জাতীয়

সেই এলিটা কিংসলে এখন কোচ

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
সেই এলিটা কিংসলে এখন কোচ
সেই এলিটা কিংসলে এখন কোচ

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়ে লাল-সবুজ জার্সিতে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এলিটা কিংসলে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনে এখন কোচ। দেশের শীর্ষ ফুটবল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চট্টগ্রাম সিটি এফসির ডাগআউটে আজ তাঁর অভিষেক হয়েছে কোচ হিসেবে। তবে খেলোয়াড় তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। কারণ হিসেবে ৩৬ বছর বয়সী এলিটা বললেন, বাফুফেতে তাঁর নাম নিবন্ধন এখনো হয়নি।

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে গত তিন মৌসুম ফরোয়ার্ড এলিটা ছিলেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের খেলোয়াড়। তবে সর্বশেষ মৌসুমে তাঁর মাঠেই নামা হয়নি।

এলিটা নিজেকে ফিটনেস কোচ বললেও দলটির এক খেলোয়াড় জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি এফসি যে একবেলা অনুশীলন করেছে, সেটি করিয়েছেন এলিটাই। বিদেশি কোচ এখনো না আসায় কোচের ভূমিকায় ছিলেন তিনিই। দলে তিনি সহকারী কোচ।

তবে প্রথম ম্যাচেই এলিটার অভিজ্ঞতা ভালো হয়নি। ফর্টিস এফসির কাছে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নবাগত দলটি। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ম্যাচ শেষে নিজের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে এলিটা বললেন, ‘আমি আগে কখনো কোচ ছিলাম না। এ বছরই প্রথম কোচ হয়েছি। নতুন ভূমিকায় মাত্র শুরু করলাম।’

এলিটা কিংসলি

দলের প্রস্তুতি নিয়ে তাঁর আছে বিস্তর অতৃপ্তি, ‘এই ম্যাচে খেলার আগে প্রাক-মৌসুম মাত্র একটা অনুশীলন সেশন করেছি আমরা, কিন্তু ফুটবলে এভাবে এক সেশন করে মাঠে নামা যায় না। তবে আশা করি আমরা সমস্যাটা কাটিয়ে উঠব।’

চট্টগ্রামের দলটি যে একবেলা অনুশীলন করেছে, সেটি বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায়। আর দলটি উঠেছেও কিংস অ্যারেনার ক্রিকেট ডরমিটরিতে।

এলিটা জানালেন, বেশির ভাগ সময় বাংলাদেশেই থাকেন তিনি। তবে তাঁর স্ত্রী (বাংলাদেশি) ও কন্যা বর্তমানে নাইজেরিয়ায় আছেন।

২০১১ সালে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের হয়ে খেলতে প্রথম বাংলাদেশে এসেছিলেন এলিটা। সেই থেকে নিয়মিত খেলার পাশাপাশি এক বাংলাদেশি নারীকে বিয়ে করে এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন, যা পরবর্তীকালে তাঁর নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সহজ করে।

২০২১ সালের মে মাসে এলিটা বাংলাদেশের পাসপোর্ট হাতে পান। ফিফা ও এএফসির অনুমোদনের পর ২০২৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল। দেশের শীর্ষ ফুটবলে বসুন্ধরা কিংস, ঢাকা আবাহনীর মতো ক্লাবে ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেছেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
হেডের সেঞ্চুরি মানেই অস্ট্রেলিয়ার জয়
হেডের সেঞ্চুরি মানেই অস্ট্রেলিয়ার জয়

অস্ট্রেলিয়া: ৩৫৬/৬। জিম্বাবুয়ে: ২৭২। ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮৪ রানে জয়ী।ট্রাভিস হেড সেঞ্চুরি করেছেন আর অস্ট্রেলিয়া সেই ম্যাচ হেরে গেছে—এমন কখনো হয়নি।হলো না আজও। হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৮৪ বলে ১১২ রানের ইনিংস খেলেছেন হেড। ম্যাচটি ৮৪ রানে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখে ২–০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হেডের ২০তম সেঞ্চুরি। একটি টেস্টে ড্র, বাকি ১৯টিতেই জয়ের হাসিতে মাঠ ছেড়েছে তাঁর দল (১২ টেস্ট, ৮ ওয়ানডে)।আজ টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে হেড ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ ১৯ ওভারে তোলেন ১৩০ রান। মার্শ ৬৩ বলে ৫৩ রান করে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে আউট হলেও থামেননি হেড। ৩২ বলে ফিফটি করা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৭৫ বলেই পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৪ বলে ১১২ রান করে আউট হন তিনি।৭৫ বলে সেঞ্চুরি করেন ট্রাভিস হেডহেড ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের দায়িত্ব নেন কুপার কনোলি। ৬৯ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে ৩টি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন তিনি। শেষ দিকে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার রানকে আরও ওপরে তুলে দেন অলিভার পিক। মাত্র ১৮ বলে অপরাজিত ৪১ রান করেন এই তরুণ ব্যাটসম্যান। ইনিংসের শেষ ওভারে ব্র্যাড ইভান্সকে তিনটি ছক্কা মেরে ২৪ রান তোলেন পিক। এতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৫৬ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। এটি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ, আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০১৪ সালে ৩৫০/৬।রান তাড়ায় শুরু থেকেই আস্কিং রেটে পিছিয়ে ছিল জিম্বাবুয়ে৩৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে জিম্বাবুয়ে ২ উইকেটে ১০০ রানে পৌঁছালেও পরে আর তাল মেলাতে পারেনি। এক থেকে আট নম্বর পর্যন্ত সব ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও কেউ ফিফটি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ইনিংসের ৯ বল বাকি থাকতে ২৭২ রানে থামে দলটির ইনিংস।সংক্ষিপ্ত স্কোর:অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩৫৬/৬ (হেড ১১২, কনোলি ৭৮, মার্শ ৫৩, পিক ৪১*; ইভানস ৩/৮৬, মাসাকাদজা ২/৫১)।জিম্বাবুয়ে: ৪৮.৩ ওভারে ২৭২ (রাজা ৪৫, টেলর ৩৯, আরভিন ৩৮, কাইয়া ৩৪; কনোলি ২/২৫, রেনশ ২/৪৪, হ্যাজলউড ২/৪৮)।ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮৪ রানে জয়ী।৩০ বলে সেঞ্চুরি, পাওয়ার প্লেতে বিশ্ব রেকর্ড—ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে অভিষেকের ইতিহাস

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
মানচিত্রে আফ্রিকা বড় হলো, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কি বদলাল

মানচিত্রে আফ্রিকা বড় হলো, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কি বদলাল

এবার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, অটোচালক আহত

এবার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, অটোচালক আহত

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কতটা জরুরি

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কতটা জরুরি

২৮ বছর পর ‘জোড়া ফুল’ হারাল তৃণমূল, মমতার নতুন প্রতীক ‘ফুটবল খেলোয়াড়’
২৮ বছর পর ‘জোড়া ফুল’ হারাল তৃণমূল, মমতার নতুন প্রতীক ‘ফুটবল খেলোয়াড়’

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ২৮ বছর পর নির্বাচনী প্রতীক ‘জোড়া ফুল’ হারালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের অভ্যন্তরে নজিরবিহীন ভাঙন ও আইনি লড়াইয়ের মুখে প্রতীকটি স্থগিত করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ফলে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভার দুটি শূন্য আসনের উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে লড়তে হবে নতুন নাম ‘মমতা তৃণমূল কংগ্রেস’ ও নতুন প্রতীক ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ নিয়ে।এ বছরের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ২০৮টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে এবং শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হন। বিপরীতে তৃণমূল পায় মাত্র ৮০টি আসন। এই শোচনীয় পরাজয়ের পর দলে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের এক পর্যায়ে ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৫ জন বিধায়ক মমতার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে দল ছাড়েন।বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই বিদ্রোহী ৬৫ জন বিধায়ক পাল্টা তৃণমূল গড়ে তোলেন এবং বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পান। সেখানে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হন ঋতব্রত নিজেই।পরবর্তী সময়ে বিবদমান উভয় পক্ষই নিজেদের মূল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে দলের ঐতিহ্যবাহী ‘জোড়া ফুল’ প্রতীকের ওপর অধিকার দাবি করে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত ভারতের নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত গড়ায়। ১২ ও ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির নির্বাচন সদরে উভয় পক্ষের ১০ জন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে কমিশনের ফুল বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে গতকাল রাতে নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের ‘জোড়া ফুল’ প্রতীকটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত জানায়। একই সঙ্গে আসন্ন উপনির্বাচনে উভয় পক্ষকে বিকল্প নাম ও প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার নির্দেশ দেয়।কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ সকালে উভয় পক্ষই নতুন নাম ও প্রতীকের প্রস্তাব পাঠায়। মমতার পক্ষ থেকে তিনটি নাম ও দুটি প্রতীকের প্রস্তাব করা হয়েছিল। নামগুলো ছিল—‘মমতা তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল মমতা কংগ্রেস’ ও ‘সর্বভারতীয় মমতা তৃণমূল কংগ্রেস’। আর প্রতীকের তালিকায় ছিল ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ ও ‘ব্যাট’। নির্বাচন কমিশন মমতার দলের জন্য ‘মমতা তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক বরাদ্দ করে। একই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়, মমতার পক্ষ আর ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ব্যবহার করতে পারবে না।অন্যদিকে ঋতব্রতের নেতৃত্বাধীন অংশটি তাদের প্রস্তাবিত তিনটি নামের মধ্যে ‘জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ ও ‘পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস’ জমা দেয়। প্রতীকের বিকল্প হিসেবে চেয়েছিল খাম, ব্ল্যাকবোর্ড ও টর্চ। নির্বাচন কমিশন তাদের দলের নাম ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘খাম’ বরাদ্দ করেছে।উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজেই দলের প্রতীক হিসেবে এঁকেছিলেন জোড়া ফুল। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে মমতা ও তৃণমূলের অবিচ্ছেদ্য পরিচয় হয়ে থাকা সেই জোড়া ফুল প্রতীক এবার রাজ্য রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে সাময়িকভাবে হলেও হারিয়ে গেল।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
শত বছরের বেশি সময় পর নতুন বন্য বিড়াল প্রজাতির সন্ধান

শত বছরের বেশি সময় পর নতুন বন্য বিড়াল প্রজাতির সন্ধান

ওয়াসার মিটার বাক্স: চামচে তুলে আনা পানিতে কিলবিল করছিল মশার লার্ভা

ওয়াসার মিটার বাক্স: চামচে তুলে আনা পানিতে কিলবিল করছিল মশার লার্ভা

পাকিস্তানে পুলিশ লাইনসে বিস্ফোরণে নিহত ২১ জনের মধ্যে ১৫ জনই পুলিশ সদস্য

পাকিস্তানে পুলিশ লাইনসে বিস্ফোরণে নিহত ২১ জনের মধ্যে ১৫ জনই পুলিশ সদস্য

সুজির জাফরানি হালুয়ার রেসিপি
সুজির জাফরানি হালুয়ার রেসিপি

উপকরণসুজি: ১ কাপঘি: সিকি কাপচিনি: আধা কাপদুধ: ১ কাপজাফরান: ১ চা–চামচলবণ: ১ চিমটিপেস্তা ও কাঠবাদামকুচি: ২ চা–চামচএলাচিগুঁড়া: ১ চা–চামচকিশমিশ: সাজানোর জন্যপ্রণালিপ্রথমে দুধে জাফরান মিশিয়ে নিন। এবার চুলায় প্যান দিয়ে সুজি টালতে থাকুন। একটু লালচে রং হয়ে এলে অর্ধেক ঘি দিয়ে দিন। একটু ভেজে দুধ ও জাফরান দিয়ে বারবার নাড়তে থাকুন। এবার চিনি দিন। এবার বাদামকুচি, কিশমিশ এবং এলাচি গুঁড়া ছড়িয়ে দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।তালের চাটনির রেসিপি

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
স্থানীয় বিএনপির বিরোধিতার মধ্যেই নিজ নির্বাচনী এলাকায় অনুষ্ঠান করলেন রুমিন ফারহানা

স্থানীয় বিএনপির বিরোধিতার মধ্যেই নিজ নির্বাচনী এলাকায় অনুষ্ঠান করলেন রুমিন ফারহানা

ডেমোক্র্যাটদের কেন অভিবাসন নিয়ে সোচ্চার হতে হবে

ডেমোক্র্যাটদের কেন অভিবাসন নিয়ে সোচ্চার হতে হবে

মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সবার দায়িত্ব

মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সবার দায়িত্ব

0 Comments