জাতীয়

এনআইডিসহ ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির অভিযোগে রাজশাহীতে যুবক গ্রেপ্তার

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
এনআইডিসহ ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির অভিযোগে রাজশাহীতে যুবক গ্রেপ্তার
এনআইডিসহ ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির অভিযোগে রাজশাহীতে যুবক গ্রেপ্তার

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য, মুঠোফোনের অবস্থান ও কলের বিস্তারিত তথ্য অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের অভিযোগে সেতু হোসেন (২৮) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার ভোরে রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানার মাহিষবাথান এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের ভাষ্য, ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও বাংলাদেশ পুলিশের ক্রাইম ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিডিএমএস) সার্ভারে বেআইনিভাবে প্রবেশ করতেন সেতু। সেখান থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার ও অর্থের বিনিময়ে অন্যদের কাছে সরবরাহ করতেন তিনি।

গতকাল সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে সেতুকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‍্যাবের সিপিএসসি ও সিপিসি-৩, জয়পুরহাটের সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান চালান।

গতকাল রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, অভিযানে ছয়টি সিপিইউ, চারটি ল্যাপটপ, ১০টি মুঠোফোন ও ৩১টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। এসব সরঞ্জাম দিয়ে সাইবার অপরাধের কার্যক্রম চালানো হতো বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

র‍্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সেতু হোসেন নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

র‍্যাবের দাবি, বিভিন্ন মুঠোফোন সিমের এনআইডি-সংক্রান্ত তথ্য, বিকাশ ও নগদে নিবন্ধনের তথ্য, মুঠোফোনের অবস্থান, কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) এবং খুদে বার্তার (এসএমএস) তালিকা সংগ্রহ করা হতো। পরে এসব তথ্য বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে সরবরাহ করার অভিযোগ আছে।

র‍্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সেতু হোসেন নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

পরে সেতু হোসেনকে রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজ মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন কেন বৈশ্বিক তেলের বাজারে এত গুরুত্বপূর্ণ
সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন কেন বৈশ্বিক তেলের বাজারে এত গুরুত্বপূর্ণ

লোহিত সাগর দিয়ে সৌদি আরব থেকে জ্বালানি তেল পরিবহনে বিশাল একটি পাইপলাইন রয়েছে। নাম ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন। গত বৃহস্পতিবার পাইপলাইনটিতে ড্রোন হামলা হয়। পরে সৌদি সরকার পাইপলাইনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, হামলার জেরে পাইপলাইনটি বন্ধের ঘটনা জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজারের জন্য আরেকটি ধাক্কা।ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার বা ৭৪৬ মাইল। প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল এ পাইপলাইন দিয়ে পরিবহন করা হয়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলন করা তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া হয় পাইপলাইনটি দিয়ে। পরে তেল ট্যাংকারে ভরে সমুদ্রপথে বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হয়।ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার বা ৭৪৬ মাইল। প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল এ পাইপলাইন দিয়ে পরিবহন করা হয়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলন করা জ্বালানি তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া হয় এ পাইপলাইন দিয়ে। পরে তেল ট্যাংকারে ভরে সমুদ্রপথে বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হয়।পাইপলাইনটি কেন গুরুত্বপূর্ণ এ পথে জ্বালানি তেল রপ্তানিতে সৌদি আরবের একটি বড় লাভ হয়। সেটা হলো, হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলা। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানও প্রতিবেশী দেশগুলোয় মার্কিন সামরিক-বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। পুরো উপসাগরীয় এলাকায় যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তখন থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের জ্বালানি তেল পরিবহনে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনার পর ‘সতর্কতামূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে পাইপলাইনটি বন্ধ রাখা হয়েছে।ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেল পরিবহন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে। অন্যদিকে, ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুতিরা লোহিত সাগর এলাকায় হামলা জোরদার করেছে। সেখানেও বাব আল-মানদেব প্রণালিতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে হুতিরা। অতিগুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তারা।হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের ওপর সৌদি আরবের নির্ভরশীলতা বেড়েছে। যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের বাজারে যখন টালমাটাল অবস্থা, সে পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনটির কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।সৌদি আরামকোর নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি জ্বালানি তেলক্ষেত্রক্ষয়ক্ষতি কতটা, কবে চালু হবে হামলায় ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের কতটা ক্ষতি হয়েছে, এখনো জানা যায়নি। পাইপলাইনটির কার্যক্রম কবে নাগাদ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সেটা নিয়েও ভিন্ন ভিন্ন কথা শোনা যাচ্ছে।ঘটনাটি সম্পর্কে জানেন এমন কয়েকজন রয়টার্সকে জানান, মেরামতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে। তবে আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, এর আগেই পাইপলাইনের কার্যক্রম শুরু হতে পারে।সৌদি আরবের কর্মকর্তারা জানান, রিয়াদ ও পবিত্র মদিনার কাছে দুটি এলাকায় ড্রোন দিয়ে পাইপলাইনে হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, হামলায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। অবকাঠামোরও ক্ষতি হয়েছে।এর আগে গত মার্চে ইয়ানবুতে সৌদি আরামকো-এক্সন মোবিলের তেল শোধনাগারের কাছে হামলা হয়েছিল। এতে লোহিত সাগরের বন্দরটি থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ট্যাংকারে তোলার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।ওই হামলার প্রভাব দীর্ঘ মেয়াদে পড়েনি। কয়েক দিনের মধ্যেই তেল পরিবহন স্বাভাবিক হয়। তবে ওই হামলা দেখিয়ে দিয়েছিল, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের তেল অবকাঠামোগুলো হামলার ঝুঁকির বাইরে নয়।হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের ওপর সৌদি আরবের নির্ভরশীলতা বেড়েছে। ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের বাজারে যখন টালমাটাল অবস্থা, সেই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনটির কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।কত তেল পরিবহন হচ্ছিল ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ‘পেট্রোলাইন’ নামেও পরিচিত। এটি ১৯৮১ সালে নির্মাণ করা হয়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের ক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলন হওয়া জ্বালানি তেল পুরো আরব উপদ্বীপ পেরিয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়ার জন্য এটি চালু করা হয়। হরমুজ প্রণালিকে পাশ কাটিয়ে জ্বালানি তেল পরিবহন করা ছিল এটি চালুর উদ্দেশ্য।পাইপলাইনটি দিয়ে দিনে সর্বোচ্চ ৭০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল পরিবহন করা যায়। যদিও সাম্প্রতিক মাসগুলোয় এ পাইপলাইন ব্যবহার করে জ্বালানি তেল পরিবহনের পরিমাণ অনেকটা কমেছে।বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে এ পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল পরিবহন করা হয়েছে। জানুয়ারির পর এটিই জ্বালানি তেল পরিবহনের সর্বনিম্ন মাসভিত্তিক হিসাব। হুতিদের একের পর এক হামলার কারণে লোহিত সাগরের এ পথে জ্বালানি তেল পরিবহন ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর প্রথম পাঁচ মাসে সৌদি আরব পশ্চিমমুখী পাইপলাইনে জ্বালানি তেল পাঠানোর পরিমাণ বাড়িয়েছিল। তখন প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল এ পথে পরিবহন করা হতো। এটি বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের চার থেকে পাঁচ শতাংশ।হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ার পরও বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় জ্বালানি তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরব এ পাইপলাইনের কল্যাণে পণ্যটির রপ্তানি অব্যাহত রাখার সুযোগ পেয়েছিল।লোহিত সাগরে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার: ইস্ট–ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধের ঘোষণা সৌদি আরবেরবাজারে প্রভাব কতটা ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়ে ঘটেছে।ইরানে যুদ্ধ শুরুর আগে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের এক-পঞ্চমাংশের বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ হচ্ছিল। এর পরিমাণ ছিল দিনে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, এখন এ প্রণালি দিয়ে দিনে প্রায় ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল পরিবহন হচ্ছে। অর্থাৎ জ্বালানি তেল পরিবহনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।কাজেই এ পথের বিকল্প হিসেবে সৌদি আরব বেছে নিয়েছিল লোহিত সাগরকে। ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন দিয়ে লোহিত সাগরের দিকে বেশি পরিমাণে জ্বালানি তেল পাঠাচ্ছিল তারা। যদিও পুরো রপ্তানি প্রক্রিয়া নির্ভর করছে পাইপলাইন, মজুতাগার ও তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচলের ওপর। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর এসব অবকাঠামো ও পরিবহনব্যবস্থা ঝুঁকিতে পড়েছে।সৌদির ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ইয়ানবুতে এরই মধ্যে যে পরিমাণ জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে, তা দিয়ে পণ্যটির রপ্তানি পাঁচ থেকে সাত দিন অব্যাহত রাখতে পারবে সৌদি আরব।এ ছাড়া মিসরের আইন সোখনা ও সিদি কেরিরে সৌদি আরবের জ্বালানি তেল মজুত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখান থেকে জ্বালানি তেল নিয়ে আরও কয়েক দিন রপ্তানি কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারবে সৌদি আরব। তাই বলা যায়, পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির সরকার কিছুটা সময় হাতে পাচ্ছে।হরমুজ বন্ধ, তেলের দাম বেড়ে প্রায় ১০৮ ডলার, বাংলাদেশে প্রভাব কতটাসরবরাহ ও দাম নিয়ে শঙ্কা বিশ্বে জ্বালানি তেলের মজুত এরই মধ্যে অনেকটা কমে এসেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার জের ধরে গত মাসে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ ৩০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।আইইএ জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৫৭ লাখ ব্যারেল কমতে পারে। এ পরিমাণ বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ৬ শতাংশ।সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে কৌশলগত মজুত থেকে বেশি পরিমাণে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেছে বিভিন্ন দেশ। এ কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি পণ্যটির দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়েনি। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ৭০ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে ছিল।বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ যত কমে আসবে, মজুতও তত কমবে। এটি শঙ্কার কারণ। কেননা, মজুত কমতে থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করবে।হরমুজ এড়িয়ে যাওয়া সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেলের পাইপলাইনে ইরানের হামলাগত জুনে আইইএ সতর্ক করে বলেছিল, কৌশলগত মজুত থেকে এভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ চালু রাখা হলে তা সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, মজুত অস্বাভাবিক কমে গেলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সেই সঙ্গে ইয়ানবু বন্দর ও সেখানকার তেল পরিবহন পথে হামলার হুমকি দীর্ঘ মেয়াদে অব্যাহত থাকলে, সৌদি আরবের জন্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে কমে যাওয়া জ্বালানি তেল রপ্তানির ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়াটাও কঠিন হতে পারে।হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গাভেকাল রিসার্চ সতর্ক করে বলেছে, হুতিদের ড্রোন হামলার হুমকির কারণে যদি দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি জ্বালানি তেল প্রক্রিয়াজাতকারী ইয়ানবু কেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ে, তবে তা বিশ্বের জন্য ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ হবে।সৌদি পাইপলাইনে হামলায় ‘সম্ভবত’ ইরান দায়ী: ট্রাম্প

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা

নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা টেকসই করতে প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন দরকার: সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা টেকসই করতে প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন দরকার: সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা শুধু একজন বিচারকের ভয়, পক্ষপাত, চাপ বা হস্তক্ষেপমুক্ত থেকে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে মনে করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি বলেছেন, এই স্বাধীনতা টেকসই করতে প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিচার বিভাগের প্রয়োজনীয় কাঠামো, সক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন থাকতে হবে।আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক আইন বক্তৃতায় সৈয়দ রেফাত আহমেদ এ কথা বলেন। এতে মূল বক্তা ছিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যের শিরোনাম ‘বিয়ন্ড জুডিশিয়াল ইনডিপেনডেন্টস: কনস্টিটিউশনাল আইডেনটিটি অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট ফর ইনস্টিটিউশনাল অটোনমি ইন বাংলাদেশ’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ এই বক্তৃতার আয়োজন করে।প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বক্তৃতায় সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের সাংবিধানিক পরিচয় ও ইতিহাস, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পরিবর্তন, বিচার বিভাগীয় সংস্কার, জবাবদিহি, প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি ও ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা করেন।সৈয়দ রেফাত আহমেদ আরও বলেন, সাংবিধানিক সরকারব্যবস্থার জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য। তবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে শুধু বিচারিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বাইরের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকার অর্থে দেখলে হবে না। সাংবিধানিক স্বাধীনতা তখনই টেকসই হয়, যখন বিচারিক ক্ষমতার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সেই স্বাধীনতা ধরে রাখার মতো প্রয়োজনীয় কাঠামো, সক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন থাকে।বিচারকের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে সাবেক এই প্রধান বিচারপতি বলেন, একজন বিচারক স্বাধীন হতে পারেন, অথচ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিচারবিভাগ পুরোপুরি স্বায়ত্তশাসিত না–ও হতে পারে। বিচার বিভাগে নিয়োগ যদি বাইরের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পছন্দের ওপর নির্ভরশীল থাকে, বিচার বিভাগের প্রশাসন যদি কাঠামোগতভাবে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়, আর্থিক ব্যবস্থাপনা যদি বিচার বিভাগের পরিকল্পনাকে অন্য একটি রাষ্ট্রীয় অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল করে ফেলে, তাহলে শুধু বিচারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা পুরো সাংবিধানিক দায়িত্ব বহন করতে পারে না।সৈয়দ রেফাত আহমেদের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন বলতে এমন কাঠামো, কর্তৃত্ব ও বাস্তব সক্ষমতাকে বোঝায়, যার মাধ্যমে বিচার বিভাগ বিচারিক ক্ষমতার সংরক্ষণ ও প্রয়োগের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বিষয়গুলো পরিচালনা করতে পারে।তবে প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসনকে প্রাতিষ্ঠানিক বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না বলে সতর্ক করেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তাঁর ভাষায়, একটি স্বায়ত্তশাসিত বিচার বিভাগ এমন হতে পারে না, যাকে কারও কাছে জবাবদিহি করতে হবে না। স্বাধীনতার সঙ্গে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয় থাকতে হবে। বিচার বিভাগের জবাবদিহি হতে হবে রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে নয়, আইনের কাছে।‘না’ বলতে হতে পারে বাংলাদেশের সাংবিধানিক পরিচয় প্রসঙ্গে সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে সাংবিধানিক আদর্শের অভাব খুব কমই ছিল। কিন্তু বারবার যে সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা হলো এসব আদর্শকে স্থায়ীভাবে বাস্তবে রূপ দেওয়ার মতো যথেষ্ট স্বাধীন, দৃঢ় ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যায়নি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বয়ান দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু প্রতিষ্ঠান একইভাবে দ্রুত তৈরি করা যায় না। প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে ধৈর্য, ধারাবাহিকতা, নিয়ম, সংযম, স্মৃতি এবং সর্বোপরি এই গ্রহণযোগ্যতা প্রয়োজন, কখনো কখনো একটি প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে বৈধতা পাওয়া ব্যক্তিকেও ‘না’ বলতে হতে পারে।২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাকে ‘সাংবিধানিক মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেন, ওই সময় সাংবিধানিক অঙ্গীকার ও প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতার মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে, তা সামনে এসেছিল। একই সঙ্গে এমন প্রতিষ্ঠান তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছিল, যাতে সাংবিধানিক মূল্যবোধ সাময়িকভাবে ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের পছন্দ-অপছন্দের ওপর নির্ভরশীল না থাকে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের পরিবর্তনের পর প্রশ্নটি শুধু ছিল না—কে ভিন্নভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। আরও কঠিন প্রশ্ন ছিল, ক্ষমতাকেই কীভাবে আরও টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যায়।বিচার বিভাগীয় সংস্কারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, তিনি প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে শুধু সাংবিধানিক ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে টেকসই করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে মনে করেছিলেন। এ প্রেক্ষাপটে তিনি বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেন, তিনি ওই সচিবালয়কে শুধু প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখেননি; বরং অর্থবহ বিচারিক স্বাধীনতার দিকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখেছিলেন। বিচারক নিয়োগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বৈধতা টিকে থাকতে হলে নিয়োগপ্রক্রিয়া হতে হবে মেধা, সততা, দক্ষতা ও স্বচ্ছ মানদণ্ডের ভিত্তিতে; ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে নয়।তবে স্বায়ত্তশাসনের সঙ্গে সততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তাঁর ভাষ্য, স্বাধীনতা কখনো অদক্ষতা, দুর্নীতি বা স্বেচ্ছাচারী প্রাতিষ্ঠানিক আচরণের ঢাল হতে পারে না। জবাবদিহি থাকতে হবে, তবে সেই জবাবদিহির মানদণ্ড ও প্রক্রিয়াও হতে হবে আইনসম্মত, স্বচ্ছ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্থায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, কোনো সংস্কার যদি শুধু একজন সংস্কারকের মেয়াদকাল পর্যন্ত টিকে থাকে, তাহলে সেটি প্রকৃত প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নয়; সেটি সাময়িক প্রশাসন। তাঁর মতে, চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন ব্যবস্থা তৈরি করা, যা নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের পরও টিকে থাকবে। এর মাধ্যমে এমন একটি ‘শুভচক্র’ তৈরি হবে, যা নিজেই নিজের স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি করবে।সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, একটি রাষ্ট্রকে প্রতি পাঁচ বছর পরপর নতুন করে গড়ে তোলা যায় না। রাজনৈতিক ক্ষমতা যখনই এক হাত থেকে অন্য হাতে যায়, তখন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নতুন করে উদ্ভাবন করা যায় না। প্রতিষ্ঠানের স্মৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, আদালতের স্মৃতি থাকে, সংসদের স্মৃতি থাকে, সরকারি প্রশাসন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোরও স্মৃতি থাকে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো যখন বারবার রাজনৈতিকীকরণের শিকার হয়, পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়, অধীনস্থ করা হয় অথবা একের পর এক দায়িত্বশীল ব্যক্তির পছন্দ-অপছন্দকে কেন্দ্র করে পুনর্গঠন করা হয়, তখন সেই প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি হারিয়ে যায়।বক্তৃতার শেষ অংশে সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, সাংবিধানিকতার স্থায়িত্ব নির্ভর করবে শুধু কতবার সাংবিধানিক আদর্শ ঘোষণা করা হলো, তার ওপর নয়; বরং সেই আদর্শ সংরক্ষণ করতে সক্ষম প্রতিষ্ঠান কতটা গড়ে তোলা যায়, তার ওপর। তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আমাদের বলে দেয়—কী সুরক্ষিত রাখতে হবে। আর প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন আমাদের বলে দেয়—কীভাবে সেই সুরক্ষা টেকসই করা যায়।’সাবেক প্রধান বিচারপতির মতে, ২০২৪ সালের ঘটনাগুলো মনে করিয়ে দিয়েছে যে রাজনৈতিক বৈধতা ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা সব সময় এক বিষয় নয়। একটি সাংবিধানিক মুহূর্ত পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, কিন্তু সেই পরিবর্তনকে ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যেতে পারে একমাত্র প্রতিষ্ঠানগুলোই।সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেন, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সংস্কার-অভিজ্ঞতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো কীভাবে ভিন্নভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যায়, তা নয়; বরং কীভাবে এমন প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যায়, যাতে ক্ষমতাই সাংবিধানিক নিয়ন্ত্রণের অধীন থাকে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম। এতে সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকরামুল হক।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
আসিফের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানের ভিত্তি ছাত্রলীগ নেতার পোর্টালের খবর

আসিফের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানের ভিত্তি ছাত্রলীগ নেতার পোর্টালের খবর

স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সালমানের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট

স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সালমানের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট

গণশৌচাগারের অব্যবস্থাপনা, নারী ও শিশুর জন্য প্রতিকার কী?

গণশৌচাগারের অব্যবস্থাপনা, নারী ও শিশুর জন্য প্রতিকার কী?

শাহজালালের মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি
শাহজালালের মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি

একদিনের সফরে সিলেটে এসে হযরত শাহজালাল (রহ.)- এর মাজার জিয়ারত করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মাজার জিয়ারত করেন। এর আগে বেলা ১১ টা ২৭ মিনিটে তিনি বিমানযোগে সিলেট এসে পৌঁছান। সেখান থেকে সিলেট সার্কিট হাউস গিয়ে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। এসময় রাষ্ট্রপতি মাজার জিয়ারত শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে শাহপরাণ মাজার এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। আরও পড়ুন রাজশাহীতে ৪৫০ কোটি টাকার পাট বাণিজ্যের সম্ভাবনা সফরসূচি অনুযায়ী, শাহপরাণ (রহ.)- এর মাজার জিয়ারত শেষে রাষ্ট্রপতির সিলেট সার্কিট হাউসে ফিরে সাময়িক বিশ্রাম নেওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিকেলে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। সংবর্ধনা শেষে সন্ধ্যায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে তাঁর রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। আহমেদ জামিল/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
স্থানীয় সরকার ভোটের তারিখ বদলাচ্ছে, নতুন সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসছে ইসি

স্থানীয় সরকার ভোটের তারিখ বদলাচ্ছে, নতুন সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসছে ইসি

ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে আলোচনা চলছে, এখনই নীতির পরিকল্পনা নেই

ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে আলোচনা চলছে, এখনই নীতির পরিকল্পনা নেই

মিরপুরে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১১৭

মিরপুরে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১১৭

0 Comments