ভালো খেলছেন। রান করছেন। সব মিলিয়ে যতটুকু করার ততটুকু করছেন। তবু একাদশে জায়গা মিলবে কি না, তার নিশ্চয়তা নেই। ভারতের বর্তমান টি-টুয়েন্টি দলে এখন এমনই অবস্থা।
কয়েকটি পজিশন বাদ দিলে আর কোথাও কারও জায়গা নিশ্চিত নয়। একই জায়গার জন্য লড়াই করছেন একাধিক ক্রিকেটার। এদের মধ্যে যে কেউ খেলতে পারেন। আবার ভালো খেলেও কাউকে বসে থাকতে হতে পারে।
ওপেনিং কম্বিনেশনই সবচেয়ে বড় উদাহরণ। অভিষেক শর্মা, বৈভব সূর্যবংশী ও সঞ্জু স্যামসন—এই তিনজনের যে কেউ যেকোনো কিছুই করতে পারেন। এরপরও একসঙ্গে তিনজনের খেলার সুযোগ নেই।
তিনজনের মধ্যে লড়াইয়ে অভিষেক খানিকটা এগিয়ে থাকেন। গত দুই বছরে ভারতের সেরা টি-টুয়েন্টি ব্যাটসম্যান তিনিই। অন্তত ৫০০ রান করেছেন, এমন ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তাঁর স্ট্রাইক রেট সবচেয়ে বেশি—১৮৭.২৪। ৫৫ ইনিংসে তাঁর আছে দুটি সেঞ্চুরি, ফিফটি ১১টি।

১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী তাঁর চেয়েও ভয়ংকর। আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে স্ট্রাইকরেট ১৮৯.২১। যদিও খেলেছেন মাত্র ৬ ইনিংস। তবে তাঁর সামর্থ্যের সঙ্গে অন্য কারও তুলনা চলে না। কারণ, বিশেষ কিছু আছে বলেই তো মাত্র ১৫ বছর বয়সেই জাতীয় দলে খেলছেন এই ক্রিকেটার। আর সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরেও সিরিজসেরা হয়েছেন।
অন্যদিকে স্যামসন তো ভারতকে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপই জিতিয়েছেন। টানা তিনটি বাঁচামরার ম্যাচে করেছেন ৯৭*, ৮৯ ও ৮৯। এরপর আইপিএলে নতুন ঠিকানা চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে দুটি সেঞ্চুরিও করেছেন। এরপরও জিম্বাবুয়ে সিরিজে ভারত তাঁকে দলে রাখেনি। আজ শুরু হতে যাওয়া আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে আবার দলে ফিরেছেন।
শ্রেয়ার আইয়ার তো ভারতের অধিনায়কই। সর্বশেষ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের দলে না থাকা এই ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপের পর অধিনায়কত্ব দিয়েছে ভারত। তো অধিনায়ক ছাড়া দলে জায়গা নিশ্চিত শুধু ফিট যশপ্রীত বুমরার।

তিনে খেলা ইশান কিষাণেরও ওপর ভারতের ভরসা অনেক। চলতি বছরের শুরুর দিকে দুই বছরের বেশি সময় পর দলে ফেরা ইশান বেধড়ক পিটুনি দিতে ওস্তাদ। আর নিয়মিতই দলে উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান হিসেবে এখন তাঁকেই দেখা যায়।
এই দলে অলরাউন্ডেররও ছড়াছড়ি— নীতীশ কুমার, ওয়াশিংটন সুন্দর, অক্ষর প্যাটেল ও শিবম দুবে। এদের মধ্যে অক্ষর ও সুন্দর স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার; নীতীশ ও শিবম পেস বোলিং অলরাউন্ডার। তাঁদের সবার খেলার সুযোগ নেই। একাদশে দেখা যেতে পারে সর্বোচ্চ দুজনকে। সেই দুজনের খেলা নির্ভর করবেও কন্ডিশনের ওপর।
আগের ম্যাচে কে কত রান করেছেন, কে কত উইকেট পেয়েছেন, তার ওপর নয়। আগের ম্যাচের পারফরম্যান্স নিশ্চয়ই পরের ম্যাচে দলে সুযোগ পাওয়া না–পাওয়ায় প্রভাব রাখে, তবে সেটাই এখন ভারতের একাদশে থাকার একমাত্র মানদণ্ড নয়।
বিশেষজ্ঞ বোলারদের মধ্যে বুমরার সঙ্গে ভরসা রাখা হচ্ছে বরুণ চক্রবর্তী ও অর্শদীপ সিংয়ের ওপর। আর তৃতীয় পেসার হিসেবে কোচ গৌতম গম্ভীরের পছন্দ হর্ষিত রানা। রানা আবার এখন আছে চোটে। আফগানিস্তান সিরিজে আট নম্বরে কে খেলবে, সেটা নিয়ে তাই অনিশ্চয়তা আছে।

সেখানে ভারত কাকে বেছে নেবে—বিশেষজ্ঞ বোলার, নাকি এমন একজন ব্যাটিং অলরাউন্ডার, যাঁর কাছ থেকে সব সময় চার ওভার বোলিং আশা করা যায় না? গত জুলাইয়ের ইংল্যান্ড সফরে ৮ নম্বরে খেলেছিলেন এক অলরাউন্ডার। জিম্বাবুয়েতে বিশেষজ্ঞ বোলার। সব মিলিয়ে সিরিজ বলুন বড় টুর্নামেন্ট বলুন, ভারতের টি–টুয়েন্টি দল মানেই কে আছেন, কে নেই, তা নিয়ে ক্রিকেটারদের উৎকণ্ঠা!
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
শুটিংয়ের দীর্ঘ সময়, পারিশ্রমিক নিয়ে অনিশ্চয়তা কিংবা সংগঠনের সদস্যপদ না থাকায় কাজের সুযোগ হারানো; বিনোদন জগতের এসব সমস্যা কমাতে নতুন নিয়ম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, আলামত ও নিহতের মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত স্থান নির্ধারণের জন্য দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।