জাতীয়

ভবনে টাইলস লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাইভোল্টেজের তারে এক ঘণ্টা ঝুলছিল মিস্ত্রির লাশ

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
ভবনে টাইলস লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাইভোল্টেজের তারে এক ঘণ্টা ঝুলছিল মিস্ত্রির লাশ
ভবনে টাইলস লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাইভোল্টেজের তারে এক ঘণ্টা ঝুলছিল মিস্ত্রির লাশ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বৈদ্যুতিক খুঁটির ১১ হাজার ভোল্টের তারের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. সাজিদ (২৪) নামের এক টাইলসমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাঁর লাশ বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ঝুলছিল।

আজ শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস পৌনে পাঁচটার দিকে লাশ উদ্ধার করে। সাজিদ পূর্ব চর দামুকদিয়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সাজিদ ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের ষোলদাগ এলাকার সুজন উদ্দিনের তিনতলা বাড়ির বারান্দাসহ বাইরের অংশে তিন দিন ধরে টাইলস বসানোর কাজ করছিলেন। ভবনের বারান্দা থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটির ১১ হাজার ভোল্টের তারের দূরত্ব মাত্র সাড়ে তিন ফুটের মতো।

সাজিদ সেখানে কোনো ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা ছাড়াই অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের তৈরি মাচার ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করছিলেন। মাচার ওপর দাঁড়ানো অবস্থায় ১১ হাজার ভোল্টের তার থেকে তাঁর দূরত্ব মাত্র দেড় ফুট ছিল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আজ বিকেল পৌনে চারটার দিকে কাজ করার সময় সাজিদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা তাঁর লাশ হাইভোল্টেজের তারে ঝুলতে থাকে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

সাজিদের চাচা আবদুল আজিজ জানান, তিন দিন থেকে তিনি এখানে কাজ করছিলেন। এভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে দেওয়া উচিত হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে বাড়ির মালিক সুজন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) ভেড়ামারার আবাসিক প্রকৌশলী মাসুম পারভেজ বলেন, বৈদ্যুতিক লাইন নির্ধারিত ম্যাপ অনুযায়ী গেছে। পর্যাপ্ত জায়গা না রেখে লাইনের এতটা কাছে এসে বাড়ি করা উচিত হয়নি। ১১ হাজার ভোল্টের তারের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া কাজ করা উচিত নয়।

ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনমাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে সাজিদের ঝুলন্ত লাশ ১০ মিনিটের মধ্যে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

ভেড়ামারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে। ফায়ার সার্ভিস আমাদের লাশ বুঝিয়ে দিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
তপু বর্মণকে ছাড়াই আসিয়ান কাপের দল ঘোষণা বাফুফের
তপু বর্মণকে ছাড়াই আসিয়ান কাপের দল ঘোষণা বাফুফের

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো শুরু হবে ফিফা আসিয়ান কাপ। ইন্দোনেশিয়া ও হংকংয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খেলবে ইন্দোনেশিয়ায়। টুর্নামেন্টের জন্য আজ রাত পৌনে ১২টায় ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাফুফে। এই দলে নেই সেন্টারব্যাক তপু বর্মণ। চোটের কারণে পুরো ফিট না থাকায় তাঁকে ইন্দোনেশিয়া নেওয়ার ঝুঁকি নেননি কোচ টমাস ডুলি।‎‎২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল সেন্টারব্যাক মঞ্জুরুর রহমানের। দীর্ঘ সময় পর আবারও জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি। ‎প্রবাসী খেলোয়াড়দের মধ্যে ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন ইয়াসার তাহমিদ, দেবজিৎ সরকার, সাইফ কেরাওয়ালা, শুকি ইতোফুসা, জিদান ইউসুফ ও ইউসুফ আহমেদ। তাঁদের মধ্যে ইয়াসার ও দেবজিৎকে আগেই ক্যাম্প থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।বাকি চারজনের মধ্যে চূড়ান্ত দলে জায়গা পেয়েছেন শুকি ইতোফুসা ও জিদান ইউসুফ। ইংল্যান্ডের বোরহ্যাম উড এফসিতে খেলা ফারহান আলীও আছেন চূড়ান্ত দলে। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত গোলরক্ষক সাইফ কেরাওয়ালা সুযোগ পাননি চূড়ান্ত দলে। তাঁর ব্যাপারে কোচ ডুলি বলেছেন, কিছু ঘাটতির কারণে এবার তাঁকে সুযোগ দেওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে আবার ডাকা হবে। ‎‎গোলকিপার: মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবণ ও সুজন হোসেন। ‎ ‎ডিফেন্ডার : তারিক কাজী, শাকিল আহাদ, সাদ উদ্দিন, জায়ান আহমেদ, জিদান ইউসুফ, মঞ্জুরুর রহমান ও রহমত মিয়া। ‎ ‎মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম ও শেখ মোরছালিন।‎ ‎ ফরোয়ার্ড: শাহরিয়ার ইমন, ফাহামিদুল ইসলাম, শুকি ইতোফুসা, রাকিব হোসেন, ফারহান আলী ও মিনহাজুল করিম।‎ঢাকায় দলের ক্যাম্পে না থাকলেও ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম। তাঁরাও আছেন ২৩ জনের দলে।‎আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ খেলবে ডিভিশন-১-এর ‘এ’ গ্রুপে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসিয়ান কাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে ডুলির দল। গ্রুপ পর্বে শেষ ম্যাচে ১ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। ‎তিনটি ম্যাচই হবে জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে।

News সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ 0
ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের মধ্যে কাফরুলে বাসে আগুন

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের মধ্যে কাফরুলে বাসে আগুন

রাকিবুলের অডিও: তদন্ত, তবে তিনি কোথায়?

রাকিবুলের অডিও: তদন্ত, তবে তিনি কোথায়?

‘অশ্লীলতা মনে হয়নি’, ‘রাম তেরি গঙ্গা মইলি’র বিতর্কিত ঝরনার দৃশ্য নিয়ে মন্দাকিনী

‘অশ্লীলতা মনে হয়নি’, ‘রাম তেরি গঙ্গা মইলি’র বিতর্কিত ঝরনার দৃশ্য নিয়ে মন্দাকিনী

ভবনে টাইলস লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাইভোল্টেজের তারে এক ঘণ্টা ঝুলছিল মিস্ত্রির লাশ
ভবনে টাইলস লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাইভোল্টেজের তারে এক ঘণ্টা ঝুলছিল মিস্ত্রির লাশ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বৈদ্যুতিক খুঁটির ১১ হাজার ভোল্টের তারের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. সাজিদ (২৪) নামের এক টাইলসমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাঁর লাশ বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ঝুলছিল। আজ শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস পৌনে পাঁচটার দিকে লাশ উদ্ধার করে। সাজিদ পূর্ব চর দামুকদিয়া এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সাজিদ ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের ষোলদাগ এলাকার সুজন উদ্দিনের তিনতলা বাড়ির বারান্দাসহ বাইরের অংশে তিন দিন ধরে টাইলস বসানোর কাজ করছিলেন। ভবনের বারান্দা থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটির ১১ হাজার ভোল্টের তারের দূরত্ব মাত্র সাড়ে তিন ফুটের মতো।সাজিদ সেখানে কোনো ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা ছাড়াই অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের তৈরি মাচার ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করছিলেন। মাচার ওপর দাঁড়ানো অবস্থায় ১১ হাজার ভোল্টের তার থেকে তাঁর দূরত্ব মাত্র দেড় ফুট ছিল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।আজ বিকেল পৌনে চারটার দিকে কাজ করার সময় সাজিদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা তাঁর লাশ হাইভোল্টেজের তারে ঝুলতে থাকে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।সাজিদের চাচা আবদুল আজিজ জানান, তিন দিন থেকে তিনি এখানে কাজ করছিলেন। এভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে দেওয়া উচিত হয়নি।এ বিষয়ে জানতে বাড়ির মালিক সুজন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) ভেড়ামারার আবাসিক প্রকৌশলী মাসুম পারভেজ বলেন, বৈদ্যুতিক লাইন নির্ধারিত ম্যাপ অনুযায়ী গেছে। পর্যাপ্ত জায়গা না রেখে লাইনের এতটা কাছে এসে বাড়ি করা উচিত হয়নি। ১১ হাজার ভোল্টের তারের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া কাজ করা উচিত নয়।ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনমাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে সাজিদের ঝুলন্ত লাশ ১০ মিনিটের মধ্যে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।ভেড়ামারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে। ফায়ার সার্ভিস আমাদের লাশ বুঝিয়ে দিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
ব্যালন ডি’অর নিয়ে ইয়ামাল কি কেইনকে খোঁচা দিলেন

ব্যালন ডি’অর নিয়ে ইয়ামাল কি কেইনকে খোঁচা দিলেন

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি ২৬% বেড়েছে, ইইউতে বেড়েছে ৯%

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি ২৬% বেড়েছে, ইইউতে বেড়েছে ৯%

অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের জায়গা অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নয়: রুহুল কুদ্দুস কাজল

অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের জায়গা অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নয়: রুহুল কুদ্দুস কাজল

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে বাস করা গোলাপি বেগম
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে বাস করা গোলাপি বেগম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপহার দেওয়া নতুন বাড়িতে উঠেছেন শাহবাগের ফুটপাতে বসবাস করা গোলাপি বেগম। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রতনপুর গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে বাড়িটি হস্তান্তর করা হয়। আজ শুক্রবার ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চব্বিশের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২০২৫ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক সমাবেশের সময় শাহবাগের ফুটপাতে বসবাসকারী গোলাপি বেগমের অসহায় জীবনযাপনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। মানবিক বিবেচনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর গোলাপি বেগমের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রায় এক বছর তাঁর চিকিৎসার পাশাপাশি ঢাকায় একটি বাসায় থাকার ব্যবস্থাও করা হয়।পরে তাঁর স্থায়ী পুনর্বাসনের লক্ষ্যে নতুন একটি বাড়ি নির্মাণের নির্দেশ দেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই ধারাবাহিকতায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে গোলাপি বেগমের জন্য একটি নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হয়।আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে বাড়িটি হস্তান্তর করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে গোলাপি বেগমের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় গোলাপি বেগমকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, শাকিল আহমেদ ও শাহাদত হোসেন।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান, কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান, হাসানুর রহমান, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় বিএনপি নেতা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা–কর্মীরা।উপস্থিত নেতারা গণমাধ্যমকে বলেন, সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর অন্যতম লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সংগঠনটি মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ, চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা

সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ, চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা

কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের উৎসব

কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের উৎসব

তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে উগ্রবাদী সন্দেহে আটক ২৩

তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে উগ্রবাদী সন্দেহে আটক ২৩

0 Comments