মাদরাসার ইবতেদায়ি পঞ্চম ও দাখিল অষ্টম শ্রেণির এ বছরের বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। তবে বোর্ড ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ সেপ্টেম্বর। এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. ফারুক আহম্মেদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, বিশেষ বিবেচনায় ফরম পূরণের সময় বাড়ানো হয়েছে। বোর্ড অনুমোদিত সব মাদরাসার প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের এ সময়ের মধ্যে ফরম পূরণের প্রক্রিয়া শেষ করতে বলা হয়েছে।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর থেকে এ দুই বৃত্তি পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূরণ শুরু হয়। প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী, ফরম পূরণের শেষ দিন ছিল ১২ সেপ্টেম্বর এবং বোর্ড ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ১১ সেপ্টেম্বর। পরে বিশেষ বিবেচনায় উভয় সময়সীমাই বাড়ানো হলো।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতি পরীক্ষার্থীর নির্ধারিত বোর্ড ফি অনলাইনে জমা দিতে হবে। ফি বোর্ডের সিস্টেমে জমা হওয়ার পরই শিক্ষার্থীর তথ্য আপলোডের জন্য নতুন এন্ট্রি অপশন চালু হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে।
এদিকে, চলতি বছরের পরীক্ষায় বোর্ড অনুমোদিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি, সংযুক্ত ইবতেদায়িসহ দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ অংশ নিতে পারবে।
আর দাখিল অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষায় ষষ্ঠ শ্রেণির নিবন্ধনের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্য বোর্ড ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ টাকা। এ টাকা অনলাইনে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুকূলে জমা দিতে হবে।
এর বাইরে ২০০ টাকা কেন্দ্র ফি সংশ্লিষ্ট মাদরাসায় জমা দিতে হবে। পরে প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ বা সুপারিনটেনডেন্টকে ওই অর্থ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণির ফরম পূরণের ক্ষেত্রে মাদরাসার ইআইআইএন বা কোড ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ‘ইবতেদায়ি বৃত্তি এন্ট্রি’ অপশন থেকে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে বোর্ড ফি পরিশোধ করতে হবে।
ফি জমা হলে শিক্ষার্থীর তথ্য দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। তথ্য দেওয়ার পর তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীর নাম, বাবা-মায়ের নাম ও জন্মনিবন্ধন নম্বর ভর্তি রেজিস্টার ও জন্মসনদ অনুযায়ী সঠিকভাবে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘জেডিসি/৮ম বৃত্তি ই-এফএফ ২০২৬’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর সম্ভাব্য তালিকা প্রিন্ট করে সেখান থেকে পরীক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে অস্থায়ী তালিকা তৈরি করে তথ্য যাচাই-বাছাই করা যাবে। ফি পরিশোধের ২৪ ঘণ্টা পর চূড়ান্ত পরীক্ষার্থী তালিকা সক্রিয় হবে। সেটি প্রিন্ট করে পরীক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের স্বাক্ষর নিতে হবে।
এএএইচ/বিএ
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
টানা চার বছর শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার রেকর্ড থাকলেও এবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
আশুলিয়ায় শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়ক থেকে হাতবোমা সদৃশ তিনটি বস্তু উদ্ধার করেছে শিল্প পুলিশ।
মিরাজ-তাইজুলদের স্পিন আক্রমণে কাজ না হওয়ায় পেসার শরীফুল ইসলামকে বোলিংয়ে আনেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।