মেয়াদ শেষ হলেও হয়নি শপথ, এক দশক ধরে অকার্যকর রাবির সিনেট

দীর্ঘ ৩৫ বছরের অচলবস্থা কাটিয়ে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন।

শরীয়তপুরে যুবদলের কমিটিতে হাইব্রিড নেতা ঢুকলে নজরুল পদত্যাগ করবেন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের শরীয়তপুরে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কোনো ‘হাইব্রিড নেতা’ স্থান পেলে দল থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মৃধা নজরুল কবীর। 

শরীয়তপুরে যুবদলের কমিটিতে হাইব্রিড নেতা ঢুকলে নজরুল পদত্যাগ করবেন
৩৫ বছর পেরোলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া যাবে না

‘আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ প্রসঙ্গে’ শিরোনামের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আইনজীবী হিসেবে...

৩৫ বছর পেরোলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া যাবে না
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে রাবির বিভাগীয় সভাপতিকে হেনস্তার অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উর্দু বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলামকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা বুলবুল রহমানের বিরুদ্ধে।

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে রাবির বিভাগীয় সভাপতিকে হেনস্তার অভিযোগ
ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: এমপিপুত্র মিন্টু ৩ দিনের রিমান্ডে

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদাল...

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: এমপিপুত্র মিন্টু ৩ দিনের রিমান্ডে
'বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে এই ভুক্তভোগী' বলা ময়মনসিংহের নারী ব্যবসায়ী কারাগারে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে বিএনপি সরকার ও বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পর ময়মনসিংহে একজন নারী ব্যবসায়ীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে।

'বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে এই ভুক্তভোগী' বলা ময়মনসিংহের নারী ব্যবসায়ী কারাগারে
অভিষেকের তাণ্ডবে উড়ে গেল নিউজিল্যান্ড

অভিষেক শর্মার ব্যাটে রীতিমতো ঝড় বয়ে গেছে। তার বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৯৯ রানের লক্ষ্যও ভারতের কাছে হয়ে গেল মামুলি। ওয়েলিংটনে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জয়...

অভিষেকের তাণ্ডবে উড়ে গেল নিউজিল্যান্ড

সারা দেশ

View more
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।

Video news

Rss feed news

‘নন্দিত নরকে’: মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্পে মানবজীবনের বেদনা
‘নন্দিত নরকে’: মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্পে মানবজীবনের বেদনা

উপন্যাসের কেন্দ্রে রয়েছে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবন। এই পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক সম্পর্ক, ভালোবাসা, দায়িত্ব, মানসিক টানাপোড়েন এবং বিভিন্ন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাদের জীবন এগিয়ে যায়। লেখক পরিবারের পরিচিত পরিবেশের মধ্যেই এমন কিছু জটিল বিষয় তুলে ধরেছেন, যা পাঠককে মানুষের জীবন ও সমাজ সম্পর্কে গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ সামনে রেখে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ সামনে রেখে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং হুয়াওয়ে বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে এক্সপেরিয়েন্স জোনে ছিল হুয়াওয়ের পণ্যের প্রদর্শনী।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ইসরায়েলে ৫০ বছরের মধ্যে রেকর্ড ভোট, বেশি ভোটার উপস্থিতি কার পক্ষে যেতে পারে
ইসরায়েলে ৫০ বছরের মধ্যে রেকর্ড ভোট, বেশি ভোটার উপস্থিতি কার পক্ষে যেতে পারে

<p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাগ্যনির্ধারণী নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। খাতাকলমের হিসাব বলছে, দেশটিতে ১৯৭৭ সালের পর এত বেশি ভোটার কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি। উপস্থিত ভোটারদের বড় একটি অংশ আরব। তাঁরা এই নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।</p><p> ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর আজ মঙ্গলবার দেশটিতে প্রথম নির্বাচন হচ্ছে। সেই স্মৃতি এবারের নির্বাচনে ভোটারদের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া ওই হামলার জেরে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলে নৃশংস আগ্রাসন, লেবাননে চলমান হামলা এবং ইরান যুদ্ধ ভোটারদের ওপর প্রভাব ফেলেছে।</p><p> আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে স্থানীয় সময় রাত ১০ পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শুরুর পর বেলা ১টা পর্যন্ত ৪৮ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে ইসরায়েলি পত্রিকা হারেৎসের খবরে বলা হয়েছে।</p><p>আল-জাজিরাকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, ১৯৭৭ সালের পর এত ভোট পড়ার ইতিহাস আর নেই। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ হবে ৪ নভেম্বর।</p><p>নির্বাচনে মূল আলোচনা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটকে ঘিরে। এই জোটে রয়েছে কট্টর ডানপন্থী ইতামার বেন-গভিরের দল জিউইশ পাওয়ার ও বেজালেল স্মোত্রিচের দল রিলিজিয়াস জায়োনিজম। বেন-গভির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ও স্মোত্রিচ অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অতি রক্ষণশীল ইহুদি দল শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমও নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য মিত্র।</p><p>বিপরীতে রাজনৈতিক দল ইয়াশার, টুগেদার, ইসরায়েল বেইতেনু ও ডেমোক্র্যাটসদের নিয়ে বিরোধী শিবির। এ শিবির জিতলে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাবেক সেনাপ্রধান ও ইয়াশার নেতা গাদি আইজেনকটকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। টুগেদারের নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটও প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদও সরকারপ্রধান হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।</p><blockquote>* স্থানীয় সময় দুপুর ১টা পর্যন্ত ৪৮ শতাংশের বেশি ভোট।* আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ হবে ৪ নভেম্বর।* সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে আরবরা।</blockquote><p><strong>‘ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় পাচ্ছি’</strong></p><p>ইসরায়েলের পার্লামেন্টের মোট আসন ১২০টি। এর মধ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠাতা পেতে ৬১ আসনে জয়ী হতে হয় কোনো দল বা পক্ষকে। তবে সম্প্রতি করা রয়টার্সের এক জরিপ বলছে, নির্বাচনে নেতানিয়াহু জোট এককভাবে ৫০টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে আইজেনকট বা বিরোধী জোট পেতে পারে ৫২ আসন। অর্থাৎ এককভাবে কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না।</p><aside><cite>আমোৎস আসা-এল, ইসরায়েলি বিশ্লেষক</cite>‘আমার ধারণা, দুই পক্ষের যেকোনো একটিরই সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকবে। কোনো পক্ষই বিপুল ব্যবধানে জিতবে না’</aside><p>নেতানিয়াহু বিভিন্ন মেয়াদে ১৯ বছর ইসরায়েল সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে তাঁর জোট সরকারের নানা নীতি দেশে বিভাজন বৃদ্ধি করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলকে আরও বিচ্ছিন্ন করেছে। তবে নেতানিয়াহুর ভাষ্য, শত্রুদের মোকাবিলা করার মতো দৃঢ়তা কেবল তাঁরই রয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীর কাছে নির্বাচনের মূল বিষয় হলো ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তাব্যর্থতার জবাবদিহি নিশ্চিত করা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/478m6z84/ISRAEL1.JPG"><figcaption>ব্যালট হাতে ভোট কেন্দ্রে যুদ্ধবাজ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২৭ অক্টোবর ২০২৬, জেরুজালেম</figcaption></figure><p>দক্ষিণ ইসরায়েলের কিবুৎজ নির ওজ সফরের সময় গতকাল আইজেনকোট বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, আজকের (মঙ্গলবার) দিন শেষে আমরা পরিবর্তন দেখতে পাব। গত তিন বছর এবং সেই ভয়াবহ দিনের ঘটনাগুলোর ভুল সংশোধনে এটি ভূমিকা রাখবে।’</p><p>আর পশ্চিম জেরুজালেমে ভোট দেওয়ার পর নেতানিয়াহু সাংবাদিকদের বলেন, ‘কেউ কেউ নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা করছে।’</p><p>আজ রামাত গানের বাসিন্দা রুথ এপস্টেইন ভোট দেন বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটসকে। পরে তিনি বলেন, ‘আমার জানা সব নির্বাচনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে কী হবে, তা নিয়ে আমি সত্যিই ভয় পাচ্ছি।’ অন্যদিকে জেরুজালেমের বাসিন্দা লুইস লিপস্কি নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/vjjemhkm/ISRAEL2.JPG"><figcaption>ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান ও ইয়াশার নেতা গাদি আইজেনকট ভোট দিতে কেন্দ্রে যান। ২৭ অক্টোবর ২০২৬, হার্জলিয়া</figcaption></figure><p><strong>নজরে আরব ভোটাররা</strong></p><p>এবারের নির্বাচনে ফিলিস্তিনি প্রার্থী আহমেদ তিবি। তিনি রয়টার্সকে বলেন, ইসরায়েলের আরব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটাররা ‘নজিরবিহীন’ সংখ্যায় ভোট দিচ্ছেন। তবে আইজেনকোট আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আরব দলগুলো সংখ্যালঘু সরকারকে সমর্থন দিতে পারে।</p><p>ইসরায়েলি রাজনৈতিক বিশ্লেষক আমোৎস আসা-এল বলেন, ‘আমার ধারণা, দুই পক্ষের যেকোনো একটিই সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকবে। কোনো পক্ষই বিপুল ব্যবধানে জিতবে না।’ তবে নেতানিয়াহু বা আইজেনকট—কেউই যদি সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পান, তাহলে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকতে পারেন নেতানিয়াহু।</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
লুলার জয়ে ব্রাজিলের মুদ্রার দরপতন, শেয়ারবাজারে ধস
লুলার জয়ে ব্রাজিলের মুদ্রার দরপতন, শেয়ারবাজারে ধস

<p>ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার অপ্রত্যাশিত জয়ের পর দেশটির মুদ্রা রিয়ালের দর এক দিনে ৮ শতাংশ কমেছে। গতকাল সোমবার মার্কিন ডলারের বিপরীতে রিয়ালের এই দরপতন ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ।</p><p> এদিকে দেশটির শেয়ারবাজারেও বড় ধস নেমেছে। পাশাপাশি সরকারি ঋণ আর ব্যয় নিয়েও বেশ উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।</p><p> গত রোববার দ্বিতীয় দফার ভোটে কট্টর ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করেন বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুলা। পরদিন সোমবার দেশটির মুদ্রাবাজার অস্থিরতা দেখা দেয়। প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রাজিলীয় রিয়ালের বিনিময় হার কমে ৫ দশমিক ৪১-এ নেমে যায়।</p><p> দেশটির সাও পাওলো স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক বোভেসপা কমেছে ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ। একপর্যায়ে জরুরি ভিত্তিতে লেনদেন সাময়িক বন্ধ রাখতে হয়। কিছু বন্ডের সুদহার ১৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে করোনাভাইরাস মহামারির প্রভাবে ২০২০ সালে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল। এরপর এটাই হলো বোভেসপার সবচেয়ে খারাপ দিন।</p><p>বার্তা সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে বিরোধী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রচলনের প্রতিশ্রুতিতে ব্রাজিলের বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক দরপতনে তার অনেকটাই মুছে গেছে। বিনিয়োগকারীরা আশা করেছিলেন, ফ্লাভিও ক্ষমতায় এলে বড় বাজেট ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ নেবেন। বিনিয়োগকারীদের আশা ছিল, ফ্লাভিও ক্ষমতায় এলে সুদের হার কমবে।</p><p>সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান আরবিসি ব্লুবের সিনিয়র সভরেন স্ট্র্যাটেজিস্ট গ্রাহাম স্টক বলেন, স্থানীয় বাজারে ব্যাপক দরপতন ঘটেছে। এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যাচ্ছে, সরকারি অর্থব্যবস্থায় সমন্বয়ই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকারের বিষয়।</p><p>নির্বাচনে লুলা পেয়েছেন ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৫ বছর বয়সী ফ্লাভিও পেয়েছেন ৪৮ দশমিক ২ শতাংশ। ফ্লাভিও কারাবন্দী সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে।</p><p>নির্বাচনী প্রচারে লুলা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিনা মূল্যে গণপরিবহন, ব্যক্তিগত ঋণ মওকুফ ও সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন। সমালোচকদের মতে, ভোটারদের সমর্থন পেতে তিনি এসব ব্যয়বহুল কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।</p><p><strong>সরকারি ঋণ ও ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ</strong></p><p>অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে কর আদায় ও সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির নীতি অনুসরণ করেছেন লুলা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর ব্রাজিলের রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির প্রায় ৮ শতাংশে উঠতে পারে। এরই মধ্যে দেশটির সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে অনেকটাই বেশি।</p><p>এ পরিস্থিতিতে ব্রাজিলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়িয়ে রেখেছে। বর্তমানে নীতি সুদহার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। স্বাভাবিকভাবেই এত বেশি সুদের কারণে বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে। ঋণের বোঝা বেড়েছে পরিবারগুলোর।</p><p>ডয়চে ব্যাংকের গ্লোবাল ম্যাক্রো বিভাগের প্রধান জিম রিড বলেন, বিনিয়োগকারীরা একপ্রকার ধরে নিয়েছিলেন, ফ্লাভিও বলসোনারো জিতবেন। তাঁরা সেভাবেই বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছেন। বিনিয়োগকারীরা ভেবেছিলেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে সরকারি অর্থব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরবে।</p><p>সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ফেডারেটেড হার্মিসের শেয়ারবাজার বিশ্লেষক আলদো রুইজ বলেন, লুলা রাজস্ব পরিস্থিতি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান না নিলে সুদের হার বেশি থাকতে পারে। এতে রিয়ালের দর আরও কমতে পারে। পরিণামে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমে যেতে পারে।</p><p>তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, রক্ষণশীলদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কংগ্রেসের বিরোধিতার মুখে পড়তে হবে লুলাকে। এতে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে উঠতে পারে। এখন নতুন অর্থমন্ত্রী নিয়োগের দিকে তাকিয়ে আছেন বিনিয়োগকারীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, নতুন অর্থমন্ত্রী নিয়োগের মধ্য দিয়ে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হবে।</p><p><strong>ব্যাংকের শেয়ারে বড় পতন</strong></p><p>গতকাল সোমবার ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে আর্থিক খাত। এ খাতের শেয়ারের সূচক সার্বিকভাবে এক দিনেই ২২ শতাংশ কমেছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর আরও বেশি কমেছে। যেমন বিনিয়োগ ব্যাংক বিটিজি প্যাকচুয়ালের শেয়ারের দাম কমেছে ২৫ শতাংশ। এ ছাড়া রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ব্যাংকো দো ব্রাজিলের ২৯ শতাংশ কমেছে।</p><p>এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্রাজিলের ডিজিটাল ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান এক্সপির শেয়ারের দাম কমেছে ৪৮ শতাংশ। এ ছাড়া আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নুব্যাঙ্কের শেয়ারের দর ১৭ শতাংশ কমেছে।</p><p>নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে চলতি বছর মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রাজিলের মুদ্রা রিয়ালের দর বেড়েছে ১০ শতাংশ। একই সময়ে ডলারের হিসাবে দেশটির শেয়ারবাজারের সূচক বেড়েছিল ৩৮ শতাংশ। ফলে বিশ্বের ভালো শেয়ারবাজারগুলোর কাতারে উঠে এসেছিল ব্রাজিলের বাজার। যদিও এখন পতনের ধারা দেখা যাচ্ছে।</p><p>ব্রাজিলের অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারেও। আগামী ২০৩৬ সালে মেয়াদ পূর্ণ হবে, ডলারে ইস্যু করা ব্রাজিলের এমন বন্ডের সুদ ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে।</p><p>স্পেনের ব্যাংক সান্তান্দারের বড় ব্যবসা রয়েছে ব্রাজিলে। সোমবার ব্যাংকটির শেয়ারের দাম কমেছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ।</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
চট্টগ্রামের মুরাদপুরে শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্সের নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়
চট্টগ্রামের মুরাদপুরে শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্সের নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়

<p>গ্রাহকদের জীবনবিমা সেবা সহজলভ্য করতে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে নতুন আঞ্চলিক কার্যালয় চালু করেছে শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি। সম্প্রতি নগরীর এ কে ট্রেড সেন্টারের ষষ্ঠ তলায় অবস্থিত এ নতুন কার্যালয় চালুর মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও আশপাশ এলাকার গ্রাহকেরা জীবনবিমাসংক্রান্ত পরামর্শ ও সেবা আরও সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।</p><p> উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাফিস এ আহমেদ। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চট্টগ্রামের বিশিষ্ট করপোরেট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>অনুষ্ঠানে শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্সের সিইও নাফিস এ আহমেদ বলেন, ‘চট্টগ্রামে নতুন আঞ্চলিক কার্যালয় চালুর মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের আরও কাছে পৌঁছাতে চাই। জীবনবিমা কেবল আর্থিক সুরক্ষার মাধ্যম নয়, বরং ব্যক্তি ও পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের জীবনবিমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা প্রদান এবং দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করতে চাই।’</p><p>নতুন অফিস ঠিকানা হলো এ কে ট্রেড সেন্টার, ৩৬/৭, সিডিএ অ্যাভিনিউ, ষষ্ঠ তলা, মুরাদপুর, চট্টগ্রাম।</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
বিএনপির এমপির ছেলেকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
বিএনপির এমপির ছেলেকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

ছাত্রদলের এক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল আজিজের বড় ছেলে নূরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই, ‘ব্যাগ দে, নাইলে গুলি করে দেব’
পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই, ‘ব্যাগ দে, নাইলে গুলি করে দেব’

<p>জমি কেনার ২৫ লাখ টাকা নিয়ে রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন এক নারী। পথে দুটি মোটরসাইকেলে আসা ছয়জন তাঁর অটোরিকশার গতিরোধ করেন। তাঁদের দুজন পিস্তল ঠেকিয়ে ওই নারীকে বলেন, ‘ব্যাগ দে, নাইলে গুলি করে দেব।’ এরপর নারীর ব্যাগ ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান তাঁরা।</p><p> আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের রাউজান সদর ইউনিয়নের মঙ্গলখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার নারীর নাম শামসুন নাহার (৫০)। তিনি উপজেলার পূর্ব গুজরা বড় ঠাকুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাজী মুহাম্মদ আফজালের স্ত্রী।</p><p>স্থানীয় সূত্র জানায়, শামসুন নাহার অটোরিকশায় করে রাউজান সদরের সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও দুই স্বজন ছিলেন। পথে দুটি মোটরসাইকেলে আসা ছয়জন তাঁদের অটোরিকশার গতিরোধ করেন। তাঁদের দুজনের হাতে পিস্তল ছিল। অস্ত্রের মুখে শামসুন নাহারের ব্যাগ ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁরা পালিয়ে যান।</p><p>শামসুন নাহার বলেন, অস্ত্রধারীরা তাঁর অটোরিকশা আটকে ২৫ লাখ টাকা নিয়ে গেছেন। জমি রেজিস্ট্রি করতে তিনি ওই টাকা নিয়ে উপজেলা রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় তিনি রাউজান থানায় মামলা করেছেন।</p><p>রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ২৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ইউরোপিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফির সেরা ১০ ছবির গল্প
ইউরোপিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফির সেরা ১০ ছবির গল্প

<p>কোথাও বাদুড়ের ঘুমন্ত আস্তানায় ছত্রাকের অদ্ভুত জগৎ, কোথাও ফুল তুলতে ব্যস্ত হাতি। কোনো ছবিতে ভালুকের অপ্রত্যাশিত কাণ্ড, কোনোটি আবার মনে করিয়ে দেয় মানুষের কারণেই বন্য প্রাণীদের জীবন কতটা ঝুঁকির মুখে। চলুন, একনজরে দেখা যাক ২০২৬ সালের ইউরোপিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার সেরা দশ ছবি।</p><p>প্রকৃতিতে ভালো ছবি তুলতে শুধু দামি ক্যামেরা থাকলেই চলে না, মাঝেমধ্যে অপেক্ষা করতে হয় বছরের পর বছর। কখনো একই জায়গায় ক্যামেরা হাতে বসে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আবার কখনো চোখের সামনে ঘটে যায় এমন কিছু, যার জন্য আলোকচিত্রী মোটেই প্রস্তুত ছিলেন না। সেই মুহূর্তটি ধরে রাখতে পারলেই তৈরি হয় অসাধারণ ছবি।</p><p>জার্মান সোসাইটি ফর নেচার ফটোগ্রাফির আয়োজনে এ বছর ইউরোপিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার প্রতিযোগিতার ২৬তম আসর বসেছে। ৪৬টি দেশের আলোকচিত্রীরা জমা দিয়েছেন ২৬ হাজারের বেশি ছবি। সেখান থেকে নয়টি বিভাগ ও দুটি বিশেষ বিভাগে ১০৭টি ছবিকে বিজয়ী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।</p><p>নির্বাচিত ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বন্য প্রাণীর বিচিত্র আচরণ, প্রকৃতির ক্ষুদ্র বিস্ময় এবং মানুষের সঙ্গে বন্য প্রাণীদের সম্পর্কের নানা দিক। চলুন, ছবিগুলোর পেছনের গল্প জানা যাক।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/nthn2rsdkd">বন্যপ্রাণীর বিরল ছবি তুলে সেরা আলোকচিত্রের পুরস্কার পেলেন যারা, আছেন একজন বাংলাদেশিও</a></aside><h3>১. বাদুড়ের গোপন জগৎ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/tduxd3y5/1.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> ইমরে পোটিও, হাঙ্গেরি</p><p>হাঙ্গেরির বোরজোনি পাহাড়ের একটি পরিত্যক্ত খনির সুড়ঙ্গে ঘুমিয়ে আছে বেশ কিছু বাদুড়। তাদের নিচে জমে থাকা বাদুড়ের বিষ্ঠার ওপর জন্মেছে সাদা রঙের ক্ষুদ্র ছত্রাক। সামনে ছত্রাক, পেছনে অন্ধকারে ঝুলে থাকা বাদুড়ের এই দৃশ্যই ছবিটিকে দিয়েছে এক রহস্যময় রূপ।</p><p>হাঙ্গেরির আলোকচিত্রী ইমরে পোটিও ১৩ বছর ধরে ওই খনির সুড়ঙ্গে শীতনিদ্রায় থাকা বাদুড়ের ছবি তুলছেন। এত দিন একই জায়গায় যাতায়াত করেও এমন দৃশ্য তাঁর চোখে পড়েনি। শীতনিদ্রার মধ্যেও ছোট নাকের এই বাদুড় (<em>Rhinolophus hipposideros</em>) মাঝেমধ্যে জেগে উঠে উড়ে যাওয়া পোকামাকড় শিকার করে। এ সময় তাদের বিষ্ঠা জমতে জমতে মাটিতে কালচে স্তর তৈরি হয়। আর সেই স্তরেই জন্ম নেয় একধরনের ক্ষুদ্র ছত্রাক।</p><p>পোটিও টর্চের আলোয় ছত্রাকটির উপস্থিতি দেখতে পান। এরপর ছবি তুলতে ব্যবহার করেন ম্যাক্রো লেন্স। ছবির সামনের অংশে ছত্রাককে স্পষ্ট রেখে পেছনে বাদুড়গুলোকেও দৃশ্যমান করেছেন তিনি। দীর্ঘ এক্সপোজার ও ফোকাস বদলের কৌশলে তোলা ছবিটি ধারণ করতে গিয়ে প্রাণীগুলোকে কোনোভাবে বিরক্ত করা হয়নি।</p><p>সবচেয়ে ছোট একটি ছত্রাকও যে এত বড় বিস্ময় হয়ে উঠতে পারে, ছবিটি তারই প্রমাণ। প্রতিযোগিতার ২৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উদ্ভিদ ও ছত্রাক বিভাগের একটি ছবি সামগ্রিকভাবে সেরা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/ovhx20ftrm">ছবিতে ভোট দিয়ে ৮০ হাজার টাকা জেতার সুযোগ</a></aside><h3>২. পালক নিয়ে খেলা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/ak7onxkd/2.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> হেনলি স্পিয়ার্স, যুক্তরাজ্য</p><p>মেক্সিকোর এসপিরিতু সান্তো দ্বীপপুঞ্জের অগভীর পানিতে একটি ছোট সামুদ্রিক সিংহ পালক নিয়ে খেলছে। এমন দৃশ্য দেখলে মনে হতে পারে, প্রাণীটি নিছক আনন্দ করার জন্যই খেলছে। কিন্তু ছোট সামুদ্রিক সিংহের জীবনে খেলার গুরুত্ব আরও বেশি।</p><p>বড় সামুদ্রিক সিংহেরা খাবারের খোঁজে গভীর পানিতে ডুব দিতে পারে, কখনো কয়েক দিন ধরে শিকারও করে। কিন্তু বাচ্চাদের শরীরে তখনো সেই শক্তি ও সহ্যক্ষমতা তৈরি হয়নি। তাই তাদের বড়দের সঙ্গে দূরের শিকারে যাওয়া সম্ভব হয় না। উপনিবেশের কাছাকাছি থেকেই তারা বেড়ে ওঠে। খেলা আর ছোটাছুটির মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে নিজেদের শরীর ও দক্ষতা গড়ে তোলে। বড় হলে শিকার করা থেকে শুরু করে পানিতে চলাফেরা করতে সেই অনুশীলন কাজে লাগে।</p><p>তবে এই দ্বীপপুঞ্জের সামুদ্রিক সিংহদের জন্য বিপদও রয়েছে। সমুদ্রে পরিত্যক্ত মাছ ধরার জাল ও অন্যান্য সরঞ্জামে তারা আটকে যেতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলছে। তাই নিরাপদ পরিবেশে বাচ্চাদের বেড়ে ওঠা জরুরি।</p><p>ব্রিটিশ আলোকচিত্রী হেনলি স্পিয়ার্সের ছবিতে খেলতে থাকা প্রাণীটির মধ্যে তাই শুধু কৌতূহল নয়, ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার গল্পও রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/wjm1iwl6c1">প্রাণিজগতের অদ্ভুত ও মজার ৭ ছবি</a></aside><h3>৩. বর্জ্যের চুল্লিতে ভালুকের ঘুম</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/wl85whqi/3.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> পেত্র বাম্বোউশেক, চেক প্রজাতন্ত্র</p><p>থাইল্যান্ডের কেং ক্রাচান জাতীয় উদ্যানে গিয়ে চেক আলোকচিত্রী পেত্র বাম্বোউশেকের আশা ছিল, বুনো পরিবেশে একটি মালয়ান সূর্যভালুকের দেখা পাবেন। তাঁর সেই আশা পূরণ হয়েছিল ঠিকই, তবে ঘটনাটি ছিল তাঁর কল্পনারও বাইরে।</p><p>উদ্যানের দর্শনার্থী কেন্দ্রের কাছে একটি ভালুক প্রায়ই চলে আসত। বনরক্ষীদের রান্নাঘরের পেছনে খাবারের উচ্ছিষ্ট খুঁজত সে। এক দিন ভালুকটি উঠে পড়ে বর্জ্য পোড়ানোর চুল্লির ভেতর। সেখানে গিয়ে আবার ঘুমিয়েও পড়ে!</p><p>এখানেই দৃশ্যটির অদ্ভুত দিক। ভালুকটির বিচরণ করার জন্য উদ্যানের প্রায় তিন হাজার বর্গকিলোমিটার জায়গা রয়েছে। তা সত্ত্বেও মানুষের তৈরি একটি স্থাপনা তার বিশ্রামের জায়গা হয়ে উঠেছে। আলোকচিত্রীর চোখে বিষয়টি ছিল প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের তৈরি জগতের এক অদ্ভুত সংঘাত।</p><p>চুল্লির গায়ে নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানের নামও তাঁর নজরে আসে—ইভোলিউশন। এর অর্থ বিবর্তন। প্রকৃতির দীর্ঘ বিবর্তনে গড়ে ওঠা একটি প্রাণী ঘুমাচ্ছে মানুষের তৈরি বর্জ্য পোড়ানোর যন্ত্রের মধ্যে! নামটির সঙ্গে দৃশ্যের এই বৈপরীত্য ছবিটিকে দিয়েছে বাড়তি অর্থ। ছবিটি শুধু মজার একটি মুহূর্ত ধরে রাখেনি, মানুষের ফেলে দেওয়া খাবার কীভাবে বন্য প্রাণীদের আচরণ বদলে দিতে পারে, সেই প্রশ্নও সামনে এনেছে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/feature/v1h8vz80oh">ওয়ার্ল্ড নেচার ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫</a></aside><h3>৪. পরিত্যক্ত ঘরে নতুন বাসিন্দা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/mjmyfgxr/4.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> মার্ক জিগলে, সুইজারল্যান্ড</p><p>স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুইজারল্যান্ডের আলোকচিত্রী মার্ক জিগলে নিজের বাড়ির কাছেই একটি শিয়ালের মুখোমুখি হন। উভয়ই যেন অপ্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার পর তিনি বাড়ি ফিরে ক্যামেরা নিয়ে আসেন।</p><p>পরে জানা গেল, গ্রামের মাঝখানের একটি পরিত্যক্ত গোয়ালঘরে আশ্রয় নিয়েছে একটি মা শিয়াল ও তার চারটি বাচ্চা। এক দিন ঘরের দরজায় উঁকি দিয়ে বাইরে তাকাচ্ছিল দুটি শাবক। তাদের চোখেমুখে কৌতূহল। দুটি শাবক সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে। এই দৃশ্যই ক্যামেরায় ধরে রাখেন জিগলে।</p><p>কিন্তু এই নতুন প্রতিবেশীদের উপস্থিতি গ্রামের সবাই ভালোভাবে নেয়নি। গোয়ালঘরের মালিক শিয়ালগুলোর উপস্থিতিতে বিরক্ত হন। তিনি তাদের দিকে পাথর ছুড়ে তাড়িয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত পরিবারটিকে অন্য কোথাও নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে চলে যেতে হয়।</p><p>ছবিটির পেছনের গল্প এখানেই শেষ নয়। শিয়ালগুলো মানুষের বসতির মধ্যে এসেছিল বলে তারা যে মানুষের শত্রু, তা নয়। পরিত্যক্ত একটি ঘর তাদের কাছে নিরাপদ আশ্রয় বলে মনে হয়েছিল। অথচ মানুষের কাছে সেই জায়গাটিই ছিল অপ্রয়োজনীয় একটি পুরোনো স্থাপনা।</p><p>জিগলের ছবিটি মনে করিয়ে দেয়, শহর কিংবা গ্রামের আশপাশেও বন্য প্রাণীরা আমাদের সঙ্গে একই পৃথিবী ভাগ করে নেয়। তাদেরও নিরাপদে বাঁচার জায়গা দরকার।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/others/mp0sd2tj4u">পাখির চোখে পৃথিবী যেমন দেখায়</a></aside><h3>৫. শিকারী ভালুকের অপেক্ষা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/ivmov3k5/5.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> অডুন রিকার্ডসেন, নরওয়ে</p><p>উত্তর মেরু বা আর্কটিকের ঘন বরফের মধ্যে একটি শিকারি মেরুভালুক। বরফের নিচে একটি সিলের শ্বাস নেওয়ার গর্ত। এই গর্তের দিকেই তাকিয়ে আছে ভালুকটি, যেন বুঝতে চাইছে নিচে কী আছে। ছবিটি তোলার জন্য নরওয়ের আলোকচিত্রী অডুন রিকার্ডসেনকে দীর্ঘ প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল।</p><p>সিলের শ্বাস নেওয়ার গর্তের পাশে বরফে আরেকটি গর্ত তৈরি করে তিনি পানির নিচে ক্যামেরা বসান। বরফের ওপরে লাগান একটি গতিসংবেদী যন্ত্র, যাতে কোনো প্রাণী কাছে এলে ক্যামেরা চালু হয়। এরপর অপেক্ষা।</p><p>আট ঘণ্টা পর একটি মেরুভালুককে এগিয়ে আসতে দেখা যায়। ভালুকটি সোজা গর্তের কাছে চলে আসে। পানির ওপর তখন বরফের পাতলা স্তর তৈরি হয়েছে। ভালুকটি মাথা দিয়ে সেই স্তর সরিয়ে নিচের দিকে তাকায়। আর ঠিক তখনই তার চোখ পড়ে ক্যামেরার দিকে।</p><p>রিকার্ডসেনের বহুদিনের পরিকল্পনা করা ছবিটি এভাবেই ধরা পড়ে। কিন্তু এরপর ঘটে আরেক ঘটনা। ভালুকটি সেখানে শুয়ে প্রায় নয় ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকে। ফলে আলোকচিত্রীর পক্ষে তখনই ক্যামেরাটি তুলে আনা সম্ভব হয়নি। প্রাণীটি সরে যাওয়ার পর তিনি দ্রুত সেখানে গিয়ে ক্যামেরা উদ্ধার করেন।</p><p>ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল তাঁর কল্পনার সেই মুহূর্ত, অর্থাৎ শিকারির চোখ দিয়ে বরফের নিচের জগৎ দেখার সুযোগ। ছবির নামও যেন সেই পরিস্থিতির কথাই বলে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/la46fpp4n8">বাঘে কুমিরে যুদ্ধ: সনির চোখে বিশ্বসেরা ছবি </a></aside><h3>৬. উত্তাল খাদ্যাঞ্চল</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/134nia6d/6.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> হেনলি স্পিয়ার্স, যুক্তরাজ্য</p><p>গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের কালো আগ্নেয়শিলার ওপর রোদ পোহাতে দেখা যায় সামুদ্রিক ইগুয়ানাদের। দূর থেকে দেখলে তাদের শরীরের গড়ন কিছুটা ড্রাগনের মতোই মনে হতে পারে। তবে এই সরীসৃপেরা মূলত নিরীহ উদ্ভিদভোজী প্রাণী। এদের প্রধান খাবার সামুদ্রিক শৈবাল।</p><p>ব্রিটিশ আলোকচিত্রী হেনলি স্পিয়ার্স একটি ইগুয়ানার পিছু নিয়ে পানিতে নামেন। সেখানে তিনি দেখেন, প্রাণীটি প্রবল ঢেউয়ের মধ্যেও বেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তার শক্তিশালী লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করছে। একসময় পাথরের কাছে পৌঁছে ধারালো নখ দিয়ে সেটি শক্ত করে আঁকড়ে ধরে। এরপর শুরু হয় শৈবাল খাওয়া।</p><p>এদিকে পানির নিচে ছবি তুলতে গিয়ে ঢেউয়ে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন আলোকচিত্রী নিজেই। কিন্তু ইগুয়ানাটি যেন নিজের কাজে মগ্ন। ঢেউ তাকে এদিক-ওদিক ছুড়ে ফেলতে পারছিল না; সে পাথর আঁকড়ে ধরে ধীরে ধীরে খাবার সংগ্রহ করছিল।</p><p>সামুদ্রিক ইগুয়ানাদের জীবন সহজ নয়। রোদ পোহানো তাদের শরীর গরম রাখার জন্য জরুরি, কারণ সরীসৃপেরা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বাইরের তাপের ওপর নির্ভরশীল। আবার খাবারের খোঁজে নামতে হয় ঠান্ডা পানিতে। এই দুই পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েই তাদের বেঁচে থাকতে হয়।</p><p>ছবিতে প্রকৃতির সেই সংগ্রাম যেমন আছে, তেমনি আছে প্রাণীটির শান্ত, একাগ্র জীবনযাপনের দৃশ্য।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/b95wgi9n0a">ম্যানগ্রোভ ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫</a></aside><h3>৭. ফুলতোলা হাতি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/x7paye40/7.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> উইলিয়াম স্টিল, যুক্তরাজ্য</p><p>বোতসোয়ানার চোবে নদীর প্লাবিত ভূমি। চারদিকে অগভীর পানি, ভেসে আছে সাদা ও বেগুনি রঙের জলজ ফুল। সেই পানির মধ্যেই ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছে একটি আফ্রিকান হাতি। কখনো শুঁড় বাড়িয়ে একটি ফুল তুলছে, কখনো আরেকটি। দৃশ্যটি দেখে মনে হয়, হাতিটি যেন নিজের পছন্দমতো ফুল বেছে নিচ্ছে।</p><p>যুক্তরাজ্যের আলোকচিত্রী উইলিয়াম স্টিল ২০২৩ সালের বসন্তে এই ছবি তোলেন। ওই বছর আগে থেকেই পানি বেড়ে যাওয়ায় প্লাবনভূমিতে প্রচুর জলজ উদ্ভিদ ও ফুল জন্মেছিল। তিনি প্রতিদিন নৌকায় বের হতেন, আশা করতেন এমন কোনো প্রাণীর দেখা পাবেন, যে এই ভাসমান উদ্ভিদ খেতে আসবে।</p><p>এক বিকেলে সবকিছু যেন ঠিকঠাক মিলে গেল। হাতিটি অগভীর পানির মধ্য দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। নৌকার ভেতর শুয়ে প্রায় পানির সমতল থেকে ছবি তোলেন স্টিল। ফলে হাতিটিকে ঘিরে থাকা ফুল ও পানি ছবিতে আরও সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।</p><p>প্রতি বছর এপ্রিল থেকে মে মাসে অ্যাঙ্গোলা থেকে আসা বিপুল পানি চোবে নদীর প্লাবনভূমিতে ছড়িয়ে পড়ে। এই পানিই জলজ উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে। সেই মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে হাতির এই সাধারণ খাবার খোঁজার দৃশ্য মিলেই হয়ে উঠেছে অসাধারণ এক মুহূর্ত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/nreg9em01q">সনির চোখে প্রকৃতির বিশ্বসেরা ছবি</a></aside><h3>৮. মঞ্চ ছেড়ে প্রস্থান</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/wvnhm2u7/8.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> প্রীতি জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত</p><p>আলাস্কার লেক ক্লার্ক জাতীয় উদ্যানে কুয়াশার মধ্যে দিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে একটি গ্রিজলি ভালুক। পেছনে পড়ে আছে একটি পাখি, যেন সে দাঁড়িয়ে দেখছে মঞ্চের প্রধান চরিত্রের বিদায়। চারপাশের কুয়াশা আর ঝাপসা আলো দৃশ্যটিকে নাটকের মঞ্চের মতো করে তুলেছে।</p><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতের আলোকচিত্রী প্রীতি জন ছবিটি তোলার সময় এমন একটি ফ্রেম তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যেখানে প্রাণীগুলো ছবির ওপরের অংশে থাকবে। এতে নিচের বড় অংশজুড়ে থাকা আবছা পরিবেশকে মঞ্চের মতো মনে হয়। কুয়াশা হয়ে ওঠে পর্দা, আর দূরের ঝাপসা আলোগুলো দেখে মনে হয়, মঞ্চের আলো ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছে।</p><p>ছবিটির সৌন্দর্য শুধু ভালুকের উপস্থিতিতে নয়, তার চলে যাওয়ার ভঙ্গিতেও। প্রাণীটি পেছনে ফিরে তাকাচ্ছে না, থেমেও নেই। যেন তার কাজ শেষ; এবার মঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার পালা। আর পাখিটি রয়ে গেছে সেখানে, নীরব দর্শকের মতো।</p><p>প্রকৃতির ছবি তোলার সময় প্রাণীকে সব সময় বড় করে ফ্রেমে রাখতেই হবে, এমন নয়। কখনো চারপাশের পরিবেশই ছবির গল্প বলার সবচেয়ে বড় উপাদান হয়ে ওঠে। এই ছবিতে কুয়াশা, আলো, ফাঁকা জায়গা ও দুটি প্রাণীর অবস্থান মিলে সেই কাজটিই করেছে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/8lbqfvr660">ওশান ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার ২০২৫</a></aside><h3>৯. সোনালি ঈগলের জীবনাবসান</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/84mnrw25/9.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> অডুন রিকার্ডসেন, নরওয়ে।</p><p>নরওয়ের উপকূলের কাছে এক পাহাড়ে সোনালি ঈগলের একটি জুটি বাস করত। বহু বছর ধরে তাদের ছবি তুলেছেন আলোকচিত্রী অডুন রিকার্ডসেন। পাখি দুটিকে তিনি ভালোভাবেই চিনতেন। এক সকালে বাড়িতে কাজ করার সময় হঠাৎ প্রায় পাঁচ মিনিটের জন্য বিদ্যুৎ চলে যায়। তখন তিনি বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেননি।</p><p>কয়েক ঘণ্টা পর কুকুর নিয়ে হাঁটতে বের হয়ে বুঝতে পারলেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে ঈগলের মৃত্যুর সম্পর্ক থাকতে পারে। বাড়ির পেছনের বিদ্যুতের তারে ধাক্কা লেগে মারা গেছে পাখিটি। বড় ডানার কারণে বড় শিকারি পাখিরা কখনো একই সঙ্গে দুটি বিদ্যুতের তার ছুঁয়ে ফেলতে পারে। তখন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারানোর ঝুঁকি থাকে।</p><p>রিকার্ডসেনের কাছে ঘটনাটি বেদনাদায়ক ছিল। যে ঈগলকে তিনি বছরের পর বছর দেখেছেন, যার ছবি তুলেছেন, সেটিই মানুষের তৈরি অবকাঠামোর কারণে মারা গেল।</p><p>এই বিপদ শুধু নরওয়ের নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের তার বড় পাখিদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। ছবিটি সেই বিপদের কথাই সামনে আনে। উন্নয়ন মানুষের জীবন সহজ করে, কিন্তু পরিকল্পনায় বন্য প্রাণীদের কথা বিবেচনা না করলে তার মূল্য দিতে হয় প্রকৃতিকেও।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/ampstories/biology/wfjlzpa5a1">বার্ড ফটোগ্রাফ অব দ্য ইয়ার ২০২৫</a></aside><h3>১০. হেল্পিং হ্যান্ডস</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/ogmbw5h4/10.png"></figure><p><strong>আলোকচিত্রী:</strong> লুকাস শেফার, ইতালি</p><p>প্রজনন মৌসুমে পুরুষ ক্যাপারকেইলি পাখির আচরণ বদলে যেতে পারে। তখন তারা কখনো মানুষকেও প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে বসে। ইতালির আলোকচিত্রী লুকাস শেফারের বাড়ির কাছে একটি স্কি রিসোর্টে এমনই এক পাখি প্রতিদিন ঢালের ওপর এসে নিজের জায়গা দখল করে বসত। সেখানে পাখিটা ডাকাডাকিও করত।</p><p>পাখিটি স্থানীয় মানুষের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে ওঠে। অনেকে ওকে দেখতে আসতেন, ছবি তুলতেন, এমনকি সংবাদমাধ্যমেও এই পাখির কথা প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু এক দিন সেখানে স্কি প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হলো। পাখিটি ঠিক প্রতিযোগিতার পথের মাঝখানে এসে নিজের প্রদর্শন শুরু করে দিল। জায়গাটি তার জন্য নিরাপদ ছিল না।</p><p>এ সময় কয়েকজন মানুষ এগিয়ে আসেন। পাখিটিকে আঘাত না করে ধীরে ধীরে সরিয়ে নিরাপত্তাবেষ্টনীর পেছনে নিয়ে যান, যাতে স্কি করতে থাকা কেউ তার গায়ে ধাক্কা না দেন। তবে গল্পের পরের অংশ দুঃখজনক। এক বছর পর একই পাখি একজন স্কিয়ারের চোখে না পড়ায় দুর্ঘটনাবশত মারা যায়।</p><p>ছবিটির গল্পে তাই মানুষের দুই ধরনের আচরণ দেখা যায়। কেউ বন্য প্রাণীর নিরাপত্তার কথা ভাবেন, আবার কেউ অসাবধানতায় তাদের বিপদের মুখে ঠেলে দেন। প্রাণীটির জীবন বাঁচানোর জন্য সেদিন যারা এগিয়ে এসেছিলেন, তাঁদের ছোট্ট উদ্যোগই ছবিটিকে আলাদা অর্থ দিয়েছে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/feature/4potfn23gg">আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার</a></aside>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত 'অর্ণব'
অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত 'অর্ণব'

অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট 'অর্ণব'। এদিকে, হাম ও উপসর্গে বাংলাদেশে আরো সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
'বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে এই ভুক্তভোগী' বলা ময়মনসিংহের নারী ব্যবসায়ী কারাগারে
'বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে এই ভুক্তভোগী' বলা ময়মনসিংহের নারী ব্যবসায়ী কারাগারে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে বিএনপি সরকার ও বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পর ময়মনসিংহে একজন নারী ব্যবসায়ীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
মাও জেদংকে নিয়ে রসিকতার জন্য ক্ষমা চাইলেন এমবাপ্পে
মাও জেদংকে নিয়ে রসিকতার জন্য ক্ষমা চাইলেন এমবাপ্পে

২০২৪ সালের অগাস্টে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে অভিষেক হওয়া এমবাপ্পেকে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবল কার্যক্রমের ওপর তার প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের কারণে ফুটবল বিশ্বে 'দ্য ডিকটেটর' বা 'স্বৈরশাসক' ডাকনাম দেওয়া হয়।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট কে?
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট কে?

ইসরায়েলের সাবেক সামরিক কমান্ডার গাদি আইজেনকোট দেশটির সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কেবল রাজনৈতিক কারণই নয়, নেতানিয়াহুর বিরোধিতায় তার ব্যক্তিগত কারণও রয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর ট্রাইব্যুনালে লক্ষ লক্ষ আবেদন ছয় মাস পরও ঝুলে আছে কেন- একজন বিচারকের ব্যাখ্যা
পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর ট্রাইব্যুনালে লক্ষ লক্ষ আবেদন ছয় মাস পরও ঝুলে আছে কেন- একজন বিচারকের ব্যাখ্যা

কয়েক দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালের একজন বিচারকের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি, আবেদনকারীদের ভোটাধিকার নতুন করে যাচাইয়ের জটিল প্রক্রিয়া নিয়ে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি যা বলেছেন, তা এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
পত্রিকা: 'প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ'লীগপন্থী কর্মকর্তারা'
পত্রিকা: 'প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ'লীগপন্থী কর্মকর্তারা'

ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে আওআমী লীগের ষড়যন্ত্র ও অর্থায়নের বিনিময়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে পদায়ন চলছে বলে অভিযোগ, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক - ঢাকা থেকে প্রকাশিত মঙ্গলবারের সংবাদপত্রে গুরুত্ব পেয়েছে এসব খবর।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ছাত্র আন্দোলন কীভাবে সার্বিয়ার ভুচিচের ১৪ বছরের ক্ষমতার পতন ঘটাল
ছাত্র আন্দোলন কীভাবে সার্বিয়ার ভুচিচের ১৪ বছরের ক্ষমতার পতন ঘটাল

দুই বছরেরও কম সময়ে ছাত্ররা আলেকজান্ডার ভুচিচের ১৪ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য ভেঙে ফেলতে সফল হয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
'ক্রসফায়ার' নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন 'ব্যাখ্যা' দিতে হলো পুলিশকে?
'ক্রসফায়ার' নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন 'ব্যাখ্যা' দিতে হলো পুলিশকে?

আইজিপির 'ক্রসফায়ার' নিয়ে মন্তব্যের পর এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোও। আইজিপিকে জবাবদিহি করা ও তার অপসারণের দাবিও উঠেছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: এমপিপুত্র মিন্টু ৩ দিনের রিমান্ডে
ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: এমপিপুত্র মিন্টু ৩ দিনের রিমান্ডে

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে রাবির বিভাগীয় সভাপতিকে হেনস্তার অভিযোগ
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে রাবির বিভাগীয় সভাপতিকে হেনস্তার অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উর্দু বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলামকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা বুলবুল রহমানের বিরুদ্ধে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
৩৫ বছর পেরোলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া যাবে না
৩৫ বছর পেরোলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া যাবে না

‘আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ প্রসঙ্গে’ শিরোনামের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
শরীয়তপুরে যুবদলের কমিটিতে হাইব্রিড নেতা ঢুকলে নজরুল পদত্যাগ করবেন
শরীয়তপুরে যুবদলের কমিটিতে হাইব্রিড নেতা ঢুকলে নজরুল পদত্যাগ করবেন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের শরীয়তপুরে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কোনো ‘হাইব্রিড নেতা’ স্থান পেলে দল থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মৃধা নজরুল কবীর। 

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
মেয়াদ শেষ হলেও হয়নি শপথ, এক দশক ধরে অকার্যকর রাবির সিনেট
মেয়াদ শেষ হলেও হয়নি শপথ, এক দশক ধরে অকার্যকর রাবির সিনেট

দীর্ঘ ৩৫ বছরের অচলবস্থা কাটিয়ে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
শেকৃবির গবেষণা মাঠ উদ্ধারে প্রশাসনকে ৩ দিনের আল্টিমেটাম
শেকৃবির গবেষণা মাঠ উদ্ধারে প্রশাসনকে ৩ দিনের আল্টিমেটাম

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গবেষণা মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ডাক্তারদের অবহেলায় যেন কারো ক্ষতি না হয়: টুকু
ডাক্তারদের অবহেলায় যেন কারো ক্ষতি না হয়: টুকু

চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে কোনো রোগী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
বাসা ছেড়েছে পরিবার, শাহজালাল রুমির অবস্থান অজানা
বাসা ছেড়েছে পরিবার, শাহজালাল রুমির অবস্থান অজানা

গাজীপুরের টঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে পিটিয়ে আলোচনায় আসা শাহজালাল রুমির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার পরিবারের সদস্যরা বাসা ছেড়ে চলে যাওয়ায় এবং তিনি দেশ ছেড়েছেন বলে নিজেই বার্তা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬