শারদীয় দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও অর্থ বরাদ্দ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

‘তোমার এই ভোগান্তির দরকার নেই’, প্রেস সচিবকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজ প্রেস সচিব কেটি জাচারিয়াকে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ দিন পর বরখাস্ত করেছেন।

‘তোমার এই ভোগান্তির দরকার নেই’, প্রেস সচিবকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প
তিন বছরে শেষ হয়নি নির্মাণকাজ, কতটা প্রস্তুত কাঁচপুর বাস টার্মিনাল?

কাঁচপুরে বাস সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছে নানা উদ্বেগ।

তিন বছরে শেষ হয়নি নির্মাণকাজ, কতটা প্রস্তুত কাঁচপুর বাস টার্মিনাল?
সিলেটে প্রথমবার শতহাতের দুর্গা প্রতিমা, দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

শরতের কাশফুল আর ঢাকের তালে সিলেটে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

সিলেটে প্রথমবার শতহাতের দুর্গা প্রতিমা, দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়
পত্রিকা: 'স্বাক্ষরেই থমকে আছে সংস্কার'

এক বছর আগে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর হলেও সংস্কার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই; আশির দশকের পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি, যা দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান অর্থনীতির মধ্যে সর্বনিম্ন এব...

পত্রিকা: 'স্বাক্ষরেই থমকে আছে সংস্কার'
ইউক্রেনের মানুষ শহর ছেড়ে পালিয়ে যাক- এই কৌশল নিয়েছেন পুতিন?

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়া ইউক্রেনের রাজধানীসহ অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে, যাতে স্কুল, হাসপাতাল, হোটেল, ডেটা সেন্টার, ট্রেন ও সেতুসহ বেসামরিক লক্ষ্যবস্ত...

ইউক্রেনের মানুষ শহর ছেড়ে পালিয়ে যাক- এই কৌশল নিয়েছেন পুতিন?
অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর রমনায় অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনের নিচ থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ উদ্ধার

সারা দেশ

View more
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে পীরগঞ্জ পৌরভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন ১৩ শ্রমিক। বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ ছাদ ঢালাইয়ের জন্য তৈরি অস্থায়ী কাঠামো (সাটারিং) ভেঙে পড়ে। এতে কয়েকজন শ্রমিক তার নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে

Video news
Readysell
Readysell

https://www.youtube.com/watch?v=8tpROnMtdbk

Rss feed news

বেতন নেন চালক, ময়লার গাড়ি 
চালান অন্যরা, প্রাণ যায় মানুষের
বেতন নেন চালক, ময়লার গাড়ি চালান অন্যরা, প্রাণ যায় মানুষের

বর্জ্য পরিবহনের ২২টি গাড়ি অন্যদের দিয়ে চালানোর তথ্য পেয়েছে প্রথম আলো। বৈধ চালকদের একাংশ নিজেরা গাড়ি না চালিয়েও বেতন নিচ্ছেন।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
৪১ বলে ৮৫ রানের পর ১০০ বলে ১৫১, চমক দেখাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে
৪১ বলে ৮৫ রানের পর ১০০ বলে ১৫১, চমক দেখাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে

রাহুল দ্রাবিড়ের নাম ভারতীয় ক্রিকেটে জড়িয়ে আছে ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সঙ্গে। তাঁর ছেলে অন্বয়কে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা আছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকা মিয়ানমারের জান্তা প্রেসিডেন্ট কীভাবে প্রতিবেশীদের আনুকূল্য আদায় করছেন
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকা মিয়ানমারের জান্তা প্রেসিডেন্ট কীভাবে প্রতিবেশীদের আনুকূল্য আদায় করছেন

<p>মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানের নেতা থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইংকে গত সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানায় দেশটির সরকার। তখন দেশটি জোর দিয়ে বলেছিল, এই সফরের অর্থ মিন অং হ্লাইংয়ের সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া নয়। মালয়েশিয়ার এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, দেশটিতে থাকা মিয়ানমারের শরণার্থী ও অভিবাসীদের ‘দীর্ঘদিনের সমস্যা’ সমাধান করাই এ সফরের উদ্দেশ্য।</p><p> কিন্তু গত সপ্তাহে মিন অং হ্লাইং যখন কুয়ালালামপুরে পৌঁছান, তখন তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অভ্যর্থনায় ছিল গার্ড অব অনারও। ২০২১ সালে এই সাবেক সেনাপ্রধানের ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারে যে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা এখনো চলছে।</p><p> গত বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমার সরকার নিজ খরচে তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত। মালয়েশিয়ায় শরণার্থীবিরোধী মনোভাব বাড়তে থাকায় এ বক্তব্য দেশটির মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p> মালয়েশিয়ায় মিয়ানমারের প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর সদস্য।</p><p>মিন অং হ্লাইং বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তাঁদের ফিরিয়ে নিতে আমি নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠাব।’</p><p>অন্যদিকে মিয়ানমারকে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানে আবার যুক্ত করতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। ১১ সদস্যদেশের এই আঞ্চলিক জোট মিন অং হ্লাইংকে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে অংশ নিতে দেয়নি। কারণ, তিনি জোটের শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেননি।</p><p>‘ফাইভ পয়েন্ট কনসেনসাস’ নামে পরিচিত ওই পরিকল্পনার জোরালো সমর্থক ছিল মালয়েশিয়া। এতে সহিংসতা বন্ধ এবং সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে ‘গঠনমূলক সংলাপের’ আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>মিয়ানমারে পাঁচ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১ লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৩৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।</p><p>আনোয়ার ইব্রাহিম সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারকে এই অঞ্চলের দেশগুলোর অংশ হিসেবে ফিরিয়ে নিতে কোনো প্রকার পক্ষপাত ছাড়াই মালয়েশিয়া সম্ভাব্য সবকিছুই করবে। বিশেষ করে আসিয়ানের প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মিন অং হ্লাইংয়ের সফর করা পঞ্চম আসিয়ান দেশ মালয়েশিয়া। এর আগে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি প্রেসিডেন্ট হন। ওই নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস সফর করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/asia/3t5awqso8c">মিয়ানমারের ১০ হাজার নাগরিককে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া </a></aside><p>মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফেরার পর মিন অং হ্লাইংয়ের মুখপাত্র জানান, পরবর্তী সফরের গন্তব্য হতে পারে ইন্দোনেশিয়া ও ব্রুনেই।</p><p>ইউনিভার্সিটি অব নটিংহ্যামের এশিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অনারারি গবেষণা সহযোগী ব্রিজেট ওয়েলশ বলেন, ‘মিন অং হ্লাইংকে নিয়ে মালয়েশিয়ার এই অবস্থান বদল জান্তা সরকারের বিরোধিতার যে দেয়াল ছিল, তা ভেঙে দিয়েছে।’</p><p>ব্রিজেট ওয়েলশের মতে, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যেসব আঞ্চলিক নেতা মিন অং হ্লাইংকে স্বাগত জানিয়েছেন, তাঁরা মানবাধিকারের চেয়ে বাস্তববাদী স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।</p><p>ওয়েলশ বলেন, বিষয়টি আসিয়ান ও মিয়ানমার—উভয়ের জন্যই নেতিবাচক। এই সফর মিয়ানমার সংকট সমাধানের কোনো বাস্তব পথ দেখাচ্ছে না। উল্টো আন্তর্জাতিকভাবে সামরিক জান্তাকে একধরনের বৈধতা দিচ্ছে, যা খোদ মিয়ানমারের ভেতরেই তাদের নেই। ফলে এই সংকট আরও বাড়তে পারে।</p><h3>নিজেদের সুবিধাই সবার আগে </h3><p>মিন অং হ্লাইংয়ের এই গ্রহণযোগ্যতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এপ্রিলের পর থেকে তিনি ভারত, চীন, রাশিয়া ও বেলারুশ সফর করেছেন। প্রতিটি সফরেই তিনি তাঁর সরকারকে স্থিতিশীল এবং ‘গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলেছে’ বলে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও অবকাঠামো খাতে চুক্তির প্রস্তাবও দিয়েছেন।</p><p>এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও এখন জান্তা প্রধানের জন্য আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।</p><p>বার্তা সংস্থা রয়টার্স গত সপ্তাহে জানিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন তাঁর সরকারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করেছে।</p><p>২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো যে নির্মম নির্যাতনের কারণে সাত লাখের বেশি মানুষ পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছিল। সেই জান্তা সরকারের সঙ্গেই এখন আলোচনায় বসছে ওয়াশিংটন।</p><p>রয়টার্স জানায়, মিয়ানমার থেকে পরিচালিত অনলাইন প্রতারণা চক্রগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করতেই মূলত এ আলোচনা চলছে। এসব চক্রের ফাঁদে পড়ে মার্কিনরা শতকোটি ডলার হারিয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-05/9rydz3ur/Myanmar-nationals.avif"><figcaption>দেশে ফেরত পাঠানোর অপেক্ষায় বাসের ভেতরে মিয়ানমারের নাগরিকেরা। মালয়েশিয়ার লুমুত। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>ইয়াঙ্গুনের তামপাদিপা ইনস্টিটিউটের পরিচালক খিন জও উইন বলেন, আন্তর্জাতিক বৈধতা পাওয়ার এ লড়াইয়ে মিন অং হ্লাইংকে পরোক্ষভাবে সাহায্য করছে চীন, ভারত ও থাইল্যান্ড। এই তিন দেশের সঙ্গেই মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। আর মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধের আঁচ ওই তিন দেশেও লেগেছে। যেমন সীমান্তে সংঘর্ষ, বাণিজ্য বন্ধ হওয়া এবং নতুন করে শরণার্থীর অনুপ্রবেশ।</p><p>খিন জও উইন আরও বলেন, মিয়ানমারের ভবিষ্যতের সঙ্গে ওই তিন প্রতিবেশী দেশের সবচেয়ে বেশি স্বার্থ জড়িত। তাই তারা চায় সামরিক জান্তা সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাক। অন্যদিকে রাশিয়া ও বেলারুশ হলো মিয়ানমারের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ। বিনিময়ে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনকে সরাসরি সমর্থন জানিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। সব মিলিয়ে এখানে প্রত্যেকেই আসলে নিজেদের সুবিধার বিষয়টি মাথায় রেখে খেলছে।</p><p>ক্রমবর্ধমান এই কূটনৈতিক স্বীকৃতি কিন্তু মিয়ানমারের ভেতরের রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে কোনো ভূমিকা রাখছে না। জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে শান্তি আলোচনার জন্য ডাকলেও দেশের বড় অংশজুড়ে এখনো যুদ্ধ চলছে।</p><p>রাখাইন, চিন, কাচিন, কারেন রাজ্য ও সাগাইং অঞ্চলে বিদ্রোহী ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে হারানো এলাকা ফিরে পেতে জান্তা বাহিনী নতুন করে বড় অভিযান শুরু করেছে। বিমান হামলা বাড়িয়ে এবং জোরপূর্বক হাজার হাজার তরুণকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিয়ে তারা শক্তি সঞ্চয় করেছে। এমনকি চীন নিজেদের সীমান্তে যুদ্ধ থামাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করে দিয়েছে।</p><p>তবে নেদারল্যান্ডসের সাবেক কূটনীতিক লেটিটিয়া ভ্যান ডেন অ্যাসুম মনে করেন, জান্তা বাহিনীর পক্ষে পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া অসম্ভব। তিনি বলেন, ‘এর জন্য বিশাল সেনাবাহিনীর প্রয়োজন। বর্তমানে তাদের যে সেনা রয়েছে, তা দিয়ে কেবল নির্দিষ্ট কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ কারণেই মিন অং হ্লাইং দেশের কিছু অংশে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ওপর জোর দিচ্ছেন, যাতে সেখান থেকে সেনা সরিয়ে অন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো যায়।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/asia/xh5ed1wkqc">রাখাইনের বাজারে প্রাণঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা ফলকার টুর্কের</a></aside><p>ভ্যান ডেন অ্যাসুম আসিয়ান দেশগুলোর ভূমিকা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যে জান্তা প্রধানের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে, তাঁর সঙ্গেই আসিয়ান দেশগুলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা করছে। এটি বেশ অবাক করার মতো বিষয়।</p><p>মিয়ানমার দীর্ঘদিন ধরেই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ফলে জান্তা সরকার আদৌ তাদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তা ছাড়া রোহিঙ্গাদের মূল ভূখণ্ড রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকাই এখন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। ফলে রোহিঙ্গারা ফিরে কোথায় যাবে, সেটিও বড় প্রশ্ন। এ কারণে পুরো বিষয়টি এখনো অত্যন্ত ঘোলাটে বলেই মনে করছেন ভ্যান ডেন অ্যাসুম।</p><h3>কম খরচে প্রচারের বড় সুযোগ </h3><p>মিন অং হ্লাইং আন্তর্জাতিক মহলকে দেখাতে আরও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন।</p><p>গত আগস্টে থাইল্যান্ড সফরের ঠিক আগে তিনি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটিকে (আইসিআরসি) অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে ৮১ বছর বয়সী এই নোবেল বিজয়ীকে সম্পূর্ণ যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দী রাখা হয়েছিল। ৩ আগস্ট আইসিআরসির সেই সাক্ষাতের মাধ্যমেই বহু বছর পর সু চির প্রথম ছবি জনসমক্ষে আসে।</p><p>তবে সিডনি ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলো সাই কি জিন সোয়ে এটিকে একটি ‘কম খরচে বড় প্রচার পাওয়ার লোকদেখানো উদ্যোগ’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এই সাক্ষাতের মাধ্যমে শুধু নিশ্চিত হওয়া গেছে, অং সান সু চি বেঁচে আছেন, এর বেশি কিছু নয়।’ তিনি মনে করিয়ে দেন, আসিয়ান নেতারা যখন জান্তা প্রধানের জন্য লালগালিচা বিছাচ্ছেন, তখনো মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলা একটুও কমেনি। ২৮ সেপ্টেম্বর রাখাইন রাজ্যের একটি বাজারে বিমান হামলায় প্রায় ৫০ জন নিহত হন।</p><p>সাই কি জিন সোয়ে বলেন, ক্রমাগত এই হামলা প্রমাণ করছে, প্রতিবেশীদের এই নরম কূটনীতি জান্তা সরকারকে থামাতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি।</p><p>সাই কি জিন সোয়ে সতর্ক করে বলেন, বিদেশ সফরের মাধ্যমে পাওয়া স্বীকৃতি সামরিক জান্তাকে আরও বেপরোয়া করে তুলবে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা বা বাধা না থাকায় এবং চীন ও রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ও জ্বালানি পাওয়ায় সামরিক বাহিনী সহিংসতা আরও বৃদ্ধির সাহস পাচ্ছে।</p><p>মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে আসিয়ানের বর্তমান ও আগামী দিনের সভাপতি ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরের ওপর। এশিয়া হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবার অ্যাডভোকেটসের পরিচালক ফিল রবার্টসন বলেন, এ দুই দেশকে অবশ্যই শক্ত অবস্থান নিতে হবে, যেন বাকি দেশগুলোর চাপে মিয়ানমার জান্তা সহজেই আসিয়ানে পুনর্বাসন না পায়।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে কেবল আসিয়ানের ওপর ভরসা না করে জান্তা সরকারের ওপর বিমান জ্বালানি নিষিদ্ধ করার মতো সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আহ্বান জানান ফিল রবার্টসন। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি। তা হতে পারে বিভিন্ন দেশের নিজস্ব আইনে মামলা চালানোর মাধ্যমে অথবা মিয়ানমারের জেনারেলদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের জন্য পাঠানোর বিষয়ে অগ্রগতির মধ্য দিয়ে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/asia/ci7spppudg">মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার অভিযোগে তদন্তের মুখে টেলিনর</a></aside>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
বিদেশে উচ্চশিক্ষার খোঁজে শিক্ষার্থীরা
বিদেশে উচ্চশিক্ষার খোঁজে শিক্ষার্থীরা

<p>বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে নানা দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও সুযোগ সম্পর্কে জানতে শিক্ষার্থীদের আগ্রহের কমতি নেই। বিদেশে পড়াশোনা, ভর্তিপ্রক্রিয়া, বৃত্তি ও ভিসাসংক্রান্ত দরকারি সব তথ্য তুলে ধরতে আয়োজন করা হয়েছে ‘প্রথম আলো ২য় স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ার ২০২৬’। মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে সরাসরি তথ্য নিচ্ছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। কেউ জেনে নিচ্ছেন ভর্তির নিয়মকানুন, কেউ বা পছন্দের দেশের পড়ার খরচ ও জীবনযাত্রার নানা খুঁটিনাটি। মেলাপ্রাঙ্গণজুড়ে তরুণদের এমন পদচারণা ও স্বপ্ন খোঁজার নানা মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করেছেন প্রথম আলোর আলোকচিত্রী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/yf2w817p/01.jpg"><figcaption>বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/t73ro1zp/02.jpg"><figcaption>মেলায় অংশ নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির কাছ থেকে বিদেশে পড়াশোনার পরিবেশ ও সুযোগ নিয়ে কথা বলছেন এক শিক্ষার্থী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/28g4f61o/03.jpg"><figcaption>বিদেশে পড়াশোনা ও ভাষা দক্ষতার পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/gojhzpbh/04.jpg"><figcaption>মেলায় এসে ‘প্রথমা প্রকাশন’-এর স্টলে সন্তানের সঙ্গে পছন্দের বই দেখছেন এক অভিভাবক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/nlrxw2g2/05.jpg"><figcaption>আয়োজনের ফাঁকে আনন্দঘন মুহূর্ত ধরে রাখতে একসঙ্গে সেলফিবন্দী হচ্ছেন মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/h15oa2au/06.jpg"><figcaption>বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও বৃত্তির নানা দিক নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/vn9hrvtu/07.jpg"><figcaption>আবেদনসংক্রান্ত কাগজপত্র পূরণে এক শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করছেন মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিনিধি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/gwdmatqp/08.jpg"><figcaption>নিজের পছন্দের বিষয়ে বিদেশে পড়ার সুযোগ ও খরচের বিষয়ে প্রতিনিধির সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করছেন এক তরুণ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/9pcvm1h3/09.jpg"><figcaption>প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়ার পর নিবন্ধন ফরম পূরণ করছেন শিক্ষার্থীরা</figcaption></figure>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ইলিশের নামে চলা চন্দনা ও সুরমা মাছ কীভাবে চিনব
ইলিশের নামে চলা চন্দনা ও সুরমা মাছ কীভাবে চিনব

চন্দনা উপকূলের পানিতে ঝাঁক বেঁধে ঘোরে। মোহনা ও জোয়ার-ভাটার নদীতেও ঢোকে। ইলিশের মতো ডিম পাড়তে নদীর উজানেও যেতে পারে। এ ধরনের মাছকে বিজ্ঞানীরা বলেন অ্যানাড্রোমাস

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
সুন্দরবনের ২১০ জাতের মাছ আছে এই জাদুঘরে, দেখুন তো কয়টি চেনেন
সুন্দরবনের ২১০ জাতের মাছ আছে এই জাদুঘরে, দেখুন তো কয়টি চেনেন

<p>সুন্দরবনের নদ-নদী ও খালে প্রায় ৩৮০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২১০ প্রজাতির মাছের নমুনা রয়েছে সুন্দরবন জাদুঘর ও তথ্যকেন্দ্রে। বাঘ সংরক্ষণসহ সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ওয়াইল্ডটিমের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে এই জাদুঘর। বাগেরহাটের মোংলার জয়মনির ঘোল গ্রামের তিনতলা ভবনের দোতলায় এর অবস্থান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/ivxqotcd/IMG_7231.JPG"><figcaption>২১০ প্রজাতির মাছের নমুনা রয়েছে সুন্দরবন জাদুঘর ও তথ্যকেন্দ্রে</figcaption></figure><p>জাদুঘরে মানচিত্র, চিত্রকর্ম, বনের ক্ষুদ্র প্রতিরূপ ও বিভিন্ন প্রাণীর নমুনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে সুন্দরবনের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য। মাছের পাশাপাশি রয়েছে পাখি, সাপ, ব্যাঙ, হরিণ ও গন্ধগোকুলসহ বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা। সুন্দরবনে সরাসরি যাওয়ার সুযোগ না হলেও এই জাদুঘরে এসে বনের প্রাণবৈচিত্র্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/et3sltqy/WhatsApp_Image_2026_10_16_at_7_59_22_PM.jpeg"><figcaption>মোংলার জয়মনির ঘোল গ্রামে ওয়াইল্ডটিমের সুন্দরবন জাদুঘর ও তথ্যকেন্দ্রে</figcaption></figure><p>২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ বন বিভাগ, জার্মান সহযোগিতা (জার্মান কো-অপারেশন), জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং আইইউসিএনের ইন্টিগ্রেটেড টাইগার হ্যাবিট্যাট কনজারভেশন প্রোগ্রামের সহায়তায় এটি গড়ে তোলা হয়েছে। মোংলা গেলে জাদুঘরটি ঘুরে দেখতে পারেন।</p><h3>সুন্দরবন জাদুঘরের গ্যালারি থেকে...</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/5o7pa7ko/IMG7188.JPG"><figcaption>মৌরি ও বাটা মাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/uya6vumb/IMG_7187.JPG"><figcaption>বেকি বা কানাপোনা মাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/ne4pzkca/IMG_7181.JPG"><figcaption>মাখন চান্দা মাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/ywtocc7p/IMG_7183.JPG"><figcaption>গনগনে বেলে ও একঠুঁইট্যা মাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/iw13p7uz/IMG_7179.JPG"></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-15/u1vpx371/Chapa.jpg"><figcaption>চাপাকড়ি মাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/jc069rrn/IMG7221.JPG"><figcaption>লাক্ষা বা ছোট লাখুয়া মাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/bosxian2/IMG_7200.JPG"><figcaption>দারকুটা বা দাঁইতা মাছ </figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/6zwubstf1k">পর্যটকদের জন্য আজ খুলেছে সুন্দরবন, বেড়াতে যাওয়ার আগে জেনে নিন ১২ তথ্য</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/j2qz9ij3/IMG_7237.JPG"><figcaption>লম্বা চাপা মাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/wti0v4q0/IMG_7199.JPG"><figcaption>কাঁটা গোগাট বা সোনালি টেংরা মাছ</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/76xl7s2lt9">ঢাকার কাছেই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এই নদীর পাড়, পূজার ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন</a></aside>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
বাউলেরা খুব বড় সামাজিক শক্তি
বাউলেরা খুব বড় সামাজিক শক্তি

<p>গবেষক <strong>আবুল আহসান চৌধুরী</strong>র এ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় মূলত ২০০৭ সালে প্রকাশিত তাঁর <em>লালন সাঁইয়ের সন্ধানে</em> বইটিকে কেন্দ্র করে। তবে কথোপকথনে বইটিকে ছাড়িয়ে লালন বিষয়ে আরও নানা প্রসঙ্গ উঠে আসে। সাক্ষাৎকারটি ২০০৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি <em>প্রথম আলো</em>র ‘সাহিত্য সাময়িকী’তে সংক্ষিপ্ত আকারে ছাপা হয়েছিল। <strong>ফিরোজ এহতেশামে</strong>র নেওয়া সাক্ষাৎকারটি এত দিন ছিল শুধু কাগজের পাতাজুড়ে। আজ লালন ফকিরের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে সাক্ষাৎকারটির পূর্ণাঙ্গ রূপ অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।</p><p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>আপনার </em>লালন সাঁইয়ের সন্ধানে<em> বইটির ভূমিকায় আপনি লিখেছেন, লালন নিয়ে আপনার গবেষণার বয়স ৩২ বছরের বেশি। লালন বিষয়ে আপনার কখন ও কেন আগ্রহ জন্মাল?</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী: </strong>আমার জন্ম লালন সাঁইয়ের আখড়া ছেঁউড়িয়ার খুব কাছেই। সেই সূত্রে আমি ছোটবেলা থেকে লালনের আখড়ায় মাঝেমধ্যে যেতাম। ওখানে গিয়ে বাউলদের গান শুনতাম। আর এক-দুইজন বাউলের কাছে সাধারণভাবে ওনাদের কথা জানতে চাইতাম। লালন ও পরবর্তীকালের বাউল সম্পর্কে আমাকে প্রথম অনেক তথ্য দেন সেই সময়ের লালন আখড়ার খাদেম বা সেবায়েত ফকির বেল্লাল শাহ। তাঁর কাছ থেকে আমি অনেক গানও সংগ্রহ করি। পাশাপাশি লালনের এক উৎসবে আমার সঙ্গে আলাপ হয় ভেড়ামারার এক প্রত্যন্ত গ্রামের বাউল সাধক ফকির আজিম শাহের। আজিম শাহ নানা অঞ্চল থেকে আমাকে লালন ও অন্য বাউলদের গান ও জীবনী সংগ্রহ করে দেন। এরপর ছেঁউড়িয়ার লালন-আখড়াতেই আমি প্রথম দেখি অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুর উদ্দীনকে। তাঁর লালনের গান সংগ্রহের কথা জানতাম। হারামনির একটি-দুটি খণ্ডও তখন আমার হাতে এসেছে। তিনি আমাকে নানা বাউলের গান সংগ্রহ করে দিতে বলতেন। কিছু কিছু আমি তাঁকে সংগ্রহ করেও দিয়েছি। মূলত এই বাউলদের সান্নিধ্যে এসে এবং মনসুর উদ্দীনের প্রেরণায় লালন সম্পর্কে আমার আগ্রহ জাগে। ১৯৭৪ সালে লালন সাঁইয়ের জন্মের ২০০ বছর পূর্ণ হয়। সে উপলক্ষে আমি লালন সম্পর্কে প্রকাশিত বেশ কিছু দুষ্প্রাপ্য লেখাসহ একটি স্মারক গ্রন্থের পরিকল্পনা করি। আমার বিরল সৌভাগ্য যে বইটি বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র প্রকাশ করে। আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সেই সময়ের পরিচালক কথাশিল্পী সরদার জয়েন উদ্দিন ও উপপরিচালক কবি কায়সুল হকের কাছে। বইটি কবি অন্নদাশঙ্কর রায়কে পাঠালে তিনি ওই বছরের শারদীয় আনন্দবাজারে এই বই সম্পর্কে একটি খুব বড় আলোচনা করেন, প্রবন্ধের আকারে। এ ঘটনাও আমাকে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত করেছিল। আরেকটি বিষয়, ওই ১৯৭৪ সালেই লালন ও আরও ৫৫ বাউলের জীবনী ও গান নিয়ে আমার একটি বই প্রকাশিত হয় <em>কুষ্টিয়ার বাউল সাধক</em> নামে। এ বইয়ের ভূমিকা লিখে দেন আমার শিক্ষক ড. আহমদ শরিফ এবং আশীর্বাণী লিখেছিলেন অন্নদাশঙ্কর রায়। আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র। লালন ও <em>বাউল পদাবলী</em> আমাদের পাঠ্য ছিল। আমাদের শিক্ষকেরা এ বিষয়ে পড়াতে গিয়ে আমার বই দুটির কথাও উল্লেখ করতেন আমার উপস্থিতিতেই। এটিও আমার আরেকটি উৎসাহ ও প্রেরণার বিষয়। এভাবেই লালনের টানে আমি দীর্ঘকাল ধরে তাঁর গান সংগ্রহ এবং তাঁর গান সম্পর্কে আলোচনা করে আসছি। এ পর্যন্ত লালন ও তাঁর অনুষঙ্গী বিষয়ে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে আমার আটটি বই বেরিয়েছে।</p> <p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>লালন সম্পর্কে গবেষক হিসেবে আপনার মূল্যায়ন কী? আপনার জীবনকে লালন কীভাবে প্রভাবিত করেছে?</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী:</strong> লালন সম্পর্কে ভাবতে গেলে আমি খুব বিস্মিত হই। ২০০ বছর আগে তিনি জন্মেছিলন এক অজপাড়াগাঁয়ে। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার কোনো সুযোগ তাঁর ছিল না। কিন্তু তিনি যে গান রচনা করেছেন, সেই গানের ভাব-ভাষা-ভাবনা, ছন্দ-অলংকার-উপমা-উৎপ্রেক্ষা ও সুর তিনি যে একজন নিরক্ষর গ্রাম্য সাধক, সে কথা ভুলিয়ে দেয়। রবীন্দ্রনাথের মতন মানুষকেও তিনি প্রভাবিত করেছেন। যাঁরা ইতিহাস চর্চা করেন, তাঁদের মধ্যেও কেউ কেউ লালনকে রাজা রামমোহন রায়ের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন। তাঁরা বলেন, রামমোহন নাগরিক জীবনে যে নবজাগরণ এনেছিলেন, ঠিক একই কাজ গ্রামীণ সমাজে করেছিলেন লালন ফকির। লালনের গানের সঙ্গে অন্যান্য বাউলের গানের তুলনা করলে দেখা যায়, অন্যদের গান কেবলই সাধনার অনুষঙ্গে রচিত। তাঁদের গান বাউল সাধনার ভাষ্যমাত্র। এতে সাধারণত কোনো বৈচিত্র্য কিংবা শিল্পগুণ পাওয়া যায় না। কিন্তু লালন তাঁর গানে সাধনার বিষয় ছাড়াও সামাজিক দায় ও কর্তব্যবোধ থেকে এবং সমকালীন সমাজের কুসংস্কার ও কুপ্রথার বিরুদ্ধে, জাতপাত, সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ—এসবের বিরুদ্ধে গান বেঁধেছেন। তিনি নিজে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন না, কোনো শাস্ত্র মানতেন না, কোনো জাত বা ধর্মের গণ্ডিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চাননি। তাই তিনি তাঁর এক গানে বলেছেন, ‘জাত না গেলে পাইনে হরি/কী ছার জাতের গৌরব করি/ছুঁসনে বলিয়ে।/লালন কয়, জাত গাতে পেলে পোড়াতাম আগুন দিয়ে।’ তিনি নিজে হিন্দু না মুসলমান, এ ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি বারবার হয়েছেন। তিনি এসব প্রশ্নের জবাবে সরাসরি তাঁর গানে বলেছেন, ‘সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে/লালন বলে, জেতের কী রূপ দেখলাম না এই নজরে।’ এমনই আরও অনেক উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে, যার ভেতরে লালনের উদার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় আছে। তিনি ছিলেন বিশুদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক, মুক্তবুদ্ধির মানুষ। তিনি মানবগুরুকেই তাঁর ঈশ্বর বলে মানতেন। তাঁর গানে বারবার সেই কথাই বলেছেন। আবার ইহজাগতিকতার প্রতিও তাঁর পক্ষপাত আমরা দেখি তাঁর গানে। যেমন, ‘এমন মানবজনম আর কী হবে/মন যা করো ত্বরাই করো এই ভবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/li5yqskt/30190876.jpg"><figcaption>আবুল আহসান চৌধুরীর ‘লালন সাঁইয়ের সন্ধানে’ বইয়ের প্রচ্ছদ</figcaption></figure><blockquote>লালন নিজেই বলেছেন তাঁর গানে, ‘কুতর্কের দোকান খুলিসনে আর’। আমি আগেই বলেছি যে লালন কোন সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন, এটি বড় তুচ্ছ কথা। লালন কী বলেছিলেন, সেটিই হচ্ছে বড় কথা। সে কারণে যাঁরা লালনকে সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি দিয়ে বুঝতে চান বা বিরোধিতা করতে চান বা লালনকে সুফি-দরবেশ বানাতে চান কিংবা খাঁটি বৈষ্ণব বানাতে চান, এসব কিছুর বিরুদ্ধেই আমার তীব্র প্রতিবাদ। কেননা, লালন এসব কিছুই ছিলেন না।</blockquote><p>লালনের শিল্পবোধ এত উচ্চাঙ্গের ছিল যে রবীন্দ্রনাথ ছন্দ সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে লালনের নিটল ছন্দের প্রশংসা করেছেন। লালনের শব্দ ব্যবহারে একটা ভিন্ন বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। হিন্দু ও মুসলমানের ভেতর যে বিভেদ আছে, শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও লালন সেই বিভেদ অগ্রাহ্য করেছেন তাঁর গানে। দৃষ্টান্ত দিয়ে বলা যায়, তাঁর একটি গানে আছে, ‘পেয়েছি এক ভাঙা নৌকা, জনম গেল সেচতে পানি’। আবার তাঁর আরেকটি গানে তিনি বলছেন, ‘মাটি কি পবন জল কি হুতাশন’। তাহলে আমরা লক্ষ করছি যে মুসলমানের ব্যবহৃত ‘পানি’ এবং হিন্দুর ব্যবহৃত ‘জল’কে তিনি এক পাত্রে রেখেছেন। তাই উনিশ শতকের যে প্রধান সামাজিক সমস্যা ছিল হিন্দু মুসলমানের বিরোধ, তা নিরসনেও লালনের চিন্তাচেতনা কাজ করেছিল। আরও বিস্ময়ের বিষয়, এই আত্মনিমগ্ন, সংসারনিস্পৃহ ভোলা বাউল তাঁর সামাজিক কর্তব্য পালন করতে গিয়ে তাঁর বিপন্ন বন্ধু <em>গ্রামবার্তা প্রকাশিকা</em>র সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ মজুমদার যখন প্রজাপীড়নের সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে শিলাইদহের ঠাকুর-জমিদারদের কোপানলে পড়েন, তখন জমিদারের লেলিয়ে দেওয়া লাঠিয়ালদের বিরুদ্ধে লালন তাঁর শিষ্যদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। এই যে নানাভাবে লালনকে আমরা দেখি, এর ভেতর দিয়ে একজন বহুমাত্রিক, অনন্যসাধারণ, সমাজমনস্ক সাধক বাউলকে আবিষ্কার করা যায়। আমি সেভাবেই লালনকে মূল্যায়ন করি। আরেকটি কথা এখানে বলার আছে, লালন যে বিরুদ্ধ পরিবেশে জন্ম নিয়েছিলেন, যে প্রতিকূলতা তাঁর সামনে ছিল, তিনি তা অতিক্রম করার চেষ্টা করেছেন তাঁর গানে ও সাধনায়। কিন্তু মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক, শাস্ত্র ও ধর্মধ্বজী মানুষেরা তাঁর ও তাঁর অনুসারীদের ওপর নির্যাতন-নিগ্রহ চালিয়েছে। লালন ও তাঁর সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের তরফ থেকেই আঘাত এসেছে, জারি হয়েছে <em>বাউল ধ্বংস ফতোয়া</em> কিংবা <em>রদ্দে নাড়া</em>। হিন্দুদের পক্ষ থেকে লিখিত হয়েছে <em>পাষণ্ড পীড়ন</em>; এখানেও বাউল সাধনা ও লালন সম্প্রদায়কে অভিযুক্ত ও নিন্দা করা হয়েছে। লালনের ধর্ম ছিল মানুষের ধর্ম। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ভেতরে যে আদর্শ লালন করতেন, তা অনেকাংশে বাউলদের মত ও আদর্শের সঙ্গে মিলে যায়। লালন ছিলেন মহৎ জীবনের অভিসারের যাত্রী। কিন্তু এই বিরুদ্ধ সমাজে তিনি নিজেকে বিকশিত করতে পারেননি বলে তাঁর অন্তরে অতৃপ্তির বেদনা ছিল। তাঁর গানে পাওয়া যায়, ‘এ দেশেতে এই সুখ হলো আবার কোথা যায় না জানি’। আরেকটি গানে তিনি বলছেন, ‘সাঁই আমারে রাখলেন কূপজল করে আন্ধেলা পুকুরে। কবে হবে সজল বরষা, রেখেছি মন সেই ভরসা’। এ থেকে আমরা বুঝি, যার বেগবান নদী হওয়ার কথা ছিল, তরঙ্গসংকুল স্রোতস্বতী হওয়ার কথা ছিল, সে কিনা হয়ে রইল বদ্ধ জলাশয়। এই আফসোস, এই হাহাকার লালনকে আত্মজিজ্ঞাসার মুখোমুখি করেছিল। লালনকে নিয়ে কুটতর্কে আমরা মেতে উঠেছি। কোথায় তাঁর জন্ম, কী তাঁর ধর্ম—এ নিয়ে আমাদের তর্ক ও বিবাদ। কিন্তু এসব তুচ্ছ। লালন সব সম্প্রদায় ও ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠেছিলেন। লালন মানুষ হতে চেয়েছিলেন, বিশুদ্ধ মানুষ, যে মানুষ কল্যাণের পথে, প্রেমের পথে, শুভ চেতনার পথে ভিন্ন ধর্ম ও শাস্ত্রের অনুসারীকেও আলিঙ্গন করতে পারেন। তাই আজ আমরা লক্ষ করি যে কেবল বাংলাভাষী অঞ্চল নয়, বিদেশেও লালনের এ আদর্শ, লালনের এ বাণী সমাদর পাচ্ছে। বিদেশে লালনকে নিয়ে ভালো ভালো কাজ হচ্ছে।</p><p>লালন আমার জীবনকে এতটাই প্রভাবিত করেছেন যে আমি যখন লালনের গান শুনি, একই গান বারবার শুনি, প্রতিবার একটা নতুন তাৎপর্য আবিষ্কার করি। লালনের গানের ভেতর দিয়ে একটি গভীর জীবনবোধ আমার ভেতরে সঞ্চারিত হয়। সেই অর্থে বলা যায়, লালন আমার আবেগ, লালন আমার চেতনা, লালন আমার প্রেরণা।</p> <p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>লালন নিজেই সব প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম ত্যাগ করেছিলেন, যার প্রমাণ তাঁর জীবনযাপন ও গানগুলোয় বিধৃত আছে। সে ক্ষেত্রে লালন হিন্দু নাকি মুসলমান, এ নিয়ে বিভিন্ন গবেষকের উত্তর অনুসন্ধানকে আপনি কীভাবে দেখেন?</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী:</strong> লালন নিজেই বলেছেন তাঁর গানে, ‘কুতর্কের দোকান খুলিসনে আর’। আমি আগেই বলেছি যে লালন কোন সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন, এটি বড় তুচ্ছ কথা। লালন কী বলেছিলেন, সেটিই হচ্ছে বড় কথা। সে কারণে যাঁরা লালনকে সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি দিয়ে বুঝতে চান বা বিরোধিতা করতে চান বা লালনকে সুফি-দরবেশ বানাতে চান কিংবা খাঁটি বৈষ্ণব বানাতে চান, এসব কিছুর বিরুদ্ধেই আমার তীব্র প্রতিবাদ। কেননা, লালন এসব কিছুই ছিলেন না। থাকলে তিনি শাস্ত্রদ্রোহী হতেন না, তিনি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মকে অগ্রাহ্য করতেন না। তিনি যা হতে চাননি, গবেষকেরা তাঁকে তা-ই বানাতে চান। সে জন্য এই সব গবেষণা-আলোচনাকে আমি অনধিকারচর্চা বলে মনে করি। ধীরে ধীরে লালনের গানই প্রমাণ দেবে, লালন কী ছিলেন এবং লালন কী চেয়েছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/3tzvxlj4/Abul_A_Chowdaury__1_.jpg"><figcaption>আবুল আহসান চৌধুরী</figcaption></figure><blockquote>আজ যে অপসংস্কৃতি চলছে, আমরা দেখি যে আজ বাউলের গান বা লোকসংস্কৃতি নয়, ব্যান্ড সংগীত তরুণ প্রজন্মকে একেবারে উন্মাদ করে তুলেছে। তারা কিন্তু লালনের ভাষায় ‘নিজের ঘরের খবর’ জানে না। তারা হাসন রাজা, রাধারমন, মনমোহন, জালাল শাহের গান শোনেনি, এমনকি শাহ আবদুল করিমের গানও তারা শ্রদ্ধার সঙ্গে শোনেনি। কবিয়াল রমেশ শীলের নামও জানে না তারা। যদি এই লোকসংগীত তথা লোকসংস্কৃতির চর্চা আমাদের দেশে হতে পারত অবাধ ও স্বতঃস্ফূর্ত, তাহলে আমরা বিশুদ্ধ বাঙালি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে পারতাম।</blockquote><p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে লালনের সাক্ষাৎ নিয়ে বিভিন্ন গবেষকের মধ্যে যে মতদ্বৈধ, সে বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী:</strong> এটা নিয়ে একটা রহস্য রয়েই গেছে। এর জন্য রবীন্দ্রনাথের নিজেরও কিছুটা দায় ও ভূমিকা আছে। রবীন্দ্রনাথ একসময় শ্রী নিকেতনের আদর্শ কেমন হবে, সে বিষয়ে কালীমোহন ঘোষের সঙ্গে আলাপচারিতায় বলেছিলেন, কথাটি অনেকটা এ রকম, ‘তুমি তো দেখেছ, শিলাইদহে লালন শাহ ফকিরের শিষ্যদের সঙ্গে আমার কেমন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলাপ জমত।’ এখানে যদি লালনের সঙ্গেই তাঁর পরিচয় থাকত, তাহলে তিনি ‘লালন ও তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে’—এইভাবে কথাটি বলতেন। কিন্তু সরাসরি তিনি লালনের শিষ্যদের কথা বলেছেন। আবার আরেক জায়গায় দেখি, বসন্তকুমার পাল, যিনি প্রথম লালনের জীবনী লিখেছিলেন, লালনের জীবনী লেখার জন্য কিছু তথ্য জানতে রবীন্দ্রনাথকে তিনি চিঠি লিখেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ সে সময় বয়সের ভারে ন্যুব্জ। তাঁর একান্ত সচিব সুধীরচন্দ্র কর রবীন্দ্রনাথের বরাত দিয়ে সেই চিঠির জবাব দেন। তাতে লেখা হয়েছিল যে কবি ফকির সাহেবকে জানতেন। কিন্তু সে তো বহুকাল আগের কথা। এই সব কথা আজ আর তাঁর মনে স্পষ্ট নয়। এখানে ‘ফকির সাহেবকে জানতেন’ বাক্যটি থেকে আবার ধারণা করা যায় যে নিশ্চয়ই তাঁদের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে, আলাপ-পরিচয় হয়েছে। নইলে ‘জানতেন’ কথাটি কেন তিনি বলবেন? এই দুটি প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের নিজের কথাতেই কিন্তু তাঁর স্ববিরোধ আমরা লক্ষ করি। আমার নিজের মনে হয় যে এ রহস্যমোচনের আর বেশি সুযোগ নেই এবং প্রয়োজনও নেই। কেননা রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে লালনের সাক্ষাৎ হোক আর না-ই হোক, তাতে কিছু আসে যায় না। লালন রবীন্দ্রনাথকে গভীরভাবে প্রাণিত ও প্রভাবিত করেছিলেন, এটাই সত্য।</p> <p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>লালনের সময়ের তুলনায় এখন সামাজিক-রাজনৈতিক সমস্যাগুলো নতুন নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে উপস্থিত হচ্ছে। লালনের তত্ত্ব ও মতবাদ বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে কতটা প্রাসঙ্গিক?</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী: </strong>লালনের কাল থেকে একালের যে ব্যবধান, এটিকে আমাদের বুঝতে হবে। যেমন লালনের গানের কথাই বলি; তাঁর গানের আদি আখড়াই সুর প্রায় হারিয়ে গেছে। এখন রেডিও-টেলিভিশন কিংবা মঞ্চে লালনের যেসব গান গাওয়া হয়, তার সুর ও বাণী দুটোই বিকৃত হয়ে যাচ্ছে। আর বাউলেরা তো সামাজিকভাবে চিরকাল, এখনো.... যদিও সাধারণত মুসলমান বা হিন্দু বাউলদের একেক ধরনের বিধান; মৃত্যুর পরে বাউলদের যে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, সেটা হচ্ছে তাঁদের সমাধিস্থ করা। মুসলমান বাউল হলে তাঁদের জানাজার প্রয়োজন হয় না। কেননা দীক্ষার সময়ই তাঁর জানাজার যেসব আচরিক কাজ, সেগুলো দীক্ষগুরু করে থাকেন। কিন্তু এখন সামাজিক চাপে, একঘরে হওয়ার ভয়ে বাউলকে আবার মোল্লা-পুরুত ডেকে মুসলমানদের জানাজা এবং হিন্দুদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করতে হয়। বাউলেরা একটা খুব বড় সামাজিক শক্তি। বাউলদের সঙ্গে ভদ্রলোকেদের পার্থক্য হচ্ছে যে বাউলেরা অসত্য বলেন না, দুর্নীতি করেন না। বাউলেরা কপট নন, দুঃশাসকও নন। সে জন্য লালনের গান, সাধনা ও দর্শন আজকের দিনে বড় পথ দেখাতে পারে, আমাদের বাংলাদেশের এই ক্রান্তিলগ্নে। যেমন লালন তাঁর গানে বলেছেন, ‘সত্য বল, সুপথে চল, ওরে আমার মন’, ‘পরের দ্রব্য, পরের নারী হরণ কোরো না’ ইত্যাদি। লালনের প্রতিটি পঙ্‌ক্তিকে সুভাষণ বলে মনে হতে পারে আমাদের কাছে। তো সে জন্য বাউল সম্প্রদায়কে যদি আমরা বাঁচিয়ে রাখি, তাঁদের সাধনা ও দর্শনকে যদি প্রচার করতে দিই, তাহলে আমরা যে সমাজ চাচ্ছি, দুর্নীতিমুক্ত মুক্তবুদ্ধির সমাজ, তা পাব, যা কপট, শিক্ষিত, দুর্নীতিবাজ কথিত সুশীল সমাজের মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এই আউল-বাউল এবং গ্রামের সহজ, সরল ও সাধারণ মানুষই আমাদের সত্য ও সঠিক পথ দেখাতে পারে। তার জন্য আমাদের প্রয়োজন বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শেকড়ের সন্ধান করা। আজ যে অপসংস্কৃতি চলছে, আমরা দেখি যে আজ বাউলের গান বা লোকসংস্কৃতি নয়, ব্যান্ড সংগীত তরুণ প্রজন্মকে একেবারে উন্মাদ করে তুলেছে। তারা কিন্তু লালনের ভাষায় ‘নিজের ঘরের খবর’ জানে না। তারা হাসন রাজা, রাধারমন, মনমোহন, জালাল শাহের গান শোনেনি, এমনকি শাহ আবদুল করিমের গানও তারা শ্রদ্ধার সঙ্গে শোনেনি। কবিয়াল রমেশ শীলের নামও জানে না তারা। যদি এই লোকসংগীত তথা লোকসংস্কৃতির চর্চা আমাদের দেশে হতে পারত অবাধ ও স্বতঃস্ফূর্ত, তাহলে আমরা বিশুদ্ধ বাঙালি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে পারতাম। এটা তো ভাষা আন্দোলনের মাস। এ মাসে লালন, দুদ্দু শাহ ও মহীন শাহ—এই তিন বাউলের আমাদের স্মরণ করতে হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/k0mjig97/WhatsApp_Image_2026_10_05_at_5_08_47_PM___.jpeg"><figcaption>সাক্ষাৎকারটি ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ‘প্রথম আলো’র ‘সাহিত্য সাময়িকী’তে এভাবেই প্রকাশিত হয়েছিল</figcaption></figure><blockquote>লালন মানুষকে যে কতখানি প্রভাবিত করতে পারেন, তার প্রমাণ ফাদার রিগন। তিনি লালনের প্রায় ৩০০ গান ইতালীয় ভাষায় অনুবাদ করেছেন এবং রোববারে যখন গির্জায় প্রার্থনা শুরু হয়, তিনি শুরুতেই লালনের গানের বাণী উচ্চারণ করে প্রার্থনা শুরু করেন। এর চেয়ে বড় স্বীকৃতি, সম্মান আর কী হতে পারে! লালনের গান শুনে জার্মানির এক সংগীতবিশেষজ্ঞ ড. মেনরিন উইনিয়স মন্তব্য করেছিলেন যে লালনের গান তাঁকে মরমি চেতনায় আবিষ্ট করে।</blockquote><p>যেমন লালন তাঁর একটি গানে বলেছেন, আরবি কিতাব পড়ার আগে বাংলা কিতাবখানা পড়ে নাও। দুদ্দ শাহ বাংলা ভাষার পক্ষে গান রচনা করেছেন। আর মহীন শাহ কবি জসীমউদ্‌দীনের প্রেরণায় ৫২ সালে সারিন্দা নিয়ে ভাষা আন্দোলনের গান গেয়ে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। কজন আমরা সে খবর রাখি? আমরা তো নাগরিক জন যাঁরা ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের ভাষাসৈনিক বলি। ফকির মহীন শাহ প্রত্যক্ষভাবে ভাষা আন্দোলনের সময় রাস্তায় রাস্তায় গান গেয়েছেন, পুলিশের নির্যাতন সহ্য করেছেন, পলাতক থেকেছেন, কই তাঁকে তো আমরা ভাষাসৈনিক বলি না। এই মহীন বাউলসহ আরও অনেক বাউল আছেন, যাঁরা আমাদের ক্রান্তিকালে তাঁদের গান দিয়ে, সুর দিয়ে আমাদের সেই আন্দোলন-সংগ্রামকে অনুপ্রাণিত করেছেন। প্রসঙ্গক্রমে বলি, লালনের গানের খুব বড় অসাধারণ শিল্পী মকসেদ আলী সাঁই মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীশিবিরে ও মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে ঘুরে ঘুরে তাঁদের অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, তাঁদের মনোবল রক্ষা করেছেন। কোথায় আমরা সেই বাউলের খবর রাখি? অথচ আমরা ঢাকা শহরে বাস করেন যাঁরা, যাঁরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গান গেয়েছেন বা কোনো অনুষ্ঠান করেছেন, তাঁদের কথা লিখি, ইতিহাসে তাঁদের নাম আছে। কিন্তু মকসেদ আলী সাঁই, মহীন সাঁইয়ের নাম কোথায়? তো তাই আজ, আপনি খুব মূল্যবান একটি প্রশ্ন করেছেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি বলতে চাই, আমাদের বিদ্যাসাগর যেমন বলেছিলেন যে এই বাংলাদেশে সাতস্তর মাটি তুলে যদি নতুন মানুষ নিয়ে এসে বসতি স্থাপন করা যায়, তো আমাদের বাঙালি চরিত্রের পরিবর্তন হবে। আমার মনে হয় যে আজ লোকসংস্কৃতি বা লোকজীবনের কাছ থেকে অনেক দূরে সরে গেছি বলেই আমরা আমাদের অস্তিত্বের শেকড় খুঁজে পাই না। আমরা স্বাধীন হয়েছি বটে, আমাদের রাষ্ট্রভাষা বাংলা বটে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে বটে, কিন্তু এ ভাষার যাঁরা প্রকৃত চর্চা করেন, গ্রামের বাউল কিংবা সমধর্মী অন্য সাধকেরা, যাঁরা বাংলা ভাষার জন্য গান বাঁধেন, তাঁদের খবর আমরা করি না, করতে পারি না। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন যে দেহের সব রক্ত মুখে উঠে আসার নাম স্বাস্থ্য নয়। তেমনি ঢাকা মহানগরী বাংলাদেশ নয়। তো সেইভাবে আমরা বলতে চাই যে ঢাকার বাইরেও আমাদের একটু তাকাতে হবে। হাসন, মনমোহন, জালাল শাহ, দুদ্দু শাহ, সর্বোপরি লালন শাহ আমাদের জন্য আলো জ্বেলে রেখেছেন। সেই আলোয় পথ চিনে আমরা সত্য, সুন্দর, কল্যাণ, আনন্দের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারব। আলেক সাঁই।</p> <p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>দুই বিদেশি লালন গবেষক—মার্কিন মুলুকের ডক্টর ক্যারল গোল্ডবার্গ সলোমন ও ইতালীয় ধর্মযাজক ফাদার মারিনো রিগন। আপনার নেওয়া এ দুজনের সাক্ষাৎকার আছে </em>লালন সাঁইয়ের সন্ধানে<em> বইটিতে। এই গবেষকদ্বয় সম্পর্কে আপনি কী মূল্যায়ন করবেন?</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী: </strong>আমি মনে করি যে ড. ক্যারল সলোমন বাঙালি–বিদেশি মিলিয়ে লালনের গানের অর্থ ও তাৎপর্য সবচেয়ে ভালো বোঝেন। লালন সম্পর্কে তাঁর জ্ঞান ও উপলব্ধি আমাকে বিস্মিত করে। আমরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছি। লালনের জীবিতকালে তাঁর শিষ্যরা যেসব গান লিখে রাখতেন, আমরা দুজন মিলে লালনের সেই আদি গানের প্রামাণ্য সংকলন বের করার চেষ্টা করছি। ড. আহমদ শরীফ সেই বইয়ের নাম দিয়েছিলেন <em>আয়নামহল</em>। এ নামেই হয়তো একসময় আমাদের বইটি প্রকাশিত হবে। এটি দ্বিভাষিক, মূল গান এবং পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদ থাকবে।</p><p>ঠিক আজকের দিনে (৫ ফেব্রুয়ারি) যাঁর জন্মদিন, তিনি একজন খ্রিষ্টীয় ধর্মযাজক ফাদার মারিনো রিগন। তিনি সুন্দরবনের প্রায় কাছাকাছি থাকেন। বাংলাদেশে প্রায় ৫৩ বছর ধরে আছেন। লালন মানুষকে যে কতখানি প্রভাবিত করতে পারেন, তার প্রমাণ ফাদার রিগন। তিনি লালনের প্রায় ৩০০ গান ইতালীয় ভাষায় অনুবাদ করেছেন এবং রোববারে যখন গির্জায় প্রার্থনা শুরু হয়, তিনি শুরুতেই লালনের গানের বাণী উচ্চারণ করে প্রার্থনা শুরু করেন। এর চেয়ে বড় স্বীকৃতি, সম্মান আর কী হতে পারে! লালনের গান শুনে জার্মানির এক সংগীতবিশেষজ্ঞ ড. মেনরিন উইনিয়স মন্তব্য করেছিলেন যে লালনের গান তাঁকে মরমি চেতনায় আবিষ্ট করে। এ রকম বিদেশিদের নাম আরও অনেক বলা যায়, যাঁরা লালনকে নিয়ে কাজ করেছেন এবং লালনের গানের ভেতর দিয়ে বাঙালিকে চিনেছেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও বাংলাদেশকে চিনেছেন। এ অর্থে লালন বাঙালি সংস্কৃতির দূত, বাঙালি সংস্কৃতির মহান প্রতিনিধি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/wdoammln/3jb6fpwh.jpeg"><figcaption>লালন ফকির</figcaption></figure><blockquote>যেকোনো মরমি সাধনায়, বাউলদের সাধনায় তো বটেই, একটা গূঢ়, গুহ্য সাধনার ধারা তাঁরা অনুসরণ করেন। দীক্ষিতজন ছাড়া, নিজেদের সম্প্রদায়ের মানুষ ছাড়া তাঁদের সাধনার গোপন কথা অন্য কাউকে বলা তাঁদের জন্য নিষিদ্ধ। তবে যখন কেউ বাউল হবেন বা দীক্ষা নেবেন, তখন তিনি ধীরে ধীরে জানতে পারবেন।</blockquote><p>ফাদার রিগনকে তো আমি বলি যে উনি একজন বিশুদ্ধ বাঙালি। ফাদার রিগন মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছেন। তখন তিনি ফরিদপুরের একটি ফিল্ড হাসপাতালে কাজ করতেন। ওই সময় তিনি যে ডায়েরি লিখতেন, সেই ডায়েরি ইতালিয়ান ভাষায় লিখতেন বলেই তিনি বেঁচে গেছেন, ইরেজিতে লিখলে তাঁর বিপদ হতো। সেই ডায়েরি তিনি গত বছর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে দান করেছেন। সবচেয়ে বড কথা যে তিনি রবীন্দ্রনাথের ৩০টি বই ইতালিয়ান ভাষায় অনুবাদ করেছেন এবং তা প্রকাশিতও হয়েছে। এ ছাড়া তিনি জসীমউদ্‌দীনের দু-তিনটি বই ইতালিয়ান ভাষায় অনুবাদ করেছেন। লালনের ৩০০ গান অনুবাদ করেছেন। আমি তাঁকে প্রশ্ন করেছিলাম যে লালন ও রবীন্দ্রনাথের মধ্যে কে তাঁকে বেশি অনুপ্রাণিত করে। তিনি মৃদু হেসে বলেছিলেন, লালনই তাঁকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা জোগায়। এ থেকে আমরা বুঝি যে যদি লালনের বাণীকে আত্মস্থ করা যায়, লালন কী বলতে চেয়েছেন, তা যদি উপলব্ধি করা যায়, তবে বারবার আমাদের লালনের কাছে যেতে হবে। লালনের কাছে আমাদের ঋণ অপরিসীম। লালনকে আমরা এখনো চিনি না। লালন নিজেই বলছেন, ‘ঘরের কাছে হয় না খবর, কী দেখতে যাও দিল্লি লাহোর’। আসলে আমাদের ঘরের মানুষ লালনকে আমরা আবিষ্কার করতে পারিনি। আবিষ্কার করেছেন ফাদার মারিনো রিগন, ক্যারল সলোমন, মাশাহিকো তোগাওয়া, এন্ড্রিন উইনিয়স, চার্লস ক্যাপলসহ অনেক বিদেশি গবেষক। আমাদের সম্পদ, আমরা তার কদরও বুঝিনি, তার ব্যবহারও জানিনি। বিদেশিরা সেটা পেরেছেন, সেটা করেছেন।</p> <p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>বাউলদের মধ্যে একটা কথা প্রচলিত আছে, ‘আপন ভজন কথা, না কহিবে যথা-তথা, আপনাতে আপনি সাবধান’। কেন এ সতর্কতা?</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী:</strong> সতর্কতার কারণ হচ্ছে, যেকোনো মরমি সাধনায়, বাউলদের সাধনায় তো বটেই, একটা গূঢ়, গুহ্য সাধনার ধারা তাঁরা অনুসরণ করেন। দীক্ষিতজন ছাড়া, নিজেদের সম্প্রদায়ের মানুষ ছাড়া তাঁদের সাধনার গোপন কথা অন্য কাউকে বলা তাঁদের জন্য নিষিদ্ধ। তবে যখন কেউ বাউল হবেন বা দীক্ষা নেবেন, তখন তিনি ধীরে ধীরে জানতে পারবেন।</p> <p><strong>ফিরোজ এহতেশাম: </strong><em>আপনি এখন কী নিয়ে ব্যস্ত? শুনেছি আরেক সাধক হাসন রাজাকে নিয়ে গবেষণা করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছি।</em></p> <p><strong>আবুল আহসান চৌধুরী:</strong> আমার নানামুখী কাজের মধ্যে <em>প্রসঙ্গ হাসন রাজা</em> নামে একটি বই বেশ আগেই বেরিয়েছিল বাংলা একাডেমি থেকে। এবারের বইমেলায় হাসন রাজা সম্পর্কে আরও দুটি বই বের হচ্ছে। <em>হাসন রাজার গান</em> নামে একটি বই বেরিয়ে গেছে বর্ণায়ন প্রকাশনী থেকে। উৎস প্রকাশনী থেকে বের হচ্ছে <em>হাসন রাজা: মরমি মৃত্তিকার ফসল</em> বইটি। আর আমার ফোকলর–বিষয়ক লেখা নিয়ে একটি বই বের করছে মনন প্রকাশ, নাম <em>বাংলার লোকসংস্কৃতির চালচিত্র</em>। আর লালন নিয়ে আমার সবচেয়ে বড় যে কাজ <em>লালন সমগ্র</em>, সেটিও এই বইমেলায় পাঠক সমাবেশ থেকে প্রকাশিত হচ্ছে, সেটির আমি সংকলন ও সম্পাদনা করেছি। এই বইয়ের ভেতরে লালনের গান শুধু নয়, লালন সম্পর্কে এযাবৎ যত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ বেরিয়েছে, তার একটি নির্বাচিত সংকলনও আছে। বইটিতে লালনের প্রচুর তথ্য-দলিল এবং লালনপন্থী বাউলদের ছবি ও অন্যান্য অ্যালবাম এখানে থাকছে। লালন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ বইয়ের সঙ্গে আমরা লালনগীতির একটি সিডিও প্রকাশ করব, যাতে একেবারে খাঁটি বাউলের কণ্ঠে লালনের আখড়াই ঘরানার গান পরিবেশিত হয়েছে। আমি মনে করি যে এটি বড় গুরুত্বপূর্ণ কাজ। লালনের নামে যেসব জাল-বিকৃত-খণ্ডিত গান বিভিন্ন সংকলনে স্থান পেয়েছে, আমরা আদি খাতা থেকে যাচাই করে সেসব গান বাদ দিয়েছি এবং যতটা সম্ভব পারা যায়, আমরা <em>লালন সমগ্র</em> বইটিকে লালনের গানের প্রামাণ্য সংকলন হিসেবে প্রকাশের চেষ্টা করেছি। এ ছাড়া আমার আরও কিছু বই আসছে, যেমন সূচীপত্র বের করছে <em>মীর মোশারফ হোসেন</em>। অন্বেষা থেকে প্রকাশ পাচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বড় বই <em>কাঙাল হরিনাথ: গ্রামীণ মনীষার প্রতিকৃতি</em>। শোভা প্রকাশ বের করছে <em>নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর অপ্রকাশিত পত্রাবলি</em>। তারা আরেকটি চমকপ্রদ ও ব্যতিক্রমধর্মী বই <em>অবিদ্যার অন্তঃপুরে</em> প্রকাশ করছে। বইটি উনিশ ও বিশ শতকের পতিতাদের আত্মকথার একটি সংকলন। বইটির প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করেছেন কাউয়ুম চৌধুরী। এ ছাড়া গতিধারা বের করছে <em>উনিশ শতকের সাহিত্যসাধক</em>, নবযুগ প্রকাশনী এনেছে <em>কাজী মোতাহার হোসেন: জীবন ও সৃষ্টি</em> ইত্যাদি।</p>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন
স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন

<p>স্মার্টফোনের সাহায্য নিয়ে স্মার্টফোনের জন্য আবেদনপত্রটি স্মার্টফোনে লিখেছেন মুস্তাফা ওয়াসিফ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/168cp9se/Untitled-1-06.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/kh0p6d4yon">মুখস্থবিদ্যার পরিণতি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/u0oej7duj6">পাস্ট ইজ পাস্ট</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tx4yiwxen9">সবজান্তা সমীপেষু</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bwluvlmmu8">বিবাহিত পুরুষ চেনার সহজ উপায়</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/trarpa7245">দুটি কলেজের সংঘর্ষ বন্ধ করার বিভিন্ন পদ্ধতি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/mrplq2ed70">ইলিশ আছে, ইলিশ হ্যাজ!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/kdnfiunl2l">চাঁদাবাজের বর্ণ পরিচয়</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hiksaptred">গ্যাঞ্জাম of সায়েন্সল্যাব</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/1b2pl7u0b9">ভদ্র ছেলেরা কখনো হাফপ্যান্ট পরে বাইরে যায়?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/816oy38o23">আহসান হাবীবের প্রিয় ৪ কৌতুক</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/89xajbzhk6">সেকালের বিজ্ঞাপন একালে</a></aside>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ইউক্রেনের মানুষ শহর ছেড়ে পালিয়ে যাক- এই কৌশল নিয়েছেন পুতিন?
ইউক্রেনের মানুষ শহর ছেড়ে পালিয়ে যাক- এই কৌশল নিয়েছেন পুতিন?

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়া ইউক্রেনের রাজধানীসহ অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে, যাতে স্কুল, হাসপাতাল, হোটেল, ডেটা সেন্টার, ট্রেন ও সেতুসহ বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
পত্রিকা: 'স্বাক্ষরেই থমকে আছে সংস্কার'
পত্রিকা: 'স্বাক্ষরেই থমকে আছে সংস্কার'

এক বছর আগে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর হলেও সংস্কার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই; আশির দশকের পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি, যা দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান অর্থনীতির মধ্যে সর্বনিম্ন এবং চার বছরে নতুন দরিদ্র ৮০ লাখ— এমন খবর আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ভুট্টা চাষীদের সার সংকটের যে চিত্র দেখেছে বিবিসি
ভুট্টা চাষীদের সার সংকটের যে চিত্র দেখেছে বিবিসি

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের চরের সাধারণ কৃষকরা জানান, সার পেতে এরকম সমস্যা গত দশ-পনেরো বছরে হয়নি। চলতি বছর অগাস্টে কুড়িগ্রাম জেলায় গুদাম থেকে সার লুটের ঘটনাও ঘটেছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে হাজির বহু মানুষ, দিল্লিতে এর আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা
জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে হাজির বহু মানুষ, দিল্লিতে এর আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র 'লেহরা দো তিরঙ্গা' বা তেরঙ্গা ওড়াও কর্মসূচি, আটক এবং পুলিশ-প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার পারদ বেশ ঊর্ধ্বমুখী।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক আগে থেকেই 'ঝুঁকিতে ছিলেন'
নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক আগে থেকেই 'ঝুঁকিতে ছিলেন'

নিহত ব্যক্তির নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। তিনি 'ডিটেকটিভ আর্টিকেল' নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন এবং সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধের বিষয়ে লেখালেখি করতেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ফিলিপিন্সে 'পেঁয়াজ সিন্ডিকেট'কে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা
ফিলিপিন্সে 'পেঁয়াজ সিন্ডিকেট'কে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা

২০২২ সালে ফিলিপিন্সে পেঁয়াজের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে প্রতি কেজি ৮০০ পেসোতে পৌঁছায়, যা দেশটির দৈনিক ন্যূনতম মজুরি এবং মাংসের দামকেও ছাড়িয়ে যায়।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের
হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের

এই ঐক্য প্রক্রিয়ার নেপথ্যে কী আছে, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে কারো কারো মধ্যে। কেউ এমনটাও মনে করেন, ঐক্য প্রক্রিয়ায় নেপথ্যে সরকার ভূমিকা রাখছে এবং সরকার চায় জামায়াতে ইসলামীর বাইরে ইসলামপন্থি দলগুলোর আলাদা একটা জোট গড়ে উঠুক।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার

দক্ষিণ ভারতের মাদুরাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শান্মুগানাথন গত কয়েকদিন ধরে 'অ্যামাজন', 'সুইগি' এবং অন্যান্য অনলাইন অ্যাপ মারফত একের পর এক পার্সেল পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে খাবার- টিভি, ফ্রিজ, আই ফোন এমনকি ২০ কেজি বিরিয়ানিও। এই পার্সেলই এখন তার পরিবারের কাছে মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
রাজবাড়ীতে ১৪ মামলার আসামিকে গুলি করে হত্যা
রাজবাড়ীতে ১৪ মামলার আসামিকে গুলি করে হত্যা

রাজবাড়ীতে পিয়ারুল সরদার (৩০) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
টঙ্গীতে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল ৯ দোকান
টঙ্গীতে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল ৯ দোকান

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় একটি মার্কেটে লাগা আগুনে ৯টি দোকান পুড়ে গেছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
সিলেটে প্রথমবার শতহাতের দুর্গা প্রতিমা, দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়
সিলেটে প্রথমবার শতহাতের দুর্গা প্রতিমা, দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

শরতের কাশফুল আর ঢাকের তালে সিলেটে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
টিভিতে আজকের খেলা
টিভিতে আজকের খেলা

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ–জিম্বাবুয়ে

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
তিন বছরে শেষ হয়নি নির্মাণকাজ, কতটা প্রস্তুত কাঁচপুর বাস টার্মিনাল?
তিন বছরে শেষ হয়নি নির্মাণকাজ, কতটা প্রস্তুত কাঁচপুর বাস টার্মিনাল?

কাঁচপুরে বাস সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছে নানা উদ্বেগ।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
‘তোমার এই ভোগান্তির দরকার নেই’, প্রেস সচিবকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প
‘তোমার এই ভোগান্তির দরকার নেই’, প্রেস সচিবকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজ প্রেস সচিব কেটি জাচারিয়াকে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ দিন পর বরখাস্ত করেছেন।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও অর্থ বরাদ্দ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 
শারদীয় দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও অর্থ বরাদ্দ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
সংসার চালাতে মা চাটনি বিক্রি করতেন: সোনালি কুলকার্নি
সংসার চালাতে মা চাটনি বিক্রি করতেন: সোনালি কুলকার্নি

হিন্দি, তামিল, তেলেগু, মারাঠিসহ বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী সোনালি কুলকার্নি।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬