রাজধানীর মালিবাগে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর মালিবাগ রেলগেট–সংলগ্ন সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘জুমার নামাজের পরপরই ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ককটেল ছোড়া হয়েছে। কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। ফ্লাইওভারের প্রবেশমুখের সিসিটিভি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে।’
গত মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এর কয়েক ঘণ্টা পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে ওই দিন রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরপর তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টানা পাঁচ ম্যাচ জিতলেই চুল কাটবেন। ব্যস, এই পণ করেই ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর শেষবার কাঁচির নিচে বসেছিলেন ফ্র্যাঙ্ক আইলেট নামের এক ভক্ত। এরপর কেটে গেছে প্রায় দুই বছর। মাথার চুল লম্বা হতে হতে এখন প্রায় ১৪ ইঞ্চি। কিন্তু ইউনাইটেডের টানা পাঁচ জয়ের দেখা নেই। আর কদিন পর দুই বছর পূর্ণ হতে চললেও এই মুহূর্তে ‘শূন্য’তে দাঁড়িয়ে আছে ইউনাইটেড, সঙ্গে আইলেটও।গত মৌসুমের শেষ দিকে নটিংহাম ফরেস্ট ও ব্রাইটনের বিপক্ষে জিতে ইউনাইটেডের সামনে সুযোগ এসেছিল টানা পাঁচ জয়ের চ্যালেঞ্জ পূরণের। এবার ২০২৬–২৭ মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে জিতলেই চক্র পূরণ হয়ে যেত। প্রতিপক্ষও ছিল অপেক্ষাকৃত সহজ—হাল সিটি, ইপসউইচ টাউন ও এভারটন। এর মধ্যে হাল সিটি ও ইপসউইচ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রমোশন পাওয়া দল, এভারটন গত লিগ শেষ করেছিল ১৩তম হয়ে। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে প্রথম ম্যাচেই হাল সিটির কাছে ২–০ গোলে হেরে বসে ইউনাইটেড। View this post on Instagram A post shared by Frank Ilett (The United Strand) (@theunitedstrand) পরের ম্যাচেই অবশ্য ইপসউইচকে ৫–২ গোলে হারিয়ে আবার জয়ের ধারা শুরু করে ইউনাইটেড। কিন্তু এরপর এভারটনের সঙ্গে ২–২ ড্র। এরপর ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সিটির কাছে ১–০ গোলে হার টানা পাঁচ জয়ের স্বপ্নকে আরও দীর্ঘায়িত করে দেয়। বড় ধাক্কাটা দিয়েছে এরপর ব্রাইটন ম্যাচ। কারাবাও কাপে ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই ২–০ গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩–২ গোলে হার ইউনাইটেডের।যার অর্থ, টানা পাঁচ জয়ের হিসাব আবার এক থেকে শুরু করতে হবে আইলেটকে, এই মুহূর্তে যা শূন্য। রোববার লিগে ফুলহামের বিপক্ষে খেলবে ইউনাইটেড। এরপর দুই সপ্তাহের আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে দলটির পরের ম্যাচ ১০ অক্টোবর টটেনহামের বিপক্ষে।অর্থাৎ, এর আগেই আইলেটের চুল কাটার অপেক্ষার দুই বছর পার হয়ে যাবে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সর্বশেষ টানা পাঁচ ম্যাচ জিতেছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে।আইলেটের ইউনাইটেডের টানা পাঁচ জয়ের চ্যালেঞ্জ অবশ্য শুধুই মজার ঘটনা নয়। চুল কাটার অপেক্ষার পাশাপাশি তিনি অর্থ সংগ্রহ করছেন লিটল প্রিন্সেস ট্রাস্টের জন্য। ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের জন্য পরচুলা তৈরি করে সংস্থাটি।ফুটবলে টানা ম্যাচ জয়ের বিশ্ব রেকর্ড, ওভারে ৬ ছক্কা এবং আরও ৮ প্রশ্ন
ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজীর বিরুদ্ধে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…
কিছুদিন আগে শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির বাড়িতে আয়োজিত এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে স্বামী ভিকি কৌশলের সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। ছেলে ভিয়ানের জন্মের পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি। অনুষ্ঠানে ক্যামেরার সামনে পোজও দেন এই বলিউড তারকা। সেই ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর চেহারা ও শরীর নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।কেউ ক্যাটরিনার শরীর নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেন, কেউ আবার তাঁর চেহারার পরিবর্তন নিয়ে ভিডিও বানান। একজন মন্তব্য করেন, ‘ক্যাটরিনার সময় শেষ।’ কেউ কেউ আবার ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে তাঁর বর্তমান চেহারার তুলনা করেন। এসব মন্তব্যের অনেকগুলোই ছিল কুরুচিকর। আলী জাফর। ইনস্টাগ্রাম থেকে অবশ্য ক্যাটরিনার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর ভক্তদের বড় একটি অংশ। তাঁর চেহারা ও শরীর নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন কয়েকজন তারকাও। এবার প্রতিবাদ জানালেন পাকিস্তানি অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী আলী জাফর।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে আলী বলেন, নারীর শরীর নিয়ে এভাবে মন্তব্য করা উচিত নয়।আলী জাফর বলেন, ‘পুরুষ হিসেবে আমাদের কি কোনো মানসিক সমস্যা রয়েছে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে একটি পোস্ট ও কিছু মন্তব্য দেখেছি। সেখানে বলা হয়েছে, তাঁকে এখন অন্য রকম দেখাচ্ছে। পুরুষ হিসেবে আমরা মনে করি, কোনো নারীর শরীরকে আকর্ষণীয় মনে না করার অধিকার আমাদের রয়েছে। কোনো নারী আমাদের তৈরি মাপকাঠিতে না পৌঁছালে আমরা তাঁকে ছোট করতে শুরু করি।’ক্যাটরিনা কাইফ। ইনস্টাগ্রাম থেকে মানুষের প্রতি আরও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আলী বলেন, ‘কাউকে এভাবে দেখা ঠিক নয়। প্রত্যেকেই নিজের সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছেন। তাই মানুষের প্রতি আমাদের আরও সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত।’শুধু নারীদের নয়, পুরুষদের জন্য সমাজের তৈরি সৌন্দর্যের মাপকাঠি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আলী। তাঁর ভাষ্যে, ‘সব পুরুষের সিক্স-প্যাক অ্যাবস ও সুঠাম শরীর থাকবে—এমন প্রত্যাশাও বাস্তবসম্মত নয়। অন্যের সমালোচনা স্বাস্থ্যকর মানসিকতার পরিচয় নয়। কেউই নিখুঁত নন। এটি বুঝে আমাদের মানসিকতা বদলানো জরুরি।’মা হওয়ার পর ফিরছেন ক্যাটরিনা, তবে...২০১১ সালে আলী আব্বাস জাফর পরিচালিত মেরে ব্রাদার কি দুলহান ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন আলী জাফর ও ক্যাটরিনা কাইফ। ছবিটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন ইমরান খান। সেই সময় থেকেই আলী ও ক্যাটরিনার পরিচয়।মা হওয়ার পর আপাতত অভিনয় থেকে দূরে আছেন ক্যাটরিনা। তাঁকে সর্বশেষ বিজয় সেতুপতির বিপরীতে মেরি ক্রিসমাস ছবিতে দেখা গেছে। ছবিটি মুক্তি পায় ২০২৪ সালে।২০২১ সালের ডিসেম্বরে ভিকি কৌশলকে বিয়ে করেন ক্যাটরিনা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁরা সন্তান আসার খবর জানান। ওই বছরের নভেম্বরে জন্ম নেয় তাঁদের ছেলে ভিয়ান।