জাতীয়

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ

Montu Mian জুন ১৭, ২০২৬ 0
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ
শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী

 


ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করেছে সরকার। পদোন্নতির পর তাকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

অন্যদিকে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির (এনএপিডি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের (পরিবহন পুল) পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. খায়রুল কবীর মেনন। তাকেও সচিব পদে পদোন্নতির পর এ পদে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া এনএপিডির মহাপরিচালক (সচিব) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে অবসরে যাওয়ার সুবিধার্থে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঘুমের মধ্যেই ছোবল দিল সাপ, প্রাণ গেল শিশুর
ঘুমের মধ্যেই ছোবল দিল সাপ, প্রাণ গেল শিশুর

টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাপের কামড়ে জুনায়েদ হাসান নামে সাড়ে ৪ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত জুনায়েদ হাসান উপজেলার কচুয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার জাহিদ হাসানের ছেলে। পরিবার ও স্থানীয়রা বলেন, সোমবার দুপুরে খাবার খেয়ে জুনায়েদ ঘুমিয়ে পড়ে। বিকেল পাঁচটার দিকে ঘুম থেকে উঠে সে কান্নাকাটি শুরু করে। একপর্যায়ে বাবা-মাকে জানায়, ‘কী যেন কামড় দিয়েছে।’ আশপাশে সাপ দেখতে না পাওয়ায় প্রথমে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি সাপের কামড় বলে নিশ্চিত হতে পারেননি। পরে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা গুরুতর দেখতে পান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকলেও আইসিইউ সুবিধা না থাকায় শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।  পরিবারের সদস্যরা জানায়, রাত সাড়ে নয়টার দিকে জুনায়েদকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাবেয়া আক্তার জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার সময় তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকলেও আইসিইউ সুবিধা না থাকায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এদিকে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পশ্চিম কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জুনায়েদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।   আব্দুল্লাহ আল নোমান/এফএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
যানজটে আটকে ফায়ার সার্ভিস, অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল দোকান-যানবাহন

যানজটে আটকে ফায়ার সার্ভিস, অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল দোকান-যানবাহন

পাঞ্জাবি-শেরোয়ানি বিক্রেতার ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

পাঞ্জাবি-শেরোয়ানি বিক্রেতার ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু ৮ অক্টোবর

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু ৮ অক্টোবর

কীভাবে আরও গভীর ও অর্থবহ আলাপ করবেন?
কীভাবে আরও গভীর ও অর্থবহ আলাপ করবেন?

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, অধিকাংশ মানুষই অর্থবহ কথোপকথন চান। শুধু কোনো একজনকে প্রথম পদক্ষেপটি নিতে হয়। কিন্তু একজন এগিয়ে এসে সেই পদক্ষেপ নেন না বলে গভীর কথোপকথন আর হয়ে ওঠে না।কাউকে না কাউকে সাহস করে প্রথমে একটু ব্যক্তিগত বা আন্তরিক কিছু বলতে হয়অনেকেই কারও সঙ্গে কথা বলার আগে মানসিক চাপে থাকেন। সেই সঙ্গে ভাবেন, গভীর আলাপ শুরু করলে পরিস্থিতি বিব্রতকর হয়ে যাবে। তাই বেশির ভাগ কথোপকথন আবহাওয়া, কাজ বা দৈনন্দিন ছোটখাটো বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ১. আপনিই নিন প্রথম পদক্ষেপগভীর আলাপের সবচেয়ে কঠিন অংশ হলো শুরু করা। কাউকে না কাউকে সাহস করে প্রথমে একটু ব্যক্তিগত বা আন্তরিক কিছু বলতে হয়। হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক অ্যালিসন উড ব্রুকসের মতে, একজন যখন নিজের সম্পর্কে সামান্য খোলামেলা কিছু বলেন, তখন অন্যজনও সাধারণত একইভাবে সাড়া দেন। একে মনোবিজ্ঞানে রিসিপ্রোক্যাল সেলফ-ডিসক্লোজার বা পারস্পরিক আত্মপ্রকাশ বলা হয়।২. ছোট আলাপ থেকেই গভীরতায় যানগভীর আলাপ মানে শুরুতেই জীবনদর্শন বা ব্যক্তিগত কষ্ট নিয়ে প্রশ্ন করা নয়।বরং–প্রথমে সাধারণ বিষয় নিয়ে কথা বলুন।তারপর ধীরে ধীরে আগ্রহ দেখিয়ে প্রশ্ন করুন।অপর ব্যক্তি যে বিষয়ে কথা বলছেন, সেটি নিয়েই আরও জানতে চান।এভাবে আলাপ স্বাভাবিকভাবেই গভীর হতে পারে।মানুষ কেন আত্মহত্যার চিন্তা করে, কাদের ঝুঁকি বেশি প্রথম দেখায় সাধারণ বিষয় নিয়ে কথা বলুন৩. মানুষকে সত্যিকারভাবে লক্ষ্য করুনযাঁর সঙ্গে প্রথম পরিচয় হলো, তাঁরও ছোটখাটো বিষয় লক্ষ্য করে আলাপ শুরু করতে পারেন। যেমন ‘আপনার টি-শার্টটা দারুণ!’ কিংবা ‘গতকালের ম্যাচটা দেখেছেন, নাহিদ রানা কিন্তু ভালোই খেলল।’ এ ধরনের আন্তরিক পর্যবেক্ষণ আলাপকে স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।৪. কৌতূহলী হন, জিজ্ঞাসাবাদ করবেন নাভালো কথোপকথনের উদ্দেশ্য তথ্য সংগ্রহ নয়; বরং অন্য মানুষটিকে বোঝা। তাই প্রশ্ন এমন হওয়া উচিত, যা মানুষকে নিজের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ভাগ করে নিতে উৎসাহিত করে। যেমন ‘সিদ্ধান্তটা আপনার জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিল?’ বা ‘এই অভিজ্ঞতা থেকে কী শিখেছেন?’, ‘সম্প্রতি কোন বিষয়টি আপনাকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়েছে?’৫.মন দিয়ে শুনুনগভীর আলাপ শুধু ভালো প্রশ্ন করার ওপর নির্ভর করে না; বরং মনোযোগ দিয়ে শোনার ওপরও নির্ভর করে। কথা বলার সময়–মাঝপথে বাধা দেবেন না।দ্রুত পরামর্শ দিতে যাবেন না।অন্যজনের কথার ওপর ভিত্তি করে অনুসরণমূলক প্রশ্ন করুন।এতে মানুষ অনুভব করেন যে তাঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে।ভালো কথোপকথনের উদ্দেশ্য তথ্য সংগ্রহ নয়; বরং অন্য মানুষটিকে বোঝা৬. অস্বস্তিকে ভয় পাবেন নাকখনো কখনো গভীর আলাপের আগে বা মাঝে কিছুটা নীরবতা আসে। অনেকেই সেই নীরবতা ভাঙতে তাড়াহুড়া করেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অস্বস্তি স্বাভাবিক। সেটি মেনে নিতে পারলে সম্পর্ক আরও আন্তরিক হয়ে ওঠে।৭. মানুষ আদতে আপনার ধারণার চেয়ে বেশি আগ্রহীগবেষণায় দেখা গেছে, আমরা প্রায়ই ধরে নিই যে অপর ব্যক্তি গভীর কথা বলতে চাইবেন না বা আমার সঙ্গে কথা বলে আনন্দ পাবেন না। বাস্তবে এই ধারণা অনেক ক্ষেত্রেই ভুল। মানুষ সাধারণত অর্থবহ আলাপের পর নিজেদের আরও সুখী, বোঝা হয়েছে (আন্ডারস্টুড) এবং সংযুক্ত (কানেকটেড) অনুভব করেন।কিছু প্রশ্ন, যা আলাপ গভীরে নিতে পারেসম্প্রতি কোন বিষয়টি আপনাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিয়েছে?গত এক বছরে আপনার সবচেয়ে বড় শিক্ষা কী?এমন কোনো সিদ্ধান্ত আছে, যা আপনার জীবন বদলে দিয়েছে?এখন আপনার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য কী?কোন মানুষটি আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন এবং কেন?এমন কোনো স্বপ্ন আছে, যা এখনো পূরণ করেননি? বাকেট লিস্টে কী কী আছে?সূত্র: টাইম‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ কী? কেন এটি বাড়ছে?

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড

ঢাকায় মেয়র পদে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

ঢাকায় মেয়র পদে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের, আরাফাতসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের, আরাফাতসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আদৌ মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আদৌ মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে

অতি বুদ্ধিসম্পন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অচিরেই মানুষের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এই প্রযুক্তির অপব্যবহার কীভাবে মানবজাতিকে সর্বনাশের মুখে ঠেলে দিতে পারে, তা নিয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি অ্যানথ্রপিকের এক শীর্ষ এআই গবেষকের পদত্যাগের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে প্রযুক্তিবিশ্বে।অ্যানথ্রপিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করতেন গবেষক জ্যাকব কক্সন। চাকরি ছাড়ার পর তিনি সবাইকে সতর্ক করে জানান, এই দশকের শেষ নাগাদ এআই মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে। মানুষের তৈরি সিস্টেম যদি সুপারইন্টেলিজেন্ট বা অতি বুদ্ধিসম্পন্ন হয়ে ওঠে তবে তা ভয়ংকর রূপ নিতে পারে। অ্যানথ্রপিক এবং ওপেনএআইয়ের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে যথেষ্ট দায়িত্বশীল আচরণ করছে না।অতি বুদ্ধিমান এআইয়ের কারণে পৃথিবী থেকে মানুষ বিলুপ্ত হওয়ার পেছনে একাধিক সম্ভাব্য ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা তৈরি থেকে শুরু করে গ্রহের পরিবেশ আমূল বদলে দেওয়া পর্যন্ত এর পরিধি বিস্তৃত। গণ ধ্বংসের অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা এআই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় বিপদগুলোর একটি। বিশ্বের পরাশক্তিগুলো আরও শক্তিশালী এআই বট তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ফলে কোনো অনিয়ন্ত্রিত এআই এজেন্ট পারমাণবিক বা জৈবিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। টার্মিনেটর সিনেমার মতো দৃশ্যপট না হলেও এই ঝুঁকির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।এআই মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে ওঠার আগেই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানগবেষকেরা একে অ্যালাইনমেন্ট প্রবলেম বা সামঞ্জস্যের সমস্যা বলে অভিহিত করেন। মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এআই তৈরি হলে এর লক্ষ্য মানুষের অনুকূলে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ওপেনএআইয়ের তৈরি এক হাজারেরও বেশি এআই এজেন্ট সম্প্রতি নিজেদের সুরক্ষাবেষ্টনী ভেঙে হাগিং ফেস নামের একটি পাবলিক ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। আরও শক্তিশালী এআই মডেলে এই ত্রুটি বড় পরিসরে দেখা দিতে পারে।বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মার্ক লি জানান, সশস্ত্র রোবটের চেয়েও এই ঝুঁকি অনেক বেশি গুরুতর। বড় এআই প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষ বা তার চেয়েও বুদ্ধিমান সিস্টেম তৈরির দৌড়ে নেমেছে। তবে এই আচরণ নিয়ন্ত্রণের নির্ভরযোগ্য কোনো উপায় মানুষের হাতে নেই। ইন্টারনেট সংযুক্ত যেকোনো সফটওয়্যারভিত্তিক সিস্টেম ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। জাতীয় পরিবহন ব্যবস্থা বা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হলে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।অধ্যাপক মার্ক লি সবাইকে সতর্ক করে জানান, সন্ত্রাসী বা কোনো বিপথগামী রাষ্ট্র এআই ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস তৈরি করতে পারে। এর ফলে আরেকটি মারাত্মক বৈশ্বিক মহামারি ছড়িয়ে পড়তে পারে। অ্যানথ্রপিক সম্প্রতি জানিয়েছে তারা জৈবিক অস্ত্র তৈরিতে সহায়তার ৫টি ক্ষতিকর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মানব সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।কন্ট্রোলএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আন্দ্রে মিওত্তি জানান, কেউ জানে না কীভাবে এই সুপারইন্টেলিজেন্ট এআই নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কোটি কোটি নিয়ন্ত্রণহীন এআই এজেন্ট নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করতে পারে। মানুষ তখন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হবে। এর ফলে মানবজাতি ধীরে ধীরে ক্ষমতাহীন হয়ে পড়তে পারে। আন্দ্রে মিওত্তির মতে, বর্তমানে বিশ্বের ৯টি দেশের কাছে প্রায় ১২ হাজারেরও বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। কোনো অনিয়ন্ত্রিত এআইয়ের কবলে এই দেশগুলো পড়লে অস্ত্রগুলো মানুষের বিপক্ষেই ব্যবহার হতে পারে। স্টক মার্কেটে মুনাফা বাড়াতে গিয়ে কিংবা পারমাণবিক শীত এনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমাতে গিয়ে এআই ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যুদ্ধের মাঠে স্বয়ংক্রিয় ড্রোনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় সংঘাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।জৈব অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে এআইয়ের অপব্যবহার পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। গবেষকদের মতে, নিরাপত্তাব্যবস্থা সরিয়ে ফেললে জৈবিক হামলার বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করতে পারে এআই। এর ফলে ভবিষ্যতে সন্ত্রাসীরা বিস্ফোরক বা রাসায়নিক অস্ত্র তৈরির সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা পেয়ে যেতে পারে।সূত্র: ডেইলি মেইল

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
দেশে বছরে ৮০ হাজার নারী গাইনোকোলজিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত

দেশে বছরে ৮০ হাজার নারী গাইনোকোলজিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত

হাটহাজারীতে অস্ত্র মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার

হাটহাজারীতে অস্ত্র মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার

ব্র্যাকনেটের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪৫ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ

ব্র্যাকনেটের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪৫ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ

0 Comments