জাতীয়

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’
দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’
‘পারবে তুমিও’— দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা পেসার ও স্পিনারদের সুযোগ করে দেওয়া এবারের রবি বোলার হান্টের অন্যতম লক্ষ্য

দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বোলিং প্রতিভা খুঁজে বের করে তাঁদের জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আবারও শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’। রবি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উদ্যোগে শুরু হতে যাওয়া এই ট্যালেন্ট হান্টে এবার নারী ক্রিকেটারদের অংশ নেওয়ার সুযোগও থাকছে।

এ ছাড়া এবারের আয়োজনের পরিধি বিগত বছর থেকে আরও বিস্তৃত। ‘পারবে তুমিও’ আদর্শ থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা পেসার ও স্পিনার—উভয় বোলারদের সুযোগ করে দেওয়া এবারের রবি বোলার হান্টের অন্যতম লক্ষ্য।

দেশের ক্রিকেটে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে রবি ও বিসিবির যৌথ উদ্যোগের রয়েছে সফল ইতিহাস। ২০১৬ সালের রবি ফাস্ট বোলার হান্ট থেকে উঠে এসেছিলেন এবাদত হোসেন। প্রায় ৪০ হাজার তরুণ পেসারের অংশগ্রহণে আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় ঘণ্টায় ১৩৯ দশমিক ৯ কিলোমিটার গতিতে বল করে দ্রুততম বোলার হয়েছিলেন এবাদত।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসের লাইনআপে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠেন এবাদত হোসেন। আর ২০১৭ সালের আয়োজিত রবি স্পিনার হান্ট থেকে উঠে আসেন রিশাদ হোসেন, যিনি পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ লেগ স্পিনার হিসেবে জায়গা করে নেন। রবি বোলার হান্ট থেকে উঠে আসা এ সাফল্যই নতুন করে এমন উদ্যোগ আয়োজনের অন্যতম বড় অনুপ্রেরণা।

২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হবে রবি বোলার হান্ট। দেশের আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে বাছাইপর্ব, যার মধ্যে দুটি ভেন্যু থাকবে ঢাকায়। অন্যগুলো যথাক্রমে সিলেট, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম। বরিশালের ট্রায়াল হবে খুলনায়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন দিনে অনুষ্ঠিত হবে ট্রায়াল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উঠে আসা তরুণ বোলারদের নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে এ আয়োজন।

পুরুষ-নারী ক্রিকেটারদের বাছাইয়ের সময় মাঠে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচকেরা। বিচারক হিসেবে থাকবেন পাকিস্তান জাতীয় দলের সাবেক লেগস্পিনার মুশতাক আহমেদ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের সাবেক পেসার কোরি কলিমোর ও হাই পারফরম্যান্স স্কোয়াড বাংলাদেশের প্রধান কোচ মো. সালাহউদ্দিন। এর পাশাপাশি জাতীয় দলের কোচরাও সামগ্রিক বাছাইপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।

তবে প্রতিভা খুঁজে নেওয়ার পরই শেষ নয় এ পথচলা। নির্বাচিত বোলারদের জন্য থাকবে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত পরিচর্যার সুযোগ। লক্ষ্য একটাই, আজকের সম্ভাবনাময় বোলারদের আগামী দিনের জাতীয় দল ও জাতীয় দলের পাইপলাইনের জন্য প্রস্তুত করা।

আগ্রহী বোলাররা অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন ‘মাই রবি’ অ্যাপে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি সৌদি জোটের
কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি সৌদি জোটের

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব ‘দৃঢ়ভাবে’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট। সাম্প্রতিক এসব হামলায় সৌদি আরবের তিনটি শহরে ১৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে হুথিদের হামলায় ১৩ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর না হলেও এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জোটের যৌথ বাহিনী এসব হামলার জবাব দায়িত্বশীল ও কঠোরভাবে দেবে। ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুতি বাড়ছে এদিকে ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের কারণে মানবিক পরিস্থিতিও আরও খারাপ হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকে ইয়েমেনে সংঘাতের কারণে অন্তত ১৮ হাজার পরিবার বা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, সংঘাতের কারণে মানুষ বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং আগে থেকেই চাপের মধ্যে থাকা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ওপর আরও চাপ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, সোমবার রাতে হুথিরা দাবি করেছে গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের লাহিজ, তাইজ, আল-জাওফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশে সৌদি আরব ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। হুথিদের দাবি, তাইজ প্রদেশের খাদির জেলার সরকারি কমপ্লেক্সেও সৌদি বিমান হামলা হয়েছে এবং এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সৌদি ঘাঁটি থেকে পরিচালিত এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান এসব হামলায় অংশ নেয়। এর জবাবে প্রতিশোধ নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে গোষ্ঠীটি। সূত্র: আল-জাজিরা এমএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সচিব সভায় সরকারের কাজে গতি, শূন্য পদ পূরণ ও সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ

সচিব সভায় সরকারের কাজে গতি, শূন্য পদ পূরণ ও সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর

স্ত্রীর মৃত্যুর শোক না কাটতেই পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ছেলের

স্ত্রীর মৃত্যুর শোক না কাটতেই পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ছেলের

জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক, ডিসেম্বর পর্যন্ত সংকট হবে না
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক, ডিসেম্বর পর্যন্ত সংকট হবে না

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) নতুন চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম।আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে জ্বালানি সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ার শঙ্কা খুব একটা নেই বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর জয়পাহাড়স্থ নবনির্মিত প্রধান কার্যালয় ভবনে প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি নিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এতে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ার শঙ্কা খুব একটা নেই। স্বল্প মেয়াদে সরবরাহে যাতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সেটিই এখন বিপিসির প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সভায় বিপিসির কার্যক্রম, জ্বালানি তেল ও এলপিজি আমদানি, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। সংস্থার কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সাংবাদিকদের সহযোগিতাও চান তিনি। আরও পড়ুন বিপিসির চেয়ারম্যান হলেন ড. রফিকুল ইসলাম বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি স্থানীয়ভাবে কারও নিয়ন্ত্রণে নেই। এটি মূলত একটি বৈশ্বিক সংকট। এ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাই বিপিসির অগ্রাধিকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দামে স্থিতিশীলতা ধরে রাখার চেষ্টা চলছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি তেল আমদানির প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়া এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ প্রসঙ্গে বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, সামনের দিনগুলোতে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আরও প্রতিযোগিতামূলক দামে জ্বালানি তেল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে লোহিত সাগরকেন্দ্রিক অনিশ্চয়তা বিবেচনায় রেখে বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছে। নাইজেরিয়া, নরওয়ে, মালয়েশিয়া ও আলজেরিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল এনে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা যায় কি না, সেই সম্ভাবনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এসপিএম প্রকল্প, ঢাকা-চট্টগ্রাম পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন প্রকল্প এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি-২ প্রকল্প নিয়েও নানান প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। আরও পড়ুন বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় আইডিবির সর্বোচ্চ বিনিয়োগ এসময় বিপিসির পরিচালক (পরিকল্পনা) আসাদুল হক, বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা, বিপিসির উর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক এটিএম সেলিম, যমুনা অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ হোসেন ভুইয়া, পদ্মা অয়েল পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীরুল হাসান, এলপি গ্যাস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আমীর মাসুদ, বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) ফেরদৌসী মাসুম হিমেল, মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন্স) জাহিদ হোসাইনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এমডিআইএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
হেনস্থার অভিযোগ অস্বীকার, রাবিতে শিক্ষার্থীকে ‘গুপ্তচর’ বলল ছাত্রদল

হেনস্থার অভিযোগ অস্বীকার, রাবিতে শিক্ষার্থীকে ‘গুপ্তচর’ বলল ছাত্রদল

সেলুনে চুল কাটার সময় গুলি, চাপাতির কোপে তরুণ নিহত

সেলুনে চুল কাটার সময় গুলি, চাপাতির কোপে তরুণ নিহত

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আওয়ামী লীগ-যুবলীগ–ছাত্রলীগের ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আওয়ামী লীগ-যুবলীগ–ছাত্রলীগের ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড

নির্বাচনই গণতন্ত্রের শেষ কথা নয়
নির্বাচনই গণতন্ত্রের শেষ কথা নয়

গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন নয়—গণতন্ত্র হলো প্রতিনিয়ত মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক জীবনের সব ক্ষেত্রে মানুষের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চর্চা। সংলাপ, সহযোগিতা এবং ভিন্নমত—এমনকি নাগরিক সমাজের মতামত বোঝার চেষ্টা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। এ কথাগুলো জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের। তিনি এবারের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের বাণীতে এসব বলেছেন।পৃথিবীর অনেক দেশে গণতন্ত্রের ন্যূনতম চাওয়া নির্বাচনও ঠিকঠাক পাচ্ছে না মানুষ। বাকি চাওয়া তো দূরের কথা। বাংলাদেশে ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়েছে, যা মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে একটা পরিণতি পেয়েছে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর শাসনের পর একটি ভালো নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকারের দায়িত্ব নিয়েছে।সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস। বাংলাদেশের মানুষের নির্বাচনকেন্দ্রিক চাওয়া কিছুটা হলেও পূরণ হয়েছে। বিএনপি, জামায়াতসহ অন্য বিরোধী দলগুলো মিলে দেশের মানুষের বাকি চাওয়াগুলোর কতটা পূরণ করতে পারে—এটাই এখন দেখার বিষয়। অবশ্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা প্রবল হয়। এর ফলে সব দল মিলে জুলাই সনদ সই করে। তবে জুলাই সনদ ধরে রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে এখন ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে মতের বিরাট ফারাক রয়েছে।জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসএ ছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কী হবে—এই প্রশ্নটিও অমীমাংসিত। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ অধিকাংশ নেতা পলাতক কিংবা কারাগারে। কিন্তু দেশে দলটির সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে। তাদের ভুল স্বীকার এবং বিরোধ নিষ্পত্তির (রিকনসিলিয়েশন) আলোচনা আছে। তবে এসবের সমাধান এখনো অজানাই রয়ে গেছে।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল ১৯৪৭ সালের ১১ নভেম্বর ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সে বলেছিলেন, ‘গণতন্ত্র হলো সবচেয়ে খারাপ সরকারব্যবস্থা। তবে অন্য সব ব্যবস্থার চেয়ে ভালো।’ বর্তমান সময়ে গণতন্ত্র অন্য সব ব্যবস্থার চেয়ে কতটা ভালো—বিশ্বব্যাপী এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিদিনই খারাপ থেকে আরও খারাপে দিকে এগোচ্ছে।প্রতিবছর ১৫ সেপ্টেম্বর পালিত হয় আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। গণতন্ত্রের চর্চা, মানবাধিকার, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও জবাবদিহির গুরুত্ব সামনে আনার জন্য জাতিসংঘ ২০০৭ সালে দিনটি ঘোষণা করে। কিন্তু গণতন্ত্র দিবসের আলোচনায় এখন শুধু নির্বাচন হচ্ছে কি না—এই প্রশ্ন যথেষ্ট নয়। নির্বাচন কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিরোধী দলের সুযোগ কতটা, নাগরিক স্বাধীনতা কতটা সুরক্ষিত, সরকার কতটা জবাবদিহির মধ্যে এবং রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা স্বাধীন—এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্বের গণতন্ত্রের সূচকগুলো বাংলাদেশের জন্য একটি আয়না হিসেবে কাজ করতে পারে। কোনো সূচকের র‍্যাঙ্কিং হয়তো আগামী বছর বদলে যাবে। কিন্তু একটি দেশের গণতন্ত্রের শক্তি নির্ধারিত হয় তার প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা স্বাধীন, নাগরিকেরা কতটা নিরাপদে কথা বলতে পারেন এবং ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার সীমা কতটা কার্যকরভাবে নির্ধারিত—তার ওপর।গণতন্ত্র কোন পথেগণতন্ত্র পরিমাপের ক্ষেত্রে সুইডেনের গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যারাইটিস অব ডেমোক্রেসি (ভি-ডেম) ইনস্টিটিউট গত মার্চে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালে বিশ্বের ৮৭টি দেশ গণতান্ত্রিক ও ৯২টি দেশ স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের আওতায় ছিল। প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষ এমন দেশে বাস করছে, যেগুলোকে ‘ইলেকটোরাল অটোক্র্যাসি’ বা নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্রের শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। আরও উদ্বেগজনক হলো, ২০২৫ সালে বন্ধ স্বৈরতান্ত্রিক (প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয় না) রাষ্ট্রের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ হয়েছে। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তবে ২০২৪ সালের পর গণতান্ত্রিক সূচকে উন্নতির প্রবণতা দেখা গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অবশ্য, ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, টানা আট বছর অবনতির পর ২০২৫ সালে বিশ্বে গণতন্ত্রের অবনমন কিছুটা থেমেছে। ১৬৭টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর তৈরি এই সূচকে নির্বাচন ও বহুত্ববাদ, সরকারের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিক স্বাধীনতা—এই পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। গত এপ্রিলে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, প্রায় ৭৫ শতাংশ দেশ ২০২৪ সালের তুলনায় তাদের স্কোর বাড়িয়েছে কিংবা একই অবস্থানে থেকেছে। অর্থাৎ, গত কয়েক বছরের ধারাবাহিক অবনতির পর বিশ্ব গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে অন্তত একটি সাময়িক স্থিতিশীলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তবে এটিকে গণতন্ত্রের সংকট কেটে যাওয়ার প্রমাণ হিসেবে দেখছে না ইআইইউ। বরং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়লেও অনেক দেশে সরকারের জবাবদিহি ও নাগরিক স্বাধীনতা দুর্বল হয়েছে। তারা পর্যবেক্ষণে বলেছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিশেষভাবে উদ্বেগের জায়গা। এ অঞ্চলে তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও আন্দোলন বেড়েছে, কিন্তু অনেক দেশে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সেই চাপকে কার্যকর সংস্কারে রূপ দিতে পারছে না। ফলে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ বাড়লেও মানুষের হতাশা কমছে না।চব্বিশের অভ্যুত্থান বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরানোর সুযোগ করে দিয়েছেবাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রের পথেই যাত্রা শুরু করে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের মূলনীতি করা হয়। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের অদক্ষতা দেশকে চরম বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেয়। তিন বছরের মাথায় সেই সংবিধান বাতিল করে সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা বা বাকশাল কায়েম করে। সেই বছরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবার হত্যার শিকার হন। এরপর সামরিক অভ্যুত্থান, পাল্টা অভ্যুত্থান, সেনাশাসনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে দেশ।১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত জিয়াউর রহমান ও ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে নির্বাচন হলেও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পূর্ণ স্বাধীনতা পায়নি এমন সমালোচনা আছে। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনে এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি ও আওয়ামী লীগ পালাক্রমে সরকার গঠন করে। তবে নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিরোধী দলের আন্দোলন নিয়ে বিরোধ অব্যাহত ছিল। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসে; ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে দীর্ঘ সময় দেশ শাসন করে।২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাকে তলানিতে নিয়ে আসে। এই তিনটি নির্বাচনের মধ্যে ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন আয়োজনে যুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারদের (সিইসি) পরে কারাগারে যেতে হয়। তিনটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন মৃত্যুদণ্ড মাথায় নিয়ে পলাতক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। সংস্কার ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের পর ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করে। এখন বাংলাদেশের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো নির্বাচন, সংসদ, বিচারব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামোয় প্রতিষ্ঠিত করা।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথগ্রহণ। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা।গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষা প্রতিষ্ঠানগণতন্ত্রের সবচেয়ে প্রচলিত চিহ্ন নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের শুরু, শেষ নয়। একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তনের সুযোগ যেমন থাকতে হয়, তেমনি ক্ষমতায় থাকা সরকারের ওপরও নিয়ন্ত্রণ থাকতে হয়। সংসদকে কার্যকর হতে হয়, বিরোধী দলকে কথা বলার সুযোগ দিতে হয়, আদালতকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হয় এবং সংবাদমাধ্যমকে সরকারের সমালোচনা করার স্বাধীনতা দিতে হয়। নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার অধিকারও থাকতে হয়। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো যদি ব্যক্তি বা দলের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে নির্বাচন থাকলেও গণতন্ত্র দুর্বল হয়।বাংলাদেশের অভিজ্ঞতায় এই জায়গাটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গত দেড় দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, শুধু নির্বাচনের আয়োজন করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা যায় না। আবার ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান দেখিয়েছে, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সংকুচিত থাকলে সমাজে অসন্তোষ অন্য পথে বিস্ফোরিত হতে পারে।সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলোর একটি সাধারণ পর্যবেক্ষণ হলো—বিশ্বের অনেক দেশে তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ছে। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বলছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তরুণদের আন্দোলন রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। কিন্তু এই অংশগ্রহণ যদি কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও জবাবদিহিতে রূপ না নেয়, তাহলে নতুন হতাশা তৈরি হতে পারে।বাংলাদেশেও ২০২৪ সালের আন্দোলনে তরুণদের ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়। ২০২৬ সালের নির্বাচনে নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থানও রাজনীতির পুরোনো কাঠামোয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। এই পরিবর্তনকে স্থায়ী গণতান্ত্রিক শক্তিতে রূপ দিতে হলে তরুণদের শুধু ভোটার হিসেবে নয়, নীতিনির্ধারণ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের অংশ হিসেবেও জায়গা দিতে হবে।জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এমন বেহাল হয়ে পড়ে আছেবাংলাদেশের সামনে মূল প্রশ্নআন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে বাংলাদেশের জন্য তাই শুধু ‘দেশটি গণতান্ত্রিক কি না’—এমন সরল প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকার সুযোগ নেই। বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা শক্তিশালী হচ্ছে?২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি নতুন সুযোগ পেয়েছে। এখন সেই সুযোগ কতটা কাজে লাগানো যায়, তা নির্ভর করবে কয়েকটি বিষয়ের ওপর—নির্বাচনী ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখা, বিরোধী দলের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক সহিংসতা কমানো এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবের বাইরে রাখা।বিশ্বের গণতন্ত্রের সূচকগুলো বাংলাদেশের জন্য একটি আয়না হিসেবে কাজ করতে পারে। কোনো সূচকের র‍্যাঙ্কিং হয়তো আগামী বছর বদলে যাবে। কিন্তু একটি দেশের গণতন্ত্রের শক্তি নির্ধারিত হয় তার প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা স্বাধীন, নাগরিকেরা কতটা নিরাপদে কথা বলতে পারেন এবং ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার সীমা কতটা কার্যকরভাবে নির্ধারিত—তার ওপর।গণতন্ত্রের পশ্চাদ্‌যাত্রা, লড়াই চলছে দেশে দেশেআরও নির্দিষ্ট করে বললে, জুলাই সনদের সংস্কার বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ এখন সংবিধান সংশোধন। ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদ ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে; এই কমিটি সনদের সাংবিধানিক প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে সংশোধনী বিলের ভিত্তি তৈরি করবে। তবে বিরোধী দল এই কমিটিতে নাম দেয়নি। ফলে বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক মতভেদ এখনো কাটেনি। সরকার সংসদের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের পথে এগোচ্ছে, আর বিরোধী দলগুলো সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও গণভোটের রায় অনুযায়ী সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বিশেষ কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে। এই পরিস্থিতিতে সংস্কার কোন পথে যায়, এর ওপর অনেকটাই দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে মুখ্য হয়ে উঠতে পারে।আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোর ডেপুটি চিফ রিপোর্টার*মতামত লেখকের নিজস্ব

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে ‘ফান্ডাস’ পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে 
অধ্যাপক কাজী তারিকুলের বই প্রকাশ

ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে ‘ফান্ডাস’ পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে অধ্যাপক কাজী তারিকুলের বই প্রকাশ

মির্জা শামারুহ নেই, মনোনয়ন ফরম নিলেন মির্জা ফয়সল

মির্জা শামারুহ নেই, মনোনয়ন ফরম নিলেন মির্জা ফয়সল

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমায় দেশের ঋণমান বাড়াল মুডিস

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমায় দেশের ঋণমান বাড়াল মুডিস

0 Comments