জাতীয়

মাউথ টেপিং: ঘুমের সময় মুখে টেপ লাগানোর এই অদ্ভুত ট্রেন্ড কি উপকারী নাকি ঝুঁকিপূর্ণ?

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
মাউথ টেপিং: ঘুমের সময় মুখে টেপ লাগানোর এই অদ্ভুত ট্রেন্ড কি উপকারী নাকি ঝুঁকিপূর্ণ?
মাউথ টেপিং: ঘুমের সময় মুখে টেপ লাগানোর এই অদ্ভুত ট্রেন্ড কি উপকারী নাকি ঝুঁকিপূর্ণ?

তারকা ফুটবলার আর্লিং হলান্ডও ঘুমানোর সময় এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন, এমন খবর প্রকাশের পর বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো, ঘুমের সময় মুখে টেপ লাগানোর এই অদ্ভুত ট্রেন্ড 'মাউথ টেপিং' কি উপকারী নাকি ঝুঁকিপূর্ণ?

নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘মাউথ টেপিং’। ঘুমানোর আগে ঠোঁটে ছোট এক টুকরা টেপ লাগিয়ে ঘুমানোই এই পদ্ধতি। দাবি করা হয়, এতে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস কমে, নাক ডাকা কমে এবং ঘুমের মান ভালো হয়। এমনকি কেউ কেউ মনে করেন, নিয়মিত মাউথ টেপিংয়ে বদলে যেতে পারে মুখের গড়ন বা চোয়ালের আকৃতিও।

আর্লিং হলান্ডও ঘুমানোর সময় এমন পদ্ধতি অনুসরণ করেন—এমন খবর প্রকাশের পর বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে

তারকা ফুটবলার আর্লিং হলান্ডও ঘুমানোর সময় এমন পদ্ধতি অনুসরণ করেন—এমন খবর প্রকাশের পর বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব দাবির কতটা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া উপকারী হলেও ঘুমানোর সময় ঠোঁটে টেপ লাগানো সবার জন্য নিরাপদ বা কার্যকর, এমন প্রমাণ এখনো যথেষ্ট নেই।

নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ঘুমের সময় নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া শরীরের স্বাভাবিক ও উপকারী প্রক্রিয়া। নাক দিয়ে প্রবেশের সময় বাতাস আর্দ্র ও পরিশোধিত হয়। ফলে শ্বাসতন্ত্রে পৌঁছানোর আগে নাক বাতাসকে অনেকটাই প্রস্তুত করে নেয়। যাঁরা অভ্যাসগতভাবে মুখ দিয়ে শ্বাস নেন—বিশেষ করে নাক বন্ধ থাকা বা অন্য কোনো কারণে যাদের এ অভ্যাস তৈরি হয়েছে—তাঁদের ক্ষেত্রে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।

ঠোঁটে টেপ লাগিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ কমিয়ে দেওয়া হয়, যাতে ঘুমের সময় নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া হয়

মাউথ টেপিংয়ের ধারণাটিও মূলত এখান থেকেই এসেছে। ঠোঁটে টেপ লাগিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ কমিয়ে দেওয়া হয়, যাতে ঘুমের সময় নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া হয়।কিন্তু নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া উপকারী—এ কথা থেকে এমনটা বলা যায় না যে ঠোঁটে টেপ লাগিয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য করাও সবার জন্য উপকারী।

মাউথ টেপিং নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ কতটা শক্ত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার উপকারিতা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা থাকলেও শুধু মাউথ টেপিং ঘুমের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে, এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো সীমিত।

শুধু মাউথ টেপিং ঘুমের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে, এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো সীমিত

নাক দিয়ে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়া এবং ঠোঁটে টেপ লাগিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার পথ বন্ধ করে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য করা—দুটি বিষয় এক নয়। এখন পর্যন্ত যেসব গবেষণা হয়েছে, তার বড় অংশ নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে। মুখ বন্ধ রাখার জন্য টেপ ব্যবহারের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা তুলনামূলকভাবে কম। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাউথ টেপিংকে নিশ্চিতভাবে ভালো ঘুমের সমাধান হিসেবে তুলে ধরা ঠিক নয়।

নাক বন্ধ থাকলে হতে পারে বিপদ

মাউথ টেপিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হলো নাক দিয়ে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না করা। কারও যদি দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকে, নাকের ভেতরে কোনো বাধা থাকে, অ্যালার্জির সমস্যা থাকে অথবা অন্য কোনো কারণে নাক দিয়ে সহজে শ্বাস নিতে না পারেন, তাহলে ঘুমের সময় মুখ বন্ধ করে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

মাউথ টেপিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হলো নাক দিয়ে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না করা

কারণ ঘুমের মধ্যে নাক হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া শরীরের একটি স্বাভাবিক বিকল্প ব্যবস্থা। ঠোঁটে টেপ লাগানো থাকলে সেই বিকল্প পথটিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে ভালো ঘুমের জন্য ব্যবহার করা পদ্ধতিই উল্টো ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

নাক ডাকা বন্ধ করতে মুখে টেপ?

মাউথ টেপিং জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ নাক ডাকা। অনেকের ধারণা, মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া বন্ধ করতে পারলে নাক ডাকাও কমবে। কিন্তু নাক ডাকা সব সময় সাধারণ কোনো অভ্যাস নয়। কখনো কখনো এটি ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া থাকলে শুধু মুখে টেপ লাগিয়ে নাক ডাকা বন্ধ করার চেষ্টা করা উচিত নয়। স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন ক্ষেত্রে মাউথ টেপিং মূল সমস্যাটিকে আড়াল করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে দেরি হতে পারে।

মুখের গড়ন বদলানোর দাবি কতটা সত্য?

মাউথ টেপিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি দাবি বেশ জনপ্রিয়—এতে নাকি চোয়ালের আকৃতি বা মুখের সৌন্দর্যে পরিবর্তন আসে। তবে এই দাবির পক্ষে বিশ্বাসযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। শুধু ঘুমানোর সময় ঠোঁটে টেপ লাগানোর মাধ্যমে মুখের গড়ন বদলে যাবে বা চোয়ালের আকৃতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে—এমন ধারণাকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত বলা যায় না। ওয়েলনেস ট্রেন্ড হিসেবে কোনো পদ্ধতি জনপ্রিয় হলেই তার সঙ্গে যুক্ত সব দাবি সত্যি হয়ে যায় না। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার চেয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

বলা হয়, মাউথ টেপিং করলে নাকি চোয়ালের আকৃতি বা মুখের সৌন্দর্যে পরিবর্তন আসে

কারা মাউথ টেপিং এড়িয়ে চলবেন?

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী, নিচের সমস্যাগুলো থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাউথ টেপিং করা উচিত নয়—

স্লিপ অ্যাপনিয়া রয়েছে বা এ সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা আছে

দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকে

অ্যালার্জির কারণে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়

নাকের ভেতরে বাতাস চলাচলে বাধা রয়েছে

অন্য কোনো কারণে স্বাভাবিকভাবে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়

এসব ক্ষেত্রে নিজের মতো করে মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমানোর বদলে প্রথমে সমস্যাটির কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।

তাহলে মাউথ টেপিং কি একেবারেই নয়?

মাউথ টেপিংকে একেবারে অকার্যকর বলা যেমন ঠিক নয়, তেমনি এটিকে সবার জন্য নিরাপদ ও প্রমাণিত ঘুমের সমাধান ভাবাও ঠিক নয়। আপনি যদি নিয়মিত মুখ দিয়ে শ্বাস নেন, নাক ডাকেন কিংবা ঘুম থেকে উঠে ক্লান্ত বোধ করেন, তাহলে প্রথমে বোঝা দরকার এর পেছনে কোনো শারীরিক কারণ আছে কি না। নাক বন্ধ থাকা, অ্যালার্জি, নাকের ভেতরের গঠনগত সমস্যা কিংবা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো কারণ থাকলে সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

মাউথ টেপিংকে অকার্যকর বলা যেমন ঠিক নয়, তেমনি এটিকে সবার জন্য নিরাপদ ভাবাও ঠিক নয়

ভালো ঘুমের জন্য তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় কোনো কৌশল অনুসরণ করার আগে নিজের শরীরের সংকেত বোঝা জরুরি। মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমানো দেখতে সহজ একটি ওয়েলনেস কৌশল হতে পারে। কিন্তু শ্বাস নেওয়ার মতো মৌলিক একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ‘ট্রেন্ডি’ হওয়ার চেয়ে নিরাপদ থাকাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ছবি: ইন্সটাগ্রাম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচির ২৫ বছরের কারাদণ্ড
যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচির ২৫ বছরের কারাদণ্ড

কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল। ১৯৯০-এর দশকের শেষভাগে সার্বিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তিনি যুদ্ধাপরাধ, নির্যাতন ও বেআইনি আটকের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ। বুধবার নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত ‘কসোভো স্পেশালিস্ট চেম্বার্স’ (কেএসসি) এই রায় ঘোষণা করে। বিচারক চার্লস স্মিথ রায়টি পড়ার সময় ৫৮ বছর বয়সী হাশিমকে আদালতে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে তিনি শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।আদালতের দেওয়া রায়ে বলা হয়, ১৯৯৮-৯৯ সালের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সময় কসোভো লিবারেশন আর্মির (কেএলএ) শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কমান্ডার হিসেবে থাচি নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সার্বীয় বাহিনীর তথাকথিত সহযোগীদের ওপর নির্যাতন, বেআইনি আটক ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। যুদ্ধ চলাকালে কেএলএ বাহিনীর হাতে অন্তত ৯৬ জন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও বেসামরিক নাগরিক হত্যার জন্য তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।আলোচিত এই মামলায় থাচির পাশাপাশি কেএলএ-এর আরও তিন শীর্ষ অধিনায়ককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কেএলএ-এর সাবেক অধিনায়ক ইয়াকুপ ক্রাসনিকিকে ২৫ বছর, কাদ্রি ভেসেলিকে ১৮ বছর এবং রেঝেপ সেলিমিকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে বিচারকেরা উল্লেখ করেন, প্রসিকিউশন পক্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্য ছয়টি অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণ করতে না পারায় তাঁদের সেসব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ পাবেন।হাশিম থাচির খালাসের দাবিতে কসোভোর আলবেনীয়দের সমাবেশ। রাজধানী প্রিস্টিনা, ১৬ সেপ্টেম্বর’২৬এই রায়কে কেন্দ্র করে কসোভো এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কসোভোর সংখ্যাগরিষ্ঠ আলবেনীয় জনগোষ্ঠী থাচি ও কেএলএ-কে স্বাধীনতার অন্যতম বীর হিসেবে গণ্য করে। রায়ের পর রাজধানী প্রিস্টিনায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে রায় প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ করে।কসোভোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্লাউক কোনজুফকা এই রায়কে ‘ভয়াবহ এবং কসোভোর জন্য চরম ক্ষতিকর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এদি রামা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেগের একটি ছবির পাশে আলবেনীয় শব্দ ‘মারে’ (লজ্জা) লিখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।বিপরীতে সার্বিয়া এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। সার্বিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ইভিকা দাচিচ বলেন, ‘এই রায় প্রমাণ করে যে কেএলএ একটি অপরাধী সংগঠন ছিল। নিহত সার্বিয়ানদের গণকবরের ওপর কোনো দেশ গড়ে উঠতে পারে না।’উল্লেখ্য, হাশিম থাচি কসোভোর স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক আদালত তাঁকে অভিযুক্ত করার পরপরই তিনি পদত্যাগ করে হেগে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
জ্বালানিসংকটে দেশে দেশে ক্ষোভ

জ্বালানিসংকটে দেশে দেশে ক্ষোভ

পৃথিবীর নতুন মানচিত্র নিয়ে আপত্তি

পৃথিবীর নতুন মানচিত্র নিয়ে আপত্তি

যেভাবে ঘৃণা রূপ নিল ভালোবাসায়

যেভাবে ঘৃণা রূপ নিল ভালোবাসায়

সাগরে নৌজাহাজের ধাক্কা, কূটনীতিক তলব ভারত ও পাকিস্তানের
সাগরে নৌজাহাজের ধাক্কা, কূটনীতিক তলব ভারত ও পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক জলসীমায় পাকিস্তান ও ভারতের দুটি যুদ্ধজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে বুধবার দুই দেশই একে অপরের শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করেছে। গত বছরের চার দিনের সামরিক সংঘাতের পর পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে এটিই প্রথম প্রকাশ্যে আসা নতুন উত্তেজনা।গত মঙ্গলবার উত্তর আরব সাগরে ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার জন্য দেশ দুটি একে অপরকে দায়ী করছে।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানি নৌজাহাজের ‘অনভিপ্রেত ও পেশাদারিত্বহীন আচরণের’ কারণে এই সংঘর্ষ ঘটেছে। এ কারণে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করেছে। ভারতীয় নৌজাহাজের ‘উসকানিমূলক ও অগ্রহণযোগ্য আচরণের’ বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা।ভারতের সূত্রের দাবি, উত্তর আরব সাগরে নিয়মিত নজরদারি চালানোর সময় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ তীব্র গতিতে ভারতের যুদ্ধজাহাজের খুব কাছে চলে আসলে এ সংঘর্ষ হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, পাকিস্তানের এই আচরণ ১৯৯১ সালের সামরিক মহড়া ও যুদ্ধজাহাজ চলাচলের দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। চুক্তি অনুযায়ী দুর্ঘটনা এড়াতে দুই দেশের নৌজাহাজ ও সাবমেরিনের মধ্যে অন্তত তিন নটিক্যাল মাইল দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারের দাবি, দ্বিবার্ষিক সামরিক মহড়ায় অংশ নেওয়া তাদের একটি যুদ্ধজাহাজের বিপজ্জনকভাবে কাছে এসে ভারতীয় জাহাজটি ‘আক্রমণাত্মক মহড়া’ চালিয়েছে।উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই দেশই কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনমন করে। এরপর থেকে দিল্লি ও ইসলামাবাদে কোনো রাষ্ট্রদূত নেই, চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বা ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনাররা মিশন পরিচালনা করছেন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
কোলাহল পেরিয়ে সিডনিতে অন্য এক জেমস

কোলাহল পেরিয়ে সিডনিতে অন্য এক জেমস

সিটিটিসির মাধ্যমে গুম-খুনের মামলায় অভিযোগ দাখিল, সাবেক এডিসি ইশতিয়াকসহ আসামি পাঁচ

সিটিটিসির মাধ্যমে গুম-খুনের মামলায় অভিযোগ দাখিল, সাবেক এডিসি ইশতিয়াকসহ আসামি পাঁচ

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বিজিএমইএর নেতাদের মতবিনিময়

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বিজিএমইএর নেতাদের মতবিনিময়

মক্কা নগরীর দিকে হুতিদের ড্রোন, সৌদি যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি
মক্কা নগরীর দিকে হুতিদের ড্রোন, সৌদি যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি

পবিত্র মক্কা নগরী লক্ষ্য করে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা একটি ড্রোন ছুঁড়েছে বলে অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। তবে আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ভূপাতিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ রিয়াদ গতকাল বুধবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হুতিদের এ ধরনের অপচেষ্টা ‘চূড়ান্ত সীমার’ লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করা হবে না। এ ঘটনায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ ও জোট নিন্দা জানিয়েছে। মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ড্রোন ছোড়া হয়েছিল। তবে সৌদি আরবের এ দাবিকে ‘মিথ্যা’ অভিহিত করে হুতিরা বলেছে, এ ধরনের কথায় কেউ আর আগের মতো বিভ্রান্ত হয় না। অবশ্য ইরান–সমর্থিত গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের একটি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনা ও বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে। গত কয়েক দিন ধরে তারা সৌদির সামরিকঘাঁটিসহ অন্যান্য স্থাপনায় হামলার দাবি করে আসছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স কয়েকটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা ওমানে হুতি প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘গোপনে’ বৈঠক করেছেন। এমন সময়ে এ বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে এল, যখন হুতিরা ঝটিকা হামলায় লোহিত সাগরের মাইয়ুন (পেরিম) দ্বীপ ও উপকূলবর্তী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মোখা শহর দখলে নিয়েছে। এতে করে বাব আল–মানদেব প্রণালিতে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হয়েছে। ফলে সৌদি আরবের তেল ও গ্যাস রপ্তানি আরও কমে এসেছে। বর্তমানে ইয়েমেনের তাইজ ও মারিব প্রদেশের কয়েকটি শহরে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুতিদের তীব্র সংঘর্ষ চলছে।মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক লরেঞ্জো কামেল আল-জাজিরাকে বলেন, হুতিদের শুধু ইরানের ছায়া–শক্তি (প্রক্সি) হিসেবে দেখলে তাদের ভূমিকা ঠিকভাবে বোঝা যাবে না। আঞ্চলিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের স্বার্থ ও অভ্যন্তরীণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে এবং সৌদি আরবের হস্তক্ষেপ বন্ধে চাপ দিচ্ছে।সৌদির কঠোর হুঁশিয়ারিইয়েমেনে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল–মালকি গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, গত মঙ্গলবার হুতিরা মক্কা নগরী লক্ষ্য করে একটি ড্রোন ছোড়ে। তবে তা সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশের আগে মক্কার দক্ষিণে ভূপাতিত করা হয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাই মাসেও হুতিরা মক্কা নগরী লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেণপাস্ত্র ছুঁড়েছিল। হুতি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে যথাযথ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে জোট কোনো দ্বিধা করবে না।হুতিদের হামলার আশঙ্কায় মঙ্গলবার মক্কার পাশাপাশি তাইফ ও জেদ্দাতেও নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল সৌদি সরকার। তবে অল্প পরে তা তুলেও নেওয়া হয়।হুতিদের হামলাচেষ্টাকে ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকান্ড’ উল্লেখ করে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘দুই পবিত্র মসজিদ (মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববি), তীর্থযাত্রী ও পুরো সৌদি ভূখণ্ড, দেশের নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার বৈধ অধিকার’ তাদের রয়েছে।ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে চলছে তীব্র লড়াই। মঙ্গলবার দেশটির আল-জওফ প্রদেশে গোলা ছোড়ার দৃশ্যহুতিদের পলিটব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘মক্কাকে লক্ষ্যবস্তু করার যে দাবি করা হচ্ছে, তা মিথ্যার পুনরাবৃত্তি। এর আগেও এ ধরনের মিথ্যা দাবি করা হয়েছে। এতে এখন আর কেউ বিভ্রান্ত হয় না।’নাম প্রকাশ না করার শর্তে মক্কার একজন বাসিন্দা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমার মনে হয় সতর্কসংকেত আতঙ্ক তৈরি করেছে... তবে মক্কায় জীবনযাত্রা স্বাভাবিক আছে। এর আগেও মক্কায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নিন্দাপবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশ মক্কা আল-মুকাররমার পবিত্রতা এবং সৌদি আরবের অন্যান্য পবিত্র স্থানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পুনর্ব্যক্ত করছে। এসব পবিত্র স্থান সুরক্ষায় সৌদি আরব ও দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদশ সংহতি জানাচ্ছে।৫৭টি মুসলিম দেশের জোট ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি), আরব লিগ, জর্ডান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও ভারতও নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে আরব লিগের মহাসচিব নাবিল ফাহমি বলেন, মক্কার নিরাপত্তা ও ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা অত্যন্ত গর্হিত বিষয়।সৌদি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিইয়েমেনের মারিব এলাকায় সৌদি আরবের একটি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি গতকাল বলেন, স্থানীয়ভাবে তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য একটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে।মারিবের উত্তর-পশ্চিমে হেলান পর্বতের কাছে বিমানটি ভূপাতিত করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আল–জাজিরা। তবে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের বিষয়ে সৌদি আরবের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।হুতিদের দাবি, গত কয়েক দিনে ইয়েমেনে তাদের অবস্থান লক্ষ্য করে অন্তত ৪৫০টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন, তাদের বাহিনী ও সৌদি আরব হুতিদের অবস্থানে বিমান হামলা চালাচ্ছে। তবে সৌদি আরব এ পর্যন্ত হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলার কথা স্বীকার করেনি।হুতিদের সঙ্গে মার্কিন কর্মর্তাদের বৈঠকসংশ্লিষ্ট পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, গত রোববার ওমানের রাজধানী মাসকাটে হুতিদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গোপনে বৈঠক করেছেন। ওমান সরকার বৈঠকটি আয়োজনে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছে দুটি সূত্র।সূত্রমতে, বৈঠকে হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা না করার এবং ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একটি সূত্রের ভাষ্য, হুতিরা ইসরায়েলি জাহাজ বা সৌদি আরবের মালিকানাধীন জাহাজ ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাবে না।ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে। ওই বছর হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে এবং দেশটির বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। ২০১৫ সালের মার্চে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি জোট ইয়েমেন সরকারের সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে। তবে ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। তবে সংঘাত নতুন করে তীব্রতর হওয়ায় পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে।ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালের মার্চে হুতিদের ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। এরপর তাদের ওপর দুই মাস বিমান হামলা চালায়। একই সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখে। পরে গত বছরের মে মাসে হুতিদের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তিতে একে অপরের ওপর হামলা না চালাতে সম্মত হয়েছিল দুই পক্ষ।ইয়েমেনে সংঘাত তীব্রতর হচ্ছেবর্তমানে ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলে সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে তীব্র সংঘাত চলছে। আল–জাজিরা জানিয়েছে, গতকাল ইয়েমেনের মারিব প্রদেশের পূর্ব আল-বালাক এলাকাসহ কয়েকটি ফ্রন্টে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। সরকারি বাহিনীর দাবি, তারা হুতিদের হামলা ঠেকিয়ে দিচ্ছে। তায়েজ প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলেও হুতিদের বড় ধরনের হামলা প্রতিহত করেছে।সরকারি বাহিনীর ভাষ্যমতে, বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছাকাছি কাহবুব পর্বতমালার দিকে আরও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে হুতিরা। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় তায়েজ ও লাহজ প্রদেশের মানুষ যে যেদিকে পারে পালিয়ে যাচ্ছে।জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) তথ্যমতে, ইয়েমেনে সম্প্রতি নতুন করে সংঘাত শুরুর পর থেকে দেশটির ভেতরে ১ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে দুই হাজারের বেশি মানুষ বাব আল-মানদেব প্রণালি পাড়ি দিয়ে লোহিত সাগরের পশ্চিম তীরের দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
মোদির জন্মদিনে ভারতজুড়ে প্রদীপ জ্বালানোর কর্মসূচি বিজেপির, কংগ্রেসের সমালোচনা

মোদির জন্মদিনে ভারতজুড়ে প্রদীপ জ্বালানোর কর্মসূচি বিজেপির, কংগ্রেসের সমালোচনা

আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন

আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন

জিয়াউল আহসানকে একক ভ্যানে না আনার আবেদন

জিয়াউল আহসানকে একক ভ্যানে না আনার আবেদন

0 Comments