দেশজুড়ে

নওগাঁয় বিআরটিসির যাত্রীবাহী বাস উল্টে ১৫ জন আহত, গুরুতর আশংকাজনক ৪ জনকে রাজশাহী মেডিকেলে স্থানান্তর"

রতন লাল জুন ২৯, ২০২৬ 0
নওগাঁয় বিআরটিসির যাত্রীবাহী বাস উল্টে ১৫ জন আহত, গুরুতর আশংকাজনক ৪ জনকে রাজশাহী মেডিকেলে স্থানান্তর"
বিআরটিসির যাত্রীবাহী

 

নওগাঁর সরস্বতীপুর থেকে (স্টাফ রিপোর্টার) মোঃ আকতার হোসেন। 

নওগাঁর মহাদেবপুরে বিআরটিসির যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে গিয়ে ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের মহাদেবপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় গুরুতর আহত ৪ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ জুন ২০২৬ রোববার ৬ টায় মহাদেবপুর-পত্নীতলা আঞ্চলিক মহাসড়কের শেরপুর দিঘীরপাড় এলাকায়। এ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মহাদেবপুর সিভিল ডিফেন্স ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিট ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করে।

 

বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা ওই বিআরটিসির যাত্রীবাহী বাসটি সাপাহার যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ অঞ্চলিক মহাসড়কের দুর্ঘটনাস্থলে পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি বহন করার ফলে সড়কের উপর কাদা জমে যায়। ওই কাদার উপর দিয়ে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় বাসটি ঘটনাস্থলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের উপর উল্টে যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, গুরুতর আহত সাপাহার উপজেলার মৃত মনিজ এর ছেলে আশরাফুল ইসলাম, আব্দুর রহিম এর ছেলে বেলাল হোসেন, পত্নীতলা উপজেলার মৃত সানাউল্লাহর ছেলে রেজওয়ান ও ক্ষিতীশ চন্দ্রের ছেলে বাঁধনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

দেশজুড়ে

View more
সাভারে এসআই হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
সাভারে এসআই হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাভারের আমিনবাজারে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই–নিরস্ত্র) আলতাফ হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বিস্তারিত ভিডিওতে…  

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার

প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার

‌‌‌‌‌‌‘খেলনা’ ভেবে বাড়িতে এনেছিল জিসান, পরে জানা গেল এটি কার্তুজ
‌‌‌‌‌‌‘খেলনা’ ভেবে বাড়িতে এনেছিল জিসান, পরে জানা গেল এটি কার্তুজ

পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি জনতা কলেজের মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে মেশিনগানের একটি কার্তুজ পেয়েছে এক শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থী এটিকে খেলনা মনে করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে কার্তুজটি উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কলেজ মাঠে ফুটবল খেলছিল নবম শ্রেণির ছাত্র জিহাদুল ইসলাম জিসান। একপর্যায়ে মাঠে যাওয়া বল আনতে গিয়ে গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার মতো দেখতে একটি বস্তু দেখতে পায় সে। পরে খেলনা ভেবে এটি বাড়িতে নিয়ে যায় জিসান। রোববার টিফিনের সময় বন্ধুদের বস্তুটি দেখানোর পর বিষয়টি স্থানীয় জিহাদ হোসাইনের নজরে আসে। তিনি বস্তুটি দেখে সন্দেহ প্রকাশ করে সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে দুমকি থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কার্তুজটি উদ্ধার করেন। শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম জিসান বলে, ‌‍‌‌ফুটবল খেলার সময় বল আনতে গিয়ে গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার মতো দেখতে বস্তুটি দেখতে পাই। খেলনা মনে করে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরদিন বড় ভাই জিহাদ হোসাইনকে দেখালে তিনি পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে এটি কার্তুজ বলে জানায়। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি মেশিনগানের কার্তুজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি কীভাবে কলেজ চত্বরে এলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাহমুদ হাসান রায়হান/এসআর/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
বাসাবাড়ি-দোকানে এডিসের লার্ভা, প্রায় ২ লাখ টাকা জরিমানা

বাসাবাড়ি-দোকানে এডিসের লার্ভা, প্রায় ২ লাখ টাকা জরিমানা

বিয়ের পর বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা, কনের ভাই-বোনসহ নিহত ৪

বিয়ের পর বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা, কনের ভাই-বোনসহ নিহত ৪

দিনাজপুরে পরিত্যক্ত ব্যাগে মিললো ৯২ রাউন্ড গুলি

দিনাজপুরে পরিত্যক্ত ব্যাগে মিললো ৯২ রাউন্ড গুলি

গোসলরত নারীদের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫০
গোসলরত নারীদের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫০

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে গোসলরত নারীদের গোপনে মোবাইলে ছবি ধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের কাটখাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, কয়েক দিন আগে কাটখাল গ্রামের একটি রাস্তার পাশের পুকুরে পুকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী লুৎফুর রহমানের পক্ষের কয়েকজন নারী গোসল করছিলেন। এ সময় স্থানীয় এরাজত মিয়ার পক্ষের দুই ছেলের বিরুদ্ধে তাদের গোপনে মোবাইল ফোনে ছবি ধারণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে রোববার দুপুরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। গুরুতর আহতদের হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক বলেন, গোসলরত নারীদের গোপন ছবি মোবাইল ফোনে ধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/কেএইচকে/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
নতুন আমদানি নীতিতে ওপেন অ্যাকাউন্টে মূল্য পরিশোধ করা যাবে

নতুন আমদানি নীতিতে ওপেন অ্যাকাউন্টে মূল্য পরিশোধ করা যাবে

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মারা গেছেন

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মারা গেছেন

জেলার বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে

জেলার বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে

0 Comments