জাতীয়

কলকাতায় ইলিশের দামে আগুন, মিলছে না বড় মাছ

D HASAN সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
কলকাতায় ইলিশের দামে আগুন, মিলছে না বড় মাছ
কলকাতায় ইলিশের দামে আগুন, মিলছে না বড় মাছ

পূজার আবহে কলকাতার বাজারে বেড়েছে ইলিশের চাহিদা। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দামও। বিশেষ করে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের তাজা ইলিশের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে ক্রেতাদের কেউ ছোট আকারের তাজা ইলিশ কিনছেন, কেউ ভরসা করছেন হিমঘরে সংরক্ষিত মাছের ওপর।

তবে বড় আকারের ভালো মানের ইলিশ কিনতে গেলে গুনতে হচ্ছে আরও বেশি দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রান্নাপূজার আগে প্রতি বছরই ইলিশের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় অনেক পরিবার পরদিনের রান্নার জন্য আগেভাগে খাবার তৈরি করে রাখে। সেই তালিকায় ইলিশের বিশেষ জায়গা রয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রথমবার বাংলাদেশে এলো ‘স্বাদ-গন্ধহীন’ গুজরাটি ইলিশ

এবার বাড়তি চাহিদার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বড় ইলিশের কম সরবরাহ। ফলে উৎসবের বাজারে সুস্বাদু এই মাছের দামও আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।

সাগরে বেশি মিলছে ছোট ইলিশ

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা পশ্চিমবঙ্গের জেলেদের ভাষ্য, এবার সাগরে ছোট আকারের ইলিশ বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈরী আবহাওয়া। খারাপ আবহাওয়ার কারণে গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বড় ইলিশের আশায় দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না অনেক জেলে।

আরও পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি বলে বিক্রি হচ্ছে ‘স্বাদ-গন্ধহীন’ নকল ইলিশ

জেলে তারাপদ দাস বলেন, এখন সাগরে ছোট ইলিশের পরিমাণ বেশি। একসঙ্গে অনেক ছোট মাছ ধরা পড়ছে। কিন্তু বড় ইলিশের আশায় গভীর সমুদ্রে গেলে মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকায় অনেক জেলে ঝুঁকি নিতে চাইছেন না।

জালে পড়ছে কম বয়সী ইলিশও

জেলেদের কেউ কেউ ইলিশ কমে যাওয়ার জন্য মনোফিলামেন্ট জালের ব্যবহারকেও দায়ী করছেন। তাদের দাবি, প্রচলিত দড়ির জালের পরিবর্তে ক্যাটাগরি-১ ও ক্যাটাগরি-২ ধরনের মনোফিলামেন্ট জালের ব্যবহার বেড়েছে।

প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ মিলিমিটার ফাঁসের এসব জালে ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশ বেশি ধরা পড়ছে বলে অভিযোগ তাদের। ফলে মাছ অবতরণকেন্দ্রগুলোতে বড় ইলিশের সরবরাহ কমে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

একমাস আগেই বাংলাদেশের কাছে ইলিশ চায় ভারত, এখন কেন উল্টো যাত্রা?

সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, বর্তমানে ৫০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশই বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

তার মতে, ৫০০ গ্রামের ইলিশেরও বিশেষ চাহিদা রয়েছে। বিশ্বকর্মা পূজা বা রান্নাপূজার সময় অনেক ক্রেতা এই আকারের ইলিশই পছন্দ করেন।

তবে তার অভিযোগ, কিছু ব্যবসায়ী বেশি দামে মাছ কিনে বাজারে ছাড়ার আগে সংরক্ষণ করে রাখছেন। উৎসবের সময় দাম আরও বাড়বে—এমন প্রত্যাশা থেকেই তারা এটি করছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

হিমঘরেও কমছে মজুত

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রান্নাপূজার বাড়তি চাহিদা মেটাতে গত দুই মাসে ইলিশ মজুত করা হয়েছিল। দিঘা, নামখানা, ডায়মন্ড হারবার ও কলকাতায় প্রায় ২৫টি হিমঘরে ইলিশ মজুত করা হয়েছে বলে ধারণা।

এমন একটি হিমঘরের মালিক জয়দেব হাঁটি বলেন, মিয়ানমারের ইলিশ মজুত থাকলেও গুজরাটের ইলিশ খুব একটা মজুত করা হয়নি; কারণ গুজরাটের ইলিশের বেশিরভাগই ছিল ডিমভরা, যা কলকাতার বাজারে খুব একটা পছন্দ করা হয় না। তিনি বলেন, ‘নতুন চালান আসার কথা রয়েছে, তাই পূজার সময় বড় কোনো ঘাটতির আশঙ্কা করছি না।’

মিয়ানমারের ইলিশ সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে সেই মজুতের বড় একটি অংশ এরই মধ্যে বাজারে চলে গেছে। এ কারণে বাজারে ইলিশের দামও শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

১ কেজি ইলিশের দাম আড়াই হাজার রুপি

কলকাতার লেক মার্কেটের ব্যবসায়ী অমর দাশ বলেন, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এখন আগের তুলনায় পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের সংরক্ষিত ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ রুপিতে। ১ দশমিক ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ১ হাজার ৬০০ রুপি। আর দেড় কেজি ওজনের মাছের দাম প্রায় ১ হাজার ৮০০ রুপি।

এছাড়া, দেড় কেজি ওজনের তাজা ইলিশের দাম উঠেছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রুপিতে। অন্যদিকে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের তাজা ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ রুপিতে।

পূজা পর্যন্ত দাম চড়া থাকার আশঙ্কা

পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, বাজারে তাজা ইলিশের সরবরাহ কমেছে। তবে সংরক্ষিত ইলিশ ও গুজরাটের ইলিশ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

রান্নাপূজা ঘিরে ইলিশের চাহিদা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যে বড় আকারের তাজা ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দামও কমার সম্ভাবনা কম।

ব্যবসায়ীদের ধারণা, রান্নাপূজা পর্যন্ত কলকাতার বাজারে ইলিশের দাম চড়া থাকতে পারে। নতুন করে পর্যাপ্ত ইলিশ বাজারে না এলে বড় আকারের তাজা মাছের সংকটও অব্যাহত থাকতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
কেএএ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
রোমাঞ্চকর ফাইনালে শ্রীলংকাকে হারিয়ে পাকিস্তানের শিরোপা জয়
রোমাঞ্চকর ফাইনালে শ্রীলংকাকে হারিয়ে পাকিস্তানের শিরোপা জয়

শ্রীলংকাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা জিতেছে পাকিস্তান। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শনিবার ফাইনালে ব্যাট হাতে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন ফখর জামান, সাদ বেগ ও আরাফাত মিনহাস।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
অভিনেতা শরিফুল রাজকে আইনি নোটিশ

অভিনেতা শরিফুল রাজকে আইনি নোটিশ

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৫ শতাধিক

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৫ শতাধিক

মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও সাংবাদিক নিধি রাজদানের নতুন জীবনের সূচনা

মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও সাংবাদিক নিধি রাজদানের নতুন জীবনের সূচনা

ডিএমপি নিউজ পোর্টালে আপত্তিকর রাজনৈতিক বার্তা, হ্যাকের সন্দেহ
ডিএমপি নিউজ পোর্টালে আপত্তিকর রাজনৈতিক বার্তা, হ্যাকের সন্দেহ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ডিএমপি নিউজ’-এর ওয়েবসাইটে আপত্তিকর রাজনৈতিক বার্তা ও সহিংসতার ছবি দেখা গেছে। এতে সাইটটি সাইবার হামলা বা হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে খাদে জামায়াতের লংমার্চ ফেরত বাস, নিহত ১

পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে খাদে জামায়াতের লংমার্চ ফেরত বাস, নিহত ১

এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর, ফল ৩১ ডিসেম্বর

এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর, ফল ৩১ ডিসেম্বর

ধানমন্ডিতে ছুরিকাঘাতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী নিহত, গ্রেফতার ছেলে

ধানমন্ডিতে ছুরিকাঘাতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী নিহত, গ্রেফতার ছেলে

রাজধানীর পল্টনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় রিকশাচালক আহত
রাজধানীর পল্টনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় রিকশাচালক আহত

রাজধানীর পল্টনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ গাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি

সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি

প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব

প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব

যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0 Comments