জাতীয়

বারবার আসছে মৃত ডলফিন–তিমি

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
বারবার আসছে মৃত ডলফিন–তিমি
বারবার আসছে মৃত ডলফিন–তিমি

মৃত এসব প্রাণীর কোনোটির শরীরে জখমের চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোনোটির মুখে বা শরীরে জড়িয়ে ছিল মাছ ধরার জাল।

তিমি ও ডলফিনের মতো স্তন্যপায়ী সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় একের পর এক মারা পড়ছে। মৃত ডলফিন ও তিমি ভেসে আসছে উপকূলে ও নদীর তীরে। সর্বশেষ গত রোববার একটি মৃত শুশুক বরগুনার বিষখালী নদীতে এবং ৯ সেপ্টেম্বর ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি মৃত তিমি ভেসে আসে বরগুনার আন্ধারমানিক নদীর তীরে। 

মৃত এসব প্রাণীর কোনোটির শরীরে জখমের চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোনোটির মুখে বা শরীরে জড়িয়ে ছিল মাছ ধরার জাল।

ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, সর্বশেষ পাওয়া মৃত তিমিটি বেলিন প্রজাতির। এরা পানি ছেঁকে ক্রিল (খোলসযুক্ত জলজ প্রাণী) ও প্ল্যাঙ্কটন (বিভিন্ন ধরনের জীবের সমষ্টি) খায়। দক্ষিণ উপকূলে একের পর এক তিমির মৃতদেহ ভেসে আসা সামুদ্রিক প্রতিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। মৃত্যুর কারণ জানতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা জরুরি।

আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আট বছরে শুধু কুয়াকাটা সৈকতেই ১৩৫টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে।

আর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির হিসাবে, চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৬টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। এ ছাড়া চলতি বছর কুয়াকাটা সৈকতে প্রায় ৬০ ফুট লম্বা চারটি তিমির মৃতদেহ পাওয়া গেছে।

কক্সবাজার উপকূলেও গত দুই বছরে ১৪টির বেশি মৃত ডলফিন ও ১টি মৃত তিমি ভেসে এসেছে বলে বাংলাদেশ ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যে উল্লেখ করা হয়।

সর্বশেষ বরগুনার বিষখালী নদীতে পাওয়া মৃত গাঙ্গেয় শুশুকটি প্রায় চার ফুট লম্বা। শুশুকটির মুখে ছোট ফাঁসের একটি জাল প্যাঁচানো ছিল।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ডলফিন গবেষক মোহাম্মদ আবদুল আজিজ গত মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, বিষখালী, পায়রা ও বলেশ্বরের মোহনা গাঙ্গেয় শুশুক ও ইরাবতী ডলফিনের গুরুত্বপূর্ণ আবাস। তবে ছোট ফাঁসের অবৈধ জালের ব্যাপক ব্যবহার এসব আবাসকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। কয়েক বছর আগে তাঁরা এলাকাটিকে ডলফিনের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।

আবদুল আজিজ আরও বলেন, বিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ ইরাবতী ডলফিনের আবাস বাংলাদেশে। সুন্দরবনে ৪৫১টি এবং উপকূলে ৫ হাজার ৩৮০টি ইরাবতী ডলফিন রয়েছে। তবে একের পর এক ডলফিনের মৃত্যু উদ্বেগজনক, যা বাস্তুতন্ত্রের জন্যও মারাত্মক হুমকি। এ জন্য এখনই সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

নদীর স্বাস্থ্যের সূচক শুশুক

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার স্বাদু পানিতে বসবাসকারী গাঙ্গেয় শুশুক শুধু একটি প্রাণী নয়, নদীর সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ সূচক। একসময় দেশের উপকূলীয় নদ-নদী এবং সুন্দরবনসংলগ্ন জলপথে অহরহ শুশুক দেখা যেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ নদীতেই শুশুকের দেখা পাওয়া যেত। কিন্তু গত এক-দুই দশকে এর বিস্তৃতি অনেকটাই কমে সুন্দরবন ও এর আশপাশের নদীগুলোয় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা (আইইউসিএন) গাঙ্গেয় শুশুককে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

২০২৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ও বন বিভাগের বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘ সমীক্ষায় দেখা যায়, দেশের মাত্র ১৪টি নদ-নদীতে গাঙ্গেয় শুশুকের উপস্থিতি রয়েছে। এ তথ্য দেশের নদীগুলোতে শুশুকের অস্তিত্বের সংকটের বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরাবতী ডলফিনের বড় আশ্রয়স্থল বাংলাদেশ

যুক্তরাজ্যভিত্তিক বন্য প্রাণিবিষয়ক সংস্থা ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির (ডব্লিউসিএস) পক্ষ থেকে ২০০৬ সালে প্রথম বাংলাদেশের ডলফিনের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ করা হয়। এরপর একই সংস্থা থেকে আলাদাভাবে ইরাবতী ডলফিনের ওপর আরেকটি জরিপ করে তা একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করা হয়। এতে প্রথম বেরিয়ে আসে বাংলাদেশে ইরাবতী ডলফিনের সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ, ৫ হাজার ৮০০টি।

বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন–২০২৬ (সংশোধিত) অনুযায়ী, ডলফিন-তিমি হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ। কারও বিরুদ্ধে এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইরাবতী ডলফিনের প্রজাতি বিশ্ব থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বিপন্ন হয়ে পড়া ইরাবতী ডলফিনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থল বাংলাদেশ। এর কারণ, এখানকার উপকূলীয় এলাকার নদীগুলোতে রয়েছে নোনা ও মিঠাপানির অনুকূল ভারসাম্য।

বন বিভাগ জানায়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সুন্দরবনে পাঁচটি স্থানকে ডলফিনের অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করে। এ ছাড়া অন্যান্য স্থান মিলিয়ে দেশে মোট নয়টি ডলফিনের অভয়াশ্রম রয়েছে।

তিমি–ডলফিন রক্ষায় আইন

বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন–২০২৬ (সংশোধিত) অনুযায়ী, ডলফিন-তিমি হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ। কারও বিরুদ্ধে এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

বন অধিদপ্তরের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের ঢাকার আগারগাঁও প্রধান কার্যালয়ের বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা রথীন্দ্র কুমার বিশ্বাস মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন বাস্তবায়নে বিদ্যমান আইনে যেসব দুর্বলতা ছিল, নতুন আইনে তা সংশোধন করা হয়েছে। নতুন আইনে বন বিভাগ, কাস্টমস, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ডকেও এই অপরাধ দমনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ আইন প্রয়োগে তাঁদের জনবলে ঘাটতি থাকলেও তাঁরা সাধ্যমতো কাজ করছেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরান-সমর্থিত হুতিদের
সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরান-সমর্থিত হুতিদের

হুতিদের সামরিক গণমাধ্যম শাখা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, ভিডিওতে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে এবং সেটি তারা ভূপাতিত করেছে। দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে...

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
এআই দিয়ে ছবি বানাতে কেন এত পানি ও বিদ্যুৎ লাগে

এআই দিয়ে ছবি বানাতে কেন এত পানি ও বিদ্যুৎ লাগে

সন্তান কোনো জটিল সামাজিক বা মানসিক সমস্যায় পড়লে অভিভাবকদের যা করা উচিত

সন্তান কোনো জটিল সামাজিক বা মানসিক সমস্যায় পড়লে অভিভাবকদের যা করা উচিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে

গাজীপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তালবদ্ধ ফটক দেখে সংসদ সদস্যের ক্ষোভ
গাজীপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তালবদ্ধ ফটক দেখে সংসদ সদস্যের ক্ষোভ

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র আকস্মিক পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে গিয়ে তিনি প্রধান ফটকে তালা দেখেন। পরে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে পেছনের ফটক দিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন গাজীপুর–৩ আসনের এই সংসদ সদস্য।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল আকস্মিকভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে বের হন সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম। এর অংশ হিসেবে তিনি গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের প্রধান ফটকে তালা দেখতে পান। এ সময় ভেতরে থাকা এক কর্মী ফটকের কাছে এলে তাঁকে তালা খুলতে বলেন সংসদ সদস্য। ওই কর্মী জানান, তাঁর কাছে চাবি নেই।পরে সংসদ সদস্য ফটকের পাশের কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে যান। কেন্দ্রের ভবনের কলাপসিবল ফটকেও তালা দেখতে পান তিনি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফটকের সামনে দাঁড়িয়েই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মুঠোফোনে কল করেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। পরে পেছনের ফটক দিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে পরিদর্শন করেন তিনি।সংসদ সদস্য ফটকের পাশের কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে যান। কেন্দ্রের ভবনের কলাপসিবল ফটকেও তালা দেখতে পান তিনি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফটকের সামনে দাঁড়িয়েই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মুঠোফোনে কল করেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হাসান আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেইন গেটের চাবি আমার কাছে ছিল। ভুল করে চাবিটি আনা হয়নি। সঙ্গে কেন্দ্রের পেছনের গেটের চাবি ছিল। সেটি খুলে আমি ভেতরে মিটিং করছিলাম। এ সময় সংসদ সদস্য এসে ফটক তালাবদ্ধ দেখে রাগ করেছেন।’আপেল মাহমুদ, শ্রীপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি কারণ, সেখানে শুধু শনিবার সেবা দেওয়া হয়। সংসদ সদস্যের পরিদর্শনের সময় কেন্দ্রের ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা পাক্ষিক সভা করছিলেন।পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নেই, চিকিৎসক নেই, মেডিক্যাল অফিসারও নেই। কয়েকজন কর্মচারী ভেতরে বসে গল্প-আড্ডায় মেতেছেন। গাজীপুর ইউনিয়ন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এখানকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া জরুরি।’সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি কারণ, সেখানে শুধু শনিবার সেবা দেওয়া হয়, এই তথ্য জানান শ্রীপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ। সংসদ সদস্যের পরিদর্শনের সময় কেন্দ্রের ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা পাক্ষিক সভা করছিলেন বলে তাঁর দাবি।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
আমাকে যেন নেকড়েদের সামনে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল, ‘স্যান্ডপেপার’ কেলেঙ্কারি নিয়ে স্মিথ

আমাকে যেন নেকড়েদের সামনে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল, ‘স্যান্ডপেপার’ কেলেঙ্কারি নিয়ে স্মিথ

শিক্ষায় বৈষম্য বেড়েই চলছে, কোচিং-প্রাইভেট বাড়ছে, সঙ্গে ব্যয়ও

শিক্ষায় বৈষম্য বেড়েই চলছে, কোচিং-প্রাইভেট বাড়ছে, সঙ্গে ব্যয়ও

পরবর্তী খলিফা হিসেবে কেন ওমরকে বেছে নিয়েছিলেন আবু বকর

পরবর্তী খলিফা হিসেবে কেন ওমরকে বেছে নিয়েছিলেন আবু বকর

কর্মী নেবে নগদ, সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ রয়েছে নানা সুবিধা
কর্মী নেবে নগদ, সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ রয়েছে নানা সুবিধা

নগদ লিমিটেড জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। পদের নাম ‘এক্সিকিউটিভ’। প্রতিষ্ঠানটি তাদের এমআইএস বিভাগে এ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। আবেদন চলছে। আবেদন করা যাবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।বিভাগের নাম: এমআইএস (কাস্টমার ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট)।পদের নাম: এক্সিকিউটিভ।পদসংখ্যা: ১।সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেশিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১-৩ বছর।বয়স: উল্লেখ নেই।বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাবঅন্যান্য সুবিধা: ভ্রমণ ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, মোবাইল বিল ভাতা, স্বাস্থ্যবিমা, উৎসব বোনাস ও প্রতিবছর ইনক্রিমেন্টের সুবিধা রয়েছে।*আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও আবেদনের বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
শয্যার চেয়ে রোগী চার গুণ, বারান্দা–মেঝেতে চিকিৎসা

শয্যার চেয়ে রোগী চার গুণ, বারান্দা–মেঝেতে চিকিৎসা

নীতি সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নই জাপানি বিনিয়োগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

নীতি সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নই জাপানি বিনিয়োগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

নেপাল–তিব্বতের প্রাণঘাতী বন্যার পেছনে জলবায়ু সংকট, ধারণা গবেষকদের

নেপাল–তিব্বতের প্রাণঘাতী বন্যার পেছনে জলবায়ু সংকট, ধারণা গবেষকদের

0 Comments