জাতীয়

বেটিং তদন্তে ফোন জব্দ, রিজওয়ান গেলেন আইসিসিতে—পাকিস্তান ক্রিকেটে হচ্ছেটা কী

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
বেটিং তদন্তে ফোন জব্দ, রিজওয়ান গেলেন আইসিসিতে—পাকিস্তান ক্রিকেটে হচ্ছেটা কী
বেটিং তদন্তে ফোন জব্দ, রিজওয়ান গেলেন আইসিসিতে—পাকিস্তান ক্রিকেটে হচ্ছেটা কী

মোহাম্মদ রিজওয়ানের মুঠোফোন এখনো তাঁর কাছে নেই। ইংল্যান্ড সফরের সময় পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (এনসিসিআইএ) এজেন্সি তাঁর ফোনটি জব্দ করে। পরে সেটি পাকিস্তানে নিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। ফোন জব্দের প্রক্রিয়া ও এনসিসিআইএর নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু লাহোর হাইকোর্ট গতকাল বৃহস্পতিবার রিজওয়ানের আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর রিজওয়ান গেছেন আইসিসিতে।

কেন নেওয়া হয়েছিল ফোন

ঘটনার সূত্রপাত পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফরকে ঘিরে। টেস্ট সিরিজ চলাকালে পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমের কিছু তথ্য বাইরে চলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই বিষয়ে তদন্তে নামে পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)।

তদন্তের অংশ হিসেবে রিজওয়ান ও পাকিস্তানের টেস্ট ওপেনার ইমাম-উল-হককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। চলতি মাসের শুরুতে লাহোরের কার্যালয়ে হাজির হতে হয় দুজনকে। জিও নিউজ খবর দিয়েছে, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাঁদের প্রশ্ন করা হয়। ইংল্যান্ডে অনুশীলন ও ম্যাচের সময় তাঁরা কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, কার সঙ্গে দেখা করেছেন—এসব বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।

শুধু ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁস

না। এনসিসিআইএ অনলাইন বেটিং ও জুয়াসংক্রান্ত তদন্ত করছে। জিও নিউজের খবর অনুযায়ী, রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হককে এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ইংল্যান্ডে অনুশীলন ও ম্যাচের সময় তাঁদের যোগাযোগ, দেখা-সাক্ষাৎ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়া হয়।

ঘটনার সূত্রপাত পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফরকে ঘিরে। সেই সফরে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন রিজওয়ান

রিজওয়ানের আপত্তি কোথায়

এনসিসিআইএর তলব পাওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রিজওয়ান। তাঁর দাবি, সংস্থাটির নোটিশে অনলাইন বেটিং ও জুয়া নিয়ে তদন্তের কথা বলা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উল্লেখ করা হয়নি। এনসিসিআইএর সামনে হাজির হওয়ার পর রিজওয়ান অভিযোগের বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর দাবি অনুযায়ী, তাঁকে স্পষ্ট কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি। এ কারণে লাহোর হাইকোর্টে আবেদন করেন।

আদালত কী বললেন

রিজওয়ানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল আদালতে শুনানি হয়েছে। রিজওয়ানের আইনজীবী জানান, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। কিন্তু শুনানির এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি আলিয়া নীলম আইনজীবীর ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপরই রিজওয়ানের আবেদন খারিজ করে দেন লাহোর হাইকোর্ট।

রিজওয়ান এরপর যান আইসিসিতে

রিজওয়ান আইসিসির কাছেও বিষয়টি নিয়ে গেছেন। আইসিসির অ্যান্টি–করাপশন ইউনিটের কাছে জানতে চেয়েছেন, তাঁর মুঠোফোন জব্দ করা, সেটি ইংল্যান্ড থেকে পাকিস্তানে নেওয়া এবং ফরেনসিক পরীক্ষা করার বিষয়ে আইসিসি বা ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড কিছু জানত কি না, কিংবা তারা এতে জড়িত ছিল কি না।

জিও নিউজের খবর অনুযায়ী, রিজওয়ানের এই অনুসন্ধান কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হিসেবে করা হয়নি। বরং তিনি জানতে চেয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন ধারা অনুযায়ী হয়েছে কি না। একই সঙ্গে সামনে তাঁর কী করা উচিত, সে বিষয়েও আইসিসির দিকনির্দেশনা চেয়েছেন তিনি।

পিসিবির ভূমিকা ও টেস্ট দল থেকে বাদ

রিজওয়ানের ফোন জব্দের আগে সেটি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের হেফাজতে ছিল। পরে পরীক্ষার জন্য ফোনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হয়। চলমান তদন্তের কারণে এ বিষয়ে পিসিবি বিস্তারিত মন্তব্য করেনি।

এক সময় পাকিস্তানের মূল তারকা ছিলেন রিজওয়ান

এই ঘটনাগুলোর সময়েই পাকিস্তানের টেস্ট দলেও বড় পরিবর্তন আসে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে হারের পর রিজওয়ান, ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটারকে টেস্ট দল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে হেড কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
টাঙ্গাইলে শুধু শাড়িই নয়, নীরবে গড়ে উঠেছে ছেলেদের পোশাকের বাজার
টাঙ্গাইলে শুধু শাড়িই নয়, নীরবে গড়ে উঠেছে ছেলেদের পোশাকের বাজার

টাঙ্গাইলের সঙ্গে শাড়ি শব্দটি এমনভাবে সেঁটে গেছে যে এখানে তৈরি অন্য পোশাকগুলো প্রায় আড়ালেই থেকে যায়। অথচ পুরুষদেরও নানা রকম পোশাক ও অনুষঙ্গের একটা বাজার নীরবে এখানে গড়ে উঠেছে।টাঙ্গাইলে পুরুষদের সুতি কাপড়ের আরামদায়ক পাঞ্জাবি, শার্ট বা ফতুয়া তৈরি করে অনেক ফ্যাশন হাউস। উৎসবের আগে শাড়ির পাশাপাশি সেসব পোশাকেরও চাহিদা বাড়ে। টাঙ্গাইল শাড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রঘুনাথ বসাক বলেন, ‘শাড়ির জন্য টাঙ্গাইল বিখ্যাত হলেও পুরুষদের আনস্টিচ কাপড় বা থানের চাহিদাও কম না। কাপড়ের বুনন আরামদায়ক হওয়ার একটা বড় ক্রেতা শ্রেণি টাঙ্গাইলের থান কাপড় কিনে পাঞ্জাবি, শার্ট ও ফতুয়ার মতো পোশাক তৈরি করেন। আর তাই এই বাজারটাও ধীরে ধীরে বাড়ছে।’তাঁতের কাপড়ে গামছার চেকতাঁতের কাপড়ে গামছার বুনন। মডেল: ইমন, পোশাক: টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরতাঁতের কাপড়ের তৈরি পাঞ্জাবিটির নকশা গামছার চেক থেকে অনুপ্রাণিত। গাঢ় নীল রঙের রেগুলার ফিট পাঞ্জাবিটি উৎসব-পার্বণেও পরা যায়। বুনন কৌশল গামছার মতো হওয়ায় আরাম মিলবে সারা দিন। শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ খুঁজে না পাওয়ায় গড়ে উঠল যে ব্র্যান্ডটাঙ্গাইলের মার্সেরাইজড কটনে তৈরি পাঞ্জাবিপাঞ্জাবির কাপড়টি মার্সেরাইজড কটনের।মডেল: ইমন, পোশাক: টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরটাঙ্গাইলের তাঁতে তৈরি এই পাঞ্জাবির কাপড়টি মার্সেরাইজড কটন। এটি সুতির এমন একটি ধরন, যেখানে একটি বিশেষ রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সুতা বা কাপড়ের থানকে উন্নত রূপ দেওয়া হয়। এই কাপড়ে তৈরি পোশাক তাই দেখতে চকচকে ও সিল্কের মতো মসৃণ লাগে।টাঙ্গাইল থান কাপড়ে টাইডাইটাইডাই টাঙ্গাইল থানে তৈরি শার্ট।মডেল: ইমন, পোশাক: টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরটাঙ্গাইল থান কাপড় কিনে সেটাকে টাইডাই করে বানানো হয়েছে এই হাফহাতার শার্ট। গরমে আরামদায়ক হওয়ায় তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সেগুলো।টাঙ্গাইল কাপড়ের ফতুয়াএমন ফতুয়ায় মিলবে আরাম। মডেল: ইমন, পোশাক: টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরপিওর সুতি কাপড়ের এই টাঙ্গাইল থানেও টাইডাই করা হয়েছে। নকশা বেছে নেওয়া হয়েছে ডিজাইনারের পছন্দমতো। সাদার মধ্যে হলদে রঙের নকশা করা এই হাফহাতার ফতুয়া ক্যাজুয়াল লুকের জন্য উপযুক্ত। তবে উৎসবের সময়েও একবেলা ফুরফুরে মেজাজে কাটানো যাবে এমন পোশাকে।টাঙ্গাইলের পাঞ্জাবির জমিনে বুটি নকশা পাঞ্জাবির জমিনে বুটি নকশা।মডেল: ইমন, পোশাক: টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরনকশাটি চিরায়ত টাঙ্গাইল কাপড়ের। সাধারণত আনস্টিচ হিসেবে এমন পাঞ্জাবির কাপড় তৈরি করেন টাঙ্গাইলের তাঁতিরা। সুতির এই পাঞ্জাবির জমিনে বুটি নকশা আর বাটন প্লেটে বিশেষ জ্যামিতিক নকশা, যা মূলত টাঙ্গাইল শাড়ির পাড়ের নকশা থেকে অনুপ্রাণিত। পোশাক: কুমুদিনীসুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল বললেন, ‘আমি আসলে কিছুটা সময়ের জন্য পেতনি হতেও চাই’

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
মালিবাগে ককটেল বিস্ফোরণ

মালিবাগে ককটেল বিস্ফোরণ

প্রচণ্ড গরমেও উচ্ছ্বাসে ছেদ পড়েনি, আনন্দে ভাসল হাজারো শিক্ষার্থী

প্রচণ্ড গরমেও উচ্ছ্বাসে ছেদ পড়েনি, আনন্দে ভাসল হাজারো শিক্ষার্থী

সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে সড়ক অবরোধ, চার ঘণ্টা গুদামে অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা

সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে সড়ক অবরোধ, চার ঘণ্টা গুদামে অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা

ডাকসুর সংগ্রহশালায় সাহিত্যিকদের নামে ভুল ছবি, সমালোচনার পর পরিবর্তন
ডাকসুর সংগ্রহশালায় সাহিত্যিকদের নামে ভুল ছবি, সমালোচনার পর পরিবর্তন

ডাকসুর সংগ্রহশালায় ছয় সাহিত্যিকের নামের সঙ্গে ভুল ছবি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সমালোচনার পর ১৭ সেপ্টেম্বর ছবিগুলো সরিয়ে নতুন ছবি সংযুক্ত করা হয়। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে—

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
এআই ইস্যুতে কেন বিশ্বনেতাদের এক হতে হবে

এআই ইস্যুতে কেন বিশ্বনেতাদের এক হতে হবে

পুত্রবধূকে কোপাতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ

পুত্রবধূকে কোপাতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ

এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাহমুদুল, স্বপ্ন প্রকৌশলী হওয়ার

এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাহমুদুল, স্বপ্ন প্রকৌশলী হওয়ার

পাকিস্তানে পুলিশ লাইনসে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১৬, আহত ৫০
পাকিস্তানে পুলিশ লাইনসে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১৬, আহত ৫০

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইনসে ভয়াবহ বিস্ফোরণে পাঁচজন পুলিশ সদস্যসহ ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে পুলিশ লাইনসের একটি মসজিদে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে হাফিজ গুল বাহাদুরের নেতৃত্বাধীন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন।পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘ডন’–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাইবার পাখতুনখাওয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) জুলফিকার হামিদ নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে জানান, এই বিস্ফোরণে ৫০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। তিনি জানান, প্রথমে একজন আত্মঘাতী হামলাকারী বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি নিয়ে ভবনের গেটে আঘাত হানে। এর পরপরই আত্মঘাতী হামলাকারীদের কয়েকজন কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট ভবনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের হত্যা করা হয়। আরও অন্তত তিনজন স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের দিকে অগ্রসর হয়।আইজি জুলফিকার হামিদ জানান, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে।টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, একটি ভবনের ধসে পড়া দেয়ালের পাশে মানুষজন জড়ো হয়েছেন, তারা ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছেন এবং আহতদের সাহায্য করছেন। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও অ্যাম্বুলেন্স দেখা যায়।বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে হামলাকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ চলছিল। পাশাপাশি হতাহতদের উদ্ধারে অভিযানও চলছিল।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, হামলার সময় মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করছিলেন।খাইবার পাখতুনখাওয়ার আইজি জুলফিকার হামিদ এক বিবৃতিতে জানান, একজন আত্মঘাতী হামলাকারী স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের কাছে বিস্ফোরণে ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেয়। একই বিবৃতিতে জানানো হয়, এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ ছয়জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদির কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, নিরপরাধ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর এই ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আহতদের দ্রুততম সময়ে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের এমন কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ড দিয়ে জাতির মনোবল ভেঙে দেওয়া যাবে না।’পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বিদেশি মদদপুষ্ট জঙ্গিদের সম্পূর্ণ নির্মূল করা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রেসিডেন্ট জারদারি আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।এর আগে ২০১০ সালে কোহাট পুলিশ লাইনসের ঠিক পেছনে অবস্থিত পুলিশ কলোনির ভেতর একটি রিমোট-কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রিত বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে প্রধানত পুলিশ সদস্যদের স্বজনসহ ২০ জন নিহত ও ৯০ জনেরও বেশি আহত হন।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
গয়না, পিণ্ড ও পেস্ট আকারে আনলেন ৪৫ ভরি সোনা, কৌশলে কাস্টমস পার হলেও ধরা পড়লেন

গয়না, পিণ্ড ও পেস্ট আকারে আনলেন ৪৫ ভরি সোনা, কৌশলে কাস্টমস পার হলেও ধরা পড়লেন

ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের যাত্রাবিরতি

ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের যাত্রাবিরতি

ফিলিপাইনে স্কুলে কিশোরের বন্দুক হামলায় নিহত ৩, গুলিবিদ্ধ ৮

ফিলিপাইনে স্কুলে কিশোরের বন্দুক হামলায় নিহত ৩, গুলিবিদ্ধ ৮

0 Comments