জাতীয়

ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে শুরু হয়েছে দশদিনের সি ফুড পার্টি

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে শুরু হয়েছে দশদিনের সি ফুড পার্টি
ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে শুরু হয়েছে দশদিনের সি ফুড পার্টি

নানা ধরনের সামুদ্রিক খাবার, লাইভ ফিশ গ্রিল, ফ্রেশ সুশি, ওয়েস্টার, মাসল, লবস্টার ও কাঁকড়াসহ বিভিন্ন পদ নিয়ে সামুদ্রিক খাবারপ্রেমীদের জন্য সেপ্টেম্বরে বিশেষ আয়োজন নিয়ে এসেছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান। ১০ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর চলবে এই ‘সি ফুড পার্টি’।

সামুদ্রিক খাবারপ্রেমীদের জন্য সেপ্টেম্বরে বিশেষ আয়োজন নিয়ে এসেছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান। ১০ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর চলবে ‘সিফুড পার্টি’। আয়োজনে থাকছে নানা ধরনের সামুদ্রিক খাবার, লাইভ ফিশ গ্রিল, ফ্রেশ সুশি, অয়েস্টার, মাসল, লবস্টার ও কাঁকড়াসহ বিভিন্ন পদ।

বিশ্বের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলের খাবারের বৈচিত্র্য ও সামুদ্রিক খাবারের সমৃদ্ধ স্বাদকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে এই আয়োজন। বুফেতে অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন শ্রিম্প ককটেল, ফ্রেশ অয়েস্টার ও মাসল, টুনা ও অক্টোপাস সালাদ, সি ফুড বিস্ক, সল্ট ক্রাস্টেড স্যামন, সিফুড পায়েইয়া, প্রন তেরিয়াকি, ফ্রায়েড কালামারি এবং ফ্রেশ হ্যান্ড মেইড সুশি। পাশাপাশি থাকছে আরও বেশ কিছু ব্যতিক্রমী সামদ্রিক খাবারের পদ।

আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হবে লাইভ ফিশ গ্রিল। অতিথিরা পছন্দমতো মাছ ও সামুদ্রিক খাবার বেছে লাইভ স্টেশন থেকে নিয়ে সরাসরি শেফদের দিয়ে গ্রিল করিয়ে নিতে পারবেন।

ফলে শুধু খাবার পরিবেশন নয়, রান্নার প্রক্রিয়াটিও উপভোগ করার সুযোগ থাকছে। সি ফুড পার্টিতে থাকছে বিশেষ ক্র্যাব অ্যান্ড লবস্টার প্ল্যাটার। ফলে সামুদ্রিক খাবারের স্বাদের পাশাপাশি পরিবেশনার অভিজ্ঞতাতেও থাকছে বাড়তি আকর্ষণ।

আয়োজন সম্পর্কে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানের জেনারেল ম্যানেজার মি. কার্থি ভিকে বলেন, “আমরা এমন একটি সি ফুড এক্সপেরিয়েন্স তৈরি করতে চেয়েছি, যা সাধারণ ডিনারের চেয়ে আলাদা এবং উৎসবের মতো মনে হবে।

লাইভ গ্রিল ও তাজা সামুদ্রিক খাবার থেকে শুরু করে শেফের পরিবেশিত কাঁকড়া ও লবস্টার, অতিথিদের উপভোগের জন্য অনেক কিছুই থাকবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা চাই আমাদের অতিথিরা প্রিয় মানুষদের সঙ্গে নিয়ে আসুন, খাবার উপভোগ করুন এবং একটি আনন্দময় সন্ধ্যা কাটান। সি ফুডপ্রেমীদের জন্য এটি একটি বিশেষ আয়োজন এবং আমরা সবাইকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় আছি।”

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার কিংবা বিশেষ কোনো উদযাপন, বিভিন্ন উপলক্ষকে সামনে রেখেই আয়োজনটি সাজানো হয়েছে। সি ফুড পার্টির প্রাইম পার্টনার মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক বা এমটিবির কার্ডধারীদের জন্য থাকছে বিশেষ অফার। জনপ্রতি সব মিলে ৭ হাজার ৯৯৯ টাকা থাকছে এর মূল্য।

নির্দিষ্ট এমটিবি কার্ডধারীরা পাবেন ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’ অফার। অর্থাৎ চারজন একসঙ্গে খাবার খেলে একজনের মূল্যে চারজনের ডিনার উপভোগ করা যাবে। এই অফারে চারজনের ক্ষেত্রে জনপ্রতি খরচ দাঁড়াবে ১ হাজার ৯৯৯ টাকা ৭৫ পয়সা নেট। এছাড়া নির্দিষ্ট অন্যান্য ব্যাংকের কার্ডধারীদের জন্য ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ এবং ‘বাই ওয়ান গেট টু’ অফারও থাকছে।

ছবি: ক্রাউন প্লাজা

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

জাতীয়

View more
ঝিনাইদহে চাঁদা না দেওয়ায় মার্কেট অর্ধেক দখলের অভিযোগ
ঝিনাইদহে চাঁদা না দেওয়ায় মার্কেট অর্ধেক দখলের অভিযোগ

মৃধা শাহাজাহান প্লাজা মার্কেটের মালিক আছাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‍“২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে নানাভাবে মার্কেট দখল করার চেষ্টা করেছেন আসাদুর জামান সনেট।

News অক্টোবর ২৬, ২০২৬ 0
পটুয়াখালীর বিহারে উদযাপন হচ্ছে প্রবারণা পূর্ণিমা

পটুয়াখালীর বিহারে উদযাপন হচ্ছে প্রবারণা পূর্ণিমা

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমেছে ১৬.১ ডিগ্রিতে, অনুভূত হচ্ছে শীত

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমেছে ১৬.১ ডিগ্রিতে, অনুভূত হচ্ছে শীত

খুলনায় জলিল মুন্সি হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

খুলনায় জলিল মুন্সি হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে কী করবেন
বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে কী করবেন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মানবিক মর্যাদার কথা বললেও অন্যদের ক্ষেত্রে তা মানতে নারাজ দলটি।

News অক্টোবর ২৬, ২০২৬ 0
৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!

৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!

সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে কমিটি গঠন

সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে কমিটি গঠন

সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

ঢাকার বাতাসের মান নিয়ে যা জানা গেল
ঢাকার বাতাসের মান নিয়ে যা জানা গেল

মেগাসিটি ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কমছে না। নগরায়ন ও যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর মানও থাকছে উদ্বেগজনক পর্যায়ে।

News অক্টোবর ২৬, ২০২৬ 0
সাজেকে চলছে পঞ্চম দিনের অবরোধ

সাজেকে চলছে পঞ্চম দিনের অবরোধ

পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা 

পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা 

সমাজ, বাবা-মা-বোন ও স্বস্তিকার ৪৫ পূজার গল্প

সমাজ, বাবা-মা-বোন ও স্বস্তিকার ৪৫ পূজার গল্প

0 Comments