জাল দিয়ে মোড়ানো ৯টি খাঁচা। প্রতিটি খাঁচায় ছিল ৫০টি করে মোট সাড়ে ৪০০ মশা। তিনটি পৃথক কক্ষ থেকে একে একে খাঁচাগুলো বের করে দেখা হচ্ছিল, মশাগুলোর কী অবস্থা। দেখা গেল, একটি মশাও আর বেঁচে নেই।
গতকাল বুধবার বিকেল চারটায় ফগার যন্ত্রের মাধ্যমে ধোঁয়া দিয়ে ওই খাঁচাগুলোয় মশা নিধনের ওষুধ ম্যালাথিয়ন প্রয়োগ করা হয়েছিল। এরপর অপেক্ষা করা হয় ২৪ ঘণ্টা। আজ বৃহস্পতিবার একই সময়ে ওই খাঁচাগুলো পরীক্ষা করে এই ফল পাওয়া যায়।
অন্যদিকে একই সময়ে পৃথক তিনটি খাঁচায় কন্ট্রোল টেস্ট (নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা) করে দেখা হয়। অর্থাৎ ওই তিন খাঁচায় কোনো ওষুধ না দিয়ে শুধু খাবার দিয়ে মশা আটকে রাখা হয়েছিল। দেখা হয়, স্বাভাবিকভাবে কতটি মশার মৃত্যু হয়। আজ ২৪ ঘণ্টা পর ওই খাঁচাগুলো পরীক্ষা করে দেখা যায়, প্রথম দুটি খাঁচায় একটি করে দুটি মশা এবং তৃতীয় খাঁচায় তিনটি মশা মারা গেছে।
ঠিকাদারের সরবরাহ করা নতুন ওষুধ গ্রহণ ও ব্যবহারের আগে ওষুধটির কার্যকারিতা এভাবেই মাঠপর্যায়ে পরীক্ষা করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ওষুধ প্রয়োগের এক দিন পর করা এই পরীক্ষাকে মৃত্যুর হার পরীক্ষা বলা হয়। গতকাল ওষুধ প্রয়োগের ২০ মিনিটের মধ্যে করা নকডাউন বা নিস্তেজ করার পরীক্ষায়ও ওই খাঁচাগুলোয় থাকা দুটি মশা ছাড়া সব কটিই নিস্তেজ হয়েছিল।
ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল মাঠপর্যায়ে পরীক্ষার পর ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করে আজ মশার মৃত্যুর হার পরীক্ষা করা হয়েছে। ওষুধ প্রয়োগ করা ৯টি খাঁচার সব মশাই মারা গেছে। আর নিয়ন্ত্রণ খাঁচায় পাঁচটি মশা মারা গেছে।

এই কর্মকর্তা বলেন, ম্যালাথিয়নের কার্যকারিতা যাচাইয়ে মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার পাশাপাশি আরও দুটি পরীক্ষা করা হবে। একটি হবে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর)। সেখানে ওষুধটির কার্যকারিতা বা বায়ো–ইফিক্যাসি পরীক্ষা করা হবে। আর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ে পরীক্ষা করা হবে ওষুধের সক্রিয় উপাদান ও রাসায়নিক গঠন নির্ধারিত মান অনুযায়ী আছে কি না।
আগামী সপ্তাহে বাকি দুটি পরীক্ষার ফল হাতে পাওয়ার পর তিনটি পরীক্ষাতেই ঠিকাদারের সরবরাহ করা ওষুধ উত্তীর্ণ হলেই ওই ম্যালাথিয়ন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
দেশে তীব্র জ্বালানিসংকটের মধ্যেও গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে অর্থাৎ জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমার পর আগস্টে তা ২৫ শতাংশ বেড়েছে। একইভাবে ইইউতে গত জুলাইয়ে আড়াই শতাংশ কমার পর আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ৯ শতাংশ।তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা বলছেন, গত মাসে গ্যাস-বিদ্যুৎসংকটে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। তারপরও ক্রেতাদের ধরে রাখতে অনেক কারখানামালিক বাড়তি খরচ করে হলেও সময়মতো পণ্য রপ্তানি করেছেন। এতে বড় দুই বাজারে রপ্তানি বেড়েছে।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, বড় দুই বাজারে ভালো করায় গত মাসে মোট ৩৬১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এ রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত (জুলাই-আগস্ট) মোট ৫৫০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ।যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে ২৫%আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৮১ কোটি ৭১ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এ রপ্তানি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি বাজার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি।তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ৭ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ কমেছে।মোহাম্মদ হাতেম, সভাপতি, বিকেএমইএইপিবির তথ্যের সঙ্গে অটেক্সা ও ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখানের পার্থক্য থাকে। ফলে এক মাস পর দুই সংস্থা থেকে তথ্য পাওয়া গেলে প্রকৃত রপ্তানি কত হয়েছে, সেটা বোঝা যাবেদেশীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, গত বছর পাল্টা শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের চাহিদা কমছে। চীনের ক্রয়াদেশ পাওয়া দ্রুত কমলেও তার বড় অংশ চলে যাচ্ছে ভিয়েতনামে। কিছু অংশ পাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়া। বাংলাদেশে আসছে তুলনামূলক কম। কারণ, চীন থেকে সরে আসা ক্রয়াদেশের বড় অংশই কৃত্রিম তন্তুর বা ম্যানমেইড পোশাক, যেখানে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলনামূলক কম। পাশাপাশি দীর্ঘ লিড টাইমের কারণে ফাস্ট ফ্যাশনের ক্রয়াদেশেও বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপর ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইন প্রয়োগ করে সব দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। আইন অনুযায়ী ১৫০ দিনের জন্য এ শুল্ক আরোপ করা যায়, যার মেয়াদ গত মাসে শেষ হয়েছে।জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর না করার অভিযোগে জুলাই মাসে বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর ১০ ও সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফলে প্রতিযোগী কয়েকটি দেশের তুলনায় বাংলাদেশের শুল্কহার কম। এতে সামনের দিনে বাজারটিতে সম্ভাবনা দেখছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা।ইইউর বাজারেও প্রবৃদ্ধিইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বাংলাদেশ ১৫৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ রপ্তানি ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বেশি।এর আগে জুলাইয়ে ইইউতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছিল। ওই মাসে রপ্তানি হয়েছিল ১৯৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম।চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে ইইউতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৪৯ কোটি ডলারের। এ রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইইউর বাজারে ১৯ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়, যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ কম।ইউরোস্টাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি পঞ্জিকা বছর ২০২৬ সালের প্রথম ৭ মাস জানুয়ারি-জুলাইয়ে ইইউর বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৩৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক।জানতে চাইলে নিট পোশাকশিল্পমালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইপিবির তথ্যের সঙ্গে অটেক্সা ও ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখানের পার্থক্য থাকে। ফলে এক মাস পর দুই সংস্থা থেকে তথ্য পাওয়া গেলে প্রকৃত রপ্তানি কত হয়েছে, সেটা বোঝা যাবে। গত মাসে গ্যাস–বিদ্যুতের সংকটে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও বাড়তি ব্যয় করে হলেও সময়মতো রপ্তানি করেছেন আমাদের উদ্যোক্তারা।’মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, দুই দিন ধরে কারখানায় গ্যাসের চাপ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। এটা অব্যাহত থাকলে রপ্তানি বাড়বে। কারণ, তখন ক্রেতারা ক্রয়াদেশ দিয়ে ভরসা পাবেন।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ‘শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬’। ‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সাফল্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে কুইজ, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে। কোথাও বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলা, কোথাও গানে-আনন্দে মুখর হয়ে উঠছে অনুষ্ঠানস্থল।প্রথম আলো আয়োজিত ও ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছে শিক্ষার্থীরা। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বরসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছবি তোলার স্থানে সেলফি তুলছে শিক্ষার্থীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, ঠাকুরগাঁও, ১৮ সেপ্টেম্বরপ্রথম আলো আয়োজিত ও ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শিক্ষার্থীরা। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বরসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাতে উপহার নিয়ে উচ্ছ্বসিত কৃতী শিক্ষার্থীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, ঠাকুরগাঁও, ১৮ সেপ্টেম্বরসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে খেলায় অংশ নিয়ে আনন্দে মেতেছে কৃতী শিক্ষার্থীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, ঠাকুরগাঁও, ১৮ সেপ্টেম্বরছবি তুলছে এক শিক্ষার্থী। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, ঠাকুরগাঁও, ১৮ সেপ্টেম্বরছবি: মঈনুল ইসলামসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খেলায় মেতেছে কৃতী শিক্ষার্থীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, ঠাকুরগাঁও, ১৮ সেপ্টেম্বরকণ্ঠশিল্পী বাঁধন মোদকের সঙ্গে সেলফিতে শিক্ষার্থীরা। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বরসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুঠোফোনে কুইজে অংশ নিচ্ছে কৃতী শিক্ষার্থীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, ঠাকুরগাঁও, ১৮ সেপ্টেম্বরসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মিথ্যা, মাদক ও মুখস্থকে ‘না’ বলার শপথ নেয় কৃতী শিক্ষার্থীরা। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বর
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিনের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই এবং ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি। তবে এখনই তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হচ্ছে না। কয়েক দিন পর দলীয়ভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটি ও দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। সভায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফয়সল আমিনসহ তিনজন দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। অন্য দুজন হলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ ও সুলতানুল ফেরদৌস চৌধুরী (নম্র)। তাঁরা মনোনয়ন বোর্ডে পৃথকভাবে সাক্ষাৎকার দেন।মির্জা ফয়সল আমিন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়র। ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ সাবেক ছাত্রদল নেতা এবং ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি ও জিএস। সুলতানুল ফেরদৌস চৌধুরী ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি একসময় ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন।আজ সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান ও আমান উল্লাহ আমান, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম।