জাতীয়

বই পড়লে স্মৃতিশক্তি বাড়ার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও সুরক্ষা হয়

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
বই পড়লে স্মৃতিশক্তি বাড়ার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও সুরক্ষা হয়
বই পড়লে স্মৃতিশক্তি বাড়ার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও সুরক্ষা হয়

মনের খোরাক জোগাতে এবং মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে বই পড়ার অভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত বই পড়লে স্মৃতিশক্তি বাড়ার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। তবে আধুনিক যুগে মানুষের বই পড়ার অভ্যাস আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। বই পড়লে মস্তিষ্কের ব্যায়ামও হয়। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির গবেষক বারবারা সাহাকিয়ান ও তাঁর দল পাঁচটি জরিপ এবং আটটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটার বা ধূসর পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। এর ফলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হয়। কগনিটিভ রিজার্ভ বা বুদ্ধিবৃত্তিক সঞ্চয় বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে শৈশবে যারা আনন্দের জন্য বই পড়া শুরু করে, তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণের অংশগুলো বেশি পরিপক্ব হয়। বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির প্রেক্ষাপটে এ অভ্যাস বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বই পড়লে মানসিক চাপ কমে এবং একা থাকার অনুভূতি দূর হয়। বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিয়মিত বই পড়া ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। কল্পকাহিনির বই মানুষকে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ঘটনার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে।

নেদারল্যান্ডসের ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউটের গবেষক ফক হুয়েটিগ জানিয়েছেন, বই পড়া মস্তিষ্কের একধরনের ব্যায়াম। মূল বিষয়টি হলো আনন্দের জন্য পড়া, যাতে মানুষ ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময় ধরে পড়তে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করার কারণে মানুষ এখন বইপড়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য ও মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতে তাই পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনা জরুরি।

সূত্র: নিউ সায়েন্টিস্ট

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রেফতার
৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রেফতার

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ‌‘জুলাই যোদ্ধাকে’ গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়। এরআগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিতুলিয়াপাড়ার আজাহার আলীর ছেলে জুলাই যোদ্ধা হাছান আলী (৩৭) এবং একই উপজেলার শালদাইর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে ও গোবিন্দাসী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য জুলাই যোদ্ধা মাহমুদুল হাসান (৩৪)। তারা দুজনই উপজেলা আহত জুলাই যোদ্ধা সমিতির নেতা। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫০ পিস করে মোট ৩০০ পিস ইয়াবা জব্দ করে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক রাইজ উদ্দিন বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুই জুলাই যোদ্ধাকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, এসব ইয়াবা তারা গাবসারা থেকে নিয়ে এসে এলেঙ্গাতে বিক্রির জন্য ক্রেতার অপেক্ষায় ছিলেন।’ এ বিষয়ে জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল আজিম জাগো নিউজকে বলেন, এ ঘটনায় রাতে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর বুধবার দুপুরে তাদের টাঙ্গাইল আদালতে পাঠনো হয়। আব্দুল্লাহ আল নোমান/এসআর/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ঋণমানের পূর্বাভাস বাড়ায় আস্থা ফিরবে, তবে সংস্কারও এগিয়ে নিতে হবে

ঋণমানের পূর্বাভাস বাড়ায় আস্থা ফিরবে, তবে সংস্কারও এগিয়ে নিতে হবে

মান যাচাই করে হেলমেট কিনছেন তো, আমদানির সাড়ে ২৪ শতাংশ নিরাপত্তা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ

মান যাচাই করে হেলমেট কিনছেন তো, আমদানির সাড়ে ২৪ শতাংশ নিরাপত্তা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ

পুরো বিল্ডিংয়ের ইট পাথর পর্যন্ত ঘুস খায়: মাহবুব কবীর মিলন

পুরো বিল্ডিংয়ের ইট পাথর পর্যন্ত ঘুস খায়: মাহবুব কবীর মিলন

চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৫৮৭
চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৫৮৭

চট্টগ্রামে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে ২১৩ জনকে। একই সময়ে ৫১টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানের বিষয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি ক্লোজড চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, মাদক মামলায় ১৪৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদক বহনকারী দুজন ও মাদকসেবী ১৪৫ জন। এ ছাড়া নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৬৬ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের সংখ্যা ২১৩ জন। এ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড করা হয়েছে ৩২ হাজার ২০০ টাকা। আরও পড়ুন এলএনজিতে ভর করে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে অভিযানে ৩ হাজার ২৬২ পিস ইয়াবা, ৩০১ লিটার চোলাই মদ, ৫৮ কেজি ৪৯২ গ্রাম গাঁজা, ১৫৬ বোতল বিদেশি মদ, ৩০ ক্যান বিয়ার, ৪৫ বোতল সিরাপ ও ১৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া, নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৩৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত মামলায় ১২০ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৭৩ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৪৫ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পাঁচজন, ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৩৬ জন, পরোয়ানামূলে ১৪০ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ২১ জন রয়েছেন। জনস্বার্থে মাদকবিরোধী এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এমআরএএইচ/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
কর্ণফুলী গ্রুপে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি, আবেদন অনলাইনে

কর্ণফুলী গ্রুপে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি, আবেদন অনলাইনে

ঢাবিতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ

ঢাবিতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ

বিষে ভেসে উঠলো মরা মাছ, খামারির ৩ লাখ টাকা ক্ষতি

বিষে ভেসে উঠলো মরা মাছ, খামারির ৩ লাখ টাকা ক্ষতি

বাংলাদেশ ব্যাংকে চুক্তিভিত্তিক চাকরি, পিএইচডি ডিগ্রিসহ যে যে যোগ্যতায় আবেদন
বাংলাদেশ ব্যাংকে চুক্তিভিত্তিক চাকরি, পিএইচডি ডিগ্রিসহ যে যে যোগ্যতায় আবেদন

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রধান অর্থনীতিবিদ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৬।চাকরির বিবরণপদের নাম: প্রধান অর্থনীতিবিদপদসংখ্যা: ১শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাঅর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি থাকতে হবে। প্রয়োগমূলক সামষ্টিক অর্থনীতিবিদ হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের কর্ম–অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুপক্ষীয় বা উন্নয়ন ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অথবা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক বিশ্লেষণ এবং নীতি প্রণয়নে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।বিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য বেতন ও সুযোগ-সুবিধাবাজারভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।নিয়োগের মেয়াদ৩ বছর।আবেদনের নিয়মআগ্রহী প্রার্থীদের সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার একটি কভার লেটার এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্ম–অভিজ্ঞতা ও সংশ্লিষ্ট দক্ষতার বিস্তারিত উল্লেখ করে সিভি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।আবেদনের ঠিকানা: পরিচালক (এইচআরডি-১), মানবসম্পদ বিভাগ-১, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা-১০০০।ই-মেইলেও আবেদন করা যাবে: gm.hrd@bb.org.bdসমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেআবেদনের শেষ তারিখ১১ অক্টোবর ২০২৬।বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায়।

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
রাজশাহীতে মিনারেল ওয়াটার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ১০ হাজার টাকা

রাজশাহীতে মিনারেল ওয়াটার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ১০ হাজার টাকা

আ’লীগ পালাবার জায়গা পেয়েছে, আপনাদের পাশে কেউ থাকবে না

আ’লীগ পালাবার জায়গা পেয়েছে, আপনাদের পাশে কেউ থাকবে না

মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

0 Comments