জাতীয়

ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার

News সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ 0
ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার
ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার

সারাদিন ঘরের ভেতরেই কাটছে সময়। সকালে ঘুম থেকে উঠে জানালা খোলা, রান্নাঘরের ব্যস্ততা, ঘরে নতুন আসবাব যোগ করা কিংবা দীর্ঘ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে থাকা, সবকিছুতেই আমরা ঘরের পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিই। মেঝে পরিষ্কার করি, আসবাব মুছি, বিছানার চাদর বদলাই, ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে রাখি, কিন্তু ঘরের বাতাস কতটা পরিষ্কার, সেই প্রশ্নটি অনেক সময় আমাদের ভাবনাতেই আসে না।

রং,কাঠের আসবাব, কার্পেট, আঠা, বার্নিশ, পরিষ্কার করার বিভিন্ন উপকরণসহ ঘরের নানা জিনিস থেকে বাতাসে ছড়াতে পারে উদ্বায়ী জৈব যৌগ বা ভিওসি। এর মধ্যে ফরমালডিহাইডের মতো রাসায়নিকও থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অনেক উদ্বায়ী জৈব যৌগের মাত্রা বাইরের তুলনায় ঘরের ভেতরে বেশি থাকতে পারে এবং এসব যৌগের কিছু স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। শুধু রাসায়নিকই নয়, ঘরের বাতাসে থাকতে পারে ধুলা, পরাগকণা, ছত্রাকের স্পোর, ধূলিকীট ও অন্যান্য জৈব দূষকও।

ঘরের বাতাসে থাকতে পারে ধুলা, পরাগকণা, ছত্রাকের স্পোর, ধূলিকীট ও অন্যান্য জৈব দূষকও।

বিশেষ করে ঘরের কোনো জায়গা দীর্ঘদিন স্যাঁতসেঁতে থাকলে সেখানে ছত্রাক জন্মানোর আশঙ্কা বাড়ে। রান্না, গোসল কিংবা ঘরে কাপড় শুকানোর মতো দৈনন্দিন কাজেও ঘরের আর্দ্রতা বেড়ে যেতে পারে। পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না থাকলে এই আর্দ্র পরিবেশ ছত্রাক ও অন্যান্য জীবাণুর বৃদ্ধির অনুকূল হয়ে উঠতে পারে। এ কারণেই ঘরের সবুজ গাছ শুধু সৌন্দর্য বাড়ানোর উপাদান নয়, ঘরের পরিবেশ নিয়েও ভাবার একটি সুন্দর উপলক্ষ হতে পারে।

তেমনই একটি পরিচিত ইনডোর প্ল্যান্ট হলো স্পাইডার প্ল্যান্ট। আমরা অনেকেই জানিনা, ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার।স্পাইডার প্ল্যান্ট দেখতে খুব সাধারণ। লম্বা সরু সবুজ পাতা, পাতার মাঝখানে সাদা বা হালকা রঙের রেখা এবং দ্রুত নতুন চারা তৈরির স্বভাব এই গাছটিকে ঘর সাজানোর জন্য জনপ্রিয় করেছে। ঝুলন্ত টবেও এটি বেশ সুন্দর দেখায়। খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না বলে ছোট অ্যাপার্টমেন্ট, বারান্দা কিংবা কাজের টেবিলের পাশেও রাখা যায় এর যত্নও তুলনামূলক সহজ।

স্পাইডার প্ল্যান্ট দেখতে খুব সাধারণ। লম্বা সরু সবুজ পাতা, পাতার মাঝখানে সাদা বা হালকা রঙের রেখা ।

খুব তীব্র সরাসরি রোদ না পেলেও এটি অনেকটা মানিয়ে নিতে পারে। অতিরিক্ত পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং টবের মাটি শুকিয়ে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি দেওয়াই ভালো। অর্থাৎ যারা গাছ ভালোবাসেন কিন্তু নিয়মিত পরিচর্যার জন্য খুব বেশি সময় দিতে পারেন না, তাদের জন্যও এটি সহজ একটি পছন্দ।

সৌন্দর্যের বাইরে এই পরিচিত গাছটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য নিয়েও গবেষণা হয়েছে যেখানে দেখা গেছে বায়ু শোধনে এর আছে ভূমিকা। ঘরের বাতাসে থাকা কিছু রাসায়নিক শোষণে উদ্ভিদের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা নতুন নয়। নাসার ১৯৮০-এর দশকের গবেষণায় স্পাইডার প্ল্যান্টসহ বিভিন্ন ইনডোর উদ্ভিদকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরীক্ষা করা হয়েছিল। গবেষণায় ফরমালডিহাইড, বেঞ্জিন ও ট্রাইক্লোরোইথিলিনের মতো কিছু উদ্বায়ী রাসায়নিক কমানোর ক্ষেত্রে উদ্ভিদের সম্ভাবনা দেখা হয়। গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল শুধু গাছের পাতা নয়, গাছের শিকড়, মাটি এবং মাটির সঙ্গে থাকা অণুজীবের ভূমিকাও।

সৌন্দর্যের বাইরে এই পরিচিত গাছটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য নিয়েও গবেষণা হয়েছে যেখানে দেখা গেছে বায়ু শোধনে এর আছে ভূমিকা।

উদ্ভিদের পাতা বাতাস থেকে কিছু গ্যাসীয় পদার্থ গ্রহণ করতে পারে, আবার শিকড় ও মাটির অণুজীবও কিছু রাসায়নিক ভাঙতে ভূমিকা রাখতে পারে। নাসার গবেষণায় এই সম্মিলিত প্রক্রিয়াটিকে ঘরের বাতাসের কিছু দূষক কমানোর সম্ভাবনাময় পদ্ধতি হিসেবে দেখা হয়েছিল।  নাসার এই গবেষণাগুলো মূলত ছোট ও নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষাগারে করা হয়েছিল। বাস্তব একটি বাসা বা অফিসে একই মাত্রায় বাতাস পরিশোধন হবে, এমন নিশ্চয়তা গবেষণাগুলো দেয় না।

পরবর্তী সময়ে এই বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত নানা দাবি ছড়িয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো একটি নির্দিষ্ট আকারের ঘরে একটি গাছ ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ শতাংশ দূষণ সরিয়ে ফেলতে পারে। এমন নির্দিষ্ট দাবিকে বাস্তব ঘরের জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  স্পাইডার প্ল্যান্টকে ঘরের বাতাস পরিষ্কারের প্রধান ব্যবস্থা না ভেবে বরং একটি সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সহায়ক হিসেবে দেখা বেশি যুক্তিযুক্ত

একটি নির্দিষ্ট আকারের ঘরে একটি গাছ ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ শতাংশ দূষণ সরিয়ে ফেলতে পারে।

তাহলে ঘরে গাছ রাখার লাভ কী

ঘরে গাছ রাখার সবচেয়ে সহজ লাভটি চোখেই দেখা যায়। চারপাশে সবুজ থাকলে ঘর একটু প্রাণবন্ত লাগে। সাদা দেয়াল, কাঠের আসবাব আর কৃত্রিম সাজসজ্জার মাঝে একটি জীবন্ত গাছ ঘরের পরিবেশে আলাদা অনুভূতি তৈরি করে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার অভিজ্ঞতা। সকালে জানালার পাশে নতুন পাতা দেখা, কয়েক দিন পর টব থেকে ছোট চারা বের হতে দেখা কিংবা শুকিয়ে যাওয়া একটি পাতা যত্ন করে সরিয়ে দেওয়া, এসব ছোট অভ্যাসও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এক ধরনের প্রশান্তি আনতে পারে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় ঘরে বসে কাজ করেন, তাদের কর্মস্থলের পাশে একটি ছোট সবুজ গাছ ঘরের দৃশ্যটিকে বদলে দিতে পারে। তবে গাছ রাখার জায়গা নির্বাচন করার সময় আলো, বাতাস চলাচল ও পানির প্রয়োজনের বিষয়টি মাথায় রাখা দরকার

শুধু গাছ নয়, বাতাসের যত্নও জরুরি

ঘরের বাতাস ভালো রাখতে একটি স্পাইডার প্ল্যান্টের ওপর নির্ভর করাই যথেষ্ট নয়। বরং কয়েকটি অভ্যাস একসঙ্গে কাজে লাগানো বেশি কার্যকর। ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা জরুরি। রান্নার সময় চুলার ধোঁয়া ও বাষ্প বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকা ভালো। নতুন আসবাব, রং বা রাসায়নিকযুক্ত কোনো পণ্য ব্যবহারের পর ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা উচিত। পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থাও উদ্বায়ী জৈব যৌগের সংস্পর্শ কমাতে উৎস নিয়ন্ত্রণ ও পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের পরামর্শ দেয়।

ঘরের বাতাস ভালো রাখতে একটি স্পাইডার প্ল্যান্টের ওপর নির্ভর করাই যথেষ্ট নয়।

একইভাবে স্যাঁতসেঁতে জায়গা অবহেলা করা ঠিক নয়। দেয়ালে কালো বা সবুজ ছোপ দেখা দিলে শুধু গাছ এনে সমস্যাটি ঢেকে রাখার বদলে পানির উৎস বা আর্দ্রতার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। কারণ ছত্রাক নিয়ন্ত্রণের মূল বিষয় হলো আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা। ঘরের আর্দ্রতা খুব বেশি হলে ছত্রাক ও ধূলিকীটের বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বাড়ে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী জানালা খোলা, বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সঠিক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ

ঘরকে সুন্দর ও আরামদায়ক করে তোলার জন্য আমরা অনেক কিছুই করি। দামি আসবাব কিনি, দেয়ালে ছবি লাগাই, সুগন্ধি ব্যবহার করি, নতুন পর্দা বদলাই। সেই তালিকায় একটি ছোট সবুজ গাছ যোগ করা তাই নিছক সাজসজ্জা নয়।  স্পাইডার প্ল্যান্ট ঘরের বাতাসের সব দূষণ দূর করে দেবে, এমন দাবি করার সুযোগ নেই। কিন্তু প্রকৃতির সঙ্গে ঘরের একটি ছোট সংযোগ তৈরি করতে পারে এই গাছ।

ঘরের বাতাসকে সত্যিকার অর্থে ভালো রাখতে গাছের পাশাপাশি প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা

আর ঘরের বাতাসকে সত্যিকার অর্থে ভালো রাখতে গাছের পাশাপাশি প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল এবং দূষণের উৎস কমানোর অভ্যাস
সুস্থ ঘর তৈরি হয় একটি মাত্র উপাদানে নয়, বরং আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট সচেতনতা অভ্যাস থেকে। জানালার পাশে রাখা একটি সবুজ স্পাইডার প্ল্যান্ট সেই সচেতনতারই সুন্দর শুরু হতে পারে।

দ্যা কনভার্সেশন ডট কম

ছবি পেক্সেলস ডট কম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সপ্তাহের শেষ দিকে আর্থিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে কোন রাশির জাতকের
সপ্তাহের শেষ দিকে আর্থিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে কোন রাশির জাতকের

অধিকাংশ ক্ষেত্রে আপনিই আপনার ভাগ্যনিয়ন্ত্রক। গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব জীবনে ভূমিকা রাখলেও আপনার সিদ্ধান্ত ও কর্মই চূড়ান্ত পরিণতি নির্ধারণ করে। সাহস, ধৈর্য ও সঠিক মানসিকতা আপনাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। প্রতি শনিবার ‘এ সপ্তাহের রাশিফল’ লিখছেন জ্যোতিষী চিন্ময় বড়ুয়াএ সপ্তাহের রাশিফল (১৯-২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)মেষ রাশিমেষ রাশিসপ্তাহের শুরুতেই মনে হতে পারে, সবকিছু একসঙ্গে কেন আমার ঘাড়ে?পরিবার, বাড়িঘর কিংবা ব্যক্তিগত কোনো বিষয় আপনার ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে পারে। কথায়–কথায় উত্তেজিত হয়ে গেলে ছোট বিষয়ও বড় হয়ে উঠতে পারে। তবে ভালো খবর হলো, আটকে থাকা কোনো পারিবারিক বা সম্পত্তি–সংক্রান্ত বিষয়ে সমাধানের দরজা খুলতে পারে। কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু আপনি পিছিয়ে থাকার মানুষ নন। বরং চাপ যত বাড়বে, নিজের দক্ষতা দেখানোর সুযোগও তত বাড়বে। পুরোনো কোনো ঝামেলা এবার মিটিয়ে ফেলার সুযোগ আসতে পারে। অর্থের ক্ষেত্রে আয় থাকলেও হঠাৎ খরচ এসে বাজেটের হিসাব এলোমেলো করতে পারে। সপ্তাহের মাঝামাঝি দূরের কোনো খবর, ভ্রমণ বা নতুন কিছু শেখার সুযোগ মন ভালো করে দিতে পারে। শেষ দিকে কাজের ব্যস্ততা বাড়বে। নিজের রাগকে যদি একটু লাগাম দিতে পারেন, তাহলে সপ্তাহের শেষটা শুরুর থেকে অনেক বেশি স্বস্তির হবে।বৃষ রাশি বৃষ রাশি আপনার ভেতরের ‘কিছু একটা করি’ ভাবটা বেশ জোরালো হবে। নতুন পরিকল্পনা, নতুন যোগাযোগ কিংবা ছোট কোনো উদ্যোগ ভবিষ্যতে বড় কাজে লাগতে পারে। কাছের কারও সঙ্গে কথাবার্তায় সামান্য ভুল–বোঝাবুঝি হতে পারে, তাই মুখের কথাকে একটু মেপে ব্যবহার করুন। অর্থের দিক থেকে সময়টা বেশ আশাব্যঞ্জক। আয় বাড়ানোর চিন্তা যেমন মাথায় আসবে, তেমনি সঞ্চয়ের নতুন পথও খুঁজে পাবেন। কর্মক্ষেত্রে আপনার কাজ নজরে আসতে পারে, বিশেষ করে যে কাজটি এত দিন নীরবে করে যাচ্ছিলেন। পড়াশোনা বা নতুন দক্ষতা শেখার জন্যও সময়টি ভালো। সপ্তাহের শুরুতে মন কিছুটা অস্থির থাকলেও পরে পরিস্থিতি অনেক হালকা লাগবে। দূরের কোনো জায়গা থেকে খবর আসতে পারে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশি প্রশ্ন না করে একটু বেশি শুনুন। সপ্তাহের শেষ দিকে মনে হতে পারে, ‘আচ্ছা, ব্যাপারটা তো এত খারাপও ছিল না!’মিথুন রাশি মিথুন রাশিটাকাপয়সা আর পরিবার—এই দুই বিষয়ই সপ্তাহজুড়ে আপনার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। আয় নিয়ে ভালো খবর আসতে পারে, কিন্তু সেই টাকা ধরে রাখাটাই হবে আসল চ্যালেঞ্জ।পরিবারের কারও সঙ্গে সামান্য কথা–কাটাকাটি হলেও সেটি দ্রুত সামলে নেওয়া সম্ভব। এই সপ্তাহে আপনার কথার জোর অনেক বেশি থাকবে; কিন্তু মনে রাখবেন, কথার জোর আর কথার ধার এক জিনিস নয়! কর্মক্ষেত্রে বুদ্ধি ও যোগাযোগের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সুবিধা নিতে পারবেন। বাড়ি, সম্পত্তি কিংবা যানবাহন নিয়ে পরিকল্পনা এগোতে পারে। সপ্তাহের শুরুতে সম্পর্কের বিষয়গুলো আবেগপ্রবণ করে তুলতে পারে। পরে পরিস্থিতি কিছুটা অপ্রত্যাশিত মোড় নিতে পারে। ব্যবসায়ীরা নতুন চুক্তি বা অংশীদারত্বের আগে কাগজপত্র ভালোভাবে দেখে নিন। সপ্তাহের শেষ দিকে আর্থিক বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।কর্কট রাশিকর্কট রাশিনিজেকে নিয়ে নতুন করে ভাবার সপ্তাহ এটি। অনেক দিন ধরে যে কাজটি ‘পরে করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন, সেটি এবার শুরু করার ইচ্ছা জাগতে পারে। আত্মবিশ্বাস বাড়বে, তবে মেজাজটাও একটু চড়া থাকতে পারে। ফলে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে তর্ক করে পরে নিজেকেই বলতে হতে পারে, ‘এত রাগ করার কী ছিল!’পরিবারে আপনার সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বাড়ি, সম্পত্তি বা পারিবারিক কোনো বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব কিংবা নিজের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ আসবে। ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন যোগাযোগ বিশেষ কাজে লাগতে পারে।সপ্তাহের শুরুতে কাজের চাপ বেশি থাকলেও পরে সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত জীবনের দিকে মন যাবে। দাম্পত্য জীবনে জমে থাকা কথা বলার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। যাঁরা নতুন চাকরি বা কাজের সন্ধানে আছেন, তাঁরা আশাব্যঞ্জক কোনো খবর পেতে পারেন। শুধু একটি বিষয় মনে রাখুন, সবকিছু একদিনে বদলাতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই।সিংহ রাশি সিংহ রাশিএ সপ্তাহে আপনার পকেট একটু ‘চোখে চোখে’ রাখতে হবে! প্রয়োজনীয় খরচের পাশাপাশি হঠাৎ কিছু বাড়তি ব্যয় এসে হাজির হতে পারে। তাই বড় কেনাকাটা করার আগে দুবার ভাবুন। দূরের কোনো জায়গা, বিদেশ বা অনলাইন যোগাযোগ থেকে নতুন সুযোগের খবর আসতে পারে। নিজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য ভালো সময়। কর্মক্ষেত্রে পরিশ্রম করতে হবে, তবে সেই পরিশ্রম একেবারে পানিতে যাবে না।সপ্তাহের শুরুতে মন থাকবে সৃজনশীলতা কিংবা প্রিয় মানুষের দিকে। দায়িত্ব ও কাজের চাপ বাড়বে। পরিবারের কোনো বিষয়ে আপনার সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। যাঁরা নতুন কিছু শেখা বা ক্যারিয়ারে পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তাঁরা পরিকল্পনা সাজাতে পারেন। অর্থনৈতিক বিষয়ে অন্যের কথায় হুট করে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো। সপ্তাহের শেষ দিকে বুঝতে পারবেন, একটু আগে থেকে হিসাব করে চললে অনেক অপ্রয়োজনীয় ঝামেলাই এড়ানো যেত।কন্যা রাশি কন্যা রাশিএ সপ্তাহে আপনাকে দেখে মনে হতে পারে, পরিকল্পনা ছাড়া কিছুই করেন না! নিজের ভবিষ্যৎ, কাজ এবং ব্যক্তিগত লক্ষ্য নিয়ে বেশ পরিষ্কার চিন্তা আসবে। কথা বলার ক্ষমতা ও যুক্তি দিয়ে অন্যকে বোঝাতে পারবেন। কর্মক্ষেত্রে আপনার মতামত গুরুত্ব পেতে পারে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। অর্থের দিক থেকে লাভের সুযোগ তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে পরিচিতি বা যোগাযোগের মাধ্যমে। তবে বন্ধুত্ব আর টাকার হিসাব একসঙ্গে মেশালে পরে অস্বস্তি হতে পারে।সপ্তাহের শুরুতে বাড়ি ও পরিবারের বিষয়ে ব্যস্ততা থাকবে। মাঝামাঝি পড়াশোনা, সন্তান কিংবা ভালো লাগার কোনো কাজে মন বসবে। পরীক্ষার্থী ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সময়টি বেশ উপভোগ্য হতে পারে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বিশ্লেষণ না করাই ভালো; সব কথার গোপন অর্থ থাকে না! সপ্তাহের শেষ দিকে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং একটি পরিকল্পনাকে বাস্তবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ আসবে।তুলা রাশিতুলা রাশি কাজের জায়গায় এই সপ্তাহে আপনার নামটি একটু বেশি শোনা যেতে পারে। দায়িত্ব বাড়বে, সঙ্গে নিজের যোগ্যতা দেখানোর সুযোগও আসবে। তবে কাজের চাপের মধ্যে কারও সঙ্গে কথার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লে লাভ আপনার নয়। শান্ত থাকাই হবে আপনার সবচেয়ে বড় কৌশল। চাকরিতে নতুন দায়িত্ব বা পরিবর্তনের ইঙ্গিত থাকতে পারে। ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। অর্থের ক্ষেত্রে আয় থাকলেও খরচও কম হবে না। দূরের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে।সপ্তাহের শুরুতে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় বা যোগাযোগ বাড়বে। পরে পরিবার ও বাড়ির বিষয় সামনে আসবে। বাসস্থান পরিবর্তন, বাড়ি সাজানো বা সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। দাম্পত্য জীবনে কাজের চাপ যেন সম্পর্কের ওপর পড়ে না যায়। সপ্তাহের শেষ দিকে কর্মক্ষেত্রে এমন কোনো অগ্রগতি হতে পারে, যা আপনাকে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে আশাবাদী করবে।বৃশ্চিক রাশি বৃশ্চিক রাশিএ সপ্তাহে মনে হবে দিগন্তটা একটু বড় হয়ে গেছে। দূরযাত্রা, উচ্চশিক্ষা, নতুন প্রশিক্ষণ কিংবা নতুন কোনো অভিজ্ঞতার সুযোগ সামনে আসতে পারে। কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তি এমন একটি পরামর্শ দিতে পারেন, যা পরে বেশ কাজে লাগবে। কর্মক্ষেত্রেও যোগাযোগ বাড়বে। পরিচিত কারও মাধ্যমে নতুন সুযোগের দরজা খুলতে পারে। অর্থের দিক থেকে লাভের সম্ভাবনা থাকলেও বন্ধুত্বের কারণে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।সপ্তাহের শুরুতে পরিবার ও টাকাপয়সার বিষয় কিছুটা ব্যস্ত রাখবে। পরে নিজের উদ্যোগে নতুন কিছু শুরু করার ইচ্ছা বাড়বে। চাকরিপ্রার্থীরা নতুন খবর পেতে পারেন। ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রেম বা ব্যক্তিগত সম্পর্কে নিজের কথা বলার পাশাপাশি অন্য পক্ষের কথাটাও শুনুন। সব প্রশ্নের উত্তর সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না। ধীরে এগোলে সপ্তাহের শেষ দিকে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি হবে।ধনু রাশি ধনু রাশি এই সপ্তাহে সবকিছু যেন একটু রহস্যময়! কোনো বিষয় প্রথমে পরিষ্কার মনে না হলেও ধীরে ধীরে আসল চিত্র সামনে আসবে। অর্থনৈতিক বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকুন। ধার, ঋণ কিংবা অন্যের সঙ্গে যৌথভাবে টাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে হিসাব করে সিদ্ধান্ত নিন। কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব আসতে পারে এবং আপনার কাজ কর্তৃপক্ষের নজরে পড়বে। গবেষণা, গভীর পড়াশোনা বা কঠিন কোনো বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য সময়টি কার্যকর। ব্যক্তিগত জীবনে হঠাৎ কোনো পরিবর্তন ঘটলেও সেটি নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে দিতে পারে।সপ্তাহের শুরুতে নিজের ওপর বিশ্বাস বাড়বে। পরে পরিবার ও অর্থের বিষয় সামনে আসবে। বিদেশযাত্রা, উচ্চশিক্ষা বা চাকরির পরিকল্পনা থাকলে নতুন খবর আসতে পারে। তবে আবেগের মুহূর্তে বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত নেবেন না। সপ্তাহের শেষে মনে হতে পারে, কিছু দরজা বন্ধ হওয়াটাও আসলে নতুন দরজা খোলার প্রস্তুতি ছিল।মকর রাশিমকর রাশিসম্পর্কের সপ্তাহ বলা যায় এটিকে। দাম্পত্য, ব্যবসা কিংবা কাছের মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়ার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। ছোটখাটো মতের অমিল হতে পারে, কিন্তু সমস্যা সমাধানের সুযোগও থাকবে। শুধু নিজেকে প্রমাণ করার প্রতিযোগিতায় যাবেন না। ব্যবসায়ীরা অংশীদারের সঙ্গে টাকা ও দায়িত্বের বিষয় পরিষ্কার করে নিন। কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। নতুন দায়িত্বও আসতে পারে। পড়াশোনা, দূরযাত্রা কিংবা নতুন কিছু শেখার সুযোগ মনকে চাঙা করবে।সপ্তাহের শুরুতে একটু একা একা লাগতে পারে, কিন্তু পরে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে। অর্থের ক্ষেত্রে বড় সমস্যা না থাকলেও সম্পর্কের কারণে অতিরিক্ত খরচ হতে পারে। পরিবারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে আপনার ভূমিকা থাকবে। প্রিয় মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় পুরোনো হিসাব খুলে বসবেন না। সপ্তাহের শেষ দিকে একটি সম্পর্ক বা কাজের বিষয়ে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।কুম্ভ রাশি কুম্ভ রাশিকাজের চাপ, প্রতিযোগিতা আর দায়িত্ব—এই তিনটি শব্দ সপ্তাহজুড়ে আপনার সঙ্গী হতে পারে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই; বরং চাপের মধ্যেই নিজের দক্ষতা দেখানোর সুযোগ পাবেন।কর্মক্ষেত্রে পুরোনো কোনো সমস্যা মিটে যেতে পারে। সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হলে সেটিকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিয়ে যাবেন না। অর্থের ক্ষেত্রে ঋণ বা বাড়তি খরচের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।সপ্তাহের শুরুতে আয় বা লাভের কোনো খবর মন ভালো করতে পারে। পরে খরচের চাপ বাড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বা আর্থিক তথ্য যাচাই করে রাখুন। নিজের দৈনন্দিন রুটিনও একটু গুছিয়ে নেওয়া দরকার। যাঁরা চাকরি খুঁজছেন, পরিচিত কারও কাছ থেকে সুযোগের খবর পেতে পারেন। সপ্তাহের মাঝামাঝি ব্যস্ততা বাড়লেও শেষ দিকে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মনে রাখবেন, সব যুদ্ধ জিততে দৌড়াতে হয় না, কখনো ঠান্ডা মাথায় দাঁড়িয়ে থাকাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।মীন রাশি মীন রাশিএই সপ্তাহে আপনার মনটা একটু বেশি সৃষ্টিশীল থাকবে। পড়াশোনা, লেখা, শিল্প, সন্তান কিংবা ভালো লাগার কোনো কাজে আনন্দ খুঁজে পাবেন। যাঁরা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের জন্য মনোযোগ ধরে রাখার সময়। সম্পর্কেও উষ্ণতা বাড়তে পারে, তবে অতিরিক্ত আবেগ থেকে ছোটখাটো ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ব্যবসায়ীরা নতুন গ্রাহক বা সহযোগীর সন্ধান পেতে পারেন।সপ্তাহের শুরুতে কাজের ব্যস্ততা থাকবে, পরে আয় ও লাভের দিকটি বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। পরিচিত কোনো মানুষ ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিতে পারেন। তবে অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু ভালো লাগছে বলেই সিদ্ধান্ত নেবেন না, হিসাবটাও দেখুন। পরিবারের সহযোগিতা পাবেন। সপ্তাহের শেষ দিকে নিজের কোনো প্রতিভা বা দক্ষতা নিয়ে এমন একটি সুযোগ আসতে পারে, যা আপনাকে বলতে বাধ্য করবে, এটাই তো করতে চেয়েছিলাম!পুরোনো অভিমানকে টেনে এনে বর্তমানকে ভারী করবেন না

News সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ 0
ভিডিও গেম খেলুন, নয়তো বোকা থাকুন: ইলন মাস্ক

ভিডিও গেম খেলুন, নয়তো বোকা থাকুন: ইলন মাস্ক

জলবায়ু পরিবর্তন, জেন্ডার সমতা: নারী ও কিশোরীর সক্ষমতা 

জলবায়ু পরিবর্তন, জেন্ডার সমতা: নারী ও কিশোরীর সক্ষমতা 

সৌদি যুবরাজকে আবারও কেন হতাশ করলেন ট্রাম্প

সৌদি যুবরাজকে আবারও কেন হতাশ করলেন ট্রাম্প

চেনা শোলাঙ্কির অচেনা স্টাইল,লেদার লুকে আবেদন ছড়ালেন বং সুন্দরী
চেনা শোলাঙ্কির অচেনা স্টাইল,লেদার লুকে আবেদন ছড়ালেন বং সুন্দরী

চেনা শোলাঙ্কির অচেনা স্টাইল, লেদার লুকে আবেদন কাড়লেন বং সুন্দরীপর্দায় যাঁকে বেশির ভাগ সময় মিষ্টি ঘরোয়া সাজে দেখা যায়, সেই শোলাঙ্কিই এবার বেছে নিয়েছেন একেবারে বিপরীত মেরুর স্টাইল। কালো লেদারের সাজে অভিনেত্রী ধরা দিয়েছেন ভিন্ন এক আমেজে।পশ্চিমবঙ্গের এই সুন্দরী অভিনেত্রীকে অনেকেই চেনেন টেলিভিশন সিরিয়ালে অভিনয়ের মাধ্যমে। ওয়েব সিরিজ ও চলচ্চিত্রেও এখন পরিচিত মুখ তিনি। মিষ্টি হাসি আর অভিনব ফ্যাশনের মেলবন্ধনে শোলাঙ্কি রায় যেন হয়ে উঠেছেন সবার ‘বং ক্রাশ’। পর্দায় যাকে বেশির ভাগ সময় মিষ্টি ঘরোয়া সাজে দেখা যায়,  সেই শোলাঙ্কিই এবার বেছে নিয়েছেন একেবারে বিপরীত মেরুর স্টাইল। কালো লেদারের সাজে ধরা দিয়েছেন একেবারে অন্য আমেজে।পুরো লুকের কেন্দ্রে আছে গ্লসি ব্ল্যাক লেদারের কো-অর্ড সেট। ডিপ ভি-নেকের স্লিভলেস ক্রপ টপের সঙ্গে জুটি হয়েছে হাই-ওয়েস্ট স্কার্ট। কালো পোশাকের একঘেয়েমি ভেঙেছে  অলংকার। গলায় মাল্টি-লেয়ার চেইন নেকলেস, হাতে কাফ ব্রেসলেট আর পায়ে কালো পয়েন্টেড হিল।খোলা চুল রেখেছেন। মেকআপেও উষ্ণতার ছোঁয়া—মিনিমাল বেসের সঙ্গে উইংড আইলাইনার আর ব্রিক-রেড লিপ। সব মিলিয়ে চেনা শোলাঙ্কির বাইরে এই সাজে ফুটে উঠেছে তাঁর অন্য এক ফ্যাশন সত্তা। ছবিগুলোর প্রতিটি ফ্রেমও তাই আলাদা করে নজর কেড়েছে।চাইলে আপনিও এমন লুক নিতে পারেন। তবে ঢাকার আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে পুরো লেদার সেটের বদলে লেদার স্কার্ট বা প্যান্টের সঙ্গে সুতি কিংবা সিল্কের টপ বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। রঙের ক্ষেত্রে কালো যেমন নিরাপদ, তেমনি ডিপ ব্রাউন বা অলিভেও লুকে আসতে পারে আলাদা মাত্রা। অলংকারে বেশি কিছু নয়, শোলাঙ্কির মতো একটি সিলভার কাফ বা চেইনই যথেষ্ট লুকে আলাদা মাত্রা যোগ করতে।ছবি: শোলাঙ্কি রায়ের ইনস্টাগ্রাম থেকে

News সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ 0
স্ত্রী চেয়েছিলেন ব্যবসায়ে সততা, ঘানির ভেজালমুক্ত তেল বিক্রি করে সচ্ছলতার সঙ্গে লস্কর পেয়েছেন সম্মাননাও

স্ত্রী চেয়েছিলেন ব্যবসায়ে সততা, ঘানির ভেজালমুক্ত তেল বিক্রি করে সচ্ছলতার সঙ্গে লস্কর পেয়েছেন সম্মাননাও

ভালো গল্পও হতে হবে, ভিউও হতে হবে

ভালো গল্পও হতে হবে, ভিউও হতে হবে

জুতা সেলাইয়ের ফাঁকে পত্রিকা পড়েন অনন্ত

জুতা সেলাইয়ের ফাঁকে পত্রিকা পড়েন অনন্ত

ভয়ংকর!
ভয়ংকর!

জঙ্গলের ভাষা না-জানা প্রাণীদেরসভ্যতা প্রথম প্রথম নাম দেয়—মুশকিল অথবা বিপদযারা গর্জনের ভাষা বুঝতে সক্ষমআদতে তারা প্রাণীদের জন্য খুলে দেয় খাঁচার দরজা।যাদের ঘিরে তৈরি হয় লৌহ ব্যাসার্ধকিংবা কাঁটাযুক্ত বোবা কালা বেড়াসভ্যতার একটা শ্রেণি একে বলে কৌতূহলী-শিক্ষাএরপর খাঁচার ভেতরে বন্দী করা হয় প্রাণীটিশিশু থেকে বয়স্করা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে—কী আশ্চর্য সুন্দর...অথচ খাঁচার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা প্রাণীটি ভাবে—বনের বাইরেও কিছু প্রাণী বাস করেআত্মস্বীকৃতিতে নিজেকে মানুষ দাবি করে—অথচ তারাই সবচেয়ে ভয়ংকর জন্তু!

News সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ 0
শাপলা: শৈশবের সোনালি স্মৃতি

শাপলা: শৈশবের সোনালি স্মৃতি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ম্যারাডোনা, প্রকাশ পেল ৩৭ বছর আগের ছবি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ম্যারাডোনা, প্রকাশ পেল ৩৭ বছর আগের ছবি

মোবাইলে ‘সুপার অ্যাপ’ ম্যাক্স, রুশদের ফোনের ‘গোপন প্রবেশদ্বার’

মোবাইলে ‘সুপার অ্যাপ’ ম্যাক্স, রুশদের ফোনের ‘গোপন প্রবেশদ্বার’

0 Comments