জাতীয়

সৌদি আরবে হুথিদের হামলা, লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সৌদি আরবে হুথিদের হামলা, লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম
সৌদি আরবে হুথিদের হামলা, লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম

সৌদি আরবে হুথিদের নতুন করে হামলা এবং উপসাগরে ইরানের সামরিক তৎপরতার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম। একই সময়ে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন বন্ধ থাকায় সরবরাহ সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের নভেম্বরের ফিউচার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলারে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের অক্টোবরের ফিউচার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১০২ দশমিক ৬৮ ডলার।

আরও পড়ুন

তেলের পথে যুদ্ধের আগুন, সবার নজর সৌদি আরবে

সৌদি আরবে হুথিদের হামলা

সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেন জোট জানিয়েছে, সোমবার হুথি বাহিনী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে সৌদি আরবে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ১৩ জন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

হামলার পাশাপাশি সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইরাক থেকে উৎক্ষেপণ করা ড্রোনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন বন্ধ করে দিয়েছে।

এই পাইপলাইন হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্র থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পরিবহন করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাইপলাইনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন

সৌদি আরবে হুথির মুহুর্মুহু হামলা, জেদ্দাসহ বিভিন্ন শহরে সতর্কতা

উপসাগরে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা

তেলের বাজারে চাপ বাড়িয়েছে উপসাগরে ইরানের সামরিক তৎপরতার খবরও।

ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর একটি উন্নত মার্কিন ড্রোন তারা ধ্বংস করেছে। উপসাগরে মার্কিন চালকবিহীন নৌযানের বিরুদ্ধে তেহরানের ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যে এই ঘটনা ঘটল।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথ। এই জলপথে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে, দেশটির তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

আরও পড়ুন

ড্রোন হামলায় বন্ধ সৌদির পাইপলাইন, তেল বাণিজ্যে শঙ্কার ছায়া

 

মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ার আশঙ্কা

তেলের পাইপলাইনে হামলা এবং সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ থাকায় মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন শ্রী-কুমার গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিসের প্রেসিডেন্ট কোমল শ্রী-কুমার।

সিএনবিসির ‘স্কোয়াক বক্স এশিয়া’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেলের অবকাঠামোয় হামলা এবং সৌদি পাইপলাইন বন্ধ থাকার কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়বে।

এর সঙ্গে চলমান শুল্কযুদ্ধও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, শুল্কযুদ্ধ দ্রুত বাড়তে থাকায় পণ্যের দামের ওপর ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হবে। এর প্রভাব বন্ডের সুদের হারেও পড়তে পারে।

আরও পড়ুন

হুথিদের সঙ্গে সংঘাত / সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থেকেও কেন বিপাকে সৌদি আরব?

বিশ্ববাজারে বাড়ছে উদ্বেগ

সৌদি আরবের তেল অবকাঠামোয় হামলা, হরমুজ প্রণালিতে সামরিক উত্তেজনা এবং তেলবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এসব সংকট দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এতে জ্বালানি ব্যয়ের পাশাপাশি পরিবহন ও উৎপাদন খরচও বাড়বে।

এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে। বিশেষ করে আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সূত্র: সিএনবিসি
কেএএ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
পিরোজপুরে ওয়াকিটকি ও ভুয়া পুলিশ পরিচয়পত্রসহ যুবক গ্রেফতার
পিরোজপুরে ওয়াকিটকি ও ভুয়া পুলিশ পরিচয়পত্রসহ যুবক গ্রেফতার

পিরোজপুরের কাউখালীতে ৬৯ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, দুটি ওয়াকিটকি, দেশীয় ছোরা, খেলনা পিস্তল, ভুয়া পুলিশ পরিচয়পত্র ও অস্ত্রের লাইসেন্সসহ শাওন ইসলাম অপু (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার শিয়ালকাঠী চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার বাড়ির দোতলা ভবনের ছাদ থেকে এসব সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার শাওন ইসলাম অপু শিয়ালকাঠী এলাকার মৃত শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে। কাউখালী থানা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর নির্দেশনায় মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিয়ালকাঠী চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় শাওনের বাড়ির ছাদে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় ৬৯টি শর্টগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। কার্তুজগুলোর গায়ে ‘Rubber Buckshot, 2023-BP-67mm, Made in Cyprus’ লেখা রয়েছে। এ ছাড়া দুটি ওয়াকিটকি, দুটি দেশীয় ছোরা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স, একটি ভুয়া পুলিশ আইডি কার্ড ও চামড়ার তৈরি একটি অস্ত্রের কভার উদ্ধার করা হয়েছে। পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, উদ্ধার হওয়া কার্তুজের সঙ্গে কোনো আসল অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাউখালী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতার যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। মো. তরিকুল ইসলাম/কেজে/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
কোরিয়ায় বিনামূল্যে স্নাতক করার সুযোগ পাবেন ৩ বাংলাদেশি, আবেদন শুরু

কোরিয়ায় বিনামূল্যে স্নাতক করার সুযোগ পাবেন ৩ বাংলাদেশি, আবেদন শুরু

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের স্ত্রীর ২ বছরের কারাদণ্ড

সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের স্ত্রীর ২ বছরের কারাদণ্ড

আর্জি
আর্জি

বিশাল সাগরের ওই ঢেউ—বিকট গর্জনে ভাঙুক দুই কূল,ভাসাক জনপদ, ভাসিয়ে নিয়ে যাক।সেই কবে থেকে আকুল হয়ে আছি বসে,আমায় তলিয়ে নিক তৃণলতার মতো।মস্ত আকাশের বিশালতা বুকে নিয়ে যাই ভেসে,কোনো এক মহাসিন্ধুর তটে।আমি দূর্বাঘাসের মতো,সমস্ত ভার ছেড়ে দিয়েজলে দিই গা এলিয়ে।যেখানে খুশি নিয়ে যাক,কচুরিপানার মতো।ভাসিয়ে নিয়ে ফেলুক নাম না–জানা কোনো নদীতে,নাহয় কোনো সরু খালে;আমায় ভাসিয়ে নিয়ে যাক।আছড়ে পড়া ফেনার মতো—মিলে যাই ঢেউয়ের তলে অথবা নোনাজলে।ধুয়ে ফেলুক, আমায় বিলীন করুক অথবা শুদ্ধ করে নিক,রিক্ত আমায়, নিঃস্ব আমায় পূর্ণ করুকঅপার মার্জনায়।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ছাত্রদল নেতার মোটরসাইকেল আটক করায় এসপি কার্যালয় ঘেরাও

ছাত্রদল নেতার মোটরসাইকেল আটক করায় এসপি কার্যালয় ঘেরাও

ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিতে অস্ট্রেলিয়ার ৭ অধিনায়কের চিঠি

ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিতে অস্ট্রেলিয়ার ৭ অধিনায়কের চিঠি

ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

মিশিগানে ২০২৮ সালের ৪২তম ফোবানা সম্মেলন
মিশিগানে ২০২৮ সালের ৪২তম ফোবানা সম্মেলন

উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অন্যতম বৃহৎ সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ফোবানা সম্মেলনের ৪২তম আসর বসছে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে। ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগান (বাম)। দীর্ঘ আলোচনা ও ভোটাভুটি শেষে আয়োজক হিসেবে বামের নাম ঘোষণার পর মিশিগানের বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটিতে বইছে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তিন দিনব্যাপী ৪০তম ফোবানা সম্মেলন। উত্তর আমেরিকার ২২টি শহরের ৬৭টি সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে যেমন ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন, তেমনি ছিল সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিল নতুন এক্সিকিউটিভ কমিটি নির্বাচন। ৬৭টি সদস্য সংগঠনের কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জন্য ফোবানার নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়। নতুন কমিটিতে চেয়ারপারসন মোহাম্মদ এম. রহমান (জহির), ফ্লোরিডা; ভাইস চেয়ারপারসন আবীর আলমগীর, নিউইয়র্ক; এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ড. প্রিয়লাল কর্মকার, ভার্জিনিয়া; জয়েন্ট এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি অ্যান্থনি পিয়ুস গোমেজ, ভার্জিনিয়া এবং ট্রেজারার নাহিদা নাসের ইয়াসমিন, হিউস্টন, টেক্সাস নির্বাচিত হয়েছেন। আরও পড়ুন বাবা জানতেও পারেননি ছেলে প্রধানমন্ত্রী, অ্যান্ডির পিতৃবিয়োগ এছাড়া ৯ সদস্য বিশিষ্ট আউটস্ট্যান্ডিং মেম্বার এবং ১৭টি সংগঠনের দায়িত্বে থাকা নেতাদের ফোবানার এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪০তম ফোবানা সম্মেলন চলাকালে পরবর্তী সম্মেলনের আয়োজক নির্বাচন নিয়ে সদস্য সংগঠনগুলোর মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানের (বাম) প্রতিনিধি দল মিশিগানে ফোবানা আয়োজনের পরিকল্পনা, সাংগঠনিক সক্ষমতা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং সম্মেলন সফল করার নানা দিক তুলে ধরেন। বামের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি জাবেদ চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক লুৎফুল বারী, উপদেষ্টা সুমন কবির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক তাহমিদ চৌধুরী। দীর্ঘ আলোচনা ও মতবিনিময়ের পর অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ২০২৭ সালে ৪১তম ফোবানা সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পায় টেক্সাসের হিউস্টন। আর ২০২৮ সালের ৪২তম ফোবানা সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে নির্বাচিত হয় মিশিগান। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানকে ৪২তম ফোবানা সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ৪২তম ফোবানা সম্মেলন মিশিগানে আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়াকে শুধু সংগঠনের নয়, পুরো বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির অর্জন হিসেবে দেখছেন বামের সভাপতি জাবেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “এটি শুধু বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানের নয়, মিশিগানের পুরো বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির একটি ঐতিহাসিক অর্জন। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ২০২৮ সালে একটি বর্ণাঢ্য, সফল ও স্মরণীয় ফোবানা সম্মেলন আয়োজন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তার এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকানদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে একটি বড় পরিসরের সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রত্যাশাই ফুটে উঠেছে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ফোবানা ২০২৮-এ বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংগীত, সাহিত্য ও শিল্পকে তুলে ধরার পাশাপাশি উত্তর আমেরিকায় বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের প্রতিভাকেও বিশেষভাবে সামনে আনা হবে। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহর থেকে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অংশগ্রহণে সম্মেলনটি পরিণত হবে এক বিশাল সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়—এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের। এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডের সময় ৫টি সিঁড়ির ৪টিতেই তালা ছিল

ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডের সময় ৫টি সিঁড়ির ৪টিতেই তালা ছিল

একঝলক (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

একঝলক (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

রোগী পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে স্পিডবোটের সঙ্গে বাল্কহেডের সংঘর্ষ, নিহত ২

রোগী পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে স্পিডবোটের সঙ্গে বাল্কহেডের সংঘর্ষ, নিহত ২

0 Comments