জাতীয়

কাউন্টিতে এবার খালেদের ৫ উইকেট

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
কাউন্টিতে এবার খালেদের ৫ উইকেট
কাউন্টিতে এবার খালেদের ৫ উইকেট

কেন্টের হয়ে কাউন্টিতে আগের ম্যাচটা দুজন খেলেছিলেন একসঙ্গেই। এই ম্যাচের আগে হাসান মাহমুদ দেশে ফিরে এসেছেন জাতীয় দলের ব্যস্ততায়। তাতেও বাংলাদেশের উপস্থিতিটা কাউন্টি ক্রিকেটে রয়ে গেছে খালেদ আহমেদের কারণে।

শুধু রয়ে গেছে বললে কমই বলা হয়, আসলে আছে উজ্জ্বলভাবে। ক্যান্টারবেরিতে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে আজ খালেদ পেয়েছেন ৫ উইকেটও। তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর প্রথম ইনিংসে ল্যাঙ্কাশায়ার অলআউট ১৬১ রানে।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা ল্যাঙ্কাশায়ারের শুরুটা দুর্দান্তই হয়েছিল। উদ্বোধনী জুটিতে ৮১ রান তুলে ফেলেছিল তারা, কেন্টকে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন খালেদ। তাঁর বলে কিটন জেনিংস ক্যাচ দিলে ল্যাঙ্কাশায়ারের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে।

সাবেক ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের ছেলে রকি ফ্লিনটফকে (০) এলবিডব্লু করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট পান খালেদ। ভালো শুরুর পরও ৩৪ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে একটু বিপদেই পড়ে কেন্ট।

তাদের জন্য নতুন আশা হন ম্যাটি হার্স্ট। ৬১ বলে ৩৭ রান করা এই ব্যাটসম্যান খালেদের বলে স্লিপে ক্যাচ দিলে তৃতীয় উইকেট পান খালেদ। নিজের ১৬তম ওভার করতে এসে তিনি পরপর দুই বলে পান ২ উইকেট।

মিচেল স্টানলি ও ল্যাঙ্কাশায়ার অধিনায়ক জেমস অ্যান্ডারসনকে পরপর দুই বলে আউট করে ৫ উইকেট পেয়ে যান খালেদও। ১৫.৫–৪–৪২–৫, ঝকঝক করছিল খালেদের বোলিং বিশ্লেষণ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে  এ নিয়ে ১০ বার ইনিংসে ৫ উইকেট পেলেন খালেদ, কাউন্টিতে দ্বিতীয় ম্যাচে এসে প্রথম। এর আগে কেন্টের হয়ে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন হাসানও।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
বাকৃবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি, প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদল-শিবিরের
বাকৃবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি, প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদল-শিবিরের

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখার নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। একই সঙ্গে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ক্ষোভ জানিয়েছে শাখা ছাত্রশিবির। ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনটির যেকোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠন দুটি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। এতে শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম শোয়েবসহ বিভিন্ন হলের শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বাকৃবিতে নতুন কমিটি দিয়েছে। যদিও তাদের কোনো প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রম দৃশ্যমান নেই। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এ সংগঠনের যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বদ্ধপরিকর। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রতি সম্মান রেখে ক্যাম্পাসে এ সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন বলেন, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির প্রেক্ষাপট ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব বদলে গেছে। বর্তমান বাংলাদেশে ছাত্রলীগ রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে। নতুন করে তাদের কমিটি বর্তমান প্রজন্মকে প্রভাবিত করবে না। বাকৃবিতেও শিক্ষার্থীরা এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করবে। এর আগে, মঙ্গলবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এক বছরের জন্য বাকৃবি শাখার নতুন কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ইমরান সিদ্দিকী প্রান্তকে সভাপতি, মো. মুইন নাদিম আল মুনাকে সাধারণ সম্পাদক, মাহফুজ হক অভিকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তামিম মাহমুদ আকাশকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। সহসভাপতি পদে রাখা হয়েছে মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান, শাহরিয়ার খন্দকার ও মো. খালেদ হাসানকে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। মুহাম্মদ সোহান/কেএইচকে

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
তৈরি হচ্ছিল নকল বিদেশি সিগারেট, মেশিনসহ গ্রেফতার ৯

তৈরি হচ্ছিল নকল বিদেশি সিগারেট, মেশিনসহ গ্রেফতার ৯

ব্রোকারেজ হাউস–মার্চেন্ট ব্যাংকে প্রতিরোধ ইউনিট গঠনের নির্দেশ

ব্রোকারেজ হাউস–মার্চেন্ট ব্যাংকে প্রতিরোধ ইউনিট গঠনের নির্দেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের পাশে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জগন্নাথ হলের এক গেটকর্মী জানান, তাঁরা হলের গেটের ভেতরে বসে ছিলেন। এ সময় ভেতর থেকে বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। একটি বিস্ফোরণের দুই-তিন সেকেন্ড পর আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয় বলে জানান তিনি। ঘটনার পর সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম আসে। পরে শাহবাগ থানা পুলিশও ঘটনাস্থলে আসে। তবে পুলিশও এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। তারা ঘটনাটি তদন্ত করছে। এদিকে, ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে সাড়ে ১১টার দিকে টিএসসি থেকে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিস্তারিত আসছে...

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা: পরিবেশমন্ত্রী

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা: পরিবেশমন্ত্রী

বিশ্বসেরা ৫০০ ব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংক

বিশ্বসেরা ৫০০ ব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংক

এবার শাহরুখ খান-কাজলের গান দিয়ে ভাইরাল মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী

এবার শাহরুখ খান-কাজলের গান দিয়ে ভাইরাল মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী

ইউল্যাবে ফল সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
ইউল্যাবে ফল সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব) ফল–২০২৬ সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইউল্যাব ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মি. মিচেল লি। নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে মিচেল লি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সুযোগগুলো সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। তিনি শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শেখার সুযোগ কাজে লাগানো, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং ভবিষ্যতে সমাজে অর্থবহ অবদান রাখার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধু একটি ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময় তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের বিকশিত করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে উপাচার্য নবীন শিক্ষার্থীদের উপহার হিসেবে দেওয়া বকুল ফুলের বীজসমৃদ্ধ সিড বক্স-এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ব্যক্তিগত বিকাশ ও রূপান্তরের প্রতীক হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা বীজগুলো যত্নের সঙ্গে রোপণ ও পরিচর্যা করে গাছের বেড়ে ওঠার সঙ্গে নিজেদের বিকাশের গল্পও ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে বক্তব্য দেন ইউল্যাবের নবীন ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাবের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, অ্যালামনাইসহ নবীন শিক্ষার্থীরা।অনুষ্ঠান শেষ হয় ইমন চৌধুরী অ্যান্ড বেঙ্গল সিম্ফনির বিশেষ সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনাকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা

জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনাকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা

ইউ গেট আউট ফ্রম দিস রুম, সিভিল সার্জনকে আইনমন্ত্রী

ইউ গেট আউট ফ্রম দিস রুম, সিভিল সার্জনকে আইনমন্ত্রী

জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বিএনপি অফিসে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৬

জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বিএনপি অফিসে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৬

0 Comments