সরকারদলীয়রা চক্রবৃদ্ধি হারে চাঁদাবাজির ব্যবসা শুরু করেছেন: নাসীরুদ্দীন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, “সরকারদলীয় লোকজন অটোরিকশা ও দোকান থেকে চাঁদাবাজি করছেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সাজেক সংকট প্রত্যাহারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে সাজেক গণঅধিকার আন্দোলন ও সাজেক কার্বারি অসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন সাজেক গণঅধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক বাবুধ...
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পূর্ববিরোধের জের ধরে কাজী ইউসুফ হোসেন (৪৫) নামের এক জামায়াত কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি’র আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে অবৈধ হোটেল-রিসোর্ট উচ্ছেদে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের প্রথম দিন সোমবার (২৬ অক্টোবর) উখিয়ার ইনানী সৈকত এলাকায় প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি চারতলা রিসোর...
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।
<p>ভারতে নারীর বিরুদ্ধে করা অপরাধে সবচেয়ে বেশি অভিযুক্ত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সংসদ সদস্য ও বিধায়কেরা। ভারতে নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গবেষণা করে এমন একটা সর্বভারতীয় সংস্থা এক সমীক্ষায় এমন তথ্য জানিয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী মোট ১৮৭ জন বর্তমান সংসদ সদস্য ও বিধায়কের বিরুদ্ধে নারীদের ওপর নির্যাতনের মামলা রয়েছে।</p><p> বেসরকারি সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের (এডিআর) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন থেকে ভারতের জনপ্রতিনিধিদের অপরাধমূলক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এই সমীক্ষায় দেশের ৭৭২ জন সংসদ সদস্য এবং ৪ হাজার ১০৯ জন রাজ্য বিধায়কের হলফনামা খতিয়ে দেখা হয়েছে।</p><p> বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভারতের সব রাজ্যের মধ্যে এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ রাজ্যের সর্বোচ্চ ৬৯ জন সংসদ সদস্য ও বিধায়কের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।</p><p>তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ। সেখানে নারীর বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধির সংখ্যা ২২ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা ওড়িশায় এই সংখ্যা ১৭।</p><p>রাজনৈতিক দলগুলোর ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি অপরাধের মামলা রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। এই দলের ১০৬ জন সংসদ সদস্য ও বিধায়কের বিরুদ্ধে নারীঘটিত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা কংগ্রেসের ২০ জন এবং তৃতীয় স্থানে থাকা তেলেগু দেশম পার্টি বা টিডিপির ১৮ জন জনপ্রতিনিধি এই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত। তবে দলীয় সংসদ সদস্য ও বিধায়কের সংখ্যার শতকরা হিসাবে বিচার করলে এই হার সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে টিডিপিতে, যা প্রায় ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। এরপরই রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), যাদের হার ৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং কংগ্রেসের ক্ষেত্রে এই হার ২ দশমিক ৬ শতাংশ।</p><p>সবচেয়ে গুরুতর বিষয় হলো ১৮৭ জনের মধ্যে ১৪ জন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এই ১৪ জনের মধ্যে ২ জন লোকসভার সাংসদ এবং ১২ জন বিধায়ক। দলগতভাবে বিজেপি এবং কংগ্রেসের ৪ জন করে সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রয়েছে। এ ছাড়া টিডিপি, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেডি, এনপিপি, ভারত আদিবাসী পার্টি এবং অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্টের একজন করে বিধায়কের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রয়েছে।</p><p>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এডিআর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছে। তাদের মতে, অপরাধমূলক প্রেক্ষাপট থাকা ব্যক্তিদের ভোটে দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করা উচিত। পাশাপাশি ধর্ষণের মতো অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের আজীবন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বাদ দেওয়া দরকার। শুধু তা–ই নয়, যাঁদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কোনোভাবেই মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া উচিত নয় বলে জানিয়েছে এডিআর। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে প্রার্থীর অপরাধের রেকর্ড প্রকাশ না করলে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক জরিমানা করা উচিত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এডিআর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছে। তাদের মতে, অপরাধমূলক প্রেক্ষাপট থাকা ব্যক্তিদের ভোটে দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করা উচিত। পাশাপাশি ধর্ষণের মতো অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের আজীবন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বাদ দেওয়া দরকার। শুধু তা–ই নয়, যাঁদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কোনোভাবেই মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া উচিত নয় বলে জানিয়েছে এডিআর। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে প্রার্থীর অপরাধের রেকর্ড প্রকাশ না করলে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক জরিমানা করা উচিত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।</p>
পবিত্র কোরআনে এমন কিছু দুর্ভাগা মানুষের কথা বলা হয়েছে, যাদের অন্তরে আল্লাহ সিলগালা করে দেন। তখন সুপথে ফিরে আসার সব যোগ্যতা মানুষ হারিয়ে ফেলে।
<p>২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর লেখক ও বিজ্ঞানী ড. রেজাউর রহমানের (জন্ম: ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪১—মৃত্যু ২৬ অক্টোবর ২০২৫) প্রয়াণে মাসিক <em>বিজ্ঞানচিন্তা</em> স্মরণসভার আয়োজন করে। সেই স্মরণসভায় <em>প্রথম আলো </em> সম্পাদক মতিউর রহমান তাঁর মেজো ভাই রেজাউর রহমানকে নিয়ে এ স্মৃতিচারণা করেন।</p><p>আমরা ৯ ভাই-বোন (চার ভাই, পাঁচ বোন) ছিলাম। এখন আমরা সাত ভাই-বোন। আমাদের সবার বড় ভাই লুৎফুর রহমান একজন প্রকৌশলী ছিলেন। প্রকৌশল পাস করার ছয় মাস পর তিনি মারা গেলেন, ঢাকায়। সেই বহুদিন আগে—১৯৬৪ সালে। সেই শোক এখনো কাটেনি আমাদের। দ্বিতীয় ভাই ড. রেজাউর রহমান, আমার থেকে তিন বছরের বড়। তিনিও মারা গেলেন এই সেদিন, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ সালে। বড় ভাইকে আমরা বলতাম, দাদা। আর মেজো ভাইকে বলতাম, ভাইয়া। আমার পরে পাঁচ বোন (নাজমা নবী, সেলিমা ইসলাম, ফরিদা বেগম, সাহানা আহমেদ ও নিনা ইসলাম) এবং আমাদের সবার ছোট ভাই ডা. জাকির রহমান। বোনদের মধ্যে দুজন এখন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বহু বছর ধরে। প্রতিবছর তাঁরা ঢাকায় আসেন ভাই-বোনদের টানে, মায়ায়। ৬০ বছরের অধিক সময় ধরে আমরা ছিলাম আট ভাই-বোন। কত যে স্মৃতি। সেখানে এখন আরও একজন কমে গেল।</p><p>আমার বড় দুই ভাইয়ের জন্ম ও শৈশব কেটেছে ঢাকায়। কলকাতায়ও তাঁদের শৈশবের দু-তিন বছর কেটেছে। বড় দুজনের পড়াশোনা শুরু মাদ্রাসায়। এ নিয়ে তাঁরা কয়েক বছর খুব চাপের মধ্যে ছিলেন। আম্মাও কোনো প্রতিবাদ করতে পারেননি। পরে নানাভাই তাঁদের দুজনকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে নবাবপুর গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে ভর্তি করতে সাহায্য করলেন। নানা ভাই আবদুশ শহীদ অবিভক্ত ভারতের নির্বাচিত বঙ্গীয় পরিষদের দুবারের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। চিন্তাভাবনায় তিনি আধুনিক ছিলেন। পেশায় তিনি আইনজীবী ছিলেন। পঞ্চাশের দশকের শুরু থেকে তিনি আমাদের সবার প্রিয় গাজীপুরের কাপাসিয়ায় থাকতেন। কী সুন্দর পরিবেশ ছিল তখন সেখানে।</p><p>ভাইয়া (রেজাউর রহমান) নবাবপুর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে ঢাকা কলেজ, তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল ডাক্তার হওয়ার। বড় ভাই প্রকৌশলী হয়েছিলেন। তখন এমনটাই নিয়ম ছিল যে এক ভাই প্রকৌশলী হলে আরেক ভাই হবেন ডাক্তার। বড় ভাই, আমাদের দাদা লুৎফুর রহমান, স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে পাস করে নটর ডেম কলেজ এবং পরে ইস্ট পাকিস্তান ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির (বর্তমান বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাস করেছিলেন। তাঁর বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম কাদের প্রমুখ। কিন্তু ভাইয়া (মেজো ভাই) মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। তাই পুনরায় আর চেষ্টা না করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ভর্তি হলেন। সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করলেন। তাঁর প্রথম চাকরি হলো রাজশাহী কলেজে, তারপর আণবিক গবেষণাকেন্দ্রে। এরপর ১৯৭৯ সালে প্রাগের চেক বিজ্ঞান একাডেমি থেকে কীটতত্ত্বে তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন। গবেষণার কাজ বা কোনো সেমিনার-সভায় যোগ দেওয়ার জন্য তিনি মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। বেড়াতে গিয়েছেন অনেক শহরে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/vtgv3kjy/1.JPG"><figcaption>রেজাউর রহমান (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৪—২৬ অক্টোবর ২০২৫)</figcaption></figure><p>পড়াশোনার পাশাপাশি ভাইয়ার লেখালেখির প্রতি ঝোঁক ছিল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে। আমার জানামতে, তাঁর প্রথম গল্প ‘ঘরমুখো মন’ দৈনিক সংবাদে ছাপা হয় ১৯৬২ সালে। সে সময় তাঁর আরও কিছু লেখাও প্রকাশিত হয়েছিল। আমাদের পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত একুশের সংকলন ‘ঝড়ের খেয়া’তেও তাঁর গল্প প্রকাশিত হয়। তিনি গল্প, উপন্যাস ও কবিতার একজন নিমগ্ন পাঠক ছিলেন। সেই ছোটবেলা থেকে দেখেছি তাঁর কেনা জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ আর ‘রূপসী বাংলা’ বই দুটি আমাদের বাড়িতে ছিল। কবিতার প্রতি ছিল তাঁর বিশেষ আগ্রহ। তাঁর প্রিয় কবি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রায় নিয়মিত তিনি রবীন্দ্রনাথ পাঠ করতেন।</p><p>তাঁর এক বন্ধু ছিলেন মোশাররফ হোসেন। তিনি অধ্যাপক ছিলেন, ময়মনসিংহ থাকতেন। বেশ কয়েক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। সেই বন্ধুর সঙ্গে মিলে ১৯৮৪-৮৭ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রেজাউর রহমান প্রাণিবিদ্যার ওপর ডিগ্রি সিলেবাসের জন্য কয়েক খণ্ড বই লেখেন। প্রথমা প্রকাশন থেকে ভাইয়ার গল্প, উপন্যাস আর বিজ্ঞানের ১০টি বই আমরা প্রকাশ করেছি। গল্প, উপন্যাস এবং বিজ্ঞান নিয়ে তিনি অর্ধশতাধিক বইয়ের প্রণেতা।</p><blockquote>পড়াশোনার পাশাপাশি ভাইয়ার লেখালেখির প্রতি ঝোঁক ছিল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে। আমার জানামতে, তাঁর প্রথম গল্প ‘ঘরমুখো মন’ দৈনিকসংবাদে ছাপা হয় ১৯৬২ সালে। সে সময় তাঁর আরও কিছু লেখাও প্রকাশিত হয়েছিল। আমাদের পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত একুশের সংকলন ‘ঝড়ের খেয়া’তেও তাঁর গল্প প্রকাশিত হয়।</blockquote><p>১৯৭১ সাল আমাদের পরিবারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল। আমার দুই ভাই, পাঁচ বোন ও মায়ের জীবন পরিচালনা, তাঁদের নিয়ে গ্রামে নানাবাড়িতে চলে যাওয়াসহ ওই সময়টায় অনেক দায়িত্ব ভাইয়া রেজাউর রহমান একাই পালন করেছেন। একাত্তরের সেই ভয়ের দিনগুলোয় আমাদের নানাবাড়ি কাপাসিয়া থেকে পিরোজপুরে আরেক নানাবাড়ি, সেখান থেকে আরেক গ্রাম, তারপর আবার আরেক গ্রামে দৌড়ঝাঁপ। এভাবে প্রায় ছয়-সাত মাস ভয়ভীতি, আতঙ্ক আর বিপদের মধ্যে মা এবং ভাইবোনরা ঢাকায় আসেন। সেই ফিরে আসাটা ছিল সেপ্টেম্বরের কোনো এক সময়। সেই রাতের বেলা ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে তাঁরা নামলেন। স্টেশন থেকে চার–পাঁচটি রিকশাযোগে তাঁরা আট-নয়জন বংশালে আসেন। এ কথা যখন মনে হয়, তখনই আমি আতঙ্কে আঁতকে উঠি।</p><p>ঢাকায় সেই রাতের বেলায় মা আর ছয় ভাই-বোন রিকশায় করে কীভাবে বাসায় ফিরলেন, ভাবলে ভয়ে এখনো ভয়ে শিউরে উঠি। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর আগরতলা থেকে ঢাকায় ফিরে যখন আমার ভাই-বোনদের মুখে এসব কাহিনি শুনেছিলাম। তখন থেকে ভাবি, আমরা যাঁরা যুদ্ধে গিয়েছিলাম, অর্থাৎ যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের বহুমুখী কাজ করলাম, তাঁদের যেমন এক ভূমিকা; আর যাঁরা গেলেন না, ভয়ংকর বিপদে দেশে থেকে গিয়েছিলেন, তাঁদেরও আরেক ভূমিকা। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁরা যেভাবে গ্রাম থেকে ঢাকায় এলেন এবং বিজয় অর্জিত হওয়া পর্যন্ত দুই মাসের বেশি সময় অবরুদ্ধ ছিলেন ঢাকায়; তাঁদের সেই কথাগুলো যখন শুনতাম, তখন আমার নিজেকে অনেক ছোট মনে হতো। কিছুটা লজ্জিত হই এখন ছোট ভাই জাকির যখন সেসব দিনের কথা বলে। একাত্তরে ভাইয়া ছিলেন আমাদের পরিবারের কার্যত অভিভাবক। সেই দিনগুলোয় তিনি ঢাকায় আসতেন, অফিসে যেতেন, বেতন তুলে নিয়ে আবার গ্রামে ফিরে যেতেন—এভাবেই তখন সময়টা গেছে তাঁর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/dq0warxh/2.jpg"><figcaption>পারিবারিক ছবিতে আট ভাই–বোনের সঙ্গে রেজাউর রহমান। ওপরের ডান দিক থেকে রেজাউর রহমান, মতিউর রহমান ও জাকিউর রহমান। নিচের বাঁ দিক থেকে নাজমা নবী, সেলিমা ইসলাম, ফরিদা বেগম, সাহানা আহমেদ ও নিনা ইসলাম</figcaption></figure><p>তিনি অমায়িক, বন্ধুসুলভ, আত্মনির্ভর সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু খুব উদ্যোগী কিংবা খুব সক্রিয় না হলেও আমাদের ভাই-বোনদের মাথার ওপরে তিনি একটা ছায়ার মতো ছিলেন। তাঁর আয়ের ওপরে আমাদের কয়েক বোনের পড়াশোনা ও সংসার নির্ভর করেছে। আম্মাও তাঁর ওপর অনেকটা নির্ভরশীল ছিলেন।</p><p>ভাইয়ের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নিয়মিত-অনিয়মিত সব সময়ই ছিল। আমার ওপর তাঁর অনেক নির্ভরতাও ছিল। চিকিৎসাসহ নানা সময় বিভিন্ন সমস্যায় তিনি আমার শরণাপন্ন হতেন। আমি তাঁকে সাহায্য করার চেষ্টা করতাম। আমি তাঁর পাশে থাকার চেষ্টা করতাম। তবে অসুস্থ হয়ে পড়লে সেই রাতে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে এবং পরবর্তী কয়েক দিন নিয়মিত হাসপাতালে দেখাশোনা করলেও তাঁকে আর বাঁচাতে পারিনি। ৮৩ বছর বয়সে একটা বড় হার্ট অ্যাটাক হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আবার বড় একটা অপারেশন হয়। তাঁর উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা এবং শারীরিক দুর্বলতা ছিল। এমন অবস্থায় তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারলেন না। সে জন্য সব সময় এক গভীর বেদনার সুর বাজে বুকের ভেতরে অনবরত।</p><blockquote>তিনি অমায়িক, বন্ধুসুলভ, আত্মনির্ভর সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু খুব উদ্যোগী কিংবা খুব সক্রিয় না হলেও আমাদের ভাই-বোনদের মাথার ওপরে তিনি একটা ছায়ার মতো ছিলেন। তাঁর আয়ের ওপরে আমাদের কয়েক বোনের পড়াশোনা ও সংসার নির্ভর করেছে। আম্মাও তাঁর ওপর অনেকটা নির্ভরশীল ছিলেন।</blockquote><p>দেশের ভেতরে ও বাইরে ভ্রমণ তাঁর খুব প্রিয় ছিল। যখন তিনি চেকোস্লোভাকিয়ার প্রাগে পড়াশোনা করতেন, তখন তাঁর তেমন টাকাপয়সা ছিল না। সেই অবস্থাতেও আমাদের খালাতো ভাই সালাউদ্দিনকে নিয়ে তিনি মোটামুটি কয়েকটি দেশ ঘুরতে গিয়েছিলেন। আমার বোন নাজমা ও শিল্পী রফিকুন নবী থাকতেন গ্রিসে। সেখানেও তিনি বেড়াতে গিয়েছিলেন। লন্ডনে গেলেন। তারপর সুযোগ পেলেই ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন দেশে ঘুরতে যেতেন। যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত দুই মেয়ে নীলাঞ্জনা ও মঞ্জুলিকার কাছে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি ছিলেন খুব উৎসাহী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/fytv4r6r/3.jpeg"><figcaption>পারিবারিক ছবিতে বাঁ দিক থেকে ছোট মেয়ে মঞ্জুলিকা, ড. রেজাউর রহমান, স্ত্রী হালিমা রহমান ও বড় মেয়ে নীলাঞ্জনা</figcaption></figure><p>আমার মনে হয়, তাঁর শেষ উপন্যাস ‘লাল-সবুজের কথন’ ছাপা হলো ২০২৩ সালে। সেটাই শেষ বই। তারপর আর তিনি খুব একটা লেখেননি। তারপর তিনি কোনো কিছুতে তেমন সক্রিয় হননি। তবে স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তাঁর মৃত্যুর পরও বেশ কয়েকজন এসেছিলেন জানাজায় যোগ দিতে।</p><p>ভাইয়ার মধ্যে একটা তৃপ্তি ছিল। তৃপ্তিটা এ রকম—আমার জীবনে যা করার, আমি তা করে ফেলেছি। আবার নতুন কিছু করার জন্য শরীরও হয়তো তাঁকে সাহায্য করতে পারত না। আমরা ভাই-বোনেরা মনে করি—একটা পূর্ণ জীবন যাপন করে ৮৩ বছর বয়সে তিনি মারা গেলেন। গবেষণার কাজে ৫০ বছর ব্যয় করেছেন, পাশাপাশি বিজ্ঞান নিয়ে লিখেছেন এবং গল্প-উপন্যাস রচনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞান লেখক হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন। মেয়েদের শিক্ষিত করেছেন। দুই কন্যা নীলাঞ্জনা আর মঞ্জুলিকাকে নিয়ে তাঁর গর্ব ছিল। তারা ভালো পড়াশোনা করেছে। মেয়েরা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী—একজন অঙ্কে কলেজে অধ্যাপনা করে, আরেকজন বিশ্ববিদ্যালয়ে নাচবিষয়ক গবেষক ও সহযোগী অধ্যাপক। সব মিলিয়ে একটা পূর্ণ জীবন যাপন করেছেন ভাইয়া। এদিক থেকে আমি মনে করি, তিনি একজন সফল মানুষ ছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/gt0mjsph/4.JPG"><figcaption>রেজাউর রহমান</figcaption></figure><p>একটা কথা মনে হয় এখন—সবারই মনে হয় মৃত্যুর পরে সত্যিকারের স্বীকৃতি মেলে। এখন প্রায়ই মনে হয়, ভাইয়ার সঙ্গে কত কথা বলার ছিল, জানার ছিল; সেটা তো হলো না। এটা কয়েক বছর ধরে আমাদের অনেক প্রিয়জন, বন্ধু, ঘনিষ্ঠজন বা অভিভাবক যাঁরা ছিলেন, তাঁরা চলে যাওয়ার পরও মনের ভেতরে এ রকম একটা দুঃখ-কষ্ট বোধ জাগে। গভীর শূন্যতা তৈরি হয়। এখনো আমাদের অনেকের মধ্যে প্রিয়জনদের চলে যাওয়ার পর ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের জন্য এ রকম একটা কষ্টের সময় যায়। আমি বলতে পারি সবাইকে, এখনো অনুজপ্রতিম যাঁরা আছেন, বা সমবয়স্ক সবাই যেন কথাটা মনে রেখে, সময় থাকতে মনের ভেতরে যে আকাঙ্ক্ষা থাকে, সেগুলো যেন পূরণ করে যান। পরে যেন কাউকে আর কষ্ট পেতে না হয়। সেটা আমার জন্যও খুব প্রয়োজনীয়। জরুরি একটি অনুধাবন। জীবনের সময় দ্রুত চলে যায়।</p><blockquote>ভাইয়ার মধ্যে একটা তৃপ্তি ছিল। তৃপ্তিটা এ রকম—আমার জীবনে যা করার, আমি তা করে ফেলেছি। আবার নতুন কিছু করার জন্য শরীরও হয়তো তাঁকে সাহায্য করতে পারত না। আমরা ভাই-বোনেরা মনে করি—একটা পূর্ণ জীবন যাপন করে ৮৩ বছর বয়সে তিনি মারা গেলেন। গবেষণার কাজে ৫০ বছর ব্যয় করেছেন, পাশাপাশি বিজ্ঞান নিয়ে লিখেছেন এবং গল্প-উপন্যাস রচনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞান লেখক হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন।</blockquote><p>ভাইয়াকে নিয়ে মাসিক <em>বিজ্ঞানচিন্তা</em> অনুষ্ঠান করল, ভালো হলো আমাদের অফিসে হলো বলে। ভাইয়া বিজ্ঞানচিন্তার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। লিখেছেনও অনেক। যদিও দিনটা ভালো ছিল না, আবার অন্য একটা দিনও পাওয়া যাচ্ছিল না। আরও ভালো হলো যে আমাদের মধ্যে তাঁর মেয়েরাও এল। এক মাস পরে তারা ফিরে যাবে। হালিমা ভাবি আসতে পারেননি। আমাদের <em>প্রথম আলো</em> অফিস, বিজ্ঞানচিন্তা সবাই মিলেমিশে তাঁদের জন্য একটা ভালো স্বীকৃতি, সম্মান বা উপহার আমরা দিতে পেরে ভালো লাগছে।</p><p>মানুষের সত্যিকারের মূল্যায়ন মৃত্যুর পরেই হয়। তবে মৃত্যুর আগে স্বীকৃতি ও সম্মতি দেওয়া গেলে সেটা আরও ভালো হয়।</p><p>(সামান্য সংশোধিত)</p>
প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘একটি ভালো কাজ’–এর অংশ হিসেবে ২৪ অক্টোবর বিকেলে বরেন্দা গ্রামে গিয়ে আন্দোলনের প্রয়াত কর্মীদের পরিবারের লোকজনকে সম্মাননা জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বন্ধুসভা। তাঁদের স্মরণে আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি গ্রামের স্কুলগামী শিশুদের শিক্ষা উপকরণ উপহার দেন বন্ধুরা।
সুনামগঞ্জে নারী বাউলদের গানে বাধা, ঢাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে দেয়নি পুলিশ
<p>সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করার কথা বলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তাঁর বক্তব্যকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে বিপজ্জনক বার্তা হিসেবে দেখছে মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠনগুলো। বক্তব্য প্রত্যাহার, সরকারের ব্যাখ্যা এবং আইজিপির জবাবদিহি দাবি করেছে তারা। নিন্দা জানিয়েছে কয়েকটি রাজনৈতিক দলও।</p><p> মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয়লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষিত। জাতিসংঘের নীতিমালা অনুযায়ী, জীবন রক্ষায় একান্ত অনিবার্য হলেই কেবল ইচ্ছাকৃত প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার গ্রহণযোগ্য। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বক্তব্য, অপরাধ দমনের নামে বিচারপ্রক্রিয়া এড়িয়ে কাউকে হত্যা করার অনুমতি সরকারেরও নেই।</p><p>আজ সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিকের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, ‘যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করব।’ তাঁর যুক্তি, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে ‘ফ্যাসিস্ট’, নিষ্ক্রিয় থাকলে ‘দুর্বল’ বলা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে কাজের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। একই অনুষ্ঠানে তিনি আইন ও সংবিধান মেনে দায়িত্ব পালনের কথাও বলেন।</p><p>আইজিপির বক্তব্যকে ‘অপরিণামদর্শী’ আখ্যায়িত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রশ্ন তুলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে পুলিশপ্রধান কি ক্রসফায়ারকে ব্যবহার করতে চাইছেন? তাঁর মতে, পেশাদার তদন্ত ও বিচারের বদলে ক্রসফায়ারের কথা বলা পেশাগত দেউলিয়াত্বের দৃষ্টান্ত। কোনো সরকারের অনুমতি বিচারবহির্ভূত হত্যাকে বৈধ করতে পারে না।</p><p>টিআইবি আইজিপির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা, প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও বক্তব্য প্রত্যাহার দাবি করেছে। জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দায়িত্ব থেকে অপসারণের আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/5otvvmeyc8">‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর</a></aside><p>বাংলাদেশে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র্যাব ও সংস্থাটির কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। আলোচিত কয়েকটি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা হলো, কক্সবাজারে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা ও নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা।</p><p>আইজিপির এমন বক্তব্যের পর এক বিবৃতিতে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলেছে, কোনো নাগরিক অপরাধে অভিযুক্ত হলেও তাঁকে আদালতের বাইরে হত্যার অধিকার রাষ্ট্রের নেই। বক্তব্যটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকে কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না—সরকারের এমন স্পষ্ট ঘোষণা চেয়েছে সংগঠনটি। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রুতির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে আসক।</p><p>আরেক বিবৃতিতে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার বলেছে, পুলিশপ্রধানের এ বক্তব্য মাঠপর্যায়ে বিচারবহির্ভূত হত্যার ছাড়পত্র হিসেবে দেখা হতে পারে। সংগঠনটির দাবি, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পাঁচটি বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা তারা নথিবদ্ধ করেছে। ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার চেয়েছে অধিকার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/ph8xdx2sn8">ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করব: আইজিপি</a></aside><p>অন্যদিকে সরকার এমন হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদনযোগ্য মনে করে কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, অপরাধ দমনে রাষ্ট্রের শক্তি প্রয়োগের বৈধতা নির্ভর করে আইনের প্রতি আনুগত্যের ওপর, বিচারবহির্ভূত পদ্ধতির ওপর নয়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অপরাধীর বিচার আদালতেই হতে হবে—রাষ্ট্রীয় অনুমোদনেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো সুযোগ থাকতে পারে না।</p><p>রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলটি এক বিবৃতিতে বলেছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ পুলিশের। পুলিশ নাগরিকদের সেবক, শাসক নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান ব্যক্তি হয়ে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আইজিপি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে তিনি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/ti50n32y30">ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য বিপজ্জনক বার্তা, প্রত্যাহার চায় টিআইবি</a></aside><p>জামায়াতে ইসলামী আরও বলেছে, ফ্যাসিস্ট আমলে এ দেশের নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা ছিল না, বাক্স্বাধীনতা ছিল না। বিনা বিচারে মানুষদের হত্যা করা হতো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে নাগরিকদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা, ক্রসফায়ার ও গুম করত। সেই একই কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি করার হুমকি ও ইঙ্গিত দিয়েছেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির। তাঁর এমন বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।</p><p>আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলটি বলেছে, সরকার পুলিশের হাতে বিচারবহির্ভূত হত্যার ক্ষমতা তুলে দিতে পারে না। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলিবর্ষণের স্মৃতি উল্লেখ করে এবি পার্টি বলেছে, ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার বার্তা জনমনে নতুন আশঙ্কা তৈরি করছে।</p><p>আইজিপির এই বক্তব্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের ভূমিকার স্মৃতি ফিরে আসে বলে উল্লেখ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।</p>
ফ্যাশন শো, রিয়ালিটি শো, পডকাস্ট থেকে শুরু করে ডিজিটাল কনটেন্ট ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা। বাংলাদেশের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল অঙ্গনে নতুন উদ্যোগ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে হাল ফ্যাশন ও এনেক্স কমিউনিকেশনস লিমিটেড
<p>চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ডংলু ক্যাম্পাসে গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) শুরু হয়েছে ‘চীন-দক্ষিণ এশিয়া সভ্যতা ও যোগাযোগবিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন’। চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে সম্প্রীতি, সবার জন্য ঐক্য’।</p><p> সম্মেলনে চীন, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ৬০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অংশ নিয়েছেন।</p><p> সম্মেলনটি আয়োজন করেছে সেন্টার ফর চায়না-সাউথ এশিয়া সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজ (সিএসএসসিএস)। চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এথনোলজি অ্যান্ড সোসিওলজি এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আয়োজক সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সাউথওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার এথনিক মাইনরিটি স্টাডিজ, যা চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।</p><p>সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট মা ওয়েনহুই বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলের সভ্যতাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বিনিময় চলে আসছে।</p><p>অনুষ্ঠানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মধ্যে দুই দশকের বেশি সময় ধরে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। ২০০৬ সালে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এ সম্পর্কের সূচনা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালে চীন-দক্ষিণ এশিয়া সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধ্যয়নকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হয়।</p><p>সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সহ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার ইউ আহমেদ এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহসভাপতি অধ্যাপক ইয়াং শাওজুন দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেন। একই অনুষ্ঠানে নৃতত্ত্ব বিষয়ে যৌথ ‘২+১+১’ স্নাতক কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্যোগ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অংশীদারত্ব ও যৌথভাবে শিক্ষার্থী তৈরির কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা আশা করছেন।</p><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর অনুষ্ঠিত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা পর্বে চীন ও বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদেরা তাঁদের গবেষণা তুলে ধরেন। চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিং জুন ‘বৈশ্বিক দক্ষিণের’ দৃষ্টিকোণ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্বভৌমত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।</p><p>নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্সের (এসআইপিজির) পরিচালক অধ্যাপক এস কে তৌফিক এম হক একবিংশ শতাব্দীতে চীন-দক্ষিণ এশিয়া সম্পর্কের সম্ভাবনা ও কাঠামোগত বৈপরীত্য বিশ্লেষণ করেন।</p><p>নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বুলবুল আশরাফ সিদ্দিকী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে আলোচনা করেন।</p><p>ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হে মিং চীনা সমাজবিজ্ঞানী ফেই শিয়াওতংয়ের দর্শনের আলোকে চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার সভ্যতাগুলোর পারস্পরিক শিক্ষা ও বোঝাপড়ার তাত্ত্বিক ভিত্তি, সমসাময়িক গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ব্যাখ্যা করেন। ফেই শিয়াওতংয়ের দর্শনের মূল বক্তব্য হলো—নিজের সংস্কৃতির সৌন্দর্য উপলব্ধি করা, অন্যের সংস্কৃতির সৌন্দর্যকে স্বীকৃতি দেওয়া, সব সংস্কৃতির সৌন্দর্য ভাগাভাগি করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের ভিত্তিতে একটি বিশ্ব গড়ে তোলা।</p><p>তিন দিনের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী গবেষকেরা সাতটি অধিবেশনে নিজেদের গবেষণা উপস্থাপন করেন। এসব অধিবেশনে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে চীনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক, অবকাঠামোগত যোগাযোগ, গণমাধ্যম ও যোগাযোগ, সভ্যতার মধ্যে বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, আঞ্চলিক উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের জ্ঞান উৎপাদন ও উন্নয়ন সহযোগিতার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।</p>
'ক্রসফায়ার' নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্য ঘিরে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর। এদিকে, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করা দেশ সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের কর্মকর্তারা তেহরানে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন জাপানি ঋণের সুদের হার বাড়ানো নিয়ে বাংলাদেশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ গত পাঁচ বছরে জাপান অন্তত চার বার ঋণের সুদ বাড়িয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প করে জাপানের নানা ধরনের শর্তারোপ নিয়েও অস্বস্তি আছে বাংলাদেশে।
ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহর সাম্প্রতিক বক্তব্য ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তার দল ন্যাশনাল কনফারেন্সের এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের দিকে ইঙ্গিত করে ফারুক আবদুল্লাহ দাবি করেন, ভারতশাসিত কাশ্মীর সম্পর্কে প্রতিবেশী দেশ সর্বত্র সরব থেকেছে।
ভারতের অরুণাচলে প্রস্তাবিত বাঁধের বিরোধিতায় বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভে তাদের আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেয়।
"ধর্মীয় শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার অর্থ এই নয় যে, তা জবাবদিহিতা, সুশাসন ও মানোন্নয়নের ঊর্ধ্বে থাকবে। বরং দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা আরও দৃশ্যমান হওয়া উচিত," ফেসবুকে লিখেছেন ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারি।
কাঁটাতারের বেড়াসহ সৃষ্ট নানা প্রতিবন্ধকতায় ভারতের সাথে সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে আটকা পড়ে আছে ১৩০টির বেশি বন্য হাতি। ঘটনা কূটনীতির পর্যায় পর্যন্তও গড়িয়েছে। বাংলাদেশ বিষয়টিতে ভারতের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছে; কিন্তু মিলছে না কোনো সমাধান।
প্রথম দফার নির্বাচনে গত ৪ঠা অক্টোবর লুলা ডা সিলভাকে পেছনে ফেলেছিলেন ফ্লাভিও বলসোনারু। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে লুলা ফলাফল পাল্টে দিতে পারবেন, এমনটা অনেকেই ভাবেননি। লাতিন আমেরিকায় চলমান বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রবণতারও ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন লুলা।
রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, এন্টিবডি উৎপাদনের কাজ শেষ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বাংলাদেশের ভেনম রিসার্চ সেন্টার। তবে, গত দুই বছর ধরে কোন অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় থমকে রয়েছে সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটির সকল গবেষণা কার্যক্রম।
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি’র আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পূর্ববিরোধের জের ধরে কাজী ইউসুফ হোসেন (৪৫) নামের এক জামায়াত কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
সাজেক সংকট প্রত্যাহারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে সাজেক গণঅধিকার আন্দোলন ও সাজেক কার্বারি অসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন সাজেক গণঅধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, “সরকারদলীয় লোকজন অটোরিকশা ও দোকান থেকে চাঁদাবাজি করছেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ডেনিমার্ক ফ্যাশন ওয়াশিং কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
দীর্ঘ আট ঘণ্টার নিলাম শেষে ডি-থ্রি ট্রফির জন্য নিজেদের স্কোয়াড সাজিয়েছে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি। জাতীয় দলের তারকাদের দলে ভেড়ানোর লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকেনি কেউই।