জাতীয়

ভোটের বাক্সের বাইরে গণতন্ত্রের জীবন

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ভোটের বাক্সের বাইরে গণতন্ত্রের জীবন
ভোটের বাক্সের বাইরে গণতন্ত্রের জীবন

ভোটের দিনটিকে আমরা গণতন্ত্রের সবচেয়ে দৃশ্যমান দিন হিসেবে দেখি। সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে মানুষের সারি, হাতে ভোটার স্লিপ, আঙুলে অমোচনীয় কালি, ব্যালট বাক্স, গণনা শেষে ফলাফল—সব মিলিয়ে যেন গণতন্ত্রের একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর কী হয়? নাগরিকের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক কি সেখানেই শেষ? পাঁচ বছর বা পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত নাগরিকের গণতান্ত্রিক ভূমিকা কি কেবল অপেক্ষা করা?

আসলে গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় ভোটের বাক্স বন্ধ হওয়ার পর। ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। দিনটি তাই শুধু নির্বাচন, ভোটাধিকার কিংবা রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিয়ে ভাবার উপলক্ষ নয়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—গণতন্ত্র মূলত একটি জীবনব্যবস্থা; যেখানে নাগরিকের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, আইনের শাসন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি, ভিন্নমতের নিরাপত্তা এবং ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা প্রতিদিনের বাস্তবতায় প্রতিফলিত হয়।

গণতন্ত্রের একটি মৌলিক সৌন্দর্য হলো, জনগণ সরকার নির্বাচন করে; কিন্তু সরকার জনগণের মালিক হয়ে যায় না। নির্বাচনে জয়ী হওয়া কোনো দল রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান, সব সম্পদ এবং সব নাগরিকের ওপর সীমাহীন কর্তৃত্বের অধিকার পায় না। বরং নির্বাচনের মাধ্যমে পাওয়া ক্ষমতারও সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমা থাকে। সেই সীমাই নাগরিক স্বাধীনতার নিরাপত্তা।

গণতন্ত্রের জীবন তাই ব্যালট বাক্সের বাইরে। সংসদের বাইরে। নির্বাচনি প্রচারণার বাইরেও। তার আসল বাস মানুষের প্রতিদিনের জীবনে—একজন নাগরিকের নির্ভয়ে কথা বলার অধিকার, একজন সাংবাদিকের প্রশ্ন করার স্বাধীনতা, একজন বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা, একজন সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা এবং একজন সাধারণ মানুষের রাষ্ট্রের কাছে জবাব চাওয়ার সাহসে।

এই জায়গাটিই গণতন্ত্রকে নিছক সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন থেকে আলাদা করে। সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে সরকার গঠিত হতে পারে, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছায় সংখ্যালঘুর অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। সরকার জনপ্রিয় হতে পারে, কিন্তু জনপ্রিয়তা তাকে আইনের ঊর্ধ্বে নিয়ে যায় না। সংসদে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কিংবা নাগরিকের মৌলিক অধিকার সংকুচিত করার লাইসেন্স হতে পারে না।

সুতরাং একটি দেশে নিয়মিত নির্বাচন থাকলেই গণতন্ত্র পূর্ণাঙ্গ হয়ে যায় না। নির্বাচন গণতন্ত্রের দরজা খুলে দেয়; কিন্তু ঘরের ভেতরে গণতন্ত্র আছে কি না, তা বোঝা যায় অন্য জায়গায়।

দেখতে হয়, একজন নাগরিক সরকারের সমালোচনা করতে পারেন কি না। একজন সাংবাদিক ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করতে পারেন কি না। একজন বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী নিরাপদে তার মত প্রকাশ করতে পারেন কি না। একজন বিচারপ্রার্থী রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে আদালতে ন্যায়বিচারের আশা করতে পারেন কি না। একজন সাধারণ মানুষ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে নিজের রাস্তা, পানি, বিদ্যুৎ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কিংবা স্বাস্থ্যসেবার দাবি জানিয়ে প্রতিকার পেতে পারেন কি না।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই বলে দেয় একটি রাষ্ট্রের গণতন্ত্র কতটা জীবন্ত। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আলোচনায় তাই শুধু কে ক্ষমতায় যাবে—এই প্রশ্নে আটকে থাকলে চলবে না। আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ক্ষমতায় গিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে।

আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির দীর্ঘদিনের একটি দুর্বলতা হলো—আমরা সরকার ও রাষ্ট্রকে প্রায়ই এক করে ফেলি। যেন সরকার পরিবর্তন মানেই রাষ্ট্রের চরিত্র পরিবর্তন। ক্ষমতাসীন দল পরিবর্তিত হলে প্রশাসনের আনুগত্যের ভাষা বদলে যায়, প্রতিষ্ঠানের আচরণ বদলে যায়, কখনো কখনো রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে রাজনৈতিক পরিচয় নাগরিক অধিকারের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। গণতন্ত্রের জন্য এটি বিপজ্জনক।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার আসবে, সরকার যাবে; কিন্তু প্রতিষ্ঠান থাকবে। রাজনৈতিক দল বদলাবে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব বদলাবে না। ক্ষমতাসীনরা পরিবর্তিত হবে, কিন্তু বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা অটুট থাকবে। মন্ত্রিসভা পরিবর্তিত হবে, কিন্তু নাগরিকের অধিকার পরিবর্তিত হবে না। প্রতিষ্ঠানের এই ধারাবাহিকতাই রাষ্ট্রকে ব্যক্তিনির্ভরতা থেকে রক্ষা করে।

ক্ষমতার চেয়ে বড় জবাবদিহি

গণতন্ত্রের প্রাণ হলো জবাবদিহি। ক্ষমতাসীনদের কাছে প্রশ্ন করার অধিকার না থাকলে নির্বাচনও ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হতে পারে। কারণ ভোটার একদিন ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করলেন, কিন্তু পরের দিন সেই সরকার কী করছে—তা জানার, প্রশ্ন করার এবং প্রয়োজন হলে সমালোচনা করার অধিকার যদি নাগরিকের না থাকে, তাহলে গণতন্ত্রের চর্চা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

একটি শক্তিশালী সংসদ এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সংসদ শুধু আইন পাস করার জায়গা নয়; এটি সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা, প্রশ্ন এবং জবাবদিহির অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। বিরোধী দল সংসদে থাকবে, সমালোচনা করবে, বিকল্প নীতি দেবে—এটিও গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ।
বিরোধিতা মানেই রাষ্ট্রবিরোধিতা নয়। সরকারের সমালোচনা মানেই দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নয়। বরং একটি সুস্থ গণতন্ত্রে সরকারকে প্রশ্ন করা দেশকে শক্তিশালী করারই অংশ।

কিন্তু রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আমরা অনেক সময় ভিন্নমতকে শত্রুতা হিসেবে দেখি। আমার মতের সঙ্গে আপনার মত মিলবে না—এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। সবাই একই কথা বললে সেটি গণতন্ত্র নয়; সেটি হতে পারে নীরবতার সংস্কৃতি।

রাজনীতির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা তাই প্রতিপক্ষের সঙ্গে আচরণে। নিজের সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ; প্রকৃত গণতান্ত্রিক চরিত্রের পরীক্ষা হয় যখন ক্ষমতাবান ব্যক্তি তার সমালোচকের অধিকার রক্ষা করেন। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বিজয়ীর ক্ষমতায় যতটা নয়, পরাজিতের নিরাপত্তায় তার চেয়ে বেশি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: সুযোগ ও বিপদ

ডিজিটাল যুগ গণতন্ত্রের সামনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আগে সংবাদ ও মতামত প্রকাশের সুযোগ সীমিত ছিল। এখন একজন সাধারণ নাগরিকও নিজের অভিজ্ঞতা, অভিযোগ বা মতামত মুহূর্তে হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। এটি নাগরিক ক্ষমতায়নের বড় সুযোগ। কিন্তু একই প্রযুক্তি গুজব, অপপ্রচার, ঘৃণার ভাষা, চরিত্রহনন ও রাজনৈতিক মেরুকরণকেও তীব্র করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেমন প্রয়োজন, তেমনি দায়িত্বশীলতাও প্রয়োজন। একটি মিথ্যা তথ্য কয়েক মিনিটে লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। একটি সম্পাদিত ছবি বা বিভ্রান্তিকর ভিডিও সামাজিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে ডিজিটাল নাগরিকত্ব এখন গণতন্ত্রের নতুন চ্যালেঞ্জ। এখানে সমাধান সেন্সরশিপ নয়; প্রয়োজন গণমাধ্যম ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানো। মানুষকে শেখাতে হবে তথ্য যাচাই করতে, ভিন্নমত শুনতে এবং উত্তেজনামূলক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার আগে থামতে।

রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব আছে। ভুয়া তথ্য মোকাবিলার নামে যেন বৈধ সমালোচনা বা মতপ্রকাশের পথ সংকুচিত না হয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের নিরাপত্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তার স্বাধীন কণ্ঠও গুরুত্বপূর্ণ।

গণতন্ত্রের সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান

গণতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আমরা জাতীয় রাজনীতি, সংসদ ও নির্বাচন নিয়ে এত বেশি কথা বলি যে স্থানীয় সরকারকে প্রায় ভুলেই যাই। অথচ একজন সাধারণ নাগরিকের জীবনে গণতন্ত্রের সবচেয়ে কাছের অভিজ্ঞতা তৈরি হয় স্থানীয় পর্যায়ে। তার বাড়ির সামনে রাস্তা ভাঙা। ড্রেন বন্ধ। পানি নেই। বর্জ্য পড়ে আছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক নেই। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট। সে কার কাছে যাবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই স্থানীয় গণতন্ত্রের বাস্তবতা। স্থানীয় সরকার যদি শক্তিশালী হয়, নাগরিকের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ে, বাজেট ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা থাকে, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করেন—তাহলে গণতন্ত্র মানুষের দৈনন্দিন জীবনে দৃশ্যমান হয়।

একটি গণতন্ত্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন নাগরিককে শুধু পাঁচ বছর পরপর ভোটার হিসেবে দেখা হয় না; প্রতিদিন তাকে নাগরিক হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়।

তাই স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর, আর্থিকভাবে সক্ষম ও জবাবদিহিমূলক করা জরুরি। স্থানীয় বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়ানো যেতে পারে। তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ সহজ করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ডের সামাজিক নিরীক্ষা হতে পারে। প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা সম্ভব।

গণতন্ত্রকে রাজধানীর রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বের করে মানুষের পাড়া-মহল্লায় পৌঁছে দিতে না পারলে এর শিকড় গভীরে যাবে না।

ভোটের পরও নাগরিক

গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা সম্ভবত এই যে নাগরিকের দায়িত্ব ভোট দেওয়ার মধ্যেই শেষ। অথচ ভোট দেওয়ার পর নাগরিকের দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করবেন, প্রশ্ন করবেন, তথ্য চাইবেন, স্থানীয় সমস্যা নিয়ে সংগঠিত হবেন, সংবাদমাধ্যমে মত প্রকাশ করবেন এবং অন্যের মতের অধিকারও রক্ষা করবেন।

একইভাবে রাজনৈতিক দলগুলোরও গণতন্ত্রকে শুধু নির্বাচনি কৌশল হিসেবে দেখলে চলবে না। দলের ভেতরে নেতৃত্ব নির্বাচন, মতের বৈচিত্র্য, তরুণ ও নারীর অংশগ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা প্রয়োজন। যে রাজনৈতিক দল নিজের ভেতরে ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না, রাষ্ট্র পরিচালনায় গিয়ে তার গণতান্ত্রিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

গণতন্ত্র কোনো সমাপ্ত প্রকল্প নয়। এটি প্রতিদিনের অনুশীলন। সংবিধান, আইন ও প্রতিষ্ঠান তার কাঠামো তৈরি করে; কিন্তু নাগরিকের আচরণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং ক্ষমতাবানদের সংযম তাকে প্রাণ দেয়।

তাই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে আমাদের সামনে সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটি হওয়া উচিত—আমরা কি শুধু ভোট দিতে চাই, নাকি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে ভোট দেওয়ার পরও আমাদের কণ্ঠস্বরের মূল্য থাকবে?

আমরা কি এমন রাষ্ট্র চাই, যেখানে সরকারকে প্রশ্ন করা অপরাধ নয়; সংবাদমাধ্যমকে ভয় পেতে হয় না; বিচারপ্রার্থী পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার হন না; বিরোধী মত রাষ্ট্রের শত্রুতে পরিণত হয় না; স্থানীয় মানুষ নিজের এলাকার উন্নয়ন নিয়ে সিদ্ধান্তে অংশ নিতে পারেন?

গণতন্ত্রের প্রকৃত সৌন্দর্য সংখ্যাগরিষ্ঠের শক্তিতে নয়, সংখ্যালঘুর নিরাপত্তায়। সরকারের জনপ্রিয়তায় নয়, সরকারের জবাবদিহিতে। নির্বাচনের জয়ে নয়, পরাজিতের অধিকার রক্ষায়। ক্ষমতা অর্জনে নয়, ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ রাখার সক্ষমতায়।

ভোটের বাক্স গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান, কিন্তু সেটিই গণতন্ত্রের শেষ কথা নয়। একটি দেশ কতবার নির্বাচন করেছে, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—সেই দেশের মানুষ কতটা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে, কতটা নিরাপদে ভিন্নমত পোষণ করতে পারে, কতটা ন্যায়বিচার পায় এবং ক্ষমতাবানকে কতটা প্রশ্ন করতে পারে।

গণতন্ত্রের জীবন তাই ব্যালট বাক্সের বাইরে। সংসদের বাইরে। নির্বাচনি প্রচারণার বাইরেও। তার আসল বাস মানুষের প্রতিদিনের জীবনে—একজন নাগরিকের নির্ভয়ে কথা বলার অধিকার, একজন সাংবাদিকের প্রশ্ন করার স্বাধীনতা, একজন বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা, একজন সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা এবং একজন সাধারণ মানুষের রাষ্ট্রের কাছে জবাব চাওয়ার সাহসে।

ভোটের দিন গণতন্ত্রকে আমরা হাতে তুলে নিই; ভোটের পর প্রতিদিন সেটি বাঁচিয়ে রাখতে হয়। সেই দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, শুধু রাজনৈতিক দলের নয়, শুধু আদালত বা সংবাদমাধ্যমেরও নয়—আমাদের সবার। কারণ একটি গণতন্ত্র কাগজে যতই সুন্দর হোক, নাগরিকের জীবনে যদি তার স্বাধীনতার স্পন্দন না থাকে, তবে সেটি শুধু একটি ব্যবস্থা; জীবন্ত গণতন্ত্র নয়।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।
drharun.press@gmail.com

এইচআর/এমএফএ/এএসএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সাক্ষাৎ

  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারা সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিহত সেনাসদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান এ তথ্য জানান।   প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।   এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাদের সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন। তারা দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘এই শোকের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকব। সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় আপনাদের পরিবারের পাশে থাকবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালেও সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে।’  পরে প্রধানমন্ত্রী নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নিহত সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় তাদের পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে তাদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়। গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য নিহত হন। তারা হলেন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক এবং সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার।  মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক। কেএইচ/জেএইচ  

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
গাড়ি ব্যবহারে অনিয়মে জড়িত এই আমলারা, জানতে চাইলে জবাব, ‘আমি একা করি নাকি'

গাড়ি ব্যবহারে অনিয়মে জড়িত এই আমলারা, জানতে চাইলে জবাব, ‘আমি একা করি নাকি'

জিন্নাহর দুটো মৃত্যুই করুণ হলো

জিন্নাহর দুটো মৃত্যুই করুণ হলো

মন্দ ধারণার সুযোগ না দেওয়া: নবীজির জীবন থেকে একটি শিক্ষা

মন্দ ধারণার সুযোগ না দেওয়া: নবীজির জীবন থেকে একটি শিক্ষা

রাইস সলিউশন অ্যাপ, কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের উদ্যোগ
রাইস সলিউশন অ্যাপ, কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের উদ্যোগ

কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের গুণগতমান ভালো হয়। উৎপাদন খরচ কম হয়, শ্রমিক কম লাগে। কৃষি উপকরণ কম লাগে, কাজ নির্ভুল হয়, সময় কম লাগে, ঝুঁকি কম ও উৎপাদন বেশি হয়। কৃষির প্রায় সব ক্ষেত্রে এআই প্রয়োগ সম্ভব। যেমন- এআই তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জেনে ফসলের বীজ বপন বা চারা উৎপাদন বা চারা রোপণের সময় নির্ধারণ করে দেয়। এআই সঠিক দূরত্বে ও গভীরতায় বীজ বপন বা চারা রোপণ করে। এআই ফসল ও আগাছা চিহ্নিত করে আগাছা দমন করতে পারে। এআই বীজ ফসলের জমি থেকে অন্য জাতের ফসলের গাছ তুলতে পারে। এআই ফসলের রোগ ও পোকামাকড় শনাক্ত করতে পারে ও দমনের উপায় জানিয়ে দেয়। যাতে সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। কীটনাশক ৬০ শতাংশ ব্যবহার কমানো সম্ভব। এআই মাটির তথ্য বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত মাটি অনুযায়ী ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সার সুপারিশ ও প্রয়োগ করতে পারে। ফলে সারের ব্যবহার, খরচ ও পরিবেশগত প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। এআই মাটির প্রয়োজনীয় পানির পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারে। বিভিন্ন ফসলে সঠিক সময়ে উপযুক্ত সেচ পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারে। ফলে পানির ব্যবহার, খরচ ও পরিবেশগত প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। এআই ফুল কবে ফুটবে, ফল কবে পাকবে, কত ফল, ফসল পাওয়া যাবে সেই তথ্য দেয়। ফসল কর্তন, সংগ্রহ, মাড়াই, ঝাড়াই, শুকানো, বস্তায় ভরার কাজগুলো করতে পারে। এআই বিভিন্ন বাজারের কৃষিপণ্যের দাম জানাতে পারে। ফলে কৃষকেরা উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম পায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত সেন্সর গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির স্বাস্থ্য, তাপমাত্রা, পরিবেশ ও আচরণ ট্র্যাক করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সুপারিশ করে এগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত সেন্সর মৎস্য খামারের পানির গুণাগুণ, তাপমাত্রা, পিএইচ, ঘোলাত্ব ও পরিবেশ এবং মাছের স্বাস্থ্য, ঘনত্ব ও বৃদ্ধি পর্যায় অনুযায়ী আচরণ ট্র্যাক করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সুপারিশ করে এগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম। এআই কৃষি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় সহায়তা করে। গবেষণার জমিতে বা গবেষণাগারে পরীক্ষণ সেট করা, তদারকি করা, ডাটা সংগ্রহ করা, ডাটা বিশ্লেষণ করা, রিভিউ সংগ্রহ ইত্যাদি কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারে। আরও পড়ুন রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে এআই কৃষি সম্প্রসারণে সহায়তা করে, যেমন- নতুন উদ্ভাবিত জাত, প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি, পণ্য, কৃষি তথ্য প্রচার করতে পারে। এআই বন্যা, খরা, ঝড়, বৃষ্টিপাত, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদির পূর্বাভাস দিতে পারে। জমি চাষ, মাটি শোধনও সেচের পরামর্শ দেয়, ফসলের সার্বিক মনিটরিং করে- মাটির পুষ্টি, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, পিএইচ, লবণাক্ততা জানাতে পারে। ফসলের রোগ ও পোকামাকড় জানা এবং তার সমাধান দেওয়া এবং এর মাধ্যমে কৃষিপণ্যের বাজারদর জানা যায়। কৃষিতে এআই প্রযুক্তি সম্বলিত ড্রোন অর্থাৎ ড্রোনের সঙ্গে এআই কাস্টমাইজ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সমন্বয় করলে ড্রোন একবার ফসলের ক্ষেতের ওপর দিয়ে উড়ে গেলে ওই এলাকার যে সার্বিক অবস্থা জানাতে পারে। বাংলাদেশে কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এআই কাজে লাগিয়ে মাঠের তদারকি করতে পারে, যেমন- ফসলের উৎপাদন জানা, ফসলের সার্বিক মনিটরিং করা, মাটির পুষ্টি, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, পিএইচ, লবণাক্ততা জানা, ফসলের পুষ্টির অভাব জানা, ফসলের রোগ ও পোকামাকড় জানা এবং কীটনাশক স্প্রে করা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষির ক্ষতিগ্রস্ত ইমেজ প্রসেসিং, বিগ ডাটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে পারে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বাজারে কৃষিপণ্যের দাম যাচাই-বাছাই করা, চাহিদা জোগান, আমদানি রপ্তানি ক্ষেত্রে আইওটি, বিগ ডাটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে। জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমিতে আইওটি, বিগ ডাটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি প্রয়োগের ওপর প্রশিক্ষণ দিতে পারে। কৃষি তথ্য সার্ভিসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে কৃষি কল সেন্টারে সেবা দেওয়া ও তথ্য প্রচার করার সুযোগ আছে। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হয়ে উঠেছে শিক্ষা এবং আধুনিক কৃষি ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনার অংশ। তারই ধারাবাহিকতায় এরই মধ্যে কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে মোবাইল অ্যাপ বের করেছে। এই অ্যাপ দিয়ে কৃষকেরা কৃষির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ধানের রোগবালাই চিহ্নিতকরণের লক্ষ্যে ‘রাইস সলিউশন’ (সেন্সরভিত্তিক ধানের বালাইব্যবস্থাপনা) নামের একটি মোবাইল অ্যাপস উদ্বোধন করেছে। যা ধানের ক্ষেত থেকেই আক্রান্ত ধান গাছের ছবি দেখে রোগ চিহ্নিত করতে সক্ষম। গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে ‘ই-ভিলেজ’ নামক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পে সেন্সরের মাধ্যমে ফসলি জমির মাটির স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানা যায়। আরও পড়ুন সম্ভাবনাময় ভোজ্যতেল পেরিলা চাষ করবেন যেভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে কৃষিতে সব উন্নয়ন করা সম্ভব। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য কৃষি একটি উজ্জ্বল ক্ষেত্র। এরই মধ্যে অনেক দেশ কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে সুফল পাচ্ছে। নেদারল্যান্ডের অ্যাগ্রোকেয়ারস কৃষিকাজে ব্যবহারযোগ্য এআই চালিত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার তৈরি করে। এদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো তাদের নিউট্রিয়েন্ট স্ক্যানার। যন্ত্রটি জমির মাটি নমুনা হিসেবে নিয়ে তাতে কোন কোন উপাদানের ঘাটতি আছে তা জানিয়ে দিতে পারে। এতে কৃষক আগে থেকেই তার জমি চাষের জন্য যথাযথ সার দিয়ে প্রস্তুত করতে পারবেন। জার্মানের পিটের বানানো অ্যাপ্লিকেশনটি মাটির পুষ্টি ঘাটতি শনাক্ত করার পাশাপাশি জমিতে ফসলের কী কী রোগ হতে পারে, এসব তথ্য ব্যবহার করে সেই জমি এবং শস্যের জন্য উপযুক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহারের উপদেশ দিতে পারে। এ জন্য কৃষককে শুধু তার ফসলের কয়েকটি ছবি তুলে দিলেই হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বাকি কাজ নিজে থেকেই করে দেবে অ্যাপ্লিকেশনটি। ভারতের ইন্টেলো ল্যাবস নামের আরেকটি স্টার্টআপ কম্পিউটার ভিশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ফল বা সবজির অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারে। এতে বাজারজাত করার সময় ফল ও সবজির পচনজনিত অপচয় কমানো যায়। চ্যাটজিপিটির মতো কৃষিসংক্রান্ত চ্যাটবটেও হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। মাইক্রোসফটের ফার্মভাইবস.বট এমনই একটি চ্যাটবট। এর কাজ হলো কৃষকদের ফসল, জমি ও আবহাওয়া বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে পরামর্শ এবং উপদেশ দেওয়া। আফ্রিকার প্রায় পাঁচ লাখ কৃষক এরই মধ্যে এটি ব্যবহার করে সুফলও পাচ্ছেন। আমাদের দেশের কৃষকেরাও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল ভোগ করতে শুরু করেছেন। এসইউ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

কুকুরের লালা কাপড়ে লাগলে কয়বার ধুয়ে পাক করতে হবে?

কুকুরের লালা কাপড়ে লাগলে কয়বার ধুয়ে পাক করতে হবে?

ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন অনলাইনে
ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন অনলাইনে

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই বিবিএ/এমবিএ অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। এক নজরে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ তথ্যের ধরন বিবরণ প্রতিষ্ঠানের নাম ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি পদের নাম গ্লোবাল ব্র্যান্ড ম্যানেজার পদসংখ্যা ১ জন চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবিএ/এমবিএ অথবা স্নাতকোত্তর (মার্কেটিং) অভিজ্ঞতা ৫ বছর বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে বয়সসীমা ২৮-৩৮ বছর সূত্র বিডিজবস ডটকম আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদনের শেষ তারিখ: ১২ অক্টোবর ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে কর্মস্থল: ঢাকা জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক। আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। আরও পড়ুন৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, আবেদন ফি ৫৬ টাকাএইচএসসি পাসে বিজিবির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ৫৬ টাকাসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদন১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
টঙ্গীতে পুলিশকে পাথর ছুঁড়ে আসামি ছিনতাই: গ্রেফতার ৫

টঙ্গীতে পুলিশকে পাথর ছুঁড়ে আসামি ছিনতাই: গ্রেফতার ৫

টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সায়েন্স ফেস্ট

টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সায়েন্স ফেস্ট

জেনডায়া–টম হলান্ডের বিয়ে হয়েছে, নাকি হয়নি

জেনডায়া–টম হলান্ডের বিয়ে হয়েছে, নাকি হয়নি

0 Comments