জাতীয়

টুথব্রাশে লেগে থাকা জীবাণু থেকে বাঁচার উপায় কী

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
টুথব্রাশে লেগে থাকা জীবাণু থেকে বাঁচার উপায় কী
টুথব্রাশে লেগে থাকা জীবাণু থেকে বাঁচার উপায় কী

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তুমি প্রথম কী করো? ফোনের নোটিফিকেশন চেক করার কথা বলছি না। দাঁত মাজার কথা হচ্ছে। হাত ধোয়া, মুখ ধোয়া, পরিচিত টুথব্রাশটা তুলে নিয়ে টুথপেস্ট লাগানোর কথা হচ্ছে। সকালের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ব্রাশ করা। ব্রাশ করার পরে তোমার মনে হতে পারে, আহ্‌ মুখটা পরিষ্কার হয়ে গেল! কিন্তু এখানে একটা কিন্তু রয়ে গেছে। যে ব্রাশ দিয়ে তুমি মুখ পরিষ্কার করতে চাও, সেই ব্রাশেই জীবাণু জমে থাকতে পারে!

এটা শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মুখের ভেতরেই লাখ লাখ জীবাণু থাকে। তাদের অনেকগুলো ক্ষতিকরও নয়। দাঁত মাজার সময় প্লাক, লালা, খাবারের কণা আর টুথপেস্টের অবশিষ্টাংশ ব্রাশের আঁশের ফাঁকে লেগে যায়। ইংরেজিতে এই আঁশকে বলে ব্রিস্টল। বাথরুমের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ আর ভেজা ব্রাশ জীবাণুর জন্য আরামদায়ক জায়গা। তাই ব্যবহারের পরও ব্রাশ পুরোপুরি ‘জীবাণুশূন্য’ থাকে না।

আশার কথা হলো, সুস্থ মানুষ এই জীবাণু দিয়ে অসুস্থ হয়েছে এমন প্রমাণ খুব কম। দাঁতের চিকিৎসকেরা তাই আতঙ্কিত হওয়ার পরামর্শ দেন না। তাঁরা বলেন, ঠিকভাবে ব্রাশের যত্ন নিলেই চলবে। সঙ্গে কিছু নিয়ম মানতে হবে।

ব্যবহারের পর ভালো করে ধুতে হবে

দাঁত মাজা শেষ হলে ব্রাশটা কলের পানির নিচে ধরে রাখো। ব্রিস্টলের ফাঁকে লেগে থাকা পেস্ট আর ময়লা পুরোপুরি ধুয়ে ফেলো। শুধু একবার ঝাঁকিয়ে ফেলা যথেষ্ট নয়। হাতলটাও ধুয়ে নাও। ধোয়ার পর অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে দাও।

নিয়মিত ব্রাশ ও ফ্লস না করলে দাঁতে ক্যাভিটি যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে

সোজা করে খোলা জায়গায় শুকাতে দাও

জীবাণুর সবচেয়ে বড় বন্ধু হলো আর্দ্রতা। ব্রাশ ভেজা থাকলে জীবাণু সহজে বাড়ে। তাই ব্রাশ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে বা বন্ধ বক্সে রাখা ঠিক নয়। প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য ব্রাশ সোজা করে দাঁড় করিয়ে খোলা হোল্ডারে রাখো, যেন বাতাসে শুকাতে পারে। ঘরে একাধিক ব্রাশ থাকলে একটির মাথা যেন অন্যটির সঙ্গে লাগিয়ে রাখবে না। এতে একজনের জীবাণু অন্যজনের ব্রাশে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ভ্রমণের সময় কভার ব্যবহার করতে হতে পারে। তখন ব্যবহারের পর ব্রাশ ভালো করে শুকিয়ে তবেই ঢেকে রাখো। বাসায় ফিরেই ব্রাশটাকে খোলা জায়গায় রেখে দাও।

তিন-চার মাস পর ব্রাশ বদলে নাও

ব্রিস্টল ছড়িয়ে গেলে বা বাঁকা হয়ে গেলে ব্রাশ আর ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার করতে পারে না। তাই তিন থেকে চার মাস পরপর নতুন ব্রাশ নাও। ব্রিস্টল নষ্ট দেখলে এর আগেই বদলে ফেলো। অসুস্থ হলে, বিশেষ করে গলাব্যথা, ফ্লু বা মুখের সংক্রমণ হলে সুস্থ হওয়ার পর পুরোনো ব্রাশ ফেলে নতুনটা ব্যবহার করাই নিরাপদ। শিশুদের ব্রাশ তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বাথরুমে ব্রাশ কোথায় রাখবে

অনেক বাসায় টুথব্রাশ টয়লেটের খুব কাছে থাকে। ফ্লাশ করলে পানির কণা বাতাসে ছড়াতে পারে। ঢাকনা বন্ধ করে ফ্লাশ করা ভালো অভ্যাস। তবে এতেও সব ঝুঁকি দূর হয়ে যায় না। সম্ভব হলে ব্রাশ টয়লেট থেকে একটু দূরে, শুকনা ও বাতাস চলাচল করা জায়গায় রাখো। হোল্ডারটাও সময় সময় ধুয়ে শুকিয়ে নাও। দাঁত মাজার আগে হাত ধুতে ভুলো না। নোংরা হাতে ব্রাশ ধরলে বাইরের জীবাণু ব্রাশে চলে আসে।

রাতে দাঁত ব্রাশ করা
রাতে ব্রাশ না করার কারণে নিজের অজান্তেই দাঁতের ভয়াবহ ক্ষতি করে চলেছেন অনেকে

জীবাণুনাশক কি দরকার আছে

বাজারে ইউভি স্যানিটাইজার বা নানা দ্রবণ পাওয়া যায়। কিছু গবেষণায় মাউথওয়াশ বা হাইড্রোজেন পার–অক্সাইডে চুবিয়ে রাখলে জীবাণু কমে বলে দেখা গেছে। তবে নিয়মিত এসব করা জরুরি নয়। এতে অনেক সময় ব্রাশ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মাইক্রোওয়েভ বা ডিশওয়াশারে ব্রাশ দেওয়া উচিত না। প্রতিদিন ভালো করে ব্রাশ ধুয়ে শুকিয়ে রাখলেই হলো। আর সময়মতো ব্রাশ বদলালে আর চিন্তা নেই।

ভালো ব্রাশের পাশাপাশি কিছু অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ

ব্রাশ পরিষ্কার রাখা মানে এই না যে দাঁত মাজার নিয়ম ঠিকঠাক পালন করা লাগবে না। নরম ব্রিস্টলের ব্রাশ নাও। দিনে দুবার, প্রতিবার দুই মিনিট সময় নিয়ে মাড়ির সঙ্গে ৪৫ ডিগ্রি কোণে আলতো করে ব্রাশ করো। জোরে ঘষলে মাড়ি ও দাঁতের ওপরের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দাঁতের ফাঁকা জায়গা পরিষ্কার করতে ফ্লস ব্যবহার করো। জিভও পরিষ্কার রাখো। ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয় কম হয়। মিষ্টি ও কার্বোনেটেড পানীয় কম খেয়ে ফল-সবজি চিবিয়ে খেলে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
হাইসিকিউরিটি কারাগার ভেঙে পলাতক আসামি গ্রেফতার
হাইসিকিউরিটি কারাগার ভেঙে পলাতক আসামি গ্রেফতার

  কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙে পলাতক মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানাকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৪। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) র‍্যাব-৪ (এসআরবি-৪) এর মিডিয়া অফিসার নুরাঙ্গীর নাহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে বাহিনীটির পদাতিক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন সাংবাদিকের বাসায় গুলি, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ‌‘ভইরা দে’ গ্রুপের আতিক এসআরবি-৪ জানায়, কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙে পলাতক মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানাকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৪। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। কেআর/এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরাম ও চাকরিচ্যুতদের মতিঝিলে অবস্থান

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরাম ও চাকরিচ্যুতদের মতিঝিলে অবস্থান

সাংবাদিকের বাসায় গুলি, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ‌‘ভইরা দে’ গ্রুপের আতিক

সাংবাদিকের বাসায় গুলি, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ‌‘ভইরা দে’ গ্রুপের আতিক

হজ এজেন্সির কাছে জমা দেওয়া টাকার জাকাত দিতে হবে?

হজ এজেন্সির কাছে জমা দেওয়া টাকার জাকাত দিতে হবে?

আরএফএল গ্রুপে নিয়োগ, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ
আরএফএল গ্রুপে নিয়োগ, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আরএফএল গ্রুপ ‘ম্যানেজার/সিনিয়র ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই বিবিএ অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। এক নজরে আরএফএল গ্রুপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ তথ্যের ধরন বিবরণ প্রতিষ্ঠানের নাম আরএফএল গ্রুপ বিভাগের নাম এইচআর পদের নাম ম্যানেজার/সিনিয়র ম্যানেজার পদসংখ্যা ২ জন চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম প্রার্থীর ধরন নারী- পুরুষ শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবিএ অথবা স্নাতকোত্তর (এইচআরএম/ম্যানেজমেন্ট/সমমান) অভিজ্ঞতা ৫ বছর বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে বয়সসীমা ৩০-৪০ বছর সূত্র বিডিজবস ডটকম আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদনের শেষ তারিখ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে কর্মস্থল: কুমিল্লা ও নরসিংদী জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক। আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন আরএফএল গ্রুপ। আরও পড়ুন৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, আবেদন ফি ৫৬ টাকাএইচএসসি পাসে বিজিবির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ৫৬ টাকাসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদন১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
বাড়িতে ইলিশ মাছের কাঁটা ছাড়াবেন যেভাবে

বাড়িতে ইলিশ মাছের কাঁটা ছাড়াবেন যেভাবে

এলএনজিতে ভর করে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে

এলএনজিতে ভর করে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে

তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন মাঝপথেই থামিয়ে দিলো ডেঙ্গু

তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন মাঝপথেই থামিয়ে দিলো ডেঙ্গু

‘জীবনে উত্থান-পতন আসবেই’, হঠাৎ কেন এই বার্তা দিলেন পূর্ণিমা
‘জীবনে উত্থান-পতন আসবেই’, হঠাৎ কেন এই বার্তা দিলেন পূর্ণিমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে উপহার দিয়েছেন বহু জনপ্রিয় সিনেমা। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত সক্রিয় এই অভিনেত্রী। নিজের ছবি ও জীবনের নানা মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি প্রকাশ করে জীবন নিয়ে গভীর উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন পূর্ণিমা। তার লেখা কয়েকটি লাইন ইতোমধ্যে নজর কেড়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের। ছবির সঙ্গে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘জীবনে উত্থান-পতন আসবেই। তবে নিজের ভেতরের ঝড়গুলো কখনোই তোমার বয়ে চলা আলোর থেকে বেশি উজ্জ্বল হতে দিও না।’ পূর্ণিমার এই কথায় জীবনের কঠিন সময়েও ইতিবাচক থাকার বার্তা উঠে এসেছে। পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক, নিজের ভেতরের শক্তি ও আশার আলো যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয়- তার লেখায় সেই উপলব্ধিই প্রকাশ পেয়েছে। অভিনেত্রীর এমন বার্তায় একাত্মতা জানিয়েছেন তার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরাও। মন্তব্যের ঘরে অনেকে জীবনের প্রতিকূলতার মধ্যেও আশাবাদী থাকার কথা তুলে ধরেছেন। প্রসঙ্গত, নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় পূর্ণিমার। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটিতে অভিনয়ের সময় তিনি ছিলেন নবম শ্রেণির ছাত্রী।   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু

শিক্ষিকা রনজিনা হত্যা: মোটরসাইকেল-ভ্যানিটি ব্যাগসহ গ্রেফতার ২

শিক্ষিকা রনজিনা হত্যা: মোটরসাইকেল-ভ্যানিটি ব্যাগসহ গ্রেফতার ২

জনপ্রতিনিধির অভাবে ভোগান্তিতে রাজশাহীর ৭২ ইউনিয়নের মানুষ

জনপ্রতিনিধির অভাবে ভোগান্তিতে রাজশাহীর ৭২ ইউনিয়নের মানুষ

0 Comments