জাতীয়

আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সেনাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সেনাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়
আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সেনাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের অংশগ্রহণে চার দিনব্যাপী আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচি ‘আর্মার-ক্যাভালরি সাবজেক্ট ম্যাটার এক্সপার্ট এক্সচেঞ্জ’ শেষ হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ উপলক্ষে বগুড়া সেনানিবাসের আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসনাত আহমেদ।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের ২৫ জন এবং সদর দপ্তর ১১ পদাতিক ডিভিশনের নয়জন সেনাসদস্য অংশ নেন।

কর্মসূচিতে বিভিন্ন যুদ্ধাভিযানে আর্মার-ক্যাভালরির যুদ্ধকৌশল বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়। এ সময় ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা বিভিন্ন অভিযানে আর্মার-ক্যাভালরির তাত্ত্বিক যুদ্ধকৌশল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

চার দিনের এ কর্মসূচির মাধ্যমে দুই দেশের সেনাসদস্যদের মধ্যে আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে মার্কিন ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের প্রতিনিধি দল, কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সেনাসদস্য এবং আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুল ও ১১ পদাতিক ডিভিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

টিটি/কেএইচকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের তার চুরি, আসামি রঞ্জন চন্দ্রের জামিন
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের তার চুরি, আসামি রঞ্জন চন্দ্রের জামিন

সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরি হওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় করা মামলায় রঞ্জন চন্দ্রের (২৬) জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৬–এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিবের আদালত আসামির ১০ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী পারেমল চন্দ্র বর্মন। এর আগে গত মাসে এ মামলায় আরও দুই আসামি জামিন পেয়েছেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২২ মে সকাল ১০টা থেকে ১ জুন সকাল ১০টার মধ্যে যেকোনো সময় বাংলাদেশ সচিবালয়ের পুরোনো ভবন ১, ২ ও ৩-এর ছাদ থেকে বিটিসিএলের তামার তার চুরি হয়। চুরি হওয়া সরকারি কেবলের দৈর্ঘ্য প্রায় ১১০ মিটার এবং এর বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।এ ঘটনায় বিটিসিএলের জুনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক (কারিগরি) মো. ফয়সাল কবীর শাহবাগ থানায় একটি চুরির মামলা করেন। মামলা তদন্তের সময় সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৪ জুন সচিবালয় এলাকা থেকে আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র (২৬) ও ভাঙারি ব্যবসায়ী রিজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন চুরির কথা স্বীকার করেন। তিনি চুরি করা কেব্‌ল থেকে তামা বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে ‘মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্স’ নামের একটি ভাঙারির দোকানে বিক্রি করেছিলেন। রঞ্জনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই তামার ক্রেতা হিসেবে মাহাবুব হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর থেকে এই তিন আসামি কারাগারে ছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
ভূমি অফিসে কর্মকর্তাদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জিও ফেন্সিং চালু করেছে মন্ত্রণালয়

ভূমি অফিসে কর্মকর্তাদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জিও ফেন্সিং চালু করেছে মন্ত্রণালয়

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন নীতিতে ব্যাপক কড়াকড়ি, উৎকণ্ঠায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন নীতিতে ব্যাপক কড়াকড়ি, উৎকণ্ঠায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

জুলাই অভ্যুত্থানে গৌরীপুর হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

জুলাই অভ্যুত্থানে গৌরীপুর হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

বিএনপি বামের ডাইনে, ডাইনের বামে মধ্যপন্থার একটি রাজনৈতিক দল: আইনমন্ত্রী
বিএনপি বামের ডাইনে, ডাইনের বামে মধ্যপন্থার একটি রাজনৈতিক দল: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘বিএনপি বামের ডাইনে, ডাইনের বামে মধ্যপন্থার একটি রাজনৈতিক দল। যে দল বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা ও সবুজ পাসপোর্টের মর্যাদা সব সময় রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর।’ ঢাকা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসবে বৃহস্পতিবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি’ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে চাই না। ধর্ম আমার বিশ্বাসের জায়গা, ধর্ম আমার শ্রদ্ধার জায়গা, ধর্ম আমার ইহকাল-পরকালের জায়গা। কিন্তু সেই ধর্ম রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়ে এসে মানুষের রক্তপাত আমরা ঘটাতে চাই না। বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল, যারা ধর্ম ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলে।’আইনমন্ত্রী বলেছেন, ‘সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের ভিত্তিতে যে ধরনের একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব, আমরা সেটি নিয়ে এগিয়ে যাব; যাতে বাংলাদেশকে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে যেতে পারি।’ এ সময় আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা (আইনজীবীরা) এখানে অনেক মুসলিম সমাজের আইনজীবী আছেন, হিন্দু সমাজের আইনজীবী আছেন, কেউ কেউ খ্রিষ্টান সমাজের আইনজীবী আছেন। কিন্তু যখন আপনি আদালতের সামনে দাঁড়ান, তখন আপনার পরিচয় কিন্তু মুসলিম কিংবা খ্রিষ্টান কিংবা হিন্দু নয়। তখন আপনি কালো কোট পরা একজন আইনজীবী। একটি সাম্প্রদায়িকতাহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য যেখানে যে রকম আচরণ করা প্রয়োজন, আমরা সে ধরনের আচরণ করব।’অনুষ্ঠানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহবুবুর রহমান।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল: দীনেশ ত্রিবেদী

কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল: দীনেশ ত্রিবেদী

‘গলফ অপারেশনের’ কথা বলে দেওয়ায় আলকাছ মাঝিকে শেষ করে দিতে বলেছিলেন জিয়াউল আহসান

‘গলফ অপারেশনের’ কথা বলে দেওয়ায় আলকাছ মাঝিকে শেষ করে দিতে বলেছিলেন জিয়াউল আহসান

এ-লেভেল এবং ও-লেভেল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দিল আইইউবি

এ-লেভেল এবং ও-লেভেল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দিল আইইউবি

প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার
প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সোমবার, অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাচ্ছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্র সফরটি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ফলে ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তৃতা দেওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নিউইয়র্ক থেকে তাঁর সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, নিউইয়র্কে সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের তালিকাও ছোট। অতীতের সরকারগুলোর তুলনায় ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছ্রসাধনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিউইয়র্কে অবস্থানের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠক, বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে পৃথকভাবে আলোচনা করবেন।জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকের মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন, মহামারি প্রতিরোধ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ। এ ছাড়া বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যাসহ একাধিক আলোচনার আয়োজন করছে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে।নিউইয়র্ক থেকে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য যেসব দেশের নেতাদের বৈঠক হতে পারে, সে তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেঙ্কোভিচ ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান আল সৌদ।এর পাশাপাশি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব‍্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে। সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের জলবায়ু প্রস্তুতি কাগজে ভালো, বাস্তবায়নে ঘাটতি: আইনুন নিশাত

বাংলাদেশের জলবায়ু প্রস্তুতি কাগজে ভালো, বাস্তবায়নে ঘাটতি: আইনুন নিশাত

মুসলমান কর্মকর্তাদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ করে জাতিসংঘে চিঠি লেখায় মামলা করেছে পুলিশ: মহুয়া মৈত্র

মুসলমান কর্মকর্তাদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ করে জাতিসংঘে চিঠি লেখায় মামলা করেছে পুলিশ: মহুয়া মৈত্র

তিন অভিনেতার পর এবার পরিচালকের সঙ্গে অভিনেত্রীর চতুর্থ সম্পর্ক

তিন অভিনেতার পর এবার পরিচালকের সঙ্গে অভিনেত্রীর চতুর্থ সম্পর্ক

0 Comments