন / জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের রাজনৈতিক পিতা কে?

তিনি বলেন, জনগণের এই রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আমরা ঢাকা-রংপুর লংমার্চ ঘোষণা করেছি। সরকার জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তা বাস্তবায়ন করবে বলে আশা রাখি।

এসময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানসহ সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারিরা উপস্থিত ছিলেন।

এম এ মালেক/এসআর/এএসএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শকের বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের দণ্ড বহাল
মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শকের বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের দণ্ড বহাল

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিনের বিরুদ্ধে দেওয়া এক বছরের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিতের লঘুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। তার করা আপিল আবেদনও না-মঞ্জুর করা হয়েছে। শাহরিয়া শারমিন বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সার্কেল ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ে পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার প্রজ্ঞাপনে সই করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে শাহরিয়া শারমিনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এরপর একই বিধিমালা অনুযায়ী এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিতের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডাদেশ মওকুফের জন্য শাহরিয়া শারমিন আপিল করেন। তার আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষের দফাওয়ারি জবাব ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি পর্যালোচনা করা হয়। পর্যালোচনায় কর্তৃপক্ষের মত, তার ওপর আরোপিত দণ্ড নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্যাদি পর্যাপ্ত এবং আরোপিত দণ্ড যথার্থ ও ন্যায়ানুগ হয়েছে। এ কারণে সার্বিক পর্যালোচনা শেষে শাহরিয়া শারমিনের আপিল আবেদন না-মঞ্জুর করা হয়। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক গত ২৩ মে জারি করা স্মারকের মাধ্যমে দেওয়া এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের দণ্ডাদেশ বহাল রাখা হয়েছে। টিটি/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
‘সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি ন্যায়বিচার’

‘সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি ন্যায়বিচার’

কুমিল্লায় ‌‘সিরিয়াল কিলার’ মানিক গ্রেফতার

কুমিল্লায় ‌‘সিরিয়াল কিলার’ মানিক গ্রেফতার

এমপির ডিও লেটার তোয়াক্কা করেন না চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান!

এমপির ডিও লেটার তোয়াক্কা করেন না চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান!

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ৬৪ পরিবার পেল সোয়া ২ কোটি টাকা
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ৬৪ পরিবার পেল সোয়া ২ কোটি টাকা

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ৬৪ জনের পরিবারকে দুই কোটি ১৬ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসন কার্যালয় মিলনায়তনে এ আর্থিক সহায়তা করেন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান। এতে রংপুর জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩০ জনের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট দেড় কোটি, গুরুতর আহত ১৮ জনকে এক লাখ টাকা করে মোট ১৮ লাখ এবং সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি এমন ১৬ জন ভুক্তভোগীকে তিন লাখ করে মোট ৪৮ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। আরও পড়ুন দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি-বিআরটিএ, রংপুর অফিসের সহকারী পরিচালক শফিকুল আলম সরকার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের করা আর্থিক সহায়তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএ নিয়মিত আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করছে। যাদের আজ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলো তাদের বেশিরভাগই পরিবারের প্রধান উপার্জনকারীই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার। অনেকের স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বা শরীরের কোনো অঙ্গ হারিয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন। তাদের পরিবারের এখন করুণ অবস্থা। সেই পরিবারগুলোকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে যাতে করে তারা এটিকে মূলধন হিসেবে ব্যবহার করে পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে পারেন। জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, একটি পরিবারের যখন কেউ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়ে যায় বা আহত হয়, সেই ক্ষতিটি কোনোভাবে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও সরকারের মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে নেওয়া উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী গড়ে তুলতে এ অর্থ দেওয়া হয়েছে। সরকার প্রত্যাশা করে এই আর্থিক সহায়তা দিয়ে প্রতিটি পরিবার বিনিয়োগ বা ব্যাবসায়িক উদ্যোগ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাবলম্বী হবে।  জিতু কবীর/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
বরিশালে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে খুন করে পালালো স্ত্রী

বরিশালে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে খুন করে পালালো স্ত্রী

পটুয়াখালীতে তরুণীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

পটুয়াখালীতে তরুণীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

প্রতি মাসে বিনামূল্যে পণ্য পাবেন প্রবীণ শিল্পীরা

প্রতি মাসে বিনামূল্যে পণ্য পাবেন প্রবীণ শিল্পীরা

ছাত্রলীগের সাদ্দামকে কাদের বলেছিলেন, ‘তোমরা মারো না কেন, মারো?’
ছাত্রলীগের সাদ্দামকে কাদের বলেছিলেন, ‘তোমরা মারো না কেন, মারো?’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আন্দোলনকারীদের মারধরের জন্য উসকানি দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, কাদের সাদ্দামকে বলেছিলেন, ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’ এভাবে ছাত্রলীগকে নানাভাবে উসকানি দেওয়া হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া ওবায়দুল কাদের ‘দেখা মাত্রই গুলি’ করার নির্দেশনাও দিয়েছিলেন বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। রায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। ‘সাদ্দামকে কাদের বলেছিলেন, তোমরা মারো না কেন?’ চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘১১ জুলাই সাদ্দামকে বলা হয়—মারো না কেন, মারো। এরপরই ১৬ জুলাই ওয়াসিম, আবু সাঈদসহ কয়েকজন নিহত হন।’ তিনি বলেন, ‘দেখা মাত্রই গুলি করার জন্য বলেছিল।’ আরও পড়ুন মানবতাবিরোধী অপরাধ / ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়। এ সময় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেন।’ ‘আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগই যথেষ্ট’ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু তাই নয়, ওবায়দুল কাদের এটাও বলেছিলেন যে, এই আন্দোলন দমন করার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের কারণেই এত বড় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।’ তিনি বলেন, আসামিদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সারাদেশে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে নির্বিচারে মানুষকে গুলি করে হত্যা করেন। ‘শুট অ্যাট সাইট, দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা আছে’ ওবায়দুল কাদেরের আরেকটি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তিনি বলেছিলেন—‘শুট অ্যাট সাইট, দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা আছে।’ প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন সভাপতি শেখ হাসিনার পর সাধারণ সম্পাদক কাদেরের মৃত্যুদণ্ডের রায় চিফ প্রসিকিউটর জানান, পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিচারে ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি। ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির পাশাপাশি ব্যক্তিগত দায়ও ছিল’ আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি ও সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটির পাশাপাশি ব্যক্তিগত দায়ও ছিল। আরও পড়ুন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা / মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের সম্পর্ক নেই, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে সব আসামি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নেন। সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।সাত আসামির সবাই পলাতক রয়েছেন। এফএইচ/বিএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
দাড়ি রাখতে পারবেন না কলকাতা পুলিশের সদস্যরা

দাড়ি রাখতে পারবেন না কলকাতা পুলিশের সদস্যরা

অভূতপূর্ব মানবাধিকার থাকার দাবি মাহদীর, মানতে নারাজ ইফতেখারুজ্জামান

অভূতপূর্ব মানবাধিকার থাকার দাবি মাহদীর, মানতে নারাজ ইফতেখারুজ্জামান

হলি ক্রস কলেজে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

হলি ক্রস কলেজে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

0 Comments