জাতীয়

ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন অনলাইনে

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন অনলাইনে
ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন অনলাইনে

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই বিবিএ/এমবিএ অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

এক নজরে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

তথ্যের ধরন বিবরণ
প্রতিষ্ঠানের নাম ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি
পদের নাম গ্লোবাল ব্র্যান্ড ম্যানেজার
পদসংখ্যা ১ জন
চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ
শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবিএ/এমবিএ অথবা স্নাতকোত্তর (মার্কেটিং)
অভিজ্ঞতা ৫ বছর
বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে
বয়সসীমা ২৮-৩৮ বছর
সূত্র বিডিজবস ডটকম

আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • আবেদন শুরু: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
  • কর্মস্থল: ঢাকা জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

এমআইএইচ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
১৪টি পুরস্কার জিতে ‘উইডোজ বে’র বাজিমাত, এবার এমি জিতলেন যারা
১৪টি পুরস্কার জিতে ‘উইডোজ বে’র বাজিমাত, এবার এমি জিতলেন যারা

৭৮তম এমি অ্যাওয়ার্ডসে বাজিমাত করেছে অ্যাপল টিভির নতুন ধারাবাহিক (ড্রামা সিরিজ) ‘উইডোজ বে’। এবারের আসরে মোট ১৯টি মনোনয়ন থেকে ১৪টি পুরস্কার জিতে সবচেয়ে সফল ধারাবাহিকের জায়গা দখল করেছে এটি। হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিক বিভাগে সেরা হওয়ার পাশাপাশি অভিনয়, পরিচালনা ও চিত্রনাট্যসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পুরস্কারও পেয়েছে ধারাবাহিকটি। ‘উইডোজ বে’র হয়ে সেরা হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকের পুরস্কার জেতার পাশাপাশি প্রধান অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ম্যাথিউ রিস। সীমিত বা সংকলনধর্মী ধারাবাহিক বিভাগেও ‘দ্য বিস্ট ইন মি’র জন্য প্রধান অভিনেতার পুরস্কার জিতে একই আসরে দুই বিভাগে পুরস্কার জয়ের ইতিহাস গড়েছেন তিনি। এদিকে এইচবিওর চিকিৎসাবিষয়ক নাট্যধারাবাহিক ‘দ্য পিট’ পেয়েছে সাতটি পুরস্কার। সর্বোচ্চ ২৫টি মনোনয়ন পাওয়া ধারাবাহিকটিই নাট্যধারাবাহিক বিভাগে সেরা হয়েছে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো প্রধান অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন নোয়া ওয়াইলি। সীমিত বা সংকলনধর্মী ধারাবাহিক বিভাগে সাতটি পুরস্কার জিতে ‘ডিটিএফ সেন্ট লুইস’ও দারুণ সাফল্য পেয়েছে। এ ধারাবাহিকের জন্য পার্শ্ব অভিনেতা ডেভিড হারবার ও পার্শ্ব অভিনেত্রী লিন্ডা কার্ডেলিনিও পুরস্কার পেয়েছেন। এবারের এমি অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেছেন ‘ল অ্যান্ড অর্ডার: এসভিইউ’খ্যাত মারিসকা হারগিটে। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল রসিকতা, সংগীত পরিবেশনা এবং দ্রুত পোশাক পরিবর্তনের আয়োজন। এমনকি টেলর সুইফটকেও একটি ‘এসভিইউ’ ঘরানার মজার পরিবেশনায় দেখা গেছে। ৭৮তম এমি অ্যাওয়ার্ডসের পূর্ণ বিজয়ী তালিকা-ধারাবাহিক নাটক‘দ্য পিট’ - এইচবিও ম্যাক্স হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিক‘উইডোজ বে’ - অ্যাপল টিভি সীমিত বা সংকলনধর্মী ধারাবাহিক‘ডিটিএফ সেন্ট লুইস’ - এইচবিও ম্যাক্স বাস্তব প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান‘দ্য ট্রেইটর্স’ - পিকক সেরা বৈচিত্র্যধর্মী অনুষ্ঠান‘দ্য লেট শো উইথ স্টিফেন কলবার্ট’ - সিবিএস ধারাবাহিক নাটকে সেরা প্রধান অভিনেতানোয়া ওয়াইলি - ‘দ্য পিট’ ধারাবাহিক নাটকে সেরা প্রধান অভিনেত্রীরিয়া সিহর্ন - ‘প্লুরিবাস’ হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকে সেরা প্রধান অভিনেতাম্যাথিউ রিস - ‘উইডোজ বে’ হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকে সেরা প্রধান অভিনেত্রীজিন স্মার্ট - ‘হ্যাকস’ সীমিত বা সংকলনধর্মী ধারাবাহিকে সেরা প্রধান অভিনেত্রীস্যালি ফিল্ড - ‘রিমার্কেবলি ব্রাইট ক্রিয়েচার্স’ সীমিত বা সংকলনধর্মী ধারাবাহিকে সেরা প্রধান অভিনেতাম্যাথিউ রিস - ‘দ্য বিস্ট ইন মি’ হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেতাস্টিফেন রুট - ‘উইডোজ বে’ ধারাবাহিক নাটকে সেরা পার্শ্ব অভিনেতাটম পেলফ্রি - ‘টাস্ক’ হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীকেট ও’ফ্লিন - ‘উইডোজ বে’ ধারাবাহিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীঅ্যালিসন জ্যানি - ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকের সেরা পরিচালকহিরো মুরাই - ‘উইডোজ বে’ নাট্যধারাবাহিকের সেরা পরিচালকসাউল মেটজস্টেইন - ‘স্লো হর্সেস’ হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকের সেরা চিত্রনাট্যকেটি ডিপোল্ড - ‘উইডোজ বে’ নাট্যধারাবাহিকের সেরা চিত্রনাট্যভিন্স গিলিগান - ‘প্লুরিবাস’   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান চট্টগ্রামের এসপি

অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান চট্টগ্রামের এসপি

এমপি রুমিনকে নিয়ে ডিএজির মন্তব্য ব্যক্তিগত, ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই

এমপি রুমিনকে নিয়ে ডিএজির মন্তব্য ব্যক্তিগত, ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই

চট্টগ্রামে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪৬

চট্টগ্রামে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪৬

বাবা জানতেও পারেননি ছেলে প্রধানমন্ত্রী, অ্যান্ডির পিতৃবিয়োগ
বাবা জানতেও পারেননি ছেলে প্রধানমন্ত্রী, অ্যান্ডির পিতৃবিয়োগ

কিছু অর্জন ব্যক্তিগত থাকে না, হয়ে ওঠে পুরো পরিবারের। কিন্তু সেই অর্জনের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তে যদি পাশে না থাকেন বাবা, তখন আনন্দের সঙ্গে মিশে যায় এক গভীর শূন্যতা। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের জীবনে এমনই এক আবেগঘন অধ্যায়। দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক দায়িত্বে আসার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে তিনি হারালেন তার বাবা রয় বার্নহ্যামকে। দীর্ঘদিন স্মৃতিভ্রংশজনিত রোগে ভুগছিলেন রয়। এমনকি ছেলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন- শেষ সময়ে সেই খবরটিও তিনি আর বুঝতে পারেননি। বাবার মৃত্যুর খবর আসে ১৪ সেপ্টেম্বর। এরপর ব্যক্তিগত শোকের কারণে দুই দিনের জন্য সরকারি প্রকাশ্য কর্মসূচি থেকে নিজেকে বিরত রাখেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক এবং মঙ্গলবার ব্রাইটনে শ্রমিক সংগঠনগুলোর বার্ষিক সম্মেলনে তার বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। দুটিই বাতিল করা হয়। রয় বার্নহ্যাম ছিলেন পেশায় দূরভাষ প্রকৌশলী। স্ত্রী আইলিনকে নিয়ে ইংল্যান্ডের চেশায়ারের কালচেথে তিন ছেলেকে বড় করেছেন তিনি। ছেলের স্মৃতিচারণে উঠে এসেছে এমন এক পরিবারের ছবি, যেখানে হাসি, ভালোবাসা ও উৎসাহ ছিল প্রতিদিনের সঙ্গী। অ্যান্ডির রাজনৈতিক জীবনে বাবার প্রভাবও ছিল গভীর। বাবার অসুস্থতা এবং তার দেখভালের অভিজ্ঞতা থেকেই সমাজের বয়স্ক ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পরিচর্যা ব্যবস্থা সংস্কারের প্রতি অ্যান্ডির আগ্রহ আরও দৃঢ় হয়। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি বারবার বলেছেন, নিজের পরিবারের অভিজ্ঞতা তাকে এই বিষয়ে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। তবে অ্যান্ডির জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয়গুলোর একটি ছিল- ছেলের এত বড় অর্জনের খবর বাবাকে জানাতে না পারা। স্মৃতিভ্রংশজনিত রোগের কারণে রয় বুঝতে পারেননি, তার ছেলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তবু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের সেই দিন বাবাকে একেবারে দূরে রাখা হয়নি। পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকা রয়কে কর্মীরা টেলিভিশনে ছেলের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে প্রবেশের দৃশ্য দেখিয়েছিলেন। অ্যান্ডি পরে সেই মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়েছিলেন। পরিচর্যাকারীদের উদ্যোগে তৈরি সেই ছোট্ট মুহূর্তটি তার কাছে হয়ে উঠেছিল অসাধারণ এক স্মৃতি। বাবার অসুস্থতা অ্যান্ডির কাছে শুধু পারিবারিক কষ্ট ছিল না; তা তার রাজনৈতিক চিন্তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছিল। পরিচর্যা ব্যবস্থার সংস্কারের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে তিনি নিজের বাবার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে বাবার দেখভাল করা কর্মীদের দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতারও প্রশংসা করেছেন। আরও পড়ুন সুইডেনে এগিয়ে মধ্য-বাম জোট, সরকার গঠন নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা অ্যান্ডির শৈশবও ছিল পরিবারের ঘনিষ্ঠতার গল্পে ভরা। বাবা-মা নিজেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ না পেলেও সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। তাদের সীমিত সুযোগ যেন সন্তানদের জন্য আরও বড় সম্ভাবনার দরজা খুলে দেওয়ার স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করেছিল। রাজনীতির বাইরে রয় ছিলেন তার ছেলের কাছে একজন স্নেহশীল বাবা। আর রাজনীতিতে অ্যান্ডি যত ওপরে উঠেছেন, ততই বাবার জীবনের শিক্ষা ও পারিবারিক অভিজ্ঞতা তার ভাবনায় ফিরে এসেছে। রয়ের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকেও এসেছে শোকবার্তা। ভিন্ন রাজনৈতিক মতের নেতারাও অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। কারণ রাজনৈতিক মতপার্থক্যের বাইরে বাবা হারানোর বেদনা সবার কাছেই মানবিক এক অনুভূতি। একজন বাবা হয়তো জীবনের শেষ সময়ে বুঝতে পারেননি, তার ছেলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু ছেলের সেই অর্জনের পেছনে তার ভালোবাসা, উৎসাহ ও পারিবারিক শিক্ষার যে বড় ভূমিকা ছিল, সেটি অ্যান্ডি বার্নহ্যামের স্মৃতিতে থেকে যাবে। তাই রয় বার্নহ্যামের বিদায় শুধু একজন প্রবীণ বাবার মৃত্যু নয়। এটি এমন এক মানুষের বিদায়, যার জীবনের গল্প নীরবে প্রভাব ফেলেছে যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন, রাজনৈতিক চিন্তা এবং সমাজের মানুষের জন্য তার স্বপ্নে। বাবার শূন্যতা হয়তো কোনো অর্জন দিয়ে পূরণ হওয়ার নয়; তবে তার রেখে যাওয়া মূল্যবোধই হয়ে থাকবে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্তরাধিকার। এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ভাঙছে যুক্তরাজ্য! ওয়েলস-স্কটল্যান্ড-নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের চুক্তি

ভাঙছে যুক্তরাজ্য! ওয়েলস-স্কটল্যান্ড-নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের চুক্তি

লালমাটিয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য আজিজুল হককে ধরে পুলিশে দিল ছাত্রদল

লালমাটিয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য আজিজুল হককে ধরে পুলিশে দিল ছাত্রদল

সুসং দুর্গাপুরের গহিন অরণ্যে একদিন

সুসং দুর্গাপুরের গহিন অরণ্যে একদিন

নামজারিতে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি, ২০ হাজারে সমঝোতা
নামজারিতে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি, ২০ হাজারে সমঝোতা

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি করতে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে এক ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। চারটি নামজারির জন্য প্রথমে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হলেও, পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে ২০ হাজার টাকায় সমঝোতার অভিযোগ করেছেন মহিউদ্দিন খন্দকার নামের এক সেবাপ্রত্যাশী। অভিযোগকারীর দাবি, সমঝোতার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তার হাতে প্রথম কিস্তিতে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার একটি ভিডিও ধারণ করা হয়। ভিডিওতে টাকা নেওয়া ও গোনার দৃশ্যসহ অতিরিক্ত অর্থের বিষয়ে কথোপকথন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। মহিউদ্দিন খন্দকার জানান, গত ২০ মে ২০২৬ ভূমি মেলার সময় ছয়টি দলিলের নামজারির জন্য তিনি রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সোবাহানের কাছে যান। এ সময় তার কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে দর-কষাকষির একপর্যায়ে দুটি দলিল বাদ দিয়ে চারটি নামজারির জন্য ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রথমে ১০ হাজার টাকা দেন। বাকি ১০ হাজার টাকা নামজারির কাজ শেষ হওয়ার পর দেওয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চারটি আবেদনের মধ্যে মাত্র একটি নামজারি সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি মহিউদ্দিনের। বাকি আবেদনগুলো নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ তোলেন। প্রতিবেদকের হাতে থাকা ভিডিওতে দেখা যায়, রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সোবাহানের হাতে নগদ টাকা তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরে ওই ব্যক্তি টাকা গুনে নিজের কাছে রাখছেন। ভিডিওতে নামজারি ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথনও রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, একটি নামজারির নির্ধারিত ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা। সে হিসাবে চারটি নামজারির সরকারি ফি ৪ হাজার ৬৮০ টাকা। সেখানে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে ঘুষ বা অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সোবাহান। তিনি বলেন, মহিউদ্দিন খন্দকার তার কাছে আসেননি এবং সংশ্লিষ্ট কোনো কাগজপত্রও তার কাছে জমা দেওয়া হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন। এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সোবাহান কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ না হওয়ায় তার আইডি ডিঅ্যাক্টিভ করা রয়েছে। তবে তিনি মাঝেমধ্যে উপজেলা ভূমি অফিসে কাজ করেন।’ ইউএনও আরও বলেন, ‘ভিডিওটি আমি দেখেছি। ইতোমধ্যে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হবে।’ মাহমুদ হাসান রায়হান/কেজে/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সমকামী সহিংসতা প্রতিরোধে ৩৭৭ ধারা কার্য‌কর করতে হবে

সমকামী সহিংসতা প্রতিরোধে ৩৭৭ ধারা কার্য‌কর করতে হবে

পত্রিকায় ফিচার কনটেন্ট লেখার কৌশল জানুন

পত্রিকায় ফিচার কনটেন্ট লেখার কৌশল জানুন

ইউপি ভোটের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে কিছু জানে না সরকার

ইউপি ভোটের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে কিছু জানে না সরকার

0 Comments