জাতীয়

বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়ামে পুরস্কার পেলেন ২০০ শিক্ষার্থী

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়ামে পুরস্কার পেলেন ২০০ শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়ামে পুরস্কার পেলেন ২০০ শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। যৌথভাবে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স সোসাইটি, বেস্টক্যাড কর্প এবং ওয়াদুদ ময়মুন্নেসা ফাউন্ডেশন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পাশাপাশি সামনে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জও আসছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সসহ (এআই) আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে শিক্ষা, প্রজ্ঞা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ভালো মানুষ ও দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় ঋণ সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি গবেষণা খাতেও বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তরুণদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আরও বেশি সুযোগ তৈরি হবে।

তরুণ প্রজন্মকে দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকের তরুণরাই আগামী দিনের শক্তি। জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

গত ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম ২০২৬-এ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়।এক্সপোজিয়ামের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২০০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

আরটি/এমএএইচ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ডাকসুতে জিন্নাহ-গোলাম আযমের ছবি পায়ের নিচে রেখে প্রতিবাদ
ডাকসুতে জিন্নাহ-গোলাম আযমের ছবি পায়ের নিচে রেখে প্রতিবাদ

পদদলিত করতে এবার ডাকসুর ভবনের প্রবেশপথ ও সংগ্রহশালার ভেতরে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি লাগিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং তৎকালীন ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি লাগানোর প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় ঢাবির ১০৫তম ব্যাচের একদল শিক্ষার্থী প্রতিবাদ জানাতে এই কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি লাগানোর পর বলেছিলেন যে তার ইচ্ছা হয়েছে এজন্য তিনি লাগিয়েছেন। আমরাও সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে বলছি, আমাদের ইচ্ছা হয়েছে আমরা পদদলিত করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী শিব্বির আহমেদ কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, তারা হাদি ব্যবসা, জুলাই ব্যবসা করে স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক, যার কি না ইশতেহারে ছিল মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরা। তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের ক্ষমতা দিয়ে এবং বাংলাদেশপন্থিদের ক্ষমতা দিয়ে, আমরা গোলাম আযম এবং জিন্নার ছবি, পাকিস্তানপন্থিদের ছবি পায়ের নিচে লাগালাম। এবং এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে কোনো পাকিস্তানপন্থির রাজনীতি সামনে আনানো যাবে না। আমরা দেখেছি বিগত দিনে শেখ মুজিবের ছবি দিয়ে রাজনীতি পরিচালনা করত। এখানে স্পষ্ট যে, শেখ মুজিবের ছবির রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে তারা জিন্নাহ এবং গোলাম আযমের ছবি আনতে চেয়েছে। আরও পড়ুন মেয়াদ শেষ, আরও ৯০ দিন দায়িত্বে থাকছে ডাকসু কমিটি ইংলিশ ফর স্পিকারস অব আদারস ল্যাংগুয়েজ বিভাগের শিক্ষার্থী আশ শামস বলেন, কিছুদিন ধরে দেখছি যে জিন্নাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে খুব সম্ভবত ইনকিলাব মঞ্চ থেকে জিন্নার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। সেখানে ঝুমা অতি উৎসাহের সঙ্গে পোস্টার শেয়ার দেন। সংগ্রহশালাটি সংস্কারের পর গত রোববার আবার চালু করা হয়। এতে নতুন করে রাখা হয় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি। এর মধ্যে একটি ছবি ১৯৪৮ সালে ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক অনুষ্ঠানের, যেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’। আরও স্থান পায় ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনের একটি দলগত ছবি ও ডন পত্রিকার প্রতিবেদনের পেপার কাটিং। আরও রাখা হয় ছাত্রসংঘের সাবেক নেতা আবদুল মালেকের ছবি। শেখ মুজিবুর রহমানের একক বা গৌরবোজ্জ্বল কোনো ছবি রাখা হয়নি, যা আগে ছিল। আরও পড়ুন জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনায় তৈয়ব হাবিলদারকে ‘গণ্ডমূর্খ’ বললেন জুমা পরে সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ জানান আবু তৈয়ব হাবিলদার নামের এক শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে তিনি সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমকে জুতাপেটা করার একটি ছবি গতকাল বিকেলে ডাকসু সংগ্রহশালায় টানিয়ে দিয়েছিল ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা। আরটি/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’

‘শিবিরের গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে

‘শিবিরের গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাঁধনের খোঁজ নিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাঁধনের খোঁজ নিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ছবি ডিলিট না করেই আইফোনের স্টোরেজ খালি করবেন যেভাবে
ছবি ডিলিট না করেই আইফোনের স্টোরেজ খালি করবেন যেভাবে

আইফোনের স্টোরেজ প্রায় ভরে গেছে? নতুন অ্যাপ ইনস্টল করতে গিয়ে বারবার জায়গা খালি করার বার্তা দেখাচ্ছে? সবচেয়ে সহজ সমাধান হিসেবে অনেকেই ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলেন। কিন্তু প্রিয় স্মৃতি মুছে ফেলা ছাড়াও আইফোনের স্টোরেজ খালি করার বেশ কিছু উপায় রয়েছে। কয়েকটি সেটিংস পরিবর্তন এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা সরিয়েই ফোনে তৈরি করা যায় অতিরিক্ত জায়গা। আগে দেখুন কোন জিনিস সবচেয়ে বেশি জায়গা নিচ্ছে স্টোরেজ খালি করার আগে জানা দরকার ঠিক কোন অ্যাপ বা ফাইল বেশি জায়গা দখল করে আছে। এজন্য আইফোনে সেটিংস > জেনারেল > আইফোন স্টোরেজে যান। এখানে বিভিন্ন অ্যাপ, ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য ডাটা কতটা জায়গা ব্যবহার করছে, তার বিস্তারিত তালিকা দেখা যাবে। এই তালিকা দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কোন ডাটা সরানো বা কমানো দরকার। ছবি না মুছে আইক্লাউডে রাখুন ছবি ও ভিডিও যদি সবচেয়ে বেশি স্টোরেজ দখল করে, তাহলে সব মুছে ফেলার প্রয়োজন নেই। আইফোনের আইক্লাউড ফটোস এবং অপ্টিমাইজ আইফোন স্টোরেজ ফিচার ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি চালু করতে সেটিংস > আপনার নাম > আইক্লাউড > ফটোসে গিয়ে সিঙ্ক দিজ আইফোন চালু করুন। এরপর অপ্টিমাইজ আইফোন স্টোরেজ নির্বাচন করুন। আরও পড়ুন আইফোনের অর্থ জানেন? এর ফলে মূল উচ্চ রেজলিউশনের ছবি ও ভিডিও আইক্লাউডে সংরক্ষিত থাকবে, আর আইফোনে প্রয়োজন অনুযায়ী তুলনামূলক কম জায়গা নেওয়া সংস্করণ রাখা হবে। প্রয়োজন হলে পরে আসল ছবিও ডাউনলোড করা যায়। তবে মনে রাখবেন, আইক্লাউডের স্টোরেজ ফোনের অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ থেকে আলাদা। অ্যাপল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ৫জিবি বিনামূল্যের আইক্লাউড পাওয়া যায়। বেশি জায়গার প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত স্টোরেজ নিতে হতে পারে। ডুপ্লিকেট ছবি সরিয়ে ফেলুন একই ছবি বারবার ডাউনলোড করা, এয়ারড্রপ বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ফাইল সংরক্ষণ করার ফলে আইফোনে একাধিক একই ছবি থাকতে পারে। এগুলো সরালে গুরুত্বপূর্ণ ছবি না মুছেও জায়গা খালি করা সম্ভব। এজন্য ফটোস > কালেকশনস > ইউটিলিটিস > ডুপ্লিকেটসে যান। একই ধরনের ছবি ও ভিডিও চিহ্নিত হলে সেগুলো দেখে মার্জ করে দিন। এতে ডুপ্লিকেট কপি কমে যাবে। অ্যাপ ডিলিট নয়, অফলোড করুন কোনো অ্যাপ খুব কম ব্যবহার করলেও সেটি অনেকটা স্টোরেজ দখল করে থাকতে পারে। পুরো অ্যাপ মুছে না ফেলে অফলোড অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য সেটিংস > জেনারেল > আইফোন স্টোরেজে গিয়ে বড় অ্যাপটি নির্বাচন করুন। এরপর অফলোড অ্যাপ চাপুন। এতে অ্যাপটি সরবে, কিন্তু তার গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ও ডাটা সংরক্ষিত থাকবে। পরে প্রয়োজন হলে অ্যাপটি আবার ইনস্টল করা যাবে। আরও পড়ুন আইফোন ১৮ কিনতে কিডনি বিক্রি! ভাইরাল এআই ছবি বানাবেন যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপও পরিষ্কার করুন হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম বা অন্য মেসেজিং অ্যাপে জমে থাকা পুরোনো ভিডিও, ছবি ও বড় ফাইলও অনেক স্টোরেজ দখল করতে পারে। প্রয়োজন নেই এমন মিডিয়া মুছে ফেলুন। পাশাপাশি ফাইলস অ্যাপ ও আইফোন স্টোরেজের দেওয়া রেকমেন্ডেশনগুলোও দেখে অপ্রয়োজনীয় ফাইল সরাতে পারেন। আর ছবি ও ভিডিও মুছতে না চাইলে সেগুলো কম্পিউটার বা বাহ্যিক স্টোরেজে কপি করে ফোন থেকে সরিয়ে দিতে পারেন। এভাবে প্রিয় স্মৃতি না হারিয়েই আইফোনের স্টোরেজে অনেকটা জায়গা তৈরি করা সম্ভব। কেএসকে

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
এসএসসির খাতা ঠিকমতো না দেখা পরীক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসির খাতা ঠিকমতো না দেখা পরীক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নজরুলের জয়গান: সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বাংলাদেশ-রাশিয়া মেলবন্ধনের অনন্য সন্ধ্যা

নজরুলের জয়গান: সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বাংলাদেশ-রাশিয়া মেলবন্ধনের অনন্য সন্ধ্যা

চাকসুর উদ্যোগে চালু হলো শাটল ট্রেন ট্র্যাকার অ্যাপ

চাকসুর উদ্যোগে চালু হলো শাটল ট্রেন ট্র্যাকার অ্যাপ

পথ নেই, তাই হেলিকপ্টারে করে ঘোড়া উদ্ধার
পথ নেই, তাই হেলিকপ্টারে করে ঘোড়া উদ্ধার

পূর্ব স্পেনের কুল্লেরা শহরের ব্রোসকুইল এলাকায় একটি জলাশয়ে আটকে পড়ে একটি ঘোড়া। চারপাশে কাদা ও দুর্গম এলাকা হওয়ায় স্থলপথে উদ্ধার অভিযান চালানো কঠিন ছিলো। শেষমেশ ঘোড়া উদ্ধারে এলো হেলিকপ্টার। বিস্তারিত ভিডিওতে…

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবের মালিকদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কে, শীর্ষ ১০–এ কারা আছেন

যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবের মালিকদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কে, শীর্ষ ১০–এ কারা আছেন

আসামি ইচ্ছাকৃত পলাতক থাকলে, আইনে যেভাবে বিধান আছে, সেভাবে বিচার হয়েছে : চিফ প্রসিকিউটর

আসামি ইচ্ছাকৃত পলাতক থাকলে, আইনে যেভাবে বিধান আছে, সেভাবে বিচার হয়েছে : চিফ প্রসিকিউটর

কেন ধরা পড়ছে না ‘সন্ত্রাসী’ রায়হান, যা বলল র‌্যাব

কেন ধরা পড়ছে না ‘সন্ত্রাসী’ রায়হান, যা বলল র‌্যাব

0 Comments