ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৬৬
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১ হাজার ৩৬৬ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬১৭ জনে।
কৃত্রিম কুয়াশা, নীল লেজার আলোর আবহ আর ধাতু দিয়ে তৈরি প্রতিমা— ব্যতিক্রমী এই আয়োজন ঘিরে চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলীর বাণী মন্দিরে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে।
‘প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারছেন, আমার কর্তৃপক্ষ কেন বুঝতে পারছে না? তিনি যে বেতন বাড়ানোর কথা বলছেন, সেই কথাগুলো আমাদের কর্তৃপক্ষ কেন বুঝতে পারছে না?’—প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের ব...
পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মানুষজন তাদের নিজ নিজ মাতৃভাষা টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে কাজ করে যাচ্ছেন ব্যক্তিগত কিংবা সাংগঠনিকভাবে। নিজেদের মধ্যে মাতৃভাষায় কথা বললেও লিখিত রূপ না থাকায় মাতৃভ...
দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্তের প্রতি ভালোবাসা যেন নতুন মাত্রা পেল ভারতীয় ক্রিকেটার সঞ্জু স্যামসনের কাছে।
মুক্তির আগেই নেপালে বাধার মুখে পড়েছে বলিউড অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা ও সারা আলী খান অভিনীত সিনেমা ‘উড়তা তীর’। দেশটির কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড সিনেমাটির প্রকাশ্য প্রদর্শনের অনুমতি দেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “এক দল পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেক দল দেশে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। যে স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। একটি দল আছে, যারা দ...
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পৃথক ব্যবস্থায় ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত অনলাইন পোর্টালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন ও নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রচলিত ট্রেড লাইসেন্সকে ‘বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট’ বা সমজাতীয় নামে রূপান্তরের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
<p>পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/0ygccc6q/201.jpg"><figcaption>আকাশছোঁয়া। আমতলী, বরগুনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/tswkvxd2/202.png"><figcaption>পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা মা দুর্গার সপ্তমী পূজার অঞ্জলি দিচ্ছেন। ঢাকেশ্বরী মন্দির, ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/x6dlflt0/203.jpg"><figcaption>চোখ প্রশান্তকারী সবুজ। নান্দাইল, ময়মনসিংহ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/vlhpbeoi/204.jpg"><figcaption>হেমন্তের ভোরে আটঘরিয়া বাজারে জমজমাট শাকসবজির সারি সারি দোকান বসিয়েছেন বিক্রেতারা। সূর্যের আলো ফুটতেই ক্রেতা–বিক্রেতারা ভিড় জমান এই বাজারে। আটঘরিয়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ২০ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/oz3kd5b7/205.jpg"><figcaption>বোধগয়ায় ৮০ ফুটের বিশাল বুদ্ধমূর্তি দেখতে পর্যটকদের ঢল, ছবি তুলতে ভিড়। বোধগয়া, বিহার রাজ্যে, ভারত, ২০ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/j2rtgjuo/206.jpg"><figcaption>দৃষ্টি হারিয়েছে শুভ্র মেঘের আড়ালে। টিএসসি, জাহাঙ্গীরনগর</figcaption></figure>
<p><strong>অতিথি:</strong></p><p>তাহমিনা সুলতানা মৌ</p><p>অভিনয়শিল্পী</p><p><strong>সঞ্চালক:</strong></p><p>নীল হুরেজাহান</p><figure></figure>
গবেষকেরা লক্ষ করেন, প্রতিবার মুখোমুখি হওয়ার ঘটনায় কোন পতঙ্গ ফুলে থাকা খাবার সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে, কোনটি সরে যাচ্ছে এবং কখন তারা একই ফুলের সম্পদ ভাগ করে নিচ্ছে
আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে বোল্ড হয়েছিলেন ব্রায়ান বেনেট। কিন্তু সাজঘরে ফেরার বদলে তিনি পেয়েছেন নতুন জীবন।
মুম্বাইয়ের দুর্গাপূজার সঙ্গে মুখার্জি পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা আর বাঙালির চিরচেনা উৎসবের আবহ—সব মিলিয়ে এই পূজা এখন মুম্বাইয়ের সাংস্কৃতিক জীবনেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ বছর ৮০তম বছরে পদার্পণ করেছে এই আয়োজন। মহা নবমীর দিন পূজামণ্ডপে হাজির হয়েছিলেন বলিউডের একঝাঁক তারকা।
<p>বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত, ভিসাও হাতে পেয়েছেন। এবার স্বপ্নের গন্তব্যে পাড়ি জমানোর পালা। কিন্তু প্রথমবার বিদেশযাত্রার আগে কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে? কোন নথি সঙ্গে রাখবেন, লাগেজে কী নেওয়া যাবে, আর অপরিচিত দেশে পৌঁছে যাতায়াত ও যোগাযোগের ব্যবস্থা কীভাবে করবেন? আগে থেকে পরিকল্পনা করে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে নিলে যাত্রাপথে অপ্রত্যাশিত ঝামেলা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।</p><p><strong>যাত্রার আগে প্রয়োজনীয় নথি গুছিয়ে নিন</strong></p><p>বিদেশযাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হলো প্রয়োজনীয় নথি নিশ্চিত করা। পাসপোর্ট, ভিসা, বিমান টিকিট, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার ও ভর্তিসংক্রান্ত কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন। প্রয়োজনে শিক্ষাগত সনদ, নম্বরপত্র, বৃত্তির কাগজপত্র, আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ ও আবাসনের তথ্যও সঙ্গে নিতে হতে পারে। গন্তব্য দেশের নিয়ম অনুযায়ী স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নথি বা অন্যান্য কাগজপত্র প্রয়োজন কি না, তা আগেই যাচাই করুন।</p><p>সব নথির মূল কপি নিরাপদে রাখার পাশাপাশি কয়েক সেট ফটোকপি ও ডিজিটাল কপি তৈরি করে রাখুন। গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলো চেক ইন লাগেজে না রেখে হাতব্যাগে রাখাই ভালো। পাসপোর্ট ও ভিসার মেয়াদ, টিকিটের তারিখ, ফ্লাইটের সময় ও টিকিটে দেওয়া নামের সঙ্গে পাসপোর্টের নাম মিলিয়ে নিন।</p><p><strong>বিমান টিকিট ও লাগেজের নিয়ম জানুন</strong></p><p>ফ্লাইটের সময়ের আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করুন। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সাধারণত উড্ডয়নের অন্তত তিন ঘণ্টা আগে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে এয়ারলাইনসের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি। সরাসরি ফ্লাইট নাকি ট্রানজিট রয়েছে, মাঝপথে বিমান পরিবর্তন করতে হবে কি না এবং পরবর্তী ফ্লাইটের জন্য পর্যাপ্ত সময় আছে কি না, তা আগেই জেনে নিন।</p><p>লাগেজের ওজন ও আকারের সীমা এয়ারলাইনসভেদে আলাদা হতে পারে। তাই টিকিটের সঙ্গে দেওয়া ব্যাগেজ নীতিমালা যাচাই করুন। হাতব্যাগে কী নেওয়া যাবে, তরল পদার্থ বহনের সীমা কত এবং কোন জিনিস নিষিদ্ধ—এসব বিষয়ও জেনে নিন। নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ কোনো জিনিস সঙ্গে নিলে বিমানবন্দরে সমস্যায় পড়তে পারেন।</p><p>এ বিষয়ে কথা হয় বিডি এক্সপার্ট এডুকেশন কনসালটেন্সির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুল ইসলাম শিমুলের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বিদেশযাত্রার আগে পাসপোর্ট, ভিসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিসংক্রান্ত কাগজপত্র ও টিকিটের তথ্য যাচাই করে নিতে হবে। জরুরি নথির ফটোকপি ও ডিজিটাল কপি সংরক্ষণের পাশাপাশি পাসপোর্ট, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও মূল্যবান জিনিস হাতব্যাগে রাখা উচিত।</p><p>শফিকুল ইসলাম শিমুল আরও বলেন, এয়ারলাইনসের লাগেজ নীতিমালা, ট্রানজিটের শর্ত ও বিমানবন্দরে পৌঁছানোর সময় সম্পর্কেও আগেই জেনে নিতে হবে। পাশাপাশি বিদেশে পৌঁছানোর আগেই আবাসন, যাতায়াত ও জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া সহজ হয়।</p><p><strong>পোশাক, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিকস</strong></p><p>গন্তব্য দেশের আবহাওয়া বিবেচনা করে পোশাক বেছে নিন। শীতপ্রধান দেশে গেলে গরম কাপড় এবং বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় গেলে উপযোগী পোশাক সঙ্গে রাখুন। তবে অপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে লাগেজ ভারী না করাই ভালো। নিয়মিত ব্যবহার করা ওষুধ সঙ্গে নিতে হলে সেগুলো মূল প্যাকেটে রাখুন। প্রেসক্রিপশনের ওষুধের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র সঙ্গে রাখুন এবং গন্তব্য দেশে ওষুধ বহনের নিয়ম যাচাই করুন।</p><p>মুঠোফোন, ল্যাপটপ, চার্জার, প্রয়োজনীয় কেব্ল ও পাওয়ার অ্যাডাপ্টারও গুছিয়ে নিন। গন্তব্য দেশের বৈদ্যুতিক সকেট ও ভোল্টেজের সঙ্গে আপনার ডিভাইসের সামঞ্জস্য আছে কি না, তা যাচাই করুন। গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও নথির ডিজিটাল কপি ফোন বা নিরাপদ অনলাইন স্টোরেজে রাখুন।</p><p><strong>পৌঁছানোর পরের পরিকল্পনাও জরুরি</strong></p><p>বিদেশে পৌঁছে কোথায় থাকবেন, বিমানবন্দর থেকে কীভাবে আবাসনে যাবেন এবং জরুরি প্রয়োজনে কার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন—এসব আগে থেকে ঠিক করে রাখুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সহায়তা দপ্তর, আবাসন কর্তৃপক্ষ ও পরিচিত ব্যক্তিদের যোগাযোগের তথ্য সংরক্ষণ করুন। গন্তব্য দেশের স্থানীয় জরুরি নম্বরও জেনে নিন। ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য কার্ড প্রস্তুত রাখুন।</p>
<p>ফ্রান্সের বিক্ষোভ মোকাবিলায় দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেননি এমানুয়েল মাখোঁ। বরং ফ্রান্সের সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন তিনি। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, ফ্রান্সের রাজস্বঘাটতিসহ নানা ইস্যুতে উগ্র ডানপন্থী লো পেনের দল রাজনৈতিক সুবিধা নিতে মাঠে পড়ে নেমেছে। আজ ২০ অক্টোবর নিউইয়র্ক টাইমসে লিখেছেন ক্যাটরিন বেনহোল্ড।</p><p>চলতি সপ্তাহান্তে বিক্ষোভে ফ্রান্সকে জ্বলতে দেখে ২০১৭ সালের কথা মনে পড়ল। সে বছর পরিবর্তন ও প্রত্যাশার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন এমানুয়েল মাখোঁ। তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের মূল কথাই ছিল ‘বিপ্লব’। কট্টর ডানপন্থীদের কীভাবে পরাজিত করা যায়, সেই পরিকল্পনা তুলে ধরতে নির্বাচনের আগে তিনি ‘বিপ্লব’ নামে একটি বই প্রকাশ করেছিলেন।</p><p>ব্রেক্সিট ও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার এক বছরেরও কম সময় পর মাখোঁ ফ্রান্সে মেরিন লো পেনকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট হন। তখন আমি লন্ডনে থাকতাম। সেখানে অনেক ফরাসি পরিবারকে দেখেছি, যারা মাখোঁর ‘আন্দোলনের’ অংশ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেশে ফিরে গিয়েছিল।</p><p>প্রায় এক দশক পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। আগামী নির্বাচনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে লো পেন এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এগিয়ে। মাখোঁ হয়তো একটি বিপ্লব দেখতে যাচ্ছেন, তবে সেটি তাঁর প্রতিশ্রুত বিপ্লব নয়।</p><p>আগেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, ফ্রান্সের সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন এমানুয়েল মাখোঁ।</p><p>শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানোর প্রতিবাদে চলতি মাসের শুরুতে যখন উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের হাজারো শিক্ষার্থী রাস্তায় নামে, তখন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দেশটির ব্রিটানির উপকূলের কাছে একটি যুদ্ধজাহাজে দিন কাটান।</p><blockquote>২০১৭ সালের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির পার্থক্য স্পষ্ট। মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর মাখোঁ তখন ছিলেন আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যমী। তিনি ফ্রান্সকে দীর্ঘদিনের স্থবির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কট্টর ডানপন্থীদের উত্থান এবং দেশের অকার্যকর সমাজব্যবস্থা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।</blockquote><p>আমার সহকর্মী মার্ক ল্যান্ডলার জানিয়েছিলেন, মাখোঁ সেখানে ফ্রান্সের পারমাণবিক শক্তিচালিত একটি সাবমেরিন থেকে নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ দেখছিলেন। এ সময় দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করার দায়িত্ব পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘাড়ে। তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন, দেশের সংকট মোকাবিলায় সরকার তৎপর।</p><p>এরপর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়।</p><p>অবশেষে গত রোববার মাখোঁ জনসমক্ষে এসে বক্তব্য দেন। কিন্তু ততক্ষণে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে এবং সহিংস দাঙ্গায় রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের বাইরে আরও অনেকে যোগ দেন। বিক্ষোভকারীরা দোকানপাট ভাঙচুর করে লুটপাট করেন, গাড়িতে আগুন দেন এবং সরকারি ভবন ভাঙচুর করেন। লিমোজ শহরের ঐতিহাসিক টাউন হলটি ধ্বংস হয়ে যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/cbi3n0l6/EU-Unrest-1.jpg"><figcaption>জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভের পরদিন ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক বিক্ষোভকারী। ১৮ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>দাঙ্গার পূর্বাভাস দিতে সরকারের ব্যর্থতা এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের ভূমিকা রাজনৈতিক সব মহলে সমালোচনার মুখে পড়েছে। সহিংসতা শুরুর আগেই মাখোঁর প্রতি জনসমর্থন নেমে এসেছিল মাত্র ১৫ শতাংশে। এর চেয়ে নিচে নামার সুযোগও খুব বেশি নেই।</p><p>২০১৭ সালের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির পার্থক্য স্পষ্ট। মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর মাখোঁ ছিলেন আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যোমী। তিনি ফ্রান্সকে দীর্ঘদিনের স্থবির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কট্টর ডানপন্থীদের উত্থান এবং দেশের অকার্যকর সমাজব্যবস্থা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।</p><p>কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।</p><p>সাবেক বিনিয়োগ ব্যাংকার মাখোঁ আগে মধ্য-বামপন্থী সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৭ সালে লো পেনকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসেন মাখোঁ। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বাম ও ডান—দুই পক্ষের রাজনীতির বাইরে থেকে বিভক্ত ফ্রান্সকে ঐক্যবদ্ধ করবেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল এমন একটি দেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ আর কখনো কট্টরপন্থীদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করবে না।</p><blockquote>শিক্ষার্থী ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর এ বিক্ষোভই প্রমাণ করেছে, মাখোঁর প্রায় এক দশকের শাসনামলে ফ্রান্সের সমস্যাগুলোর সমাধান হয়নি।</blockquote><p>অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে মাখোঁর অবস্থান ছিল স্পষ্টতই মুক্তবাজারপন্থী। তাঁর যুক্তি ছিল, ফ্রান্সে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ সহজ ও সাশ্রয়ী করতে পারলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে। এভাবে কট্টর ডানপন্থীদের প্রতি ঝুঁকে পড়া ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখা সম্ভব হবে।</p><p>গত ৯ বছরে মাখোঁ করপোরেট কর ও আয়কর কমিয়েছেন। সম্পদের ওপর আরোপিত কর বাতিল করেছেন। কিন্তু এসব পদক্ষেপের ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়নি। কমেনি ফ্রান্সের দ্রুত বাড়তে থাকা সরকারি ঋণও।</p><p>করছাড়ের কারণে সরকারের কোষাগার থেকে প্রতিবছর কয়েক হাজার কোটি ইউরো রাজস্ব কম আসছে। আগে থেকেই ফ্রান্সের সরকারি ঋণের পরিমাণ অনেক ছিল। এখন এই ঋণ বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে। আগামী বছর ফ্রান্সের করদাতাদের সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধেই প্রতিরক্ষা ও শিক্ষা খাতের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে।</p><p>এ পরিস্থিতিতে ফ্রান্সে কাঠামোগত সংকট ও সামাজিক অবিচার নিয়ে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।</p><p>অবশ্য এসব সমস্যার অনেকগুলোই মাখোঁর ক্ষমতায় আসার আগের। কোভিড-১৯ মহামারির মতো যেসব ঘটনা তাঁর নিয়ন্ত্রণের ছিল, সেগুলোও সংকট বাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহান্তে বিক্ষোভ কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাঙ্গায় রূপ নেয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/m0e45ozt/Le-Pen.jpg"><figcaption>ফ্রান্সের কট্টর ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র্যালির নেত্রী মেরিন লো পেন</figcaption></figure><p>ফ্রান্সের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে রাস্তায় নেমে এমন বিক্ষোভের ঘটনা নতুন কিছু নয়। দেশটিতে থাকার সময় আমি অনেক বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করেছি। কিন্তু শনিবারের দাঙ্গা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওই দিন জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং স্কুলগুলোর অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে পাঁচ লাখ মানুষ বিক্ষোভ মিছিল বের করার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>শিক্ষার্থী ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর এ বিক্ষোভই প্রমাণ করেছে, মাখোঁর প্রায় এক দশকের শাসনামলে ফ্রান্সের সমস্যাগুলোর সমাধান হয়নি।</p><p>বিক্ষোভ চলাকালে আনুমানিক তিন হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করে দাঙ্গাকারীরা। ফরাসি রাষ্ট্রের পরিচয় বহন করে—এমন একাধিক স্থাপনারও ক্ষতি হয়েছে।</p><p>দাঙ্গার কারণে কিছু ভোটার কট্টর ডানপন্থী লো পেনের দিকে ঝুঁকতে পারেন। অথচ তাঁর ক্ষমতায় আসা ঠেকাতেই মাখোঁ রাজনীতি শুরু করেছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/8nb3n8zdwd">উত্তাল ফ্রান্স, কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি </a></aside><p><strong>নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছে লো পেনের দল</strong></p><p>সহিংস বিক্ষোভের আগেই আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন মেরি লো পেন। দাঙ্গার পর তাঁর দল ন্যাশনাল র্যালি দ্রুত পরিস্থিতির রাজনৈতিক সুবিধা নিতে মাঠে নেমেছে।</p><p>মাখোঁর সরকার ও কট্টর বামপন্থীরা যখন দাঙ্গার জন্য পরস্পরকে দায়ী করতে ব্যস্ত, তখন লো পেনের শিবির সরাসরি নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছে।</p><blockquote>মাখোঁর সরকার ও কট্টর বামপন্থীরা যখন দাঙ্গার জন্য পরস্পরকে দায়ী করতে ব্যস্ত, তখন লো পেনের শিবির সরাসরি নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছে।</blockquote><p>ন্যাশনাল র্যালির সভাপতি জর্ডান বারদেলা বলেন, ‘মানুষের এখন জেগে ওঠা দরকার। তাদের সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমরা প্রস্তুত।’</p><p>রোববার সন্ধ্যায় একটি ভিডিও বার্তায় লো পেন ফ্রান্সকে বিভক্ত একটি দেশ হিসেবে তুলে ধরেন। ভিডিওতে তাঁকে একটি কাঠের টেবিলের পেছনে বসে থাকতে দেখা যায়। পেছনে ফ্রান্সের পতাকা। আমার এক সহকর্মীর ভাষায়, দৃশ্যটি এমন যেন তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার অপেক্ষায় আছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/vlbce6rg73">ফ্রান্সে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ পুলিশ, এলাকাভিত্তিক কারফিউ জারির নির্দেশ</a></aside><p>একসময় মাখোঁর বয়স ও উদ্দীপ্ত বক্তব্যের কারণে তাঁর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার তুলনা করা হতো। আশার বার্তা দিয়ে রাজনীতিতে পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে ওবামাকে অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন মাখোঁ।</p><p>ওবামার মতো মাখোঁকেও অনেক ভোটার অভিজাত শ্রেণির মানুষ বলে মনে করেন। তাঁর কথাবার্তা ও আচরণেও সাধারণ মানুষের জীবন থেকে দূরত্বের ছাপ দেখেন তাঁরা।</p><p>মাখোঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এখন তাঁর প্রত্যাশার চেয়ে ভিন্ন হতে চলেছে। তাঁর বিদায়ের পর কে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হবেন, তার ওপরও নির্ভর করবে মানুষ তাঁকে কীভাবে মনে রাখবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/qz03q9kr8a">ইউরোপের দেশে দেশে কেন বিক্ষোভ করছেন মানুষ</a></aside>
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটি আক্তারের পরিবার তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বিশ্বাস করছে না। শেষবার মেয়ের মরদেহ দেখতে চান মা–বাবা।
ক্যানসারের চিকিৎসায় চুল হারানোর কষ্ট যেন একা বইতে না হয়, সে জন্য উপস্থাপক সামিয়া আফরিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন পরিবারের সদস্যরা..
কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পাওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
পৃথিবীর শেষ প্রান্তে উশুয়াইয়া, আর্জেন্টিনা। মতান্তরে পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর উশুয়াইয়া। আর্জেন্টিনার তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপপুঞ্জে...
আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে শুধু চুক্তি ও অঙ্গীকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়া। সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, অর্থ পাচার, মানব পাচার এবং সহিংসতা ও চরমপন্থার হুমকি মোকাবিলায় আসিয়ানভুক্ত...
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হামলা থেকে সৌদি আরবকে রক্ষায় যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দেশটির সরকার এ ঘোষণা দেয়...
তথ্য-প্রমাণ জোগাড়ে প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের হিসাবের খাতাপত্র, কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জব্দ করবে সংস্থাটি। নতুন এই বিধান যুক্ত করে...
৪৫তম বিসিএসের মৎস্য ক্যাডারে মেধাতালিকায় ২৮তম হয়েও চূড়ান্ত গেজেটে নাম না আসায় আত্মহত্যার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থী...
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা দীর্ঘ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা...
সৌদি আরবে হুথিদের হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই দেশটির রাজধানী রিয়াদের বাসিন্দারা বিমান হামলার হুমকি সম্পর্কে ফোনে সতর্কবার্তা পেয়েছেন। এদিকে, বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
হুথিদের হামলা বেড়ে যাওয়ায় সৌদি আরবকে অতিরিক্ত প্রতিরক্ষামূলক সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বিবিসি বাংলাকে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে বলেন, "ট্রাকটি কিন্তু তার লাইনেই ছিল। বাসের ড্রাইভারের তন্দ্রা বা ঘুম ভাব চলে এসেছিল। সে কারণেই ট্রাকটিকে ধাক্কা দিয়েছে"।
'ধুরান্ধর: দ্য রিভেঞ্জ' বিশ্বব্যাপী ১,৮৪৮ কোটি রুপি, 'ধুরান্ধর' ১,৩৫০ কোটি রুপি, 'চাওয়া' ৮০৯ কোটি রুপি, 'সাইয়ারা' ৫৭৯ কোটি রুপি এবং 'বর্ডার ২' ৪৬৪ কোটি রুপি আয় করেছে। এ রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে এ বছর বক্স অফিসে বলিউড সিনেমাগুলোর পারফরম্যান্স কেমন ছিল।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু শহরে পুলিশের ‘নিয়ন্ত্রণ হারানোর’ কথা স্বীকার করার পরেই কারফিউ জারির ঘোষণা এলো। এখন রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে।
অস্ত্র-কাণ্ড নিয়ে বিতর্কের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদ ছাড়ার ঘোষণা, সুন্দরবনে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের এবং সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা সংক্রান্ত খবরাখবর গুরুত্ব পেয়েছে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে।
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মবের ঘটনা প্রকট হয়ে ওঠে। নির্বাচিত সরকারের সময় তা কমে আসবে মনে করা হলেও এখনও তাতে লাগাম টানা যাচ্ছে না। বরং মব একটি রাজনৈতিক চেহারা পাচ্ছে বলেই মত মানবাধিকারকর্মীদের।
সোমবার দুপুরে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেছেন, অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে তিনি কোন ভুল করেননি।
দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করেছেন বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। তাদের ছোট মেয়ের নাম দেবী পাড়ুকোন সিং।
নড়াইলের বিভিন্ন বিলে ও নিম্নাঞ্চলে ছাড়পত্র ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে মাছের ঘের খননের অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ও সরকারি বিধানের তোয়াক্কা না করে খনন করা এ সব ঘেরের কারণে জলাভূমির স্বাভাবিক পরিবেশ ও পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
লুটতরাজ, চাঁদাবাজি ও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “এসব অপরাধের জন্য ছাত্র-জনতা জুলাইয়ে রক্ত দেয়নি। ভবিষ্যতে প্রত্যেক অপরাধের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।”
নজরুল ও সুইটির বিচার চলাকালে তাদের জন্য দোভাষী বা আইনজীবীর ব্যবস্থা ছিল কি না, সে বিষয়ে নথিতে কোনো তথ্য নেই। নথিতে বলা হয়েছে, সৌদি আদালতে দোভাষীর সহায়তা দেওয়া হয়। তবে বিবাদীরা নিজেদের পছন্দমতো দোভাষী নির্বাচন করতে পারেন না।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হার, ব্যাটারদের ব্যর্থতা আর আফগানিস্তান ম্যাচের আগে সমীকরণের মারপ্যাঁচ, সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশ দল।
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকত সংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী, একমাত্র সন্তান, শ্যালক ও তিন শ্যালিকাকে হারিয়েছেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের গাজিরপাড় গ্রামের নূর আলম।
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
রাজধানীর ভাটারায় পুলিশের এক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত ডিআইজি) বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।