জাতীয়

এআই কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে?

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
এআই কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে?
এআই কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন এআই গবেষক জ্যাকব কক্সন। সম্প্রতি এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক থেকে পদত্যাগ করা এই গবেষক বলেছেন, প্রযুক্তিটির উন্নয়নের গতি নিয়ে এ খাতে কাজ করা অনেকেই ‘সত্যিই আতঙ্কিত’।

অ্যানথ্রপিক ছাড়ার পর কক্সনের পদত্যাগের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে এআইয়ের অগ্রগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবিসির লরা কুয়েনসবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ২৭ বছর বয়সী কক্সন বলেন, এআই উন্নয়নের বর্তমান গতি কমানো না হলে অদূর ভবিষ্যতে মানবজাতির অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়তে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমান গতিতে অগ্রগতি চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের সবাইকে মৃত্যুর মুখে পড়তে হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রবল।

কক্সন এর আগে ওপেনএআইয়ে কাজ করেন। পরে অ্যানথ্রপিকে যোগ দেন। তার পদত্যাগের ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন এআইয়ের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রযুক্তি খাতে উদ্বেগ বাড়ছে।

উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান

অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেইও সম্প্রতি এআই উন্নয়নের গতি কিছুটা কমানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। এক প্রবন্ধে তিনি বলেন, এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন থামানোর প্রশ্ন নেই। তবে এর সঙ্গে যুক্ত ঝুঁকিগুলো অত্যন্ত গুরুতর এবং সেগুলো মোকাবিলার জন্য প্রতিষ্ঠান ও সরকারগুলোর সময় প্রয়োজন।

আমোদেইয়ের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ওপেনএআইয়ের স্যাম অল্টম্যান এবং এক্সএআইয়ের ইলন মাস্কও। তারা এআই মডেল তৈরির ওপর স্বাধীন নজরদারি এবং শিল্পজুড়ে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

কক্সনও এআই উন্নয়নের গতি কমানোর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তার মতে, বিষয়টি শুধু একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। চীনের সঙ্গেও সমন্বয় করতে হবে, যাতে এআই উন্নয়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিপজ্জনক প্রতিযোগিতা শুরু না হয়।

‘এআই বিপর্যয়’ কেমন হতে পারে?

এআইয়ের সম্ভাব্য বিপর্যয় ঠিক কীভাবে ঘটতে পারে—এটাই সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন বলে মনে করেন কক্সন।

আমোদেইয়ের সতর্কবার্তায় উঠে আসা একটি সম্ভাবনা হলো, বিপুলসংখ্যক এআই বট একসঙ্গে কাজ করে একটি সুপারকম্পিউটারের মতো ক্ষমতা অর্জন করতে পারে এবং ইন্টারনেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে পারে।

কক্সনের মতে, এমন পরিস্থিতি কল্পকাহিনি নয়; আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেই এটি বাস্তবসম্মত ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে।

তবে অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, এআইয়ের বিপুল সম্ভাবনার পাশাপাশি এর নজিরবিহীন ঝুঁকি সম্পর্কেও তারা সবসময় সতর্ক ছিল।

প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেন, ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা শিল্পের সবচেয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তাব্যবস্থাগুলোর কিছু ব্যবহার করে এআই মডেল তৈরি করছে। এআই মডেল কীভাবে কাজ করে এবং সেগুলোর সম্ভাব্য ঝুঁকি কমানোর উপায় নিয়েও প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা করছে।

অ্যানথ্রপিকের দাবি, তাদের মডেলগুলো কঠোরভাবে পরীক্ষা করা হয় এবং পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, যাতে বাইরের বিশেষজ্ঞরা সেগুলো যাচাই করতে পারেন এবং এআইয়ের আচরণ মানুষের উদ্দেশ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে ওঠার মতো ঘটনা ঠেকানো যায়।

কক্সনের বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক

তবে এআই নিয়ে কক্সনের সতর্কবার্তা সবাই সমর্থন করছেন না। প্রযুক্তি খাতের কিছু ব্যক্তি মনে করছেন, এ ধরনের ভয়াবহ সতর্কবার্তা এআই নিয়ে অতিরিক্ত প্রচার তৈরি করতে পারে।

এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেসের প্রধান নির্বাহী ক্লেমঁ দেলাংও কক্সনের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, এআই থেকে মানবজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি নিয়ে কক্সনের মন্তব্যকে বৃহত্তর বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তবে আমোদেইয়ের প্রবন্ধ প্রকাশের পর দেলাংও সম্ভাব্য সমাধান খুঁজতে অ্যানথ্রপিকের উদ্যোগে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এদিকে চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংও কক্সনের মন্তব্য নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কক্সনের কিছু বক্তব্যকে সত্য নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেন।

নিরাপত্তা নাকি ব্যবসায়িক স্বার্থ?

এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতার পাশাপাশি এর পেছনে ব্যবসায়িক স্বার্থ কাজ করছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের কেউ কেউ মনে করেন, অ্যানথ্রপিকসহ বড় এআই প্রতিষ্ঠানগুলো কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলে প্রতিযোগিতা কমানোর চেষ্টা করতে পারে।

অ্যানথ্রপিক শিগগির শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এটি সফল হলে এআই খাতে অন্যতম বড় প্রাথমিক শেয়ার বিক্রির ঘটনা হতে পারে।

অন্যদিকে ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান বলেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সময়ে শেয়ারবাজারে প্রবেশ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

সব মিলিয়ে এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি নিয়ে প্রযুক্তি দুনিয়ায় এখন দুই ধরনের মত স্পষ্ট। এক পক্ষ মনে করছে, এআই মানবজাতির জন্য অভূতপূর্ব সুযোগ তৈরি করবে। অন্য পক্ষের আশঙ্কা, যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই প্রযুক্তির অগ্রগতি ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। সেই বিতর্কের মধ্যেই এআই গবেষকদের ভেতর থেকেই উঠে আসছে আরও কঠোর নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণের দাবি।

সূত্র: বিবিসি

এমএসএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
কুমিল্লা নগরীতে যুবকের বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লা নগরীতে যুবকের বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লা নগরীতে অজ্ঞাত (৪০) এক যুবকের বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে তালপুকুর পাড়ের ঘাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকালে তালপুকুর পাড়ের ঘাটে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পুলিশের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় ওই যুবকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। উদ্ধারের সময় তার শরীরে কোনো কাপড় ছিল না। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির দাবি, নিহত যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। পুলিশ বলছে তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেকে পাঠায়। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে হত্যাকাণ্ড নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু।  জাহিদ পাটোয়ারী/এফএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সমকামিতা সম্পর্কে সংবিধানের ৩৭৭ ধারা কী বলছে, এর শাস্তি কী?

সমকামিতা সম্পর্কে সংবিধানের ৩৭৭ ধারা কী বলছে, এর শাস্তি কী?

মেহেরপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক-টাকা-অস্ত্রসহ বাবা-ছেলে আটক

মেহেরপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক-টাকা-অস্ত্রসহ বাবা-ছেলে আটক

ট্যাপিওকা পার্লে জমে থাকা ভালোবাসা

ট্যাপিওকা পার্লে জমে থাকা ভালোবাসা

ওজোপাডিকোর প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ সমস্যার সমাধান হয়েছে
ওজোপাডিকোর প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ সমস্যার সমাধান হয়েছে

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) প্রি-পেইড মিটার রিচার্জের সমস্যা সমাধান হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে প্রি-পেইড সিস্টেম পুনরুদ্ধার করা হয়। এর ফলে মিটার রিচার্জ-সংক্রান্ত সব সীমাবদ্ধতা দূর হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ওজোপাডিকোর প্রি-পেইড ডেটাবেজ সার্ভারের সঙ্গে অ্যাপ্লিকেশন সার্ভারের লজিক্যাল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আরও পড়ুন বিদ্যুতের দাম বাড়লেই প্রিপেইড মিটার রিচার্জে ভোগান্তি, নেই সমাধান এরপর কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল দীর্ঘ সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সমস্যাটি শনাক্ত ও সমাধানের উদ্যোগ নেয়। পরে মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটে প্রি-পেইড সিস্টেম পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় ওই সময়ে ওজোপাডিকোর বিভিন্ন অঞ্চলের যেসব গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারে ভেন্ডিং বা রিচার্জ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন, তাদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা রোধে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। আরও পড়ুন প্রিপেইড মিটার রিচার্জে ২০০ ডিজিটের টোকেন, ভোগান্তিতে গ্রাহক গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং আন্তরিক সহযোগিতা ওজোপাডিকোর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আরএমএম/এসএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, এবার কি ‘স্টার ওয়ার্স’ শুরু করবে দেশটি

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, এবার কি ‘স্টার ওয়ার্স’ শুরু করবে দেশটি

ছাত্রলীগের সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড

ছাত্রলীগের সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড

সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি
সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২৭ মিনিটে বিমানযোগে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এসময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের বিভিন্ন আসনের সদস্য, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। সফরসূচি অনুযায়ী, এয়ারপোর্ট থেকে সার্কিট হাউজে পৌঁছানোর পর রাষ্ট্রপতি গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন। এরপর দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে সার্কিট হাউজ থেকে হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার। এরপর শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করে সার্কিট হাউজে ফিরে কিছু সময় অবস্থান করবেন। সেখান থেকে বিকেলে সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি। সংবর্ধনা শেষে আবার সার্কিট হাউজে ফিরে যাবেন তিনি। সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন রাষ্ট্রপতি। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার বঙ্গভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আহমেদ জামিল/এফএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সাইবার আইনে ‘মানহানি’, ‘হেয়প্রতিপন্ন’ ও ‘গুজব’ বাদ চায় ব্লাস্ট

সাইবার আইনে ‘মানহানি’, ‘হেয়প্রতিপন্ন’ ও ‘গুজব’ বাদ চায় ব্লাস্ট

বাংলাদেশ-চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আলোচনা

বাংলাদেশ-চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আলোচনা

জলপাই-পিঠ তুলিকার কথা

জলপাই-পিঠ তুলিকার কথা

0 Comments