জাতীয়

অধিনায়কত্ব ছাড়তে চান জ্যোতি

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
অধিনায়কত্ব ছাড়তে চান জ্যোতি
অধিনায়কত্ব ছাড়তে চান জ্যোতি

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অধিনায়কত্ব ছাড়ার জন্য বিসিবিকে মেইল দিয়েছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। আসন্ন এশিয়ান গেমসের পর এই ফরম্যাটে আর অধিনায়কত্ব করতে চান না তিনি। নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু জাগো নিউজকে এটি নিশ্চিত করেছেন।

বাবু বলেন, ‘আমি এখনো মেইল দেখিনি। আমাদের উইমেন্সের ম্যানেজার জানালো, ওর (জ্যোতি) মেইলে এমন কিছু আছে। এই মূহূর্তে এর বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না। আমাকে দেখতে হবে।’

২০২২ সাল থেকে টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করছিলেন জ্যোতি। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে ১৩২ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন জ্যোতি, এর ৮০ ম্যাচেই অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি।

অধিনায়ক হিসেবে ৮০ ম্যাচে ১৩ ফিফটিতে ১৮৫১ রান করেছেন জ্যোতি। সবমিলিয়ে ১৩২ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ১৩ ফিফটি আর ১ সেঞ্চুরিতে ২৭০৯ রান আছে তার। 

জ্যোতির অধীনে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে হারায় টাইগ্রেসরা, যেটা এই ফরম্যাটের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম জয়।  টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে এটাই তার সবচেয়ে বড় সাফল্য। 

সাম্প্রতিক সময়ে সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছিল না জ্যোতির। গেলো এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক হিসেবে জ্যোতিও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৪ ম্যাচে ব্যাট হাতে করেছেন মাত্র ৫৬ রান, সর্বোচ্চ ২৩ রান গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে। 

এছাড়া অধিনায়ক হিসেবে নানামুখী সমালোচনার মুখেও ছিলেন জ্যোতি। দলে সিন্ডিকেট তৈরি করা, নিজের বলয়ের বাইরে গেলে নানা হয়রানির অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

এশিয়ান গেমসের পর পুরো দলের পারফর্ম্যান্স ও জ্যোতিকে নিয়ে আলোচনার কথা বলেছিল বিসিবি। তবে তার আগেই জ্যোতি জানিয়ে দিলেন, তিনি টি-টোয়েন্টিতে আর অধিনায়কত্ব করতে চান না।

এসকেডি/এমএমআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে যা বললো ভারত
তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে যা বললো ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ)। একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য, আর অন্যটি বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এমইএর সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান। ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে আদৌ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল কি না—এ নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে এই ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। দুটি পৃথক আমন্ত্রণ রণধীর জয়সওয়াল দাবি করেন, বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীকে প্রথমে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে ব্রিকস সম্মেলনের জন্যও আমন্ত্রণ জানানো হয়। আরও পড়ুন মোদী কি ট্রাম্পকে সরিয়ে শি জিনপিং-পুতিনের হাত ধরেছেন? বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য কিংবা অংশীদার দেশ নয়। তবে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। দিল্লিতে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। এতে সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন আমন্ত্রিত দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া এমএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সেলুনে কাটাচ্ছিলেন চুল, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি, চাপাতি দিয়ে কোপ

সেলুনে কাটাচ্ছিলেন চুল, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি, চাপাতি দিয়ে কোপ

জুলাই শহীদের তালিকা থেকে শাহিদুল আলমের গেজেট বাতিল

জুলাই শহীদের তালিকা থেকে শাহিদুল আলমের গেজেট বাতিল

২০০৩ সাফ, ২০১০ এসএ গেমস স্বর্ণজয়ী দলের জন্য আসছে বড় পুরস্কারের ঘোষণা!

২০০৩ সাফ, ২০১০ এসএ গেমস স্বর্ণজয়ী দলের জন্য আসছে বড় পুরস্কারের ঘোষণা!

কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসি: সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামীপন্থিদের মৌন প্রতিবাদ
কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসি: সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামীপন্থিদের মৌন প্রতিবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে ‘মৌন প্রতিবাদ’ করেছেন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের অ্যাডভোকেট লাউঞ্জের সামনে একদল আওয়ামীপন্থি আইনজীবী জড়ো হয়ে এ প্রতিবাদ জানান। এসময় সম্মিলিত কোনো স্লোগান দিতে শোনা না গেলেও কয়েকজন আইনজীবীকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে শোনা যায়। প্রতিবাদকারী আইনজীবী শেখ গোলাম কিবরিয়া জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের প্রতিবাদ জানাতেই তারা জড়ো হয়েছিলেন। আরও পড়ুন আমরা এই রায়ে শুকরিয়া আদায় করছি: চিফ প্রসিকিউটর তিনি বলেন, আজকে আইসিটি ট্রাইব্যুনালের যে রায় হয়েছে, সেই রায়ের প্রতিবাদস্বরূপ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে যে ফাঁসির অর্ডার করেছে, এটার প্রতিবাদস্বরূপ আমরা সবাই জড়ো হয়েছিলাম। রায়টা প্রত্যাখ্যান করে আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। তাৎক্ষণিক একটা প্রতিবাদ জানিয়েছি। ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে গোলাম কিবরিয়া বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের এই মিথ্যা মামলায় প্রহসনের রায় দিয়েছে, যেটা আমরা প্রত্যাখ্যান করে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছি। মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। সাত আসামির প্রত্যেকের বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব অভিযোগের মধ্যে বিভিন্ন ধারায় তাদের মৃত্যুদণ্ড ও আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাত আসামির সবাই পলাতক। এফএইচ/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
একটা গুমের অভিযোগ এসেছে, সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত চলছে: বাগেরহাটে আইনমন্ত্রী

একটা গুমের অভিযোগ এসেছে, সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত চলছে: বাগেরহাটে আইনমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের দুর্নীতির কারণে ছয় মাসের মাথায় জনগণ বিদ্যুৎ পায় না

বিএনপি সরকারের দুর্নীতির কারণে ছয় মাসের মাথায় জনগণ বিদ্যুৎ পায় না

পটকা মাছের তরকারি খাওয়ার পর একজনের মৃত্যু, অসুস্থ ৪

পটকা মাছের তরকারি খাওয়ার পর একজনের মৃত্যু, অসুস্থ ৪

জনগণের স্বার্থে-অধিকার প্রতিষ্ঠায় লং মার্চ: আব্দুল হালিম
জনগণের স্বার্থে-অধিকার প্রতিষ্ঠায় লং মার্চ: আব্দুল হালিম

জনগণের স্বার্থে ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১১ দলীয় ঐক্য লং মার্চ কর্মসূচি পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম।  মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-রংপুর লং মার্চের সমাপনী সমাবেশস্থল রংপুর জিলা স্কুল মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। আব্দুল হালিম বলেন, আমরা যেসব দাবিতে লং মার্চ করছি এটি জামায়াতের কোনো দাবি নয়, এটি জনগণের দাবি। আরও পড়ুন সড়কের মোড়ে কাফনের কাপড়ের পুটলি, পাশে জ্বলছিল মোমবাতি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা ভালো হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গণরায় বাস্তবায়ন হলে দলীয়করণ বন্ধ হবে, সুশাসন নিশ্চিত হবে। জুলাই অভ্যূত্থানে ছাত্র-জনতা যে লক্ষ্যে আত্মত্যাগ করেছিল তা বাস্তবায়ন হবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে।   আব্দুল হালিম বলেন, তিস্তাপারের মানুষের স্বার্থ ও অধিকার বাস্তবায়নের জন্য আমরা আন্দোলন করছি। সরকার এ বিষয়ে আগ্রহী হয়েছিল। কিন্তু কোনো পরোক্ষ শক্তির কারণে সরকারের সেই উদ্যোগ থেমে গেলে আমরা কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবো।  গণমানুষের দাবির আন্দোলনে চট্টগ্রামের চেয়ে রংপুরে বেশি পরিমান মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করেন জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা। এদিকে, গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা-রংপুর লং মার্চের প্রস্তুতি ও সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে সকালে নগরীর শাপলা চত্বরে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে লং মার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লং মার্চ কর্মসূচি পালন করবে ১১ দলীয় ঐক্য। এ লক্ষ্যে মাঠে কাজ করছে জোটের রংপুরের নেতাকর্মীরা।  জিতু কবীর/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
আর্থিক প্রতিবেদন-পেনশন ব্যবস্থাপনায় দুই কর্মকর্তাকে ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ

আর্থিক প্রতিবেদন-পেনশন ব্যবস্থাপনায় দুই কর্মকর্তাকে ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ

বাব আল-মানদেবের নিয়ন্ত্রণে হুতিরা, আফ্রিকায় বাড়ছে উদ্বেগ

বাব আল-মানদেবের নিয়ন্ত্রণে হুতিরা, আফ্রিকায় বাড়ছে উদ্বেগ

শ্রমিক দলের কার্যালয়সহ অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো বিআইডব্লিউটিএ

শ্রমিক দলের কার্যালয়সহ অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো বিআইডব্লিউটিএ

0 Comments